• ভাই এটা অ্যাপে লগইন করে কিভাবে
    কারো জানা থাকলে দয়া করে ইনবক্স করুন
    ভাই এটা অ্যাপে লগইন করে কিভাবে কারো জানা থাকলে দয়া করে ইনবক্স করুন
    0 Comments 0 Shares
  • আমার দেশের সৌন্দর্য
    আমার দেশের সৌন্দর্য
    0 Comments 0 Shares
  • হাসতে থাকুন ...

    কোনও এক দিন জীবন আপনাকে বিরক্ত করে ক্লান্ত হয়ে উঠবে।
    হাসতে থাকুন ... কোনও এক দিন জীবন আপনাকে বিরক্ত করে ক্লান্ত হয়ে উঠবে।
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 1
    1 0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • পৃথিবীর একমাত্র পূর্নাঙ্গ জীবনবিধান হলো আল কোরআন
    পৃথিবীর একমাত্র পূর্নাঙ্গ জীবনবিধান হলো আল কোরআন
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • আলাদিনে কি কেউ আছেন?
    আলাদিনে কি কেউ আছেন?
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • কাঁঠাল কন্যা!
    কাঁঠাল কন্যা!
    1
    0 Comments 0 Shares
  • রক্ত চোষা ভোট চোর সরকার,
    আর নাই দরকার।
    রক্ত চোষা ভোট চোর সরকার, আর নাই দরকার।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • ✿✿
    ✿✿
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • https://www.facebook.com/abrarulhaqueasifOfficial/videos/5785572074896090/
    https://www.facebook.com/abrarulhaqueasifOfficial/videos/5785572074896090/
    0 Comments 0 Shares
  • Hi
    Hi
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • Hi Every one
    Hi Every one
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • hiya!
    hiya!
    0 Comments 0 Shares
  • Texted
    Texted
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • Aladdin Social Site Security Issue found.
    Many people have faced the problem.
    Aladdin Social Site Security Issue found. Many people have faced the problem.
    4 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ কিভাবে ইসরাইলের মতন অপরাজিত শক্তিকে পরাজিত করে?তাদের শক্তি মূল কোথায়??যেখানে ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দেওয়া ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারলোনা উল্টো পিট দেখিয়ে জাতিসংঘের শর্ত মানতে রাজি হয়েছিল।

    এর আগের পোস্ট এ আমি ৩৩ দিনের যুদ্ধ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি এই পোস্টে মূলত হিজবুল্লার শক্তির মূল উৎস নিয়ে আলোচনা করবো।
    এককথায় হিজবুল্লার শক্তির মূল উৎস হুসাইনি চেতনা। হুসাইনী চেতনা মূলত কি?
    প্রত্যেক জাতির আলাদা আলাদা অনুপ্রেরণার ইতিহাস আছে। সেখান থেকে তারা অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকে। যেমন বাংলাদেশের ৭১ এর চেতনা ,কিউবার কমিউনিস্ট বিপ্লবী চেতনা ইত্যাদি।
    তেমনি হিজবুল্লার চেতনা হুসাইনি চেতনা। হোসাইন রা ৭০ জন থেকে ৮০ জন সৈন্য নিয়ে ৪ হাজার সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে করেছিল। তিনি জানতেন এই যুদ্ধে তিনি ১০০ % হারবেন ,কিন্তু হৃদপিণ্ডের শেষ কম্পন থাকা পর্যন্ত তিনি তার তলোয়ার মাটিতে রাখেননি,আর শত্রুর কাছে মাথা নত করেননি ।
    এটাই শিয়া মুসলিমদের চেতনা এইজন্য তারা মধ্যপ্রাচ্চের আগুন। হৃদপিণ্ডের শেষ কম্পন থাকা পর্যন্ত তারা বুলেট ছারে।

    চিন্তা করেন ২০০৬ সালে ইসরাইল কিন্তু লেবাননের সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেনি ,ইসরাইল মূলত হিজবুল্লার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় যুদ্ধ শুরু করা ইসরাইলের শাসকগোষ্ঠীর প্রধান লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহকে চিরতরে নির্মূল করা তাদের নেতাগুলোকে মেরে ফেলা বা বন্দি করা। সাথে লেবাননের দক্ষিণের কিছুটা দখল করা।
    ৩৩ দিনের যুদ্ধ ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানে এবং ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের ধারাবাহিকতা এবং এই যুদ্ধগুলির পরিপূরক ছিল, যেগুলি লেবাননের ভূগোলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। অথাৎ তারা সম্পূর্ণ প্ল্যান করে অগ্রসর হয়।
    ইসরাইল প্ল্যানমাফিক দক্ষিণ লেবাননের অংশ দখল করে নেয়।
    এই সময় হিজবুল্লাহ আর দশটা মুসলিমদেশের মতন জাতিসংগে গিয়ে কান্না কাটি করে সময় নষ্ট করেনি কারণ তারা জানতো ইসরাইল জাতিসংঘ কে মানে না।
    হিজবুল্লাহ কথিত ইসলামী সংস্থা ওআইসি এর কাছেও যায়নি।কারণ তারা ভালো করেই জানতো জানতো ওআইসির বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস।

    তারা প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেয়।
    ইসরাইল যখন লেবাননের দক্ষিণ অঞ্চল দখল করে নেয় ব্রিটেন,জার্মানি,বলে ইসরাইলের প্রতিরক্ষার অধিকার আছে ,আমেরিকা তো সরাসরি ইসরাইলকে সমর্থন করে। আর সৌদিসহ বাকি মুসলিমদেশগুলো মুনাফিকের মতন বলে আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী যুদ্ধে নয়। যেমনটি বেঞ্জমিন নেতানিয়াহু একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন যদি আরবরা তাদের সবঅস্ত্র সমর্পণ করে, শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে, এবং যদি ইহুদিরা তাদের অস্ত্র সমর্পণ করে, ইসরায়েল রাষ্ট্র বিলুপ্ত হয়ে যাবে।"এই হচ্ছে মুনাফিক মুসলিমদেশের শান্তি পক্ষের সাফাই ছিল।


    হিজবুল্লাহর পক্ষে শুধু সিরিয়া আর ইরান ছিল। তারা অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করছিলো তবে হিজবুল্লাহর যে সাহস ও মনোবল সেটা কোনো দেশ থেকে আমদানি ছিলোনা।

    ইসরাইল একটা দানব হিসেবে হিজবুল্লার উপর আক্রমণ চালায়।
    হামলার শুরুতেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান ড্যান হ্যালুটজ ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্টকে ফোন করে বলেছিলেন: “আমরা যুদ্ধে জয়ী হয়েছি। শুরুকরে ব্যাপক বোমা হামলা। ইসরাইলে যা কিছু ছিল সব লেবাননের মাটিতে ফেলে শুধু পারমাণবিক বোমা ছাড়া।নৌপথে ,আকাশ পথে এবং জমিনে সব দিকদিয়ে ধেয়ে আসে ইসরাইলিরা।
    কিন্তু আল্লাহর সৈনিকেরা ভয়পাইনি যেমনটা ভীতু ছিলেননা হুসাইন রা ইয়াজিদের চার হাজার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।

    হিজবুল্লাহ একটি গেরিলা বাহিনী তাদের কোনো ট্যাংক নেই,নেই কোনো যুদ্ধ বিমান বা নৌযান ,পক্ষান্তরে ইসরাইলের ছিল বিশ্বের সব চেয়ে আধুনিক সমরাস্ত্র ,আধুনিক ট্যাংক মারকোভা,যুদ্ধ বিমান,কি নেই তা ছাড়া ইসরাইলের ছিল যুদ্ধে প্রচুর অভিজ্ঞতা ইতি মধ্যে বাঘা বাঘা আরবদের পরাজিত করে তাদের মুখে চুলকানি মাখিয়ে দিয়েছে ইসরাইল।

    এতকিছুর পরেও হিজবুল্লাহ ইসরাইলকে ঠেকিয়ে দিয়েছিলো। ইসরাইলের মতন পাগলা কুকুরকে শিকল পরিয়েছিলো। যে ইসরাইল জাতিসংঘকে সব সময় বুরু আঙুল দেখিয়েছিলো তারাই জাতিসংঘের সব প্রস্তাব মেনে নেয়।
    হিজবুল্লাহ হয়ে উঠে প্রথম আরব দেশ যারা কিনা ইসরাইল নামক পাগলা কুকুরের গলায় শিকল পড়িয়েছে।
    33 দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাহর বিজয় এমন একটি সমীকরণ তৈরি করেছিল যা গত 15 বছরে ইহু*দিবাদী শাসকরা লেবাননের দিকে চোখ উঁচু করে তাকাতে সাহস পাইনি।

    হিজবুল্লাহ আজ আল্লাহর রহমতে অনেক শক্তিশালি। অবসরপ্রাপ্ত জা*য়নবাদী কর্নেল ইলি বার-অন এক সাক্ষাৎকারে বলেন যে 2006 সালের যুদ্ধে, যখন হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্রাগার অনেক দুর্বল ছিল, কিন্তু এখন, অনুমান অনুসারে হিজবুল্লাহর 170,000 টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট রয়েছে, সেইসাথে হিজবুল্লাহর আক্রমণকারী ড্রোনও আছে।
    ইসরায়েলের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের প্রধান জেনারেল আইজেনহাওয়ার ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে বিলম্বের কথা উল্লেখ করে হিজবুল্লাহকে ইসরায়েলের প্রধান শত্রু বলে অভিহিত করেছিলেন।

    চিন্তা করেন ইসরাইলের প্রধান শত্রু হওয়া কতটা ভাগ্যবানের কাজ। কথিত মুসলিমদেশ সৌদি ,কাতার ,তুর্কি এদের আছে অঢেল সম্পদ কিন্তু ইসরাইল এদের শত্রু হিসবে না দেখে অর্থনৈতিক ভাবে দেউলিয়া একটি দেশ লেবাননকে শত্রু হিসেবে ঘোষণা করে।

    ইয়েমেনি আনসারুল্লাহ একটি আন্দোলন হিসেবেও সক্রিয় যেটি হিজবুল্লাহর অভিজ্ঞতা এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর বিজয় দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে এবং হিজবুল্লাহর আদলে তৈরি হয়েছে। 2015 সাল থেকে, আন্দোলনটি কেবল সৌদি জোটের হিংস্র আগ্রাসনকে প্রতিহত করেনি, বরং যুদ্ধের সমীকরণকে প্রতিরক্ষামূলক থেকে আক্রমণাত্মক পরিবর্তন করতেও সফল হয়েছে এবং সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন অংশকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দ্বারা । মজার ব্যাপার হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত সৌদি জোট আনসারুল্লাহকে পরাজিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে কিন্তু সফল হয়নি। সৌদি আরব স্পষ্টভাবে বলেছে যে তারা তার দক্ষিণ সীমান্তে হিজবুল্লাহর দ্বিতীয় সংস্করণ গঠনের আশঙ্কা করছে।

    যদি বেঁচে থাকি ইয়েমেনি আনসারুল্লাহ কে নিয়ে পরবর্তীতে পোস্ট দেব ইনশাল্লাহ
    ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ কিভাবে ইসরাইলের মতন অপরাজিত শক্তিকে পরাজিত করে?তাদের শক্তি মূল কোথায়??যেখানে ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দেওয়া ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারলোনা উল্টো পিট দেখিয়ে জাতিসংঘের শর্ত মানতে রাজি হয়েছিল। এর আগের পোস্ট এ আমি ৩৩ দিনের যুদ্ধ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি এই পোস্টে মূলত হিজবুল্লার শক্তির মূল উৎস নিয়ে আলোচনা করবো। এককথায় হিজবুল্লার শক্তির মূল উৎস হুসাইনি চেতনা। হুসাইনী চেতনা মূলত কি? প্রত্যেক জাতির আলাদা আলাদা অনুপ্রেরণার ইতিহাস আছে। সেখান থেকে তারা অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকে। যেমন বাংলাদেশের ৭১ এর চেতনা ,কিউবার কমিউনিস্ট বিপ্লবী চেতনা ইত্যাদি। তেমনি হিজবুল্লার চেতনা হুসাইনি চেতনা। হোসাইন রা ৭০ জন থেকে ৮০ জন সৈন্য নিয়ে ৪ হাজার সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে করেছিল। তিনি জানতেন এই যুদ্ধে তিনি ১০০ % হারবেন ,কিন্তু হৃদপিণ্ডের শেষ কম্পন থাকা পর্যন্ত তিনি তার তলোয়ার মাটিতে রাখেননি,আর শত্রুর কাছে মাথা নত করেননি । এটাই শিয়া মুসলিমদের চেতনা এইজন্য তারা মধ্যপ্রাচ্চের আগুন। হৃদপিণ্ডের শেষ কম্পন থাকা পর্যন্ত তারা বুলেট ছারে। চিন্তা করেন ২০০৬ সালে ইসরাইল কিন্তু লেবাননের সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেনি ,ইসরাইল মূলত হিজবুল্লার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় যুদ্ধ শুরু করা ইসরাইলের শাসকগোষ্ঠীর প্রধান লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহকে চিরতরে নির্মূল করা তাদের নেতাগুলোকে মেরে ফেলা বা বন্দি করা। সাথে লেবাননের দক্ষিণের কিছুটা দখল করা। ৩৩ দিনের যুদ্ধ ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানে এবং ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের ধারাবাহিকতা এবং এই যুদ্ধগুলির পরিপূরক ছিল, যেগুলি লেবাননের ভূগোলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। অথাৎ তারা সম্পূর্ণ প্ল্যান করে অগ্রসর হয়। ইসরাইল প্ল্যানমাফিক দক্ষিণ লেবাননের অংশ দখল করে নেয়। এই সময় হিজবুল্লাহ আর দশটা মুসলিমদেশের মতন জাতিসংগে গিয়ে কান্না কাটি করে সময় নষ্ট করেনি কারণ তারা জানতো ইসরাইল জাতিসংঘ কে মানে না। হিজবুল্লাহ কথিত ইসলামী সংস্থা ওআইসি এর কাছেও যায়নি।কারণ তারা ভালো করেই জানতো জানতো ওআইসির বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। তারা প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেয়। ইসরাইল যখন লেবাননের দক্ষিণ অঞ্চল দখল করে নেয় ব্রিটেন,জার্মানি,বলে ইসরাইলের প্রতিরক্ষার অধিকার আছে ,আমেরিকা তো সরাসরি ইসরাইলকে সমর্থন করে। আর সৌদিসহ বাকি মুসলিমদেশগুলো মুনাফিকের মতন বলে আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী যুদ্ধে নয়। যেমনটি বেঞ্জমিন নেতানিয়াহু একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন যদি আরবরা তাদের সবঅস্ত্র সমর্পণ করে, শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে, এবং যদি ইহুদিরা তাদের অস্ত্র সমর্পণ করে, ইসরায়েল রাষ্ট্র বিলুপ্ত হয়ে যাবে।"এই হচ্ছে মুনাফিক মুসলিমদেশের শান্তি পক্ষের সাফাই ছিল। হিজবুল্লাহর পক্ষে শুধু সিরিয়া আর ইরান ছিল। তারা অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করছিলো তবে হিজবুল্লাহর যে সাহস ও মনোবল সেটা কোনো দেশ থেকে আমদানি ছিলোনা। ইসরাইল একটা দানব হিসেবে হিজবুল্লার উপর আক্রমণ চালায়। হামলার শুরুতেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান ড্যান হ্যালুটজ ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্টকে ফোন করে বলেছিলেন: “আমরা যুদ্ধে জয়ী হয়েছি। শুরুকরে ব্যাপক বোমা হামলা। ইসরাইলে যা কিছু ছিল সব লেবাননের মাটিতে ফেলে শুধু পারমাণবিক বোমা ছাড়া।নৌপথে ,আকাশ পথে এবং জমিনে সব দিকদিয়ে ধেয়ে আসে ইসরাইলিরা। কিন্তু আল্লাহর সৈনিকেরা ভয়পাইনি যেমনটা ভীতু ছিলেননা হুসাইন রা ইয়াজিদের চার হাজার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। হিজবুল্লাহ একটি গেরিলা বাহিনী তাদের কোনো ট্যাংক নেই,নেই কোনো যুদ্ধ বিমান বা নৌযান ,পক্ষান্তরে ইসরাইলের ছিল বিশ্বের সব চেয়ে আধুনিক সমরাস্ত্র ,আধুনিক ট্যাংক মারকোভা,যুদ্ধ বিমান,কি নেই তা ছাড়া ইসরাইলের ছিল যুদ্ধে প্রচুর অভিজ্ঞতা ইতি মধ্যে বাঘা বাঘা আরবদের পরাজিত করে তাদের মুখে চুলকানি মাখিয়ে দিয়েছে ইসরাইল। এতকিছুর পরেও হিজবুল্লাহ ইসরাইলকে ঠেকিয়ে দিয়েছিলো। ইসরাইলের মতন পাগলা কুকুরকে শিকল পরিয়েছিলো। যে ইসরাইল জাতিসংঘকে সব সময় বুরু আঙুল দেখিয়েছিলো তারাই জাতিসংঘের সব প্রস্তাব মেনে নেয়। হিজবুল্লাহ হয়ে উঠে প্রথম আরব দেশ যারা কিনা ইসরাইল নামক পাগলা কুকুরের গলায় শিকল পড়িয়েছে। 33 দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাহর বিজয় এমন একটি সমীকরণ তৈরি করেছিল যা গত 15 বছরে ইহু*দিবাদী শাসকরা লেবাননের দিকে চোখ উঁচু করে তাকাতে সাহস পাইনি। হিজবুল্লাহ আজ আল্লাহর রহমতে অনেক শক্তিশালি। অবসরপ্রাপ্ত জা*য়নবাদী কর্নেল ইলি বার-অন এক সাক্ষাৎকারে বলেন যে 2006 সালের যুদ্ধে, যখন হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্রাগার অনেক দুর্বল ছিল, কিন্তু এখন, অনুমান অনুসারে হিজবুল্লাহর 170,000 টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট রয়েছে, সেইসাথে হিজবুল্লাহর আক্রমণকারী ড্রোনও আছে। ইসরায়েলের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের প্রধান জেনারেল আইজেনহাওয়ার ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে বিলম্বের কথা উল্লেখ করে হিজবুল্লাহকে ইসরায়েলের প্রধান শত্রু বলে অভিহিত করেছিলেন। চিন্তা করেন ইসরাইলের প্রধান শত্রু হওয়া কতটা ভাগ্যবানের কাজ। কথিত মুসলিমদেশ সৌদি ,কাতার ,তুর্কি এদের আছে অঢেল সম্পদ কিন্তু ইসরাইল এদের শত্রু হিসবে না দেখে অর্থনৈতিক ভাবে দেউলিয়া একটি দেশ লেবাননকে শত্রু হিসেবে ঘোষণা করে। ইয়েমেনি আনসারুল্লাহ একটি আন্দোলন হিসেবেও সক্রিয় যেটি হিজবুল্লাহর অভিজ্ঞতা এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর বিজয় দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে এবং হিজবুল্লাহর আদলে তৈরি হয়েছে। 2015 সাল থেকে, আন্দোলনটি কেবল সৌদি জোটের হিংস্র আগ্রাসনকে প্রতিহত করেনি, বরং যুদ্ধের সমীকরণকে প্রতিরক্ষামূলক থেকে আক্রমণাত্মক পরিবর্তন করতেও সফল হয়েছে এবং সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন অংশকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দ্বারা । মজার ব্যাপার হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত সৌদি জোট আনসারুল্লাহকে পরাজিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে কিন্তু সফল হয়নি। সৌদি আরব স্পষ্টভাবে বলেছে যে তারা তার দক্ষিণ সীমান্তে হিজবুল্লাহর দ্বিতীয় সংস্করণ গঠনের আশঙ্কা করছে। যদি বেঁচে থাকি ইয়েমেনি আনসারুল্লাহ কে নিয়ে পরবর্তীতে পোস্ট দেব ইনশাল্লাহ
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • ✯ ✯ ✯ কুরআনের গানিতিক বিস্ময় ✯ ✯ ✯
    ১। আরবীতে “বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” লিখতে ঠিক
    ১৯
    টা হরফ লাগে ।
    ২। পবিত্র কুরআন শরীফে মোট
    ১১৪টি সূরা আছে । ১১৪
    সংখ্যাটি ১৯
    দিয়ে বিভাজ্য (১১৪=১৯x৬)।
    ৩। প্রথম যে সূরাটি (সূরা আলাক)
    নাযিল হয় তার অবস্থান শেষের
    দিক
    থেকে ১৯ তম।
    ৪। প্রথম যে পাঁচটি আয়াত
    (সূরা আলাকের) নাযিল হয়
    তাতে ঠিক
    ১৯ টি শব্দ আছে।
    ৫। সূরা আলাকে মোট আয়াত
    আছে ১৯টি।
    আর এই ১৯ আয়াতে আছে মোট
    ২৮৫টি শব্দ
    যা কিনা বিস্ময়করভাবে ১৯
    দিয়ে নিঃশেষে ভাগ করা যায়
    (২৮৫=১৯x১৫)।
    ৬। নাযিলকৃত দ্বিতীয় সূরাটির
    (সূরা আল-কালাম, কুরআনে অবস্থান
    ৬৮তম) শব্দসংখ্যা ৩৮(১৯x২)টি।
    ৭। নাযিলকৃত তৃতীয় সূরাটির
    (সূরা আল-
    মুজাম্মিল, পবিত্র কুরআন
    শরীফে অবস্থান ৭৩তম)
    শব্দসংখ্যা ৫৭(১৯x৩)টি।
    ৮। আবার সব শেষে নাযিল
    হওয়া ‘সূরা আন-নাসর’ এ আছে মোট
    ১৯টি শব্দ। আর এই সূরার প্রথম
    আয়াতে (মহান আল্লাহ্ পাক উনার
    কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে এই
    আয়াতে) আছে ঠিক ১৯টি হরফ।
    ৯। পবিত্র কুরআন শরীফে ‘আল্লাহ্’
    নাম
    মুবারক উল্লেখ করা হয়েছে মোট
    ১৩৩
    বার
    যা কিনা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য
    (১৩৩=১৯x৭)।
    ১০- পবিত্র কুরআন শরীফে মোট
    তিরিশটি পূর্ণসংখ্যার উল্লেখ
    আছে যাদের যোগফল ১৯
    দিয়ে বিভাজ্য।
    1 +2 +3 +4 +5 +6 +7 +8 +9 +10 +11 +
    12 +19 +20 +30 +40 +50 +60 +70 +80
    +
    99 +100 +200 +300 +1000 +2000 +
    3000
    +5000 +50000 +100000 =162,146 (19
    x
    8534)
    ১১। আর দশমিক ভগ্নাংশ আছে মোট
    ৮টি 1/10, 1/8, 1/6, 1/5, 1/4, 1/3, 1/2
    এবং 2/3. তাহলে পবিত্র কুরআন
    শরীফে মোট ৩৮ টি সংখ্যার
    উল্ল্যেখ
    আছে (৩৮=১৯x২)।
    ১২। ১১৩টি সূরার
    আগে “বিসমিল্লাহির রাহমানির
    রাহিম” আছে । শুধুমাত্র সূরা আত-
    তাওবা এর আগে “বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” নেই । আর
    সূরা আন-
    নামল এর
    আগে আছে “বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” দুইবার
    তাহলে কুরআনে “বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” আছে মোট
    ১১৪(১৯
    x৬) বার। সূরা আত- তাওবা কে প্রথম
    ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার
    দিকে যেতে থাকেন
    তবে সূরা আন-নামল
    পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে! আরও একটু
    অবাক হওয়া যাক, ১৯ এর গুনিতক-তম
    সূরার আয়াতগুলির
    (“বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” সহ) যোগফলও ১৯
    এর গুনিতক মানে ১৯
    দিয়ে বিভাজ্য!
    পবিত্র কুরআন শরীফে সূরার অবস্থান
    আয়াত সংখ্যা
    ১৯x১= ১৯তম সূরা ৯৯
    ১৯x২= ৩৮তম সূরা ৮৯
    ১৯x৩= ৫৭তম সূরা ৩০
    ১৯x৪= ৭৬তম সূরা ৩২
    ১৯x৫= ৯৫তম সূরা ৯
    ১৯x৬= ১১৪তম সূরা ৭
    =২৬৬(১৯x৪)
    ১৩। প্রথম দিক থেকে হিসেব
    করে যেতে থাকলে ১৯ আয়াত
    সম্বলিত
    প্রথম সূরা হচ্ছে সূরা আল- ইনফিতার।
    এই সুরাটির শেষ শব্দ হল ‘আল্লাহ্’।
    আপনি যদি শেষের দিক
    হতে আল্লাহ্
    শব্দটি গুনে গুনে আসতে থাকেন
    তাহলে সূরা আল-ইনফিতারের
    শেষের
    ‘আল্লাহ্’ শব্দের অবস্থান হবে একদম
    ঠিক ১৯তম স্থানে!
    ১৪। ৫০ এবং ৪২তম সূরার প্রত্যেকেই
    শুরু হয়েছে কাফ দিয়ে। অবাক হবেন
    সূরা দুটির প্রত্যেকটিতে মোট
    কাফের
    সংখ্যা(৫৭=১৯ x৩) সমান। আবার ৫০তম
    সূরায় আয়াত আছে ৪৫টি, যোগ করুন
    ৫০+৪৫= ৯৫(১৯ x৫)। একইভাবে ৪২তম
    সূরায় আয়াত আছে ৫৩টি, ৪২+৫৩=
    ৯৫(১৯ x৫)।
    ৫০তম সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ ৪২তম
    সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ ৫০তম
    সূরা ৪৫টি আয়াত ৫০+৪৫= ৯৫(১৯ x৫)
    ৪২তম সূরা ৫৩টি আয়াত ৪২+৫৩= ৯৫(১৯
    x৫) আবার পুরো কুরআন শরীফে কাফ
    হরফটি আছে মোট ৭৯৮ বার
    যা কিনা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য
    এবং ভাগফল হয় ৪২ – আর দেখতেই
    পেয়েছি যে ৪২ তম সুরাটি শুরুও
    হয়েছে কাফ দিয়ে । শুধু কাফ
    না ‘নুন’
    হরফটির ক্ষেত্রেও এরকম বেপার
    আছে।
    যেমন নুন দিয়ে যে সূরাটি শুরু
    হয়েছে তাতে নুনের মোট
    সংখ্যাও(১৩৩)
    ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১৩৩= ১৯x৭)।
    সূরা আত-তাওবা কে প্রথম
    ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার
    দিকে যেতে থাকেন
    তবে সূরা আন-নামল
    পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে! পবিত্র
    কুরআন শরীফে সূরা আল-
    মুদ্দাসিরের ৩০
    নম্বর আয়াতে চ্যালেঞ্জ
    করে বলা আছে “There are nineteen in
    charge of it.” (Qur’an, 74:30) ।
    অর্থাৎ ১৯ সংখ্যাটি এর
    দায়িত্তে আছে। অর্থাৎ কেউ
    ইচ্ছা করলেই কুরআনকে বিকৃত
    করতে পারবে না। ১৯ এর বেপার
    গুলো হিসেব করলেই সব বের
    হয়ে আসবে এটাকে কেউ বিকৃত
    করেছে কিনা!
    যারা কোরআন নিয়ে সন্দেহ
    প্রকাশ
    করে তাদের জন্য এই তথ্যই যথেষ্ট
    যা বুঝার বুঝে নেওয়ার।
    ইনশাআল্লাহ মহাশক্তিধর আল্লাহ্
    পাক
    তিনি নিজেই যে এর রক্ষক, কেউ
    চাইলেই সেটার মর্যাদা বিনষ্ট
    করতে পারবে না।
    কোরআনে অনেক জায়গায়ই একের সংগে
    অন্যের তুলনা উপস্থিত করা হয়েছে। এ তুলনা
    উপস্থিত করার ব্যাপারে একটি অবিশ্বাস্য মিল লক্ষ্য
    করা গেছে এবং তা হচ্ছে – সে দুটি নাম অথবা
    বস্তুকে আল্লাহ তায়ালা তার কিতাবে সমান সংখ্যাতেই
    উল্লেখ করেছেন। যেমন কোরআন
    শরীফে সূরা ‘আলে ইমরান’ – এর ৫৯ নম্বর
    আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন , ‘আল্লাহ তায়ালার
    কাছে ঈসার তুলনা হচ্ছে আদমের মতো।’
    এটা যে সত্য তা আমরা বুঝতে পারি । কারণ, এদের
    কারোরই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জন্ম হয়নি। আদম (আ.)
    এর মাতাও ছিলো না, পিতাও ছিলো না এবং ঈসা (আ.)
    এর ও পিতা ছিলোনা। এখন এই তুলনাটি যে কত সত্য
    তার প্রমান পাওয়া যায় যখন আমরা কোরআন
    শরীফে এ দুটি নামের মোট সংখ্যা অনুসন্ধান করি।
    দেখা যাচ্ছে, কোরআন শরীফে ঈসা (আ.) এর
    নামটি যেমন পঁচিশ বার এসেছে , তেমনি আদম
    (আ.) এর নামটিও এসেছে পঁচিশ বার।
    কোরআনের বাণীগুলো যে মানুষের নয় তা
    বোঝা যায় এদুটি নামের সংখ্যার সমতা দেখে।
    আল্লাহ তায়ালা যেহেতু বলেছেন , এ দুটো
    একই রকম। তাই সেগুলোর সংখ্যা গণনাও ঠিক একই
    রকম রাখা হয়েছে।
    এ তুলনার ক্ষেত্রে আরেকটি অলৌকিক বিষয়
    হলো, যেখানে তুলনাটি অসম সেখানে সংখ্যা
    দুটিকেও অসম রাখা হয়েছে। যেমন,
    কোরআনে বলা হয়েছে , ‘সুদ’ এবং ‘বাণিজ্য’
    এক নয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি, এ শব্দ দুটির একটি
    কোরআনে এসেছে ছয় বার এবং অন্যটি
    এসেছে সাত বার।
    বলা হয়েছে , জান্নাতের অধিবাসী আর
    জাহান্নামের অধিবাসী সমান নয়’। জান্নাতের সংখ্যা
    হচ্ছে আট আর জাহান্নামের সংখ্যা হচ্চে সাত। কিন্তু
    ‘জান্নাত’ ও ’জাহান্নাম’ শব্দ দুটো কিন্ত একই রকম
    এসেছে, মোট ৭৭ বার করে ।
    ঠিক তেমনি ভাবে ‘কাজ’ এর পরিনাম হচ্ছে ‘বিনিময়’ ,
    তাই দুটো শব্দ এসেছে ১০৭ বার করে ।
    কাউকে ভালোবাসলে তার আনুগত্য করা যায়, তাই
    এ দুটো শব্দও কোরআনে সমান সংখ্যক অর্থাৎ
    ৮৩ বার করে উল্লেখ করা হয়েছে।
    ‘নারী ও পুরুষ’ – যে আল্লাহ তায়ালার কাছে সমান তা
    কোরআনে এই শব্দ দুটোর সমান সংখ্যা
    থেকেই আমরা বুঝতে পারি। কোরআনে এ
    দুটো শব্দ এসেছে ২৪ বার করে । আরেকটি
    অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, নর নারীর সম্মিলিত ‘এগ’ ও
    ‘স্পারম’ দিয়ে মানব শিশুর যে ক্রোমোজম তৈরী
    হয় সে বিষয়টি, এর মোট সংখ্যা ৪৬। (২৩ নারী আর
    ২৩ নর মিলে এর সংখ্যা হয় ৪৬)
    সূরা ‘আরাফ’- এ, এক আয়াতে আছে ‘যারা আমার
    স্পষ্ট আয়াত সমূহ অস্বীকার করে তাদের উদাহরণ
    হচ্ছে কুকুরের মত’। বিস্ময়ে হতবাক হয়ে
    যেতে হয় যখন আমরা দেখি , ‘যারা আমার সুস্পষ্ট
    আয়াতকে অস্বীকার করে’ এ বাক্যটি
    কোরআনে সর্বমোট পাঁচবার এসেছে ।
    যেহেতু তাদের উদাহরণ দেয়া হয়েছে
    কুকুরের সাথে , তাই সমগ্র কোরআনে ‘আল
    কালব’ তথা কুকুর শব্দটাও এসেছে পাঁচবার ।
    ‘সাবয়া সামাওয়াত’ কথটির অর্থ হলো ‘সাত আসমান’ ।
    আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোরআনে এ ‘সাত
    আসমান’ কথাটা ঠিক সাত বারই এসেছে । ‘খালকুস
    সামাওয়াত’ – আসমান সমূহের সৃষ্টির কথাটাও সাত বার
    এসেছে, সম্ভবত আসমান সাতটি তাই। ‘সাবয়াতু
    আইয়াম’ মানে ৭ দিন । এ কথাটাও কোরআনে
    সাতবার এসেছে। ‘সালাওয়াত’ শব্দটি সালাত এর
    বহুবচন । কোরআনে সালাওয়াত শব্দটি ৫ বার
    এসেছে, সম্ভবত ৫ বার নামাজ ফরজ হওয়ার কারণে
    এটা এভাবে বলা হয়েছে।
    কোরআনের অংকগত মোজেযা এখানেই শেষ
    নয়।
    ‘দুনিয়া ও আখেরাত’ এ দুটি কথাও কোরআনে সমান
    সংখ্যায় এসেছে, অর্থাৎ সর্বমোট ১১৫ বার
    করে।
    ‘ঈমান ও কুফর’ শব্দ দু’টোও সমপরিমান বলা
    হয়েছে, অর্থাৎ ২৫বার করে।
    ‘উপকার ও ক্ষতি’ সমভাবে এসেছে ৫০ বার করে।
    ঠিক একইভাবে ‘শান্তি’ ও ‘অশান্তি’ শব্দটি এসেছে
    ১৩ বার করে।
    ‘গরম ও ঠান্ডা’ যেহেতু দুটো বিপরীতমুখী ঋতু
    তাই এশব্দ দু’টো কোরআনে সমান সংখ্যক অর্থাৎ
    ৫ বার করে এসেছে। ‘সূর্য’ আলো দেয়
    বলে দুটো শব্দই কোরআনে সমান সংখ্যায়
    এসেছে, ৩৩ বার করে।
    কাজ করলে কাজের পুরস্কার দেয়া হবে বলেই
    সম্ভবত ‘কাজ করা’ ও ‘পুরস্কার’ শব্দটি এসেছে
    ১০৮ বার করে।
    আরবী ভাষায় ‘কুল’ মানে ‘বলো’ তার জবাবে বলা
    হয় ‘কালু’ মানে ‘তারা বললো’ । সমগ্র
    কোরআনে এদুটো শব্দও সমান সংখ্যক, অর্থাৎ
    ৩৩২ বার করে এসেছ।
    ‘বক্তৃতা’ বা ‘ভাষণ’ ‘মুখ’ থেকে আসে তাই তাই
    উভয় শব্দ এসেছে ২৫ বার করে।
    আর রাসূল শব্দটি এসেছে ৫০ বার, আর যাদের
    কাছে রাসুলদের পাঠানো হয়েছে সে মানুষের
    কথাও এসেছে ৫০ বার। পুনরাবৃত্তিসহ কোরআনে
    সব নবীদের নাম এসেছে ৫১৩ বার। বিস্ময়ের
    ব্যাপার রসূল শব্দের মূল ধাতু অর্থাৎ ‘রেসালাহ’
    শব্দটিও কোরাআনে ৫১৩ বার এসেছে।
    জিহবা দিয়ে মানুষ বক্তৃতা দেয় বলে, ‘জিহবা’ ও
    ‘বক্তৃতা’ শব্দটি সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৫০ বার করে
    এসেছে।
    মানুষ যখন জনগনের নিকট থাকে তখন স্বাভাবিক
    ভাবেই তাকে একটু জোরে কথা কলতে হয়, তাই
    কোরআনে ‘জোরে কথা বলা’ ও ‘জনগনের
    সামনে’ এ উভয়টাই এসেছে ১৬ বার করে।
    আলোর সাথে সম্পর্ক মানুষের মানুষের
    মনের। মনে আলো জ্বললেই তা দিয়ে দুনিয়ায়
    আলো ছড়ানো যায়। এ কারনেই সম্ভবত ‘মন’ ও
    ‘আলো’ শব্দ দুটি কোরআনে একই সংখ্যায়
    এসেছে, মোট ৪৯ বার করে।
    আল্লাহ তায়ালা ‘বিপদে’ ‘শোকর’ আদায় করতে
    বলেছেন, তাই এই উভয় শব্দই এসেছে ৭৫ বার
    করে।
    আল্লাহর ‘রহমত’ হলে ‘হেদায়েত’ আসে তাই
    এই শব্দ দুটো ও সমান সংখ্যায় এসেছে, ৭৯ বার
    করে।
    কোরআনে ‘খেয়ানত’ শব্দটি এসেছে ১৬ বার ,
    আর যে খেয়ানত করে সে একজন ‘খবিস’ কিংবা
    খারপ লোক , তাই এ শব্দটি ও এসেছে ১৬ বার।
    ‘মালাকুন’ কিংবা ‘মালায়েকা’ মানে ফেরেশতা কিংবা
    ফেরেশতারা। কোরআনে এটি এসেছে ৮৮ বার
    – একইভাবে ফেরেশতার চির শত্রু ‘শয়তান’ কিংবা
    ‘শায়াতীন’ এটি ও এসেছে ৮৮ বার।
    আবার ‘আল খাবিস’ মানে অপবিত্র, ‘আত তাইয়েব’
    মানে পবিত্র, সমগ্র কোরআনে এদুটি শব্দমোট
    ৭ বার করে , অর্থাৎ একই সংখ্যায় নাজিল হয়েছে।
    প্রশ্ন জাগতে পারে দুনিয়ায় ভালোর চাইতে মন্দ
    তো বেশি, এখানে দুটো শব্দ সমান রাখা হল
    কিভাবে? এ কথার জবাবের জন্য কোরআনের
    ‘সূরা আনফালের ৩৭ নং আয়াতটির দিকে লক্ষ করা
    যাক। এখানে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,
    ‘অপবিত্রকে পবিত্র থেকে আলাদা করার জন্য তিনি
    অপবিত্রকে একটার ওপর আরেকটা রেখে তাকে
    পুঞ্জীভূত করেন এবং সেগুলোকে
    জাহান্নামের আগুনে ফেলে দেনে।’ এত বুঝা
    যায় , যদিও পাপ পুণ্য’ সমান সংখ্যায় এসেছে , কিন্তু ‘
    পুঞ্জীভূত ’ করা দিয়ে তার পরিমাণ যে বেশি তা
    বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
    ‘ইয়াওমুন’ মানে ‘দিন’ সমগ্র কোরআনে এ শব্দটি
    ৩৬৫ বার উল্লেখ করা হয়েছে। বছরে যে
    ৩৬৫দিন এটা কে না জানে। ইয়াওমুন শব্দের বহুবচন
    ‘আইয়াম’ মানে দিন সমূহ, এ শব্দটি এসেছে ৩০ বার।
    আরবী ভাষায় চাঁদ হচ্ছে মাসের সূত্র সুচক, গড়ে
    বছরের প্রতি মাসে ৩০ দিন , আর এটাই হচ্ছে
    চন্দ্র বছরের নিয়ম। হতবাক হতে হয় যখন দেখি
    , চাদের আরবী প্রতিশব্দ ‘কামার’ শব্দটি
    কোরআনে মোট ৩০ বারই এসেছে। ‘শাহরুন’
    মানে মাস, কোরআন মাজিদে এ শব্দটি এসেছে
    মোট ১২ বার। ‘সানাতুন’ মানে বছর, কোরআনে
    এ শব্দটি এসেছে ১৯ বার। কারণ হিসেবে আমরা
    সম্প্রতি আবিস্কৃত গ্রীক পন্ডিত মেতনের
    মেতনীয় বৃত্তের’ কথা উল্লেখ করতে পারি।
    তিনিই প্রথমে এ তত্ব আবিস্কার করেন যে, প্রতি
    ১৯ বছর পর সূর্য ও পৃথিবী একই বৃত্তে অবস্থান
    করে। কোরআনের আরেকটি বিষ্ময়কর শব্দ
    হচ্ছে ‘রাত’ ও ‘রাতগুলো’ – এ উভয় সংখ্যা
    কোরআনে এসেছে ‘সর্বমোট ৯২ বার , আর
    কোরআনে ‘ আল লাইল’ অর্থাৎ রাত নামের সূরাটির
    ক্রমিক সংখ্যাও হচ্ছে ৯২।
    কোরআনে চাঁদ শব্দটি সর্বমোট ২৭ স্থানে
    এসেছে। আশ্চয্যের বিষয় হচ্ছে , চাঁদ
    পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষীন করতে সময়
    লাগে ঠিক ২৭.০৩ দিন অর্থাৎ ২৭ দিন ৭ ঘন্টা ৪৩ মিনিট।
    কোরআনে ‘ফুজ্জার’ পাপী শব্দটি যতবার
    এসেছে, ‘আবরার’ পুণ্যবান শব্দটি তার দ্বিগুন
    এসেছে। অর্থাৎ ‘ ফুজ্জার’ ৩ বার আর ‘আবরার’ ৬
    বার। এর কারণ হচ্ছে , আল্লাহ তায়ালা সব সময় শাস্তির
    তুলনায় পুরস্কারের পরিমান দ্বিগুণ কওে দেবেন
    বলে ওয়াদা করেছেন।
    কোরআনের সূরা সাবা’র ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ
    তায়ালা বলেছেন- এ ধবনের লোকদের জন্য
    (কেয়ামতে) দ্বিগুন পুরস্কারের ব্যবস্থা থাববে।
    এটা হচ্ছে বিনিময় সে কাজের যা তারা দুনিয়য় করে
    এসেছে ’। এ কারণেই দেখা যায় , গোটা
    কোরআনে ‘পাপী’ ও ‘পুণ্যবান’ শব্দের
    মতো , ‘আযাব’ শব্দটি যতোবর এসেছে ‘সওয়াব’
    শব্দটি তার দ্বিগুন এসেছে।
    কোরআনে একাধিক জায়গায় আল্লাহ তায়ালা
    বলেছেন – আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় করলে
    তিনি তার বিনিময় বাড়িয়ে দেবেন। সম্ভবত এ
    কারণেই কোরআনে ‘গরীবী’ শব্দটি
    এসেছে ১৩ বার, আর তার বিপরীতে ‘প্রচুর্য’
    শব্দটি এসেছে ২৬ বার। কোরআনে স্থলভাগ
    এসেছে ১৩ বার আর ‘জলভাগ’ এসেছে ৩২ বার।
    উভয়টা মিলে সংখ্যা দাড়ায় ৪৫, আর এ সংখ্যাকে ১৩
    দিয়ে ভাগ করলে দাঁড়ায় ২৯(২৮.৮৮৮৮৮৮৮৮৮৯%),
    আবার ৩২ দিয়ে ভাগ করলে দাঁড়ায়
    ৭১(৭১.১১১১১১১১১১%), আর এটাই হচ্ছে এই
    গ্রহের জল ও স্থল ভাগের সঠিক আনুপাতিক হার।
    কোরআন কারীমের বিভিন্ন জায়গায় এভাবে
    গাণিতিক সংখ্যার অদ্ভতু মিল দেখে যে কোনো
    কোরআন পাঠকই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে ভাবতে
    থাকে, এটা নিসন্দেহে কোন মানুষের কথা নয়।
    কোন একটা কাজ করলে তার যে অবশ্যম্ভাবী
    ফল দাঁড়াবে তার উভয়টিকে আশ্চর্যজনকভাবে সমান
    সংখ্যায় বর্ণনা করা হয়েছে। ‘গাছের চারা’ উৎপাদন
    করলে ‘গাছ’ হয়। তাই এ দুটো শব্দই এসেছে ২৬
    বার করে।
    কোন মানুষ ’হেদায়াত’ পেলে তার প্রতি ‘রহমত’
    বর্ষিত হয় , তাই এ দুটো শব্দ কোরআনে
    এসেছে ৭৯ বার করে। হেদায়াত; এর অপরিহার্য
    পরিনাম হচ্ছে ‘মউত’ এ শব্দ দুটোও এসেছে
    ১৬ বার বরে।
    আল্লাহ তায়ালা বলেছেন ‘যাকাত’ দিলে ‘বরকত’
    আসে, তাই কোরআনে কারীমে‘ যাকাত’ শব্দ
    এসেছে ৩২ বার ‘বরকত’ শব্দও এসেছে ৩২ বার।
    ‘আবদ’ মানে গোলামী করা, আর ‘আবীদ’
    মানে গোলাম। গোলামের কাজ গোলামী করা ,
    তাই কোরআনে এই উভয় শব্দই এসেছে ১৫২
    বার করে।
    মানুষ ’সৃষ্টি’ কথাটা এসেছে ১৬ বার, আর মানুষ
    সৃষ্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘এবাদত’ তাই এ শব্দটিও
    এসেছে ১৬ বার।
    ‘নেশা’ করলে মাতাল হয় , তাই এ দুটো শব্দও
    এসেছে ৬ বার করে। প্রতিটি ‘দুঃখ কষ্টে’
    আল্লাহ তায়ালা মানুষের ধৈর্য ধরতে বলেছেন –
    কোরআনে এই উভয় শব্দেই এসেছে ১০২ বার
    করে।
    ‘উপকার’ ও ’ক্ষতি’ এসেছে ৫০ বার করে। আল্লাহ
    তায়ালা আমাদের শয়তান থেকে আশ্রয় চাইতে
    বলেছেন, সম্ভবত এই কারনে কোরআনে
    যতোবার ‘শয়তানের’ নাম এসেছে ঠিক
    ততোবারই ‘আশ্রয় চাওয়ার’ কথাও এসেছে,
    অর্থাৎ উভয়টাই ১১ বার করে এসেছে।
    আর মাত্র ৩ টি রহস্যের কথা বলে আমরা ভিন্ন
    দিকে অগ্রসর হবো।
    সূরা আল কাহফে গুহাবাসীরা কতোদিন সেখানে
    অবস্থান করেছে সে ব্যাপারে কোরআন
    মাজীদে বলেছে, ‘তারা তাদের (এ) গুহায়
    কাটিয়েছে মোট ৩০০ বছর, তারা (এর সাথে)
    যোগ করেছে আরো ৯ বছর’। প্রশ্ন হচ্ছে
    এভাবে দু’ভাগে না বলে আল্লাহ তায়ালা সংখ্যাটা
    একেত্রেও তো বলতে পারতেন। অর্থাৎ
    এভাবেও বলা যেতো যে, ‘তারা সেখানে ৩০৯
    বছর কাটিয়েছে’। কোরআনের এ আয়াত নাযিল
    হওয়ার সময় কেউ সৌর গণনা ও চন্দ্র গণনার বিষয়টি
    জানতো না। পরে দুনিয়ার মানুষেরা জেনেছে
    যে, চন্দ্র মাস সৌর মাসের চাইতে ১১ দিন কম। প্রতি
    বছরে ১১ দিনের এই তফাৎটা হিসাব করলে সময়টা
    হবে ঠিক ৯ বছর। অপর কথায় গুহায় তাদের
    অবস্থানের সময়টা সৌর গণনার হিসাবে হচ্ছে ৩০০
    বছর, আর চন্দ্র মাস হিসেবে হবে ৩০৯ ।
    কোরআন এই উভয় হিসাবটাই উৎসাহী পাঠকদের
    সামনে সুন্দর করে বর্ণনা করেছে।
    কোরআনে ‘ইনসান’ শব্দটি এসেছে ৬৫ বার।
    এবার ইনসান বানাবার উপকরণগুলোকে
    কোরআনের বিভিন্ন জায়গা থেকে যোগ করে
    মিলিয়ে দেখা যাক। প্রথম উপাদান ‘তোরাব’ (মাটি)
    শব্দটি এসেছে ১৭ বার, দ্বিতীয় উপাদান
    ‘নুতফা’ (জীবনকণা) শব্দ এসেছে ১২ বার,
    তৃতীয় উপাদান ‘আলাক’ (রক্তপিন্ড) শব্দ
    এসেছে ৬ বার, চতুর্থ উপাদান
    ‘মোগদা’ (মাংসপিন্ড) এসেছে ৩ বার। পঞ্চম
    উপাদান হচ্ছে ‘লাহম’ (হাড়) , এটি এসেছে ১৫ বার।
    সর্বশেষ উপাদান হচ্ছে ‘লাহম’ (গোশত) , এ
    শব্দটি এসেছে ১২ বার। কোরআনে উল্লিখিত
    (সূরা হজ্জ ৫)- এ উপাদানগুলো যোগ করলে
    যোগফল হবে ঠিক ৬৫। আর এসব উপাদান দিয়ে
    যে ‘ইনসান’ বানানো হয়েছে তাও কোরআনে
    ঠিক ৬৫ বারই উল্লেখে করা হয়েছে।
    আল্লাহ তায়ালা কোরআনের সূরা ‘আল ক্বামার’ – এর
    প্রথম যে আয়াতটিতে চাঁদ বিদীর্ণ হওয়ার সাথে
    কেয়ামতের আগমন অত্যাসন্ন কথাটি বলেছেন,
    আরবী বর্ণমালার আক্ষরিক মান হিসাব করলে তার
    যোগফল হয় ১৩৯০, আর এ ১৩৯০ হিজরী (১৯৬৯
    খৃস্টাব্দ) সালেই মানুষ সর্বপ্রথম চাঁদে অবতরণ
    করে, জানি না এটা কোরআনের কোন
    মোজেযা, না তা এমনিই এক ঘটনাচক্র, কিন্তু
    আল্ল্হ তায়ালার এ মহান সৃষ্টিতে তো ঘটনাচক্র
    বলতে কিছুই নেই।
    এ কারণেই হয়তো মানুষের চাঁদে অবতরণের
    সালের সাথে কোরআনের আলোচ্য আয়াতটির
    সংখ্যামানের এ বিস্ময়কর মিল আমরা দেখতে পাচ্ছি।
    ✯ ✯ ✯ কুরআনের গানিতিক বিস্ময় ✯ ✯ ✯ ১। আরবীতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” লিখতে ঠিক ১৯ টা হরফ লাগে । ২। পবিত্র কুরআন শরীফে মোট ১১৪টি সূরা আছে । ১১৪ সংখ্যাটি ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১১৪=১৯x৬)। ৩। প্রথম যে সূরাটি (সূরা আলাক) নাযিল হয় তার অবস্থান শেষের দিক থেকে ১৯ তম। ৪। প্রথম যে পাঁচটি আয়াত (সূরা আলাকের) নাযিল হয় তাতে ঠিক ১৯ টি শব্দ আছে। ৫। সূরা আলাকে মোট আয়াত আছে ১৯টি। আর এই ১৯ আয়াতে আছে মোট ২৮৫টি শব্দ যা কিনা বিস্ময়করভাবে ১৯ দিয়ে নিঃশেষে ভাগ করা যায় (২৮৫=১৯x১৫)। ৬। নাযিলকৃত দ্বিতীয় সূরাটির (সূরা আল-কালাম, কুরআনে অবস্থান ৬৮তম) শব্দসংখ্যা ৩৮(১৯x২)টি। ৭। নাযিলকৃত তৃতীয় সূরাটির (সূরা আল- মুজাম্মিল, পবিত্র কুরআন শরীফে অবস্থান ৭৩তম) শব্দসংখ্যা ৫৭(১৯x৩)টি। ৮। আবার সব শেষে নাযিল হওয়া ‘সূরা আন-নাসর’ এ আছে মোট ১৯টি শব্দ। আর এই সূরার প্রথম আয়াতে (মহান আল্লাহ্ পাক উনার কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে এই আয়াতে) আছে ঠিক ১৯টি হরফ। ৯। পবিত্র কুরআন শরীফে ‘আল্লাহ্’ নাম মুবারক উল্লেখ করা হয়েছে মোট ১৩৩ বার যা কিনা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১৩৩=১৯x৭)। ১০- পবিত্র কুরআন শরীফে মোট তিরিশটি পূর্ণসংখ্যার উল্লেখ আছে যাদের যোগফল ১৯ দিয়ে বিভাজ্য। 1 +2 +3 +4 +5 +6 +7 +8 +9 +10 +11 + 12 +19 +20 +30 +40 +50 +60 +70 +80 + 99 +100 +200 +300 +1000 +2000 + 3000 +5000 +50000 +100000 =162,146 (19 x 8534) ১১। আর দশমিক ভগ্নাংশ আছে মোট ৮টি 1/10, 1/8, 1/6, 1/5, 1/4, 1/3, 1/2 এবং 2/3. তাহলে পবিত্র কুরআন শরীফে মোট ৩৮ টি সংখ্যার উল্ল্যেখ আছে (৩৮=১৯x২)। ১২। ১১৩টি সূরার আগে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” আছে । শুধুমাত্র সূরা আত- তাওবা এর আগে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” নেই । আর সূরা আন- নামল এর আগে আছে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” দুইবার তাহলে কুরআনে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” আছে মোট ১১৪(১৯ x৬) বার। সূরা আত- তাওবা কে প্রথম ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার দিকে যেতে থাকেন তবে সূরা আন-নামল পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে! আরও একটু অবাক হওয়া যাক, ১৯ এর গুনিতক-তম সূরার আয়াতগুলির (“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” সহ) যোগফলও ১৯ এর গুনিতক মানে ১৯ দিয়ে বিভাজ্য! পবিত্র কুরআন শরীফে সূরার অবস্থান আয়াত সংখ্যা ১৯x১= ১৯তম সূরা ৯৯ ১৯x২= ৩৮তম সূরা ৮৯ ১৯x৩= ৫৭তম সূরা ৩০ ১৯x৪= ৭৬তম সূরা ৩২ ১৯x৫= ৯৫তম সূরা ৯ ১৯x৬= ১১৪তম সূরা ৭ =২৬৬(১৯x৪) ১৩। প্রথম দিক থেকে হিসেব করে যেতে থাকলে ১৯ আয়াত সম্বলিত প্রথম সূরা হচ্ছে সূরা আল- ইনফিতার। এই সুরাটির শেষ শব্দ হল ‘আল্লাহ্’। আপনি যদি শেষের দিক হতে আল্লাহ্ শব্দটি গুনে গুনে আসতে থাকেন তাহলে সূরা আল-ইনফিতারের শেষের ‘আল্লাহ্’ শব্দের অবস্থান হবে একদম ঠিক ১৯তম স্থানে! ১৪। ৫০ এবং ৪২তম সূরার প্রত্যেকেই শুরু হয়েছে কাফ দিয়ে। অবাক হবেন সূরা দুটির প্রত্যেকটিতে মোট কাফের সংখ্যা(৫৭=১৯ x৩) সমান। আবার ৫০তম সূরায় আয়াত আছে ৪৫টি, যোগ করুন ৫০+৪৫= ৯৫(১৯ x৫)। একইভাবে ৪২তম সূরায় আয়াত আছে ৫৩টি, ৪২+৫৩= ৯৫(১৯ x৫)। ৫০তম সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ ৪২তম সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ ৫০তম সূরা ৪৫টি আয়াত ৫০+৪৫= ৯৫(১৯ x৫) ৪২তম সূরা ৫৩টি আয়াত ৪২+৫৩= ৯৫(১৯ x৫) আবার পুরো কুরআন শরীফে কাফ হরফটি আছে মোট ৭৯৮ বার যা কিনা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য এবং ভাগফল হয় ৪২ – আর দেখতেই পেয়েছি যে ৪২ তম সুরাটি শুরুও হয়েছে কাফ দিয়ে । শুধু কাফ না ‘নুন’ হরফটির ক্ষেত্রেও এরকম বেপার আছে। যেমন নুন দিয়ে যে সূরাটি শুরু হয়েছে তাতে নুনের মোট সংখ্যাও(১৩৩) ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১৩৩= ১৯x৭)। সূরা আত-তাওবা কে প্রথম ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার দিকে যেতে থাকেন তবে সূরা আন-নামল পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে! পবিত্র কুরআন শরীফে সূরা আল- মুদ্দাসিরের ৩০ নম্বর আয়াতে চ্যালেঞ্জ করে বলা আছে “There are nineteen in charge of it.” (Qur’an, 74:30) । অর্থাৎ ১৯ সংখ্যাটি এর দায়িত্তে আছে। অর্থাৎ কেউ ইচ্ছা করলেই কুরআনকে বিকৃত করতে পারবে না। ১৯ এর বেপার গুলো হিসেব করলেই সব বের হয়ে আসবে এটাকে কেউ বিকৃত করেছে কিনা! যারা কোরআন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তাদের জন্য এই তথ্যই যথেষ্ট যা বুঝার বুঝে নেওয়ার। ইনশাআল্লাহ মহাশক্তিধর আল্লাহ্ পাক তিনি নিজেই যে এর রক্ষক, কেউ চাইলেই সেটার মর্যাদা বিনষ্ট করতে পারবে না। কোরআনে অনেক জায়গায়ই একের সংগে অন্যের তুলনা উপস্থিত করা হয়েছে। এ তুলনা উপস্থিত করার ব্যাপারে একটি অবিশ্বাস্য মিল লক্ষ্য করা গেছে এবং তা হচ্ছে – সে দুটি নাম অথবা বস্তুকে আল্লাহ তায়ালা তার কিতাবে সমান সংখ্যাতেই উল্লেখ করেছেন। যেমন কোরআন শরীফে সূরা ‘আলে ইমরান’ – এর ৫৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন , ‘আল্লাহ তায়ালার কাছে ঈসার তুলনা হচ্ছে আদমের মতো।’ এটা যে সত্য তা আমরা বুঝতে পারি । কারণ, এদের কারোরই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জন্ম হয়নি। আদম (আ.) এর মাতাও ছিলো না, পিতাও ছিলো না এবং ঈসা (আ.) এর ও পিতা ছিলোনা। এখন এই তুলনাটি যে কত সত্য তার প্রমান পাওয়া যায় যখন আমরা কোরআন শরীফে এ দুটি নামের মোট সংখ্যা অনুসন্ধান করি। দেখা যাচ্ছে, কোরআন শরীফে ঈসা (আ.) এর নামটি যেমন পঁচিশ বার এসেছে , তেমনি আদম (আ.) এর নামটিও এসেছে পঁচিশ বার। কোরআনের বাণীগুলো যে মানুষের নয় তা বোঝা যায় এদুটি নামের সংখ্যার সমতা দেখে। আল্লাহ তায়ালা যেহেতু বলেছেন , এ দুটো একই রকম। তাই সেগুলোর সংখ্যা গণনাও ঠিক একই রকম রাখা হয়েছে। এ তুলনার ক্ষেত্রে আরেকটি অলৌকিক বিষয় হলো, যেখানে তুলনাটি অসম সেখানে সংখ্যা দুটিকেও অসম রাখা হয়েছে। যেমন, কোরআনে বলা হয়েছে , ‘সুদ’ এবং ‘বাণিজ্য’ এক নয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি, এ শব্দ দুটির একটি কোরআনে এসেছে ছয় বার এবং অন্যটি এসেছে সাত বার। বলা হয়েছে , জান্নাতের অধিবাসী আর জাহান্নামের অধিবাসী সমান নয়’। জান্নাতের সংখ্যা হচ্ছে আট আর জাহান্নামের সংখ্যা হচ্চে সাত। কিন্তু ‘জান্নাত’ ও ’জাহান্নাম’ শব্দ দুটো কিন্ত একই রকম এসেছে, মোট ৭৭ বার করে । ঠিক তেমনি ভাবে ‘কাজ’ এর পরিনাম হচ্ছে ‘বিনিময়’ , তাই দুটো শব্দ এসেছে ১০৭ বার করে । কাউকে ভালোবাসলে তার আনুগত্য করা যায়, তাই এ দুটো শব্দও কোরআনে সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৮৩ বার করে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘নারী ও পুরুষ’ – যে আল্লাহ তায়ালার কাছে সমান তা কোরআনে এই শব্দ দুটোর সমান সংখ্যা থেকেই আমরা বুঝতে পারি। কোরআনে এ দুটো শব্দ এসেছে ২৪ বার করে । আরেকটি অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, নর নারীর সম্মিলিত ‘এগ’ ও ‘স্পারম’ দিয়ে মানব শিশুর যে ক্রোমোজম তৈরী হয় সে বিষয়টি, এর মোট সংখ্যা ৪৬। (২৩ নারী আর ২৩ নর মিলে এর সংখ্যা হয় ৪৬) সূরা ‘আরাফ’- এ, এক আয়াতে আছে ‘যারা আমার স্পষ্ট আয়াত সমূহ অস্বীকার করে তাদের উদাহরণ হচ্ছে কুকুরের মত’। বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যেতে হয় যখন আমরা দেখি , ‘যারা আমার সুস্পষ্ট আয়াতকে অস্বীকার করে’ এ বাক্যটি কোরআনে সর্বমোট পাঁচবার এসেছে । যেহেতু তাদের উদাহরণ দেয়া হয়েছে কুকুরের সাথে , তাই সমগ্র কোরআনে ‘আল কালব’ তথা কুকুর শব্দটাও এসেছে পাঁচবার । ‘সাবয়া সামাওয়াত’ কথটির অর্থ হলো ‘সাত আসমান’ । আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোরআনে এ ‘সাত আসমান’ কথাটা ঠিক সাত বারই এসেছে । ‘খালকুস সামাওয়াত’ – আসমান সমূহের সৃষ্টির কথাটাও সাত বার এসেছে, সম্ভবত আসমান সাতটি তাই। ‘সাবয়াতু আইয়াম’ মানে ৭ দিন । এ কথাটাও কোরআনে সাতবার এসেছে। ‘সালাওয়াত’ শব্দটি সালাত এর বহুবচন । কোরআনে সালাওয়াত শব্দটি ৫ বার এসেছে, সম্ভবত ৫ বার নামাজ ফরজ হওয়ার কারণে এটা এভাবে বলা হয়েছে। কোরআনের অংকগত মোজেযা এখানেই শেষ নয়। ‘দুনিয়া ও আখেরাত’ এ দুটি কথাও কোরআনে সমান সংখ্যায় এসেছে, অর্থাৎ সর্বমোট ১১৫ বার করে। ‘ঈমান ও কুফর’ শব্দ দু’টোও সমপরিমান বলা হয়েছে, অর্থাৎ ২৫বার করে। ‘উপকার ও ক্ষতি’ সমভাবে এসেছে ৫০ বার করে। ঠিক একইভাবে ‘শান্তি’ ও ‘অশান্তি’ শব্দটি এসেছে ১৩ বার করে। ‘গরম ও ঠান্ডা’ যেহেতু দুটো বিপরীতমুখী ঋতু তাই এশব্দ দু’টো কোরআনে সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৫ বার করে এসেছে। ‘সূর্য’ আলো দেয় বলে দুটো শব্দই কোরআনে সমান সংখ্যায় এসেছে, ৩৩ বার করে। কাজ করলে কাজের পুরস্কার দেয়া হবে বলেই সম্ভবত ‘কাজ করা’ ও ‘পুরস্কার’ শব্দটি এসেছে ১০৮ বার করে। আরবী ভাষায় ‘কুল’ মানে ‘বলো’ তার জবাবে বলা হয় ‘কালু’ মানে ‘তারা বললো’ । সমগ্র কোরআনে এদুটো শব্দও সমান সংখ্যক, অর্থাৎ ৩৩২ বার করে এসেছ। ‘বক্তৃতা’ বা ‘ভাষণ’ ‘মুখ’ থেকে আসে তাই তাই উভয় শব্দ এসেছে ২৫ বার করে। আর রাসূল শব্দটি এসেছে ৫০ বার, আর যাদের কাছে রাসুলদের পাঠানো হয়েছে সে মানুষের কথাও এসেছে ৫০ বার। পুনরাবৃত্তিসহ কোরআনে সব নবীদের নাম এসেছে ৫১৩ বার। বিস্ময়ের ব্যাপার রসূল শব্দের মূল ধাতু অর্থাৎ ‘রেসালাহ’ শব্দটিও কোরাআনে ৫১৩ বার এসেছে। জিহবা দিয়ে মানুষ বক্তৃতা দেয় বলে, ‘জিহবা’ ও ‘বক্তৃতা’ শব্দটি সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৫০ বার করে এসেছে। মানুষ যখন জনগনের নিকট থাকে তখন স্বাভাবিক ভাবেই তাকে একটু জোরে কথা কলতে হয়, তাই কোরআনে ‘জোরে কথা বলা’ ও ‘জনগনের সামনে’ এ উভয়টাই এসেছে ১৬ বার করে। আলোর সাথে সম্পর্ক মানুষের মানুষের মনের। মনে আলো জ্বললেই তা দিয়ে দুনিয়ায় আলো ছড়ানো যায়। এ কারনেই সম্ভবত ‘মন’ ও ‘আলো’ শব্দ দুটি কোরআনে একই সংখ্যায় এসেছে, মোট ৪৯ বার করে। আল্লাহ তায়ালা ‘বিপদে’ ‘শোকর’ আদায় করতে বলেছেন, তাই এই উভয় শব্দই এসেছে ৭৫ বার করে। আল্লাহর ‘রহমত’ হলে ‘হেদায়েত’ আসে তাই এই শব্দ দুটো ও সমান সংখ্যায় এসেছে, ৭৯ বার করে। কোরআনে ‘খেয়ানত’ শব্দটি এসেছে ১৬ বার , আর যে খেয়ানত করে সে একজন ‘খবিস’ কিংবা খারপ লোক , তাই এ শব্দটি ও এসেছে ১৬ বার। ‘মালাকুন’ কিংবা ‘মালায়েকা’ মানে ফেরেশতা কিংবা ফেরেশতারা। কোরআনে এটি এসেছে ৮৮ বার – একইভাবে ফেরেশতার চির শত্রু ‘শয়তান’ কিংবা ‘শায়াতীন’ এটি ও এসেছে ৮৮ বার। আবার ‘আল খাবিস’ মানে অপবিত্র, ‘আত তাইয়েব’ মানে পবিত্র, সমগ্র কোরআনে এদুটি শব্দমোট ৭ বার করে , অর্থাৎ একই সংখ্যায় নাজিল হয়েছে। প্রশ্ন জাগতে পারে দুনিয়ায় ভালোর চাইতে মন্দ তো বেশি, এখানে দুটো শব্দ সমান রাখা হল কিভাবে? এ কথার জবাবের জন্য কোরআনের ‘সূরা আনফালের ৩৭ নং আয়াতটির দিকে লক্ষ করা যাক। এখানে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘অপবিত্রকে পবিত্র থেকে আলাদা করার জন্য তিনি অপবিত্রকে একটার ওপর আরেকটা রেখে তাকে পুঞ্জীভূত করেন এবং সেগুলোকে জাহান্নামের আগুনে ফেলে দেনে।’ এত বুঝা যায় , যদিও পাপ পুণ্য’ সমান সংখ্যায় এসেছে , কিন্তু ‘ পুঞ্জীভূত ’ করা দিয়ে তার পরিমাণ যে বেশি তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ‘ইয়াওমুন’ মানে ‘দিন’ সমগ্র কোরআনে এ শব্দটি ৩৬৫ বার উল্লেখ করা হয়েছে। বছরে যে ৩৬৫দিন এটা কে না জানে। ইয়াওমুন শব্দের বহুবচন ‘আইয়াম’ মানে দিন সমূহ, এ শব্দটি এসেছে ৩০ বার। আরবী ভাষায় চাঁদ হচ্ছে মাসের সূত্র সুচক, গড়ে বছরের প্রতি মাসে ৩০ দিন , আর এটাই হচ্ছে চন্দ্র বছরের নিয়ম। হতবাক হতে হয় যখন দেখি , চাদের আরবী প্রতিশব্দ ‘কামার’ শব্দটি কোরআনে মোট ৩০ বারই এসেছে। ‘শাহরুন’ মানে মাস, কোরআন মাজিদে এ শব্দটি এসেছে মোট ১২ বার। ‘সানাতুন’ মানে বছর, কোরআনে এ শব্দটি এসেছে ১৯ বার। কারণ হিসেবে আমরা সম্প্রতি আবিস্কৃত গ্রীক পন্ডিত মেতনের মেতনীয় বৃত্তের’ কথা উল্লেখ করতে পারি। তিনিই প্রথমে এ তত্ব আবিস্কার করেন যে, প্রতি ১৯ বছর পর সূর্য ও পৃথিবী একই বৃত্তে অবস্থান করে। কোরআনের আরেকটি বিষ্ময়কর শব্দ হচ্ছে ‘রাত’ ও ‘রাতগুলো’ – এ উভয় সংখ্যা কোরআনে এসেছে ‘সর্বমোট ৯২ বার , আর কোরআনে ‘ আল লাইল’ অর্থাৎ রাত নামের সূরাটির ক্রমিক সংখ্যাও হচ্ছে ৯২। কোরআনে চাঁদ শব্দটি সর্বমোট ২৭ স্থানে এসেছে। আশ্চয্যের বিষয় হচ্ছে , চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষীন করতে সময় লাগে ঠিক ২৭.০৩ দিন অর্থাৎ ২৭ দিন ৭ ঘন্টা ৪৩ মিনিট। কোরআনে ‘ফুজ্জার’ পাপী শব্দটি যতবার এসেছে, ‘আবরার’ পুণ্যবান শব্দটি তার দ্বিগুন এসেছে। অর্থাৎ ‘ ফুজ্জার’ ৩ বার আর ‘আবরার’ ৬ বার। এর কারণ হচ্ছে , আল্লাহ তায়ালা সব সময় শাস্তির তুলনায় পুরস্কারের পরিমান দ্বিগুণ কওে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন। কোরআনের সূরা সাবা’র ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন- এ ধবনের লোকদের জন্য (কেয়ামতে) দ্বিগুন পুরস্কারের ব্যবস্থা থাববে। এটা হচ্ছে বিনিময় সে কাজের যা তারা দুনিয়য় করে এসেছে ’। এ কারণেই দেখা যায় , গোটা কোরআনে ‘পাপী’ ও ‘পুণ্যবান’ শব্দের মতো , ‘আযাব’ শব্দটি যতোবর এসেছে ‘সওয়াব’ শব্দটি তার দ্বিগুন এসেছে। কোরআনে একাধিক জায়গায় আল্লাহ তায়ালা বলেছেন – আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় করলে তিনি তার বিনিময় বাড়িয়ে দেবেন। সম্ভবত এ কারণেই কোরআনে ‘গরীবী’ শব্দটি এসেছে ১৩ বার, আর তার বিপরীতে ‘প্রচুর্য’ শব্দটি এসেছে ২৬ বার। কোরআনে স্থলভাগ এসেছে ১৩ বার আর ‘জলভাগ’ এসেছে ৩২ বার। উভয়টা মিলে সংখ্যা দাড়ায় ৪৫, আর এ সংখ্যাকে ১৩ দিয়ে ভাগ করলে দাঁড়ায় ২৯(২৮.৮৮৮৮৮৮৮৮৮৯%), আবার ৩২ দিয়ে ভাগ করলে দাঁড়ায় ৭১(৭১.১১১১১১১১১১%), আর এটাই হচ্ছে এই গ্রহের জল ও স্থল ভাগের সঠিক আনুপাতিক হার। কোরআন কারীমের বিভিন্ন জায়গায় এভাবে গাণিতিক সংখ্যার অদ্ভতু মিল দেখে যে কোনো কোরআন পাঠকই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে ভাবতে থাকে, এটা নিসন্দেহে কোন মানুষের কথা নয়। কোন একটা কাজ করলে তার যে অবশ্যম্ভাবী ফল দাঁড়াবে তার উভয়টিকে আশ্চর্যজনকভাবে সমান সংখ্যায় বর্ণনা করা হয়েছে। ‘গাছের চারা’ উৎপাদন করলে ‘গাছ’ হয়। তাই এ দুটো শব্দই এসেছে ২৬ বার করে। কোন মানুষ ’হেদায়াত’ পেলে তার প্রতি ‘রহমত’ বর্ষিত হয় , তাই এ দুটো শব্দ কোরআনে এসেছে ৭৯ বার করে। হেদায়াত; এর অপরিহার্য পরিনাম হচ্ছে ‘মউত’ এ শব্দ দুটোও এসেছে ১৬ বার বরে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন ‘যাকাত’ দিলে ‘বরকত’ আসে, তাই কোরআনে কারীমে‘ যাকাত’ শব্দ এসেছে ৩২ বার ‘বরকত’ শব্দও এসেছে ৩২ বার। ‘আবদ’ মানে গোলামী করা, আর ‘আবীদ’ মানে গোলাম। গোলামের কাজ গোলামী করা , তাই কোরআনে এই উভয় শব্দই এসেছে ১৫২ বার করে। মানুষ ’সৃষ্টি’ কথাটা এসেছে ১৬ বার, আর মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘এবাদত’ তাই এ শব্দটিও এসেছে ১৬ বার। ‘নেশা’ করলে মাতাল হয় , তাই এ দুটো শব্দও এসেছে ৬ বার করে। প্রতিটি ‘দুঃখ কষ্টে’ আল্লাহ তায়ালা মানুষের ধৈর্য ধরতে বলেছেন – কোরআনে এই উভয় শব্দেই এসেছে ১০২ বার করে। ‘উপকার’ ও ’ক্ষতি’ এসেছে ৫০ বার করে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের শয়তান থেকে আশ্রয় চাইতে বলেছেন, সম্ভবত এই কারনে কোরআনে যতোবার ‘শয়তানের’ নাম এসেছে ঠিক ততোবারই ‘আশ্রয় চাওয়ার’ কথাও এসেছে, অর্থাৎ উভয়টাই ১১ বার করে এসেছে। আর মাত্র ৩ টি রহস্যের কথা বলে আমরা ভিন্ন দিকে অগ্রসর হবো। সূরা আল কাহফে গুহাবাসীরা কতোদিন সেখানে অবস্থান করেছে সে ব্যাপারে কোরআন মাজীদে বলেছে, ‘তারা তাদের (এ) গুহায় কাটিয়েছে মোট ৩০০ বছর, তারা (এর সাথে) যোগ করেছে আরো ৯ বছর’। প্রশ্ন হচ্ছে এভাবে দু’ভাগে না বলে আল্লাহ তায়ালা সংখ্যাটা একেত্রেও তো বলতে পারতেন। অর্থাৎ এভাবেও বলা যেতো যে, ‘তারা সেখানে ৩০৯ বছর কাটিয়েছে’। কোরআনের এ আয়াত নাযিল হওয়ার সময় কেউ সৌর গণনা ও চন্দ্র গণনার বিষয়টি জানতো না। পরে দুনিয়ার মানুষেরা জেনেছে যে, চন্দ্র মাস সৌর মাসের চাইতে ১১ দিন কম। প্রতি বছরে ১১ দিনের এই তফাৎটা হিসাব করলে সময়টা হবে ঠিক ৯ বছর। অপর কথায় গুহায় তাদের অবস্থানের সময়টা সৌর গণনার হিসাবে হচ্ছে ৩০০ বছর, আর চন্দ্র মাস হিসেবে হবে ৩০৯ । কোরআন এই উভয় হিসাবটাই উৎসাহী পাঠকদের সামনে সুন্দর করে বর্ণনা করেছে। কোরআনে ‘ইনসান’ শব্দটি এসেছে ৬৫ বার। এবার ইনসান বানাবার উপকরণগুলোকে কোরআনের বিভিন্ন জায়গা থেকে যোগ করে মিলিয়ে দেখা যাক। প্রথম উপাদান ‘তোরাব’ (মাটি) শব্দটি এসেছে ১৭ বার, দ্বিতীয় উপাদান ‘নুতফা’ (জীবনকণা) শব্দ এসেছে ১২ বার, তৃতীয় উপাদান ‘আলাক’ (রক্তপিন্ড) শব্দ এসেছে ৬ বার, চতুর্থ উপাদান ‘মোগদা’ (মাংসপিন্ড) এসেছে ৩ বার। পঞ্চম উপাদান হচ্ছে ‘লাহম’ (হাড়) , এটি এসেছে ১৫ বার। সর্বশেষ উপাদান হচ্ছে ‘লাহম’ (গোশত) , এ শব্দটি এসেছে ১২ বার। কোরআনে উল্লিখিত (সূরা হজ্জ ৫)- এ উপাদানগুলো যোগ করলে যোগফল হবে ঠিক ৬৫। আর এসব উপাদান দিয়ে যে ‘ইনসান’ বানানো হয়েছে তাও কোরআনে ঠিক ৬৫ বারই উল্লেখে করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা কোরআনের সূরা ‘আল ক্বামার’ – এর প্রথম যে আয়াতটিতে চাঁদ বিদীর্ণ হওয়ার সাথে কেয়ামতের আগমন অত্যাসন্ন কথাটি বলেছেন, আরবী বর্ণমালার আক্ষরিক মান হিসাব করলে তার যোগফল হয় ১৩৯০, আর এ ১৩৯০ হিজরী (১৯৬৯ খৃস্টাব্দ) সালেই মানুষ সর্বপ্রথম চাঁদে অবতরণ করে, জানি না এটা কোরআনের কোন মোজেযা, না তা এমনিই এক ঘটনাচক্র, কিন্তু আল্ল্হ তায়ালার এ মহান সৃষ্টিতে তো ঘটনাচক্র বলতে কিছুই নেই। এ কারণেই হয়তো মানুষের চাঁদে অবতরণের সালের সাথে কোরআনের আলোচ্য আয়াতটির সংখ্যামানের এ বিস্ময়কর মিল আমরা দেখতে পাচ্ছি।
    0 Comments 0 Shares
  • ★মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে আমি এটাই
    আমার অপরাধ★
    পৃথিবীতে দুই শ্রেণীর মানুষ থাকা উচিত
    একটা উচ্চবিত্ত অন্যটা নিন্মবিত্ত।মধ্য
    বিত্ত নামে কোন কিছু থাকা অনুচিত।
    মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলের আত্মসম্মান
    আর ইগো দুইটাই খুব বেশি থাকে।সে জন্মের
    সময়েই
    একগাদা ইগো সাথে করে নিয়ে জন্মায়।
    সে স্বপ্ন দেখতে দেখতে বড় হয়
    এবং একপর্যায়ে সে বুঝতে পারে জীবনটা স্বপ্ন
    নয়,জীবনটা বাস্তব।সে সব সময় সুখ খোঁজে,
    জীবনের মানে খুঁজে বেড়ানো তার স্বভাব ।
    সে অল্পতে সন্তুষ্ট হতে পারে না।আবার
    অল্পতে অসন্তুষ্টুও থাকতে পারে না।
    সে সবার কাছে ভালোবাসা খোঁজে কিন্তু
    এটা তার কাছে ১০২ ধারার অপরাধ।
    উচ্চবিলাসী হওয়া তার জন্য গুনাহের
    পর্যায়ে পরে।তার আবেগ অত্যাধিক
    বেশি থাকে । কিন্তু সে খুব ছোট থাকতেই
    আবেগকে গলা টিপে খুন করতে শিখে ফেলে।
    মধ্যবিত্ত পরিবারের এই আবেগপ্রবন,
    পাগলাটে,স্বপ্ন বিলাসী ছেলেটিকে কেউ
    বুঝতে চায় না। তাকেই সবকিছু
    সামলে চলতে হয়।এত কিছু পরেও মধ্যবিত্ত
    ঘরের
    ছেলেটি একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলে আমি সুখেই
    আছি(সান্তনাবানী)
    ★মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে আমি এটাই আমার অপরাধ★ পৃথিবীতে দুই শ্রেণীর মানুষ থাকা উচিত একটা উচ্চবিত্ত অন্যটা নিন্মবিত্ত।মধ্য বিত্ত নামে কোন কিছু থাকা অনুচিত। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলের আত্মসম্মান আর ইগো দুইটাই খুব বেশি থাকে।সে জন্মের সময়েই একগাদা ইগো সাথে করে নিয়ে জন্মায়। সে স্বপ্ন দেখতে দেখতে বড় হয় এবং একপর্যায়ে সে বুঝতে পারে জীবনটা স্বপ্ন নয়,জীবনটা বাস্তব।সে সব সময় সুখ খোঁজে, জীবনের মানে খুঁজে বেড়ানো তার স্বভাব । সে অল্পতে সন্তুষ্ট হতে পারে না।আবার অল্পতে অসন্তুষ্টুও থাকতে পারে না। সে সবার কাছে ভালোবাসা খোঁজে কিন্তু এটা তার কাছে ১০২ ধারার অপরাধ। উচ্চবিলাসী হওয়া তার জন্য গুনাহের পর্যায়ে পরে।তার আবেগ অত্যাধিক বেশি থাকে । কিন্তু সে খুব ছোট থাকতেই আবেগকে গলা টিপে খুন করতে শিখে ফেলে। মধ্যবিত্ত পরিবারের এই আবেগপ্রবন, পাগলাটে,স্বপ্ন বিলাসী ছেলেটিকে কেউ বুঝতে চায় না। তাকেই সবকিছু সামলে চলতে হয়।এত কিছু পরেও মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেটি একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলে আমি সুখেই আছি(সান্তনাবানী)
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • ২০০১ এ আমেরিকার আফগানিস্তান আক্রমণ এবং ২০০৩ এ ইরাক আক্রমণ এবং দেশ দুইটিকে ধ্বংস করার পর মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো খাটের নিচে লুকিয়ে পরে। ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহু সরাসরি আমেরিকাকে বলে এই সুযোগে সবগুলো মুসলিমদেশ গুলোকে দখল করার জন্য।
    ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালের প্রতিটি আরব-ইসরাইল যুদ্ধে আরব দেশগুলো ইসরাইলের হাতে উরাধুরা মার খেয়ে ইসরাইলের নাম মুখে নিতেও ভয় পায়। এমতবস্তাও ইসরাইলের কনফিডেন্স হইলেভেলে চলে যায়।ইসরাইলকে সমর্থন জানায় সৌদি আরব ও মিসর এবং গোপনে অর্থ দেওয়াসহ লেবাননের কিছু সুন্নিদের কাজে লাগানোর চেষ্টা চালায় সৌদি।
    জুলাই-12 ইসরাইল তার অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে লেবাননে আগ্রাসন শুরু করে । লেবাননের হাতে তখন সেইরকম কোনো ভালো প্রযুক্তি ছিলোনা।খায়বার-১ ক্ষেপণাস্ত্রসহ কিছু এন্টিট্যাংক মিসাইল ছিল। পক্ষান্তরে ইসরাইলের সমরাস্ত্রের কথা এইখানে নাই বললাম। ইসরাইলকে আমেরিকা সরাসরি সমর্থন করে ,আর তখন আমেরিকার সমর্থন মানে পুরো পৃথিবীর সমর্থন ছিল ।
    কথিত মুসলিমদেশ গুলো সাপোর্ট তো দূরে থাক তারা শিয়া ট্যাগ দিয়ে এড়িয়ে যায়। মুসলিমদেশগুলো ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না গিয়ে বা হিজবুল্লাকে কোনোরূপ সহায়তা না করে তারা তাদের জনগণকে এটা বুঝতে যুদ্ধে নেমে যায় যে এই যুদ্ধ ইসরাইল আর শিয়াদের যুদ্ধ । এতে সৌদি পেট্রো ডলারের প্রোপাগান্ডা তো ছিলই।
    এমনকি বাংলাদেশও নাক ছিটকাই কারণ কারণ আমেরিকার আতঙ্ক তখনও কাটেনি। লেবাননকে শুধু ইরান ও সিরিয়া সমর্থন করে। লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর হামলা শুরুর এক সপ্তাহ পর তেহরানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সভাপতিত্বে ইরানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে শেষে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, “আমার মনে হচ্ছে খন্দকের যুদ্ধের মতোই এই যুদ্ধে হিজবুল্লাহ বিজয়ী হবে।” । সিরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে , প্রতিদান অবশ্য হিজবুল্লাহ হারে হরে দেয় সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে রক্ষায় সহায়তা করে।মূলত সিরিয়ার এই দুর্দশার অন্যতম কারণ হলো সিরিয়া ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছিলো। এই সম্পর্কে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ বলেন , ২০০৬ সালের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে তা এসেছিল সিরিয়ার সামরিক কারখানা থেকে; সেগুলো ইরানের তৈরি ছিল না।"”
    সিরিয়ায় বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের সহিংসতার কথা উল্লেখ করে হাসান নাসরুল্লাহ আরো বলেন, "এখন সিরিয়ায় যা হচ্ছে তা মূলত সেই ২০০৬ সালের যুদ্ধের প্রতিশোধ।”এই সম্পর্কে পরে একদিন বিস্তারিত লিখবো ইনশাআল্লাহ।
    যাই হোক এইদিকে শহীদ কাসেম সোলাইমানি ঘোষণা করেন যে ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সমস্ত প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধে লেবাননের প্রতিরোধ অক্ষকে সার্বিকভাবে সমর্থন করতে হবে। সর্বোচ্চ নেতার এই আদেশের প্রভাব তখন সরাসরি দৃশ্যমান হয়।
    হিজবুল্লার তরুণেরা হুসাইনি চেতনায় ঝাপিয়ে পরে ইসরাইলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে । ৩৩ দিনের এই ভয়াবহ যুদ্ধে লেবানন হারায় হাজারেরও বেশি মানুষ তবে তাদের এতে তাদের কোনো দুঃখ ছিলোনা কারণ আমেরিকার মদতপুষ্ট ইস্রায়েলরকে তারা পরাজিত করে এবং নিজ মাতৃভূমিকে রক্ষা করে। পক্ষান্তরে ১৯৪৮ সালের পরথেকে বিজয়ের যে পতাকা উড়ছিল ইসরায়েলে ২০০৬ সালে তাতে আগুন লেগে যায়। যুদ্ধে হেরে জাতিসংঘের সব শর্ত মেনে নেই ইসরাইল যেটি ইসরায়েলের স্বভাবের সাথে একদম বেমানান।
    তাদের অজেয় গর্বের মারকোভা ট্যাংকে পাছা উপর দিক করে কাত হয়ে পরে থাকতে দেখা যায়। ৪০টির অধিক মারকোভা ট্যাংক সম্পূর্ন ধ্বংস হয়ে যায় এবং ২ শতাধিক ট্যাংক ব্যাবহারের অযোগ্য হয় যা ইসরাইলের মোট ট্যাংক এর এক পঞ্চমাংশ ছিল। ইসরাইলের ১২১ জন সেনাকে জা*হান্নামে পাঠানো হয়। এছাড়া ইসরাইলের ৩ লক্ষ জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়।
    ১২ জুলাই শুরু হওয়া ইসরাইলের এই আগ্রাসন ১৪ অগাস্টে শেষ হয়।
    সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, ২০০৬ সালে লেবাননের সঙ্গে ৩৩ দিনের যুদ্ধে ইসরাইলের শোচনীয় পরাজয়ের কথা স্বীকার করেন ২০১০ সালে। ডিসিশন পয়েন্ট' নামের স্মৃতি কথায় বুশ বলেন , এ পরাজয়ের ফলে ইসরাইলের প্রতি তার আস্থা উঠে গিয়েছিল।' তা ফিরিয়ে আনার জন্য সিরিয়ার ওপর ২০০৭ সালে এয়ার স্ট্রাইক চালানো হয়। সিরিয়ায় ইসরাইলের হামলার বিষয়টি বুশ আগে থেকেই জানতেন ও তিনি এ বিষয় গোপনীয়তা রক্ষা করেছেন বলে তার স্মৃতিকথায় স্বীকার করেন ।
    মধ্যেপ্রাচে এই যুদ্ধের গুরুত্ব অনেক এই যুদ্ধে ইস্রায়েল জয়ী হলে মধ্যপ্রাচে তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার আর কোনো শক্তি থাকতো না। কারণ এর পর টার্গেট হতো সিরিয়া ও ইরান। আর সেই সময় আমেরিকা পৃথিবীর একমাত্র পরাশক্তি ছিল। রাশিয়া চীনের অতটা সামর্থ ছিলনা আমেরিকার আগ্রাসনের জোরালো প্রতিবাদ করার ,মূলত হিজবুল্লাকে নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে ইসরাইল সীমান্তের নিরাপত্তা ক্লিয়ার করতে চাচ্ছিলো। এই যুদ্ধে ইস্রায়েল পরাজিত হওয়ায় মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যায় বিশেষ করে হামাসসহ ফিলিস্তিনের আরো বিভিন্ন সংগঠনের।
    পরিশেষে একটা কথা বলবো ইসরাইল আসলে কিছুইনা আসলে তার কোনো যোগ্য প্রতিপক্ষ ছিলোনা। ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দিয়েছিলো সেই ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারেনি বরং শেষদিকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে প্রচণ্ড মার খেয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • ২০০১ এ আমেরিকার আফগানিস্তান আক্রমণ এবং ২০০৩ এ ইরাক আক্রমণ এবং দেশ দুইটিকে ধ্বংস করার পর মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো খাটের নিচে লুকিয়ে পরে। ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহু সরাসরি আমেরিকাকে বলে এই সুযোগে সবগুলো মুসলিমদেশ গুলোকে দখল করার জন্য।
    ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালের প্রতিটি আরব-ইসরাইল যুদ্ধে আরব দেশগুলো ইসরাইলের হাতে উরাধুরা মার খেয়ে ইসরাইলের নাম মুখে নিতেও ভয় পায়। এমতবস্তাও ইসরাইলের কনফিডেন্স হইলেভেলে চলে যায়।ইসরাইলকে সমর্থন জানায় সৌদি আরব ও মিসর এবং গোপনে অর্থ দেওয়াসহ লেবাননের কিছু সুন্নিদের কাজে লাগানোর চেষ্টা চালায় সৌদি।
    জুলাই-12 ইসরাইল তার অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে লেবাননে আগ্রাসন শুরু করে । লেবাননের হাতে তখন সেইরকম কোনো ভালো প্রযুক্তি ছিলোনা।খায়বার-১ ক্ষেপণাস্ত্রসহ কিছু এন্টিট্যাংক মিসাইল ছিল। পক্ষান্তরে ইসরাইলের সমরাস্ত্রের কথা এইখানে নাই বললাম। ইসরাইলকে আমেরিকা সরাসরি সমর্থন করে ,আর তখন আমেরিকার সমর্থন মানে পুরো পৃথিবীর সমর্থন ছিল ।
    কথিত মুসলিমদেশ গুলো সাপোর্ট তো দূরে থাক তারা শিয়া ট্যাগ দিয়ে এড়িয়ে যায়। মুসলিমদেশগুলো ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না গিয়ে বা হিজবুল্লাকে কোনোরূপ সহায়তা না করে তারা তাদের জনগণকে এটা বুঝতে যুদ্ধে নেমে যায় যে এই যুদ্ধ ইসরাইল আর শিয়াদের যুদ্ধ । এতে সৌদি পেট্রো ডলারের প্রোপাগান্ডা তো ছিলই।
    এমনকি বাংলাদেশও নাক ছিটকাই কারণ কারণ আমেরিকার আতঙ্ক তখনও কাটেনি। লেবাননকে শুধু ইরান ও সিরিয়া সমর্থন করে। লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর হামলা শুরুর এক সপ্তাহ পর তেহরানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সভাপতিত্বে ইরানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে শেষে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, “আমার মনে হচ্ছে খন্দকের যুদ্ধের মতোই এই যুদ্ধে হিজবুল্লাহ বিজয়ী হবে।” । সিরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে , প্রতিদান অবশ্য হিজবুল্লাহ হারে হরে দেয় সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে রক্ষায় সহায়তা করে।মূলত সিরিয়ার এই দুর্দশার অন্যতম কারণ হলো সিরিয়া ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছিলো। এই সম্পর্কে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ বলেন , ২০০৬ সালের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে তা এসেছিল সিরিয়ার সামরিক কারখানা থেকে; সেগুলো ইরানের তৈরি ছিল না।"”
    সিরিয়ায় বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের সহিংসতার কথা উল্লেখ করে হাসান নাসরুল্লাহ আরো বলেন, "এখন সিরিয়ায় যা হচ্ছে তা মূলত সেই ২০০৬ সালের যুদ্ধের প্রতিশোধ।”এই সম্পর্কে পরে একদিন বিস্তারিত লিখবো ইনশাআল্লাহ।
    যাই হোক এইদিকে শহীদ কাসেম সোলাইমানি ঘোষণা করেন যে ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সমস্ত প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধে লেবাননের প্রতিরোধ অক্ষকে সার্বিকভাবে সমর্থন করতে হবে। সর্বোচ্চ নেতার এই আদেশের প্রভাব তখন সরাসরি দৃশ্যমান হয়।
    হিজবুল্লার তরুণেরা হুসাইনি চেতনায় ঝাপিয়ে পরে ইসরাইলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে । ৩৩ দিনের এই ভয়াবহ যুদ্ধে লেবানন হারায় হাজারেরও বেশি মানুষ তবে তাদের এতে তাদের কোনো দুঃখ ছিলোনা কারণ আমেরিকার মদতপুষ্ট ইস্রায়েলরকে তারা পরাজিত করে এবং নিজ মাতৃভূমিকে রক্ষা করে। পক্ষান্তরে ১৯৪৮ সালের পরথেকে বিজয়ের যে পতাকা উড়ছিল ইসরায়েলে ২০০৬ সালে তাতে আগুন লেগে যায়। যুদ্ধে হেরে জাতিসংঘের সব শর্ত মেনে নেই ইসরাইল যেটি ইসরায়েলের স্বভাবের সাথে একদম বেমানান।
    তাদের অজেয় গর্বের মারকোভা ট্যাংকে পাছা উপর দিক করে কাত হয়ে পরে থাকতে দেখা যায়। ৪০টির অধিক মারকোভা ট্যাংক সম্পূর্ন ধ্বংস হয়ে যায় এবং ২ শতাধিক ট্যাংক ব্যাবহারের অযোগ্য হয় যা ইসরাইলের মোট ট্যাংক এর এক পঞ্চমাংশ ছিল। ইসরাইলের ১২১ জন সেনাকে জা*হান্নামে পাঠানো হয়। এছাড়া ইসরাইলের ৩ লক্ষ জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়।
    ১২ জুলাই শুরু হওয়া ইসরাইলের এই আগ্রাসন ১৪ অগাস্টে শেষ হয়।
    সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, ২০০৬ সালে লেবাননের সঙ্গে ৩৩ দিনের যুদ্ধে ইসরাইলের শোচনীয় পরাজয়ের কথা স্বীকার করেন ২০১০ সালে। ডিসিশন পয়েন্ট' নামের স্মৃতি কথায় বুশ বলেন , এ পরাজয়ের ফলে ইসরাইলের প্রতি তার আস্থা উঠে গিয়েছিল।' তা ফিরিয়ে আনার জন্য সিরিয়ার ওপর ২০০৭ সালে এয়ার স্ট্রাইক চালানো হয়। সিরিয়ায় ইসরাইলের হামলার বিষয়টি বুশ আগে থেকেই জানতেন ও তিনি এ বিষয় গোপনীয়তা রক্ষা করেছেন বলে তার স্মৃতিকথায় স্বীকার করেন ।
    মধ্যেপ্রাচে এই যুদ্ধের গুরুত্ব অনেক এই যুদ্ধে ইস্রায়েল জয়ী হলে মধ্যপ্রাচে তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার আর কোনো শক্তি থাকতো না। কারণ এর পর টার্গেট হতো সিরিয়া ও ইরান। আর সেই সময় আমেরিকা পৃথিবীর একমাত্র পরাশক্তি ছিল। রাশিয়া চীনের অতটা সামর্থ ছিলনা আমেরিকার আগ্রাসনের জোরালো প্রতিবাদ করার ,মূলত হিজবুল্লাকে নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে ইসরাইল সীমান্তের নিরাপত্তা ক্লিয়ার করতে চাচ্ছিলো। এই যুদ্ধে ইস্রায়েল পরাজিত হওয়ায় মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যায় বিশেষ করে হামাসসহ ফিলিস্তিনের আরো বিভিন্ন সংগঠনের।
    পরিশেষে একটা কথা বলবো ইসরাইল আসলে কিছুইনা আসলে তার কোনো যোগ্য প্রতিপক্ষ ছিলোনা। ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দিয়েছিলো সেই ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারেনি বরং শেষদিকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে প্রচণ্ড মার খেয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়।
    ২০০১ এ আমেরিকার আফগানিস্তান আক্রমণ এবং ২০০৩ এ ইরাক আক্রমণ এবং দেশ দুইটিকে ধ্বংস করার পর মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো খাটের নিচে লুকিয়ে পরে। ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহু সরাসরি আমেরিকাকে বলে এই সুযোগে সবগুলো মুসলিমদেশ গুলোকে দখল করার জন্য। ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালের প্রতিটি আরব-ইসরাইল যুদ্ধে আরব দেশগুলো ইসরাইলের হাতে উরাধুরা মার খেয়ে ইসরাইলের নাম মুখে নিতেও ভয় পায়। এমতবস্তাও ইসরাইলের কনফিডেন্স হইলেভেলে চলে যায়।ইসরাইলকে সমর্থন জানায় সৌদি আরব ও মিসর এবং গোপনে অর্থ দেওয়াসহ লেবাননের কিছু সুন্নিদের কাজে লাগানোর চেষ্টা চালায় সৌদি। জুলাই-12 ইসরাইল তার অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে লেবাননে আগ্রাসন শুরু করে । লেবাননের হাতে তখন সেইরকম কোনো ভালো প্রযুক্তি ছিলোনা।খায়বার-১ ক্ষেপণাস্ত্রসহ কিছু এন্টিট্যাংক মিসাইল ছিল। পক্ষান্তরে ইসরাইলের সমরাস্ত্রের কথা এইখানে নাই বললাম। ইসরাইলকে আমেরিকা সরাসরি সমর্থন করে ,আর তখন আমেরিকার সমর্থন মানে পুরো পৃথিবীর সমর্থন ছিল । কথিত মুসলিমদেশ গুলো সাপোর্ট তো দূরে থাক তারা শিয়া ট্যাগ দিয়ে এড়িয়ে যায়। মুসলিমদেশগুলো ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না গিয়ে বা হিজবুল্লাকে কোনোরূপ সহায়তা না করে তারা তাদের জনগণকে এটা বুঝতে যুদ্ধে নেমে যায় যে এই যুদ্ধ ইসরাইল আর শিয়াদের যুদ্ধ । এতে সৌদি পেট্রো ডলারের প্রোপাগান্ডা তো ছিলই। এমনকি বাংলাদেশও নাক ছিটকাই কারণ কারণ আমেরিকার আতঙ্ক তখনও কাটেনি। লেবাননকে শুধু ইরান ও সিরিয়া সমর্থন করে। লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর হামলা শুরুর এক সপ্তাহ পর তেহরানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সভাপতিত্বে ইরানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে শেষে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, “আমার মনে হচ্ছে খন্দকের যুদ্ধের মতোই এই যুদ্ধে হিজবুল্লাহ বিজয়ী হবে।” । সিরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে , প্রতিদান অবশ্য হিজবুল্লাহ হারে হরে দেয় সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে রক্ষায় সহায়তা করে।মূলত সিরিয়ার এই দুর্দশার অন্যতম কারণ হলো সিরিয়া ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছিলো। এই সম্পর্কে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ বলেন , ২০০৬ সালের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে তা এসেছিল সিরিয়ার সামরিক কারখানা থেকে; সেগুলো ইরানের তৈরি ছিল না।"” সিরিয়ায় বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের সহিংসতার কথা উল্লেখ করে হাসান নাসরুল্লাহ আরো বলেন, "এখন সিরিয়ায় যা হচ্ছে তা মূলত সেই ২০০৬ সালের যুদ্ধের প্রতিশোধ।”এই সম্পর্কে পরে একদিন বিস্তারিত লিখবো ইনশাআল্লাহ। যাই হোক এইদিকে শহীদ কাসেম সোলাইমানি ঘোষণা করেন যে ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সমস্ত প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধে লেবাননের প্রতিরোধ অক্ষকে সার্বিকভাবে সমর্থন করতে হবে। সর্বোচ্চ নেতার এই আদেশের প্রভাব তখন সরাসরি দৃশ্যমান হয়। হিজবুল্লার তরুণেরা হুসাইনি চেতনায় ঝাপিয়ে পরে ইসরাইলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে । ৩৩ দিনের এই ভয়াবহ যুদ্ধে লেবানন হারায় হাজারেরও বেশি মানুষ তবে তাদের এতে তাদের কোনো দুঃখ ছিলোনা কারণ আমেরিকার মদতপুষ্ট ইস্রায়েলরকে তারা পরাজিত করে এবং নিজ মাতৃভূমিকে রক্ষা করে। পক্ষান্তরে ১৯৪৮ সালের পরথেকে বিজয়ের যে পতাকা উড়ছিল ইসরায়েলে ২০০৬ সালে তাতে আগুন লেগে যায়। যুদ্ধে হেরে জাতিসংঘের সব শর্ত মেনে নেই ইসরাইল যেটি ইসরায়েলের স্বভাবের সাথে একদম বেমানান। তাদের অজেয় গর্বের মারকোভা ট্যাংকে পাছা উপর দিক করে কাত হয়ে পরে থাকতে দেখা যায়। ৪০টির অধিক মারকোভা ট্যাংক সম্পূর্ন ধ্বংস হয়ে যায় এবং ২ শতাধিক ট্যাংক ব্যাবহারের অযোগ্য হয় যা ইসরাইলের মোট ট্যাংক এর এক পঞ্চমাংশ ছিল। ইসরাইলের ১২১ জন সেনাকে জা*হান্নামে পাঠানো হয়। এছাড়া ইসরাইলের ৩ লক্ষ জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়। ১২ জুলাই শুরু হওয়া ইসরাইলের এই আগ্রাসন ১৪ অগাস্টে শেষ হয়। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, ২০০৬ সালে লেবাননের সঙ্গে ৩৩ দিনের যুদ্ধে ইসরাইলের শোচনীয় পরাজয়ের কথা স্বীকার করেন ২০১০ সালে। ডিসিশন পয়েন্ট' নামের স্মৃতি কথায় বুশ বলেন , এ পরাজয়ের ফলে ইসরাইলের প্রতি তার আস্থা উঠে গিয়েছিল।' তা ফিরিয়ে আনার জন্য সিরিয়ার ওপর ২০০৭ সালে এয়ার স্ট্রাইক চালানো হয়। সিরিয়ায় ইসরাইলের হামলার বিষয়টি বুশ আগে থেকেই জানতেন ও তিনি এ বিষয় গোপনীয়তা রক্ষা করেছেন বলে তার স্মৃতিকথায় স্বীকার করেন । মধ্যেপ্রাচে এই যুদ্ধের গুরুত্ব অনেক এই যুদ্ধে ইস্রায়েল জয়ী হলে মধ্যপ্রাচে তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার আর কোনো শক্তি থাকতো না। কারণ এর পর টার্গেট হতো সিরিয়া ও ইরান। আর সেই সময় আমেরিকা পৃথিবীর একমাত্র পরাশক্তি ছিল। রাশিয়া চীনের অতটা সামর্থ ছিলনা আমেরিকার আগ্রাসনের জোরালো প্রতিবাদ করার ,মূলত হিজবুল্লাকে নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে ইসরাইল সীমান্তের নিরাপত্তা ক্লিয়ার করতে চাচ্ছিলো। এই যুদ্ধে ইস্রায়েল পরাজিত হওয়ায় মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যায় বিশেষ করে হামাসসহ ফিলিস্তিনের আরো বিভিন্ন সংগঠনের। পরিশেষে একটা কথা বলবো ইসরাইল আসলে কিছুইনা আসলে তার কোনো যোগ্য প্রতিপক্ষ ছিলোনা। ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দিয়েছিলো সেই ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারেনি বরং শেষদিকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে প্রচণ্ড মার খেয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়।
    2
    0 Comments 1 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 3 Useful Teeth Whitening Aftercare Tips For You

    Some people feel hesitant to smile as their teeth are discolored or have a few stains. A teeth whitening procedure is the best option for them to bring a smile back to their face. Although a single treatment may be enough to solve all your discoloration issues, it is still recommended that you undergo at least one maintenance session every three months to ensure that your initial treatment results are consistent throughout time.

    #DentalClinic, #CeramicBraces, #smiledelhithedentalclinic

    View more here:
    3 Useful Teeth Whitening Aftercare Tips For You Some people feel hesitant to smile as their teeth are discolored or have a few stains. A teeth whitening procedure is the best option for them to bring a smile back to their face. Although a single treatment may be enough to solve all your discoloration issues, it is still recommended that you undergo at least one maintenance session every three months to ensure that your initial treatment results are consistent throughout time. #DentalClinic, #CeramicBraces, #smiledelhithedentalclinic View more here:
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 4
    1 Comments 0 Shares
  • ঈদ মুবারাক🌙
    তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম ❤️
    ঈদ মুবারাক🌙 তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম ❤️
    5
    0 Comments 0 Shares
  • আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,
    ঈদ মুবারাক,
    তাক্বাবলাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
    ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

    ঈদের দিনের সুন্নাহ সমুহ-

    ❑ অন্য দিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। (বাইহাকী, হাদীস নং- ৬১২৬)

    ❑ মিসওয়াক করা। (তাবঈনুল হাকাইক, ১:৫৩৮)

    ❑ গোসল করা। (ইবনে মাজাহ, হাদীস নং- ১৩১৫)

    ❑ শরী‘আত সম্মত সাজসজ্জা করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮)

    ❑ সামর্থ্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮/ মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০)

    ❑ সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০)

    ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে মিষ্টি জাতীয় যেমন (খেজুর ইত্যাদি) খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পরে নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৩/ তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং- ৫৪২/ দারেমী হাদীস নং- ১৬০৩)

    ❑ সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।(আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৫৭)

    ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে ছদকায়ে ফিতর আদায় করা। (দারাকুতনী, হাদীস নং- ১৬৯৪)

    ❑ ঈদের নামায ইদগাহে আদায় করা, বিনা অপারগতায় মসজিদে আদায় না করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৬/ আবু দাউদ হাদীস নং- ১১৫৮)

    ❑ যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৮৬)

    ❑ পায় হেঁটে যাওয়া। (আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৪৩)

    ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকাঃ

    ‎اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ اَكْبَرُ
    আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ, ঈদ মুবারাক, তাক্বাবলাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖ ঈদের দিনের সুন্নাহ সমুহ- ❑ অন্য দিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। (বাইহাকী, হাদীস নং- ৬১২৬) ❑ মিসওয়াক করা। (তাবঈনুল হাকাইক, ১:৫৩৮) ❑ গোসল করা। (ইবনে মাজাহ, হাদীস নং- ১৩১৫) ❑ শরী‘আত সম্মত সাজসজ্জা করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮) ❑ সামর্থ্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮/ মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০) ❑ সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০) ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে মিষ্টি জাতীয় যেমন (খেজুর ইত্যাদি) খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পরে নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৩/ তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং- ৫৪২/ দারেমী হাদীস নং- ১৬০৩) ❑ সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।(আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৫৭) ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে ছদকায়ে ফিতর আদায় করা। (দারাকুতনী, হাদীস নং- ১৬৯৪) ❑ ঈদের নামায ইদগাহে আদায় করা, বিনা অপারগতায় মসজিদে আদায় না করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৬/ আবু দাউদ হাদীস নং- ১১৫৮) ❑ যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৮৬) ❑ পায় হেঁটে যাওয়া। (আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৪৩) ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকাঃ ‎اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ اَكْبَرُ
    3
    0 Comments 0 Shares
  • আলাদিনের সকল ভাইদের কে আমার পক্ষ থেকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
    🌙🌙🌙🌙🌃🌃🌃🌙🌙🌙🌙
    ঈদ মোবারক
    তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
    আলাদিনের সকল ভাইদের কে আমার পক্ষ থেকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 🌙🌙🌙🌙🌃🌃🌃🌙🌙🌙🌙 ঈদ মোবারক তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
    6
    0 Comments 0 Shares
  • আলাদিনের সবাইকে ঈদ মোবারক।
    আলাদিনের সবাইকে ঈদ মোবারক।
    6
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.youtube.com/watch?v=2-4nNdZhskc
    তালেবান বাংলাদেশের এর বেপারে কি বলে?
    https://www.youtube.com/watch?v=2-4nNdZhskc তালেবান বাংলাদেশের এর বেপারে কি বলে?
    1
    0 Comments 0 Shares
  • তিলাওয়াতের সৌন্দর্য, বিষয়বস্তুর আবেদন,
    দুই সমুদ্রে একসাথে তলিয়ে গেলাম।

    #সুবহানাল্লাহ
    #Quran
    #Macca
    তিলাওয়াতের সৌন্দর্য, বিষয়বস্তুর আবেদন, দুই সমুদ্রে একসাথে তলিয়ে গেলাম। #সুবহানাল্লাহ #Quran #Macca
    6
    10 1 Comments 0 Shares
  • আজ ২৯ রমাদান মোতাবেক ১ মে (রবিবার) বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায় নি। পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপিত হবে ৩ মে রোজ মঙ্গলবার।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভা থেকে উক্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

    হাদীস ও আসারের আলোকে ঈদের দিনের কিছু সুন্নাহ নিচে তুলে ধরা হলোঃ

    ১. তাকবীরে তাশরীক
    ২. ঈদের সালাতের আগেই ফিতরা আদায়
    ৩. খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ও আগে আগে ঈদগাহে যাওয়া
    ৪. মিসওয়াক করা, গোসল করা ও সুগন্ধি লাগানো
    ৫. বেজোড় সংখ্যক খেজুর বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঈদগাহে যাওয়া
    ৬. যানবাহন ব্যবহার না করে পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া
    ৭. ঈদগাহে যাওয়া ও আসার পথ ভিন্ন করা
    ৮. উন্মুক্ত স্থানে ঈদের সালাত আদায় করা
    ৯. খুতবা শোনা (ওয়াজিব)
    ১০. ঈদের দিন যথা সম্ভব হাসি খুশি থাকা
    ১১. একে অন্যকে ঈদের অভিভাদন জানানো
    আজ ২৯ রমাদান মোতাবেক ১ মে (রবিবার) বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায় নি। পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপিত হবে ৩ মে রোজ মঙ্গলবার। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভা থেকে উক্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। হাদীস ও আসারের আলোকে ঈদের দিনের কিছু সুন্নাহ নিচে তুলে ধরা হলোঃ ১. তাকবীরে তাশরীক ২. ঈদের সালাতের আগেই ফিতরা আদায় ৩. খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ও আগে আগে ঈদগাহে যাওয়া ৪. মিসওয়াক করা, গোসল করা ও সুগন্ধি লাগানো ৫. বেজোড় সংখ্যক খেজুর বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঈদগাহে যাওয়া ৬. যানবাহন ব্যবহার না করে পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া ৭. ঈদগাহে যাওয়া ও আসার পথ ভিন্ন করা ৮. উন্মুক্ত স্থানে ঈদের সালাত আদায় করা ৯. খুতবা শোনা (ওয়াজিব) ১০. ঈদের দিন যথা সম্ভব হাসি খুশি থাকা ১১. একে অন্যকে ঈদের অভিভাদন জানানো
    5
    0 Comments 0 Shares
  • ঈদে দ্রুত বাড়ী পৌঁছতে তাড়াহুড়ো করে বিপদ ডেকে আনবেন না।
    আল্লাহর উপর ভরসা করে ধীরে সুস্থে দুআ দরুদ পড়তে পড়তে বাড়ী যান এবং ফিরে আসুন দেখবেন তিনি সহজ করে দিয়েছেন।
    ঈদে দ্রুত বাড়ী পৌঁছতে তাড়াহুড়ো করে বিপদ ডেকে আনবেন না। আল্লাহর উপর ভরসা করে ধীরে সুস্থে দুআ দরুদ পড়তে পড়তে বাড়ী যান এবং ফিরে আসুন দেখবেন তিনি সহজ করে দিয়েছেন।
    4
    1 Comments 0 Shares
  • 6
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.youtube.com/watch?v=6KmCMjF1QXs
    https://www.youtube.com/watch?v=6KmCMjF1QXs
    WWW.YOUTUBE.COM
    যে বক্তব্যের জন্য ইলিয়াস আলি গুম হয়েছিলেন। Elias Ali
    এই কঠিন বক্তব্যই ইলিয়াস আলি কে ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়ীর ড্রাইভার আনসার আলিসহ গুম হন ইলিয়াস আলি! এরই প্রতিবাদে ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল তাঁর জন...
    2
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.youtube.com/watch?v=6KmCMjF1QXs
    https://www.youtube.com/watch?v=6KmCMjF1QXs
    WWW.YOUTUBE.COM
    যে বক্তব্যের জন্য ইলিয়াস আলি গুম হয়েছিলেন। Elias Ali
    এই কঠিন বক্তব্যই ইলিয়াস আলি কে ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়ীর ড্রাইভার আনসার আলিসহ গুম হন ইলিয়াস আলি! এরই প্রতিবাদে ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল তাঁর জন...
    1
    0 Comments 0 Shares
  • চাহিদা বাড়িয়ে ভিক্ষুকের মতো থাকার চাইতে , চাহিদা কমিয়ে রাজার মতো চলা ভাল।
    চাহিদা বাড়িয়ে ভিক্ষুকের মতো থাকার চাইতে , চাহিদা কমিয়ে রাজার মতো চলা ভাল।
    7
    0 Comments 0 Shares
  • আ ফ গা নি স্তা নে আজ ঈদ!
    সারা দুনিয়ার ব্যতিক্রমি খবর

    আ ফ গা-নিস্তানে শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে। সেখানে আগামীকাল রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে, ইনশাআল্লাহ! চাঁদ দেখার সংবাদ জানাচ্ছেন ইমাারতে ইসলাামিয়্যাহ'র প্রধান কাজী (বিচারপতি) আবদুল হাকীম হ ক্কা-নী দা.বা.

    এবার সৌদির সাথে বাংলাদেশেও সোমবার ঈদ হবার সম্ভাবনা আছে। ইসলামের কী সুন্দর বৈচিত্র্য!
    আ ফ গা নি স্তা নে আজ ঈদ! সারা দুনিয়ার ব্যতিক্রমি খবর আ ফ গা-নিস্তানে শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে। সেখানে আগামীকাল রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে, ইনশাআল্লাহ! চাঁদ দেখার সংবাদ জানাচ্ছেন ইমাারতে ইসলাামিয়্যাহ'র প্রধান কাজী (বিচারপতি) আবদুল হাকীম হ ক্কা-নী দা.বা. এবার সৌদির সাথে বাংলাদেশেও সোমবার ঈদ হবার সম্ভাবনা আছে। ইসলামের কী সুন্দর বৈচিত্র্য!
    5
    0 Comments 0 Shares
  • অটোইমিউন ডিজিজ
    ==================
    অটোইমিউন ডিজিজ বলে কিছু মারাত্মক ডিজিজ আছে। যাদের কোন নিরাময় নেই। শুধুমাত্র ইমিউনিটি সাপ্রেস করে রাখলে এটা কিছুটা দমে থাকে। সেক্ষেত্রে আবার শরীর অন্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে। অটোইমিউন ডিজিজগুলোতে পুরো শরীর ভয়ঙ্করভাবে এফেক্ট করে। এর মূল কারণ হচ্ছে শরীরের ভেতর দুইটি কম্পোনেন্টের নিজেদের নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যায়। শরীরের ইমিউন সিস্টেম নিজের শরীরের কোন কোষকেই বহিরাগত মনে করে তার বিরুদ্ধে নিপুণ যুদ্ধ শুরু করে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ইমিউন সিস্টেম, ক্ষতিগ্রস্থ হয় নিজস্ব সেলগুলো- যেগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে, আর ক্ষতিগ্রস্থ হয় ব্যাটল ফিল্ড বা যুদ্ধের স্থানে অবস্থানরত অন্যান্য নিরীহ কোষ। ফলে বোঝতেই পারছেন শরীরের ভেতর অবিরাম সংঘর্ষ চলতে থাকলে শরীরের অবস্থা কি হতে পারে।
    মুসলিমদের ভেতর এরকম অটোইমিউন ডিজিজ আছে। নিজেদের ভেতর লড়াই। যার কোন চিকিৎসা নেই।
    অটোইমিউন ডিজিজ ================== অটোইমিউন ডিজিজ বলে কিছু মারাত্মক ডিজিজ আছে। যাদের কোন নিরাময় নেই। শুধুমাত্র ইমিউনিটি সাপ্রেস করে রাখলে এটা কিছুটা দমে থাকে। সেক্ষেত্রে আবার শরীর অন্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে। অটোইমিউন ডিজিজগুলোতে পুরো শরীর ভয়ঙ্করভাবে এফেক্ট করে। এর মূল কারণ হচ্ছে শরীরের ভেতর দুইটি কম্পোনেন্টের নিজেদের নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যায়। শরীরের ইমিউন সিস্টেম নিজের শরীরের কোন কোষকেই বহিরাগত মনে করে তার বিরুদ্ধে নিপুণ যুদ্ধ শুরু করে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ইমিউন সিস্টেম, ক্ষতিগ্রস্থ হয় নিজস্ব সেলগুলো- যেগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে, আর ক্ষতিগ্রস্থ হয় ব্যাটল ফিল্ড বা যুদ্ধের স্থানে অবস্থানরত অন্যান্য নিরীহ কোষ। ফলে বোঝতেই পারছেন শরীরের ভেতর অবিরাম সংঘর্ষ চলতে থাকলে শরীরের অবস্থা কি হতে পারে। মুসলিমদের ভেতর এরকম অটোইমিউন ডিজিজ আছে। নিজেদের ভেতর লড়াই। যার কোন চিকিৎসা নেই।
    0 Comments 0 Shares
  • 6
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • ১. একদিন বাজারে না গেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
    ২. শেয়ার মার্কেট কোন ইনভেস্টমেন্টের জায়গা না, জুয়াড়িদের জায়গা।
    ৩. গ্যাসটা এত মূল্যবান সম্পদ যে এটা দিয়ে ভাত-তরকারী রান্না করার কোন মানেই হয় না।
    ৪. চার হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারি বড় কোন ঘটনা না।
    ৫. কর দেয়ার কোন বয়স নাই। ছাত্রদেরও কর দেয়া উচিত।
    ৬. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি পাঁচগুন করা হবে।
    ৭. ঘুষ হলো স্পিড মানি, তাই এটি দেওয়া অবৈধ নয়।
    ৮. ভারতকে ট্রানজিটের বিনিময়ে ফি নয়, একটা কিছু নিবো আরকি।
    এই ধরনের আরও বহু অমৃতবাণী প্রসবকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব গতরাতে আমাদেরকে ছেড়ে চিরতরে তার নিজ গন্তব্যে চলে গেছেন। (আমরা আরও নতুন কিছু অমৃতবাণী শোনা থেকে মাহরুম হয়ে গেলাম)
    #মোরাল_অফ_দ্যা_পোস্ট
    তারজন্য একটাই সেন্টেন্স, দুনিয়ায় থাকতে ২০ কোটি মানুষের যে পরিমান হক সে নষ্ট করেছে, কবরে যেন আল্লাহ তায়ালা তার পুরোপুরি হিসাবটা বুঝে নেন।
    বিঃদ্রঃ কারো মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করাটা ইসলাম কঠিন ভাবে নিষেধ করেছে, তাই সেটা করছি না।
    তবে, এই জালিম কে আল্লাহ তায়ালা তুলে নেয়ায় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি।
    ১. একদিন বাজারে না গেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। ২. শেয়ার মার্কেট কোন ইনভেস্টমেন্টের জায়গা না, জুয়াড়িদের জায়গা। ৩. গ্যাসটা এত মূল্যবান সম্পদ যে এটা দিয়ে ভাত-তরকারী রান্না করার কোন মানেই হয় না। ৪. চার হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারি বড় কোন ঘটনা না। ৫. কর দেয়ার কোন বয়স নাই। ছাত্রদেরও কর দেয়া উচিত। ৬. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি পাঁচগুন করা হবে। ৭. ঘুষ হলো স্পিড মানি, তাই এটি দেওয়া অবৈধ নয়। ৮. ভারতকে ট্রানজিটের বিনিময়ে ফি নয়, একটা কিছু নিবো আরকি। এই ধরনের আরও বহু অমৃতবাণী প্রসবকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব গতরাতে আমাদেরকে ছেড়ে চিরতরে তার নিজ গন্তব্যে চলে গেছেন। (আমরা আরও নতুন কিছু অমৃতবাণী শোনা থেকে মাহরুম হয়ে গেলাম) #মোরাল_অফ_দ্যা_পোস্ট তারজন্য একটাই সেন্টেন্স, দুনিয়ায় থাকতে ২০ কোটি মানুষের যে পরিমান হক সে নষ্ট করেছে, কবরে যেন আল্লাহ তায়ালা তার পুরোপুরি হিসাবটা বুঝে নেন। বিঃদ্রঃ কারো মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করাটা ইসলাম কঠিন ভাবে নিষেধ করেছে, তাই সেটা করছি না। তবে, এই জালিম কে আল্লাহ তায়ালা তুলে নেয়ায় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি।
    4
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • ভালো ব্যক্তিত্ব গঠনের উপায়:

    👉 সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলা বন্ধ করতে হবে।
    👉 নীতিহীন এবং নৈতিকতাহীন কোন কিছুর কাছে নিজেকে আপোস করা যাবে না।
    👉 সত্যের পক্ষে অবস্থান নিন।
    👉 নিজের মধ্যে দ্বিচারিতা এবং স্ববিরোধিতা থাকলে সেসব নিয়ে স্টাডি করুন।
    👉 অন্যায়,অবিচার,দুর্নীতি এবং প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
    👉 আপনি যা না,তা প্রকাশ করতে যাবেন না।
    👉 নিজের কাছে সৎ থাকুন।নিজের সততার সাথে আপোস করা যাবে না।
    👉 অনলাইনে যার-তার সাথে বন্ধুত্ব করা এবং যাকে-তাকে অনুসরণ করা বন্ধ করুন। রুচিশীল মানুষদের সহচর্যে থাকুন।
    👉 নিজেকে বিবেক দ্বারা চালিত করতে হবে, আবেগ দিয়ে নয়।
    👉 সামাজিক জীব হিসেবে আমরা সমাজের কাছে দায়বদ্ধ। সমাজের জন্য দৃষ্টান্তমূলক কিছু স্থাপন করুন।
    ভালো ব্যক্তিত্ব গঠনের উপায়: 👉 সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলা বন্ধ করতে হবে। 👉 নীতিহীন এবং নৈতিকতাহীন কোন কিছুর কাছে নিজেকে আপোস করা যাবে না। 👉 সত্যের পক্ষে অবস্থান নিন। 👉 নিজের মধ্যে দ্বিচারিতা এবং স্ববিরোধিতা থাকলে সেসব নিয়ে স্টাডি করুন। 👉 অন্যায়,অবিচার,দুর্নীতি এবং প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। 👉 আপনি যা না,তা প্রকাশ করতে যাবেন না। 👉 নিজের কাছে সৎ থাকুন।নিজের সততার সাথে আপোস করা যাবে না। 👉 অনলাইনে যার-তার সাথে বন্ধুত্ব করা এবং যাকে-তাকে অনুসরণ করা বন্ধ করুন। রুচিশীল মানুষদের সহচর্যে থাকুন। 👉 নিজেকে বিবেক দ্বারা চালিত করতে হবে, আবেগ দিয়ে নয়। 👉 সামাজিক জীব হিসেবে আমরা সমাজের কাছে দায়বদ্ধ। সমাজের জন্য দৃষ্টান্তমূলক কিছু স্থাপন করুন।
    4
    0 Comments 0 Shares
  • আলহামদুলিল্লাহ,
    আজ খতমে তারাবীহ সম্পন্ন হলো।
    এটি জীবনের ১৩-তম খতমে তারাবীহ।

    আল্লাহ! মৃত্যু পর্যন্ত ইখলাসের সাথে কোরআনের খেদমত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
    আলহামদুলিল্লাহ, আজ খতমে তারাবীহ সম্পন্ন হলো। এটি জীবনের ১৩-তম খতমে তারাবীহ। আল্লাহ! মৃত্যু পর্যন্ত ইখলাসের সাথে কোরআনের খেদমত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
    5
    2 Comments 0 Shares
  • আহারে আলাদিন আর কতই ম্যাজিক দেখব!
    আহারে আলাদিন আর কতই ম্যাজিক দেখব!
    1
    0 Comments 0 Shares
  • আসসালামু আলাইকুম।
    আজ আমি আপনাদের বলব মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্ন কখন সত্যি হবে এবং পাকিস্তানের শত্রুরা পাকিস্তানকে তোরা বোরা বানাতে কী কী করবে।
    সবার আগে স্বপ্নের সারসংক্ষেপ বলছি। এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে যা পাকিস্তানের অবস্থান শক্ত করবে। জাতির জন্য সমস্যা ও অসুবিধা বাড়বে, কিন্তু একই সঙ্গে ঐক্যের আওয়াজ উঠবে। পাকিস্তানের শত্রুদের পরিকল্পনা ও তাদের চেষ্টা ব্যর্থ হবে। এবং পাকিস্তান অর্থনৈতিক ও আর্থিকভাবে একটি শক্তিশালী জাতি হিসেবে উঠে আসবে। আর বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান সম্মান পাবে।
    এই বক্তব্যগুলো কোন কাব্যিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে নয় বরং মুহাম্মদ কাসিমের রহমানী সত্য স্বপ্ন থেকে।
    এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়, মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্ন কখন সত্য হবে?
    মুহাম্মদ কাসিম আমাদের বলেছিলেন যে পাকিস্তান সংগ্রাম চালিয়ে যাবে এবং অর্থনৈতিক সমস্যা আরও বড় হবে, পাকিস্তানের জনগণের অবস্থা আরও খারাপ থেকে খারাপ হবে। যে সময় চলে গেছে, সেটা কিছুই ছিল না, পাকিস্তানের জনগণের আসল পরীক্ষা এখন শুরু হবে। 2022 সাল, পুরো বছরটি দেশের জন্য খুব কষ্টে কাটবে। 2022 সালের এপ্রিল থেকে অনুতপ্ত এবং হতাশাজনক পরিস্থিতি বাড়তে শুরু করবে। আল্লাহই ভালো জানেন।
    আল্লাহকে ভবিষ্যতে এ জাতিকে একটি বড় দায়িত্ব ও মর্যাদায় ভূষিত করতে হবে। তবে তার আগে জাতিকে পরীক্ষা করা হবে। স্বর্ণকে আগুনে গলানো হয় আকার দেওয়ার জন্য, তাই যখন একটি জাতিকে গঠন করতে হয়, তখন তারা বড় হতাশা ও পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। সেই জাতি যদি ধৈর্য ধরে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তবে তাদের সঠিক আকৃতিতে গঠন করা হয়। আমার মতে ২০২৩ সালের নির্বাচন হবে না। ইমরান খান 2022 সালের এপ্রিল থেকে 2022 সালের অক্টোবরের মধ্যে আগাম নির্বাচন করার চেষ্টা করবেন, কিন্তু এই সময় আসার আগেই, পাকিস্তানের অভিজাত এবং শক্তিশালী ব্যক্তিত্বরা পাকিস্তানের শত্রুদের কাছে নতি স্বীকার করবে। বেনজির ভুট্টোর ক্ষেত্রে যেমনটি হয়েছিল, তার মৃত্যু দাঙ্গা ও বিশৃঙ্খলার সাথে সমগ্র দেশকে আঘাত করেছিল। একইভাবে পাকিস্তানের শত্রুরা নওয়াজ শরিফকে হত্যা করার চেষ্টা করবে এবং ইমরান খানকে এবং সম্ভবত সফল হবে, এবং এই ধরনের ঘটনা ঘটলে দেশে নিশ্চিত বিশৃঙ্খলা হবে কেমন তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। মুহম্মদ কাসিম দেখলেন যে পাকিস্তান তোরা বোরা হয়ে গেছে, এই অবস্থা শুরু হবে এবার থেকে। আর পরিস্থিতি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। মানুষ এমন হতাশার মধ্যে থাকবে যে তারা ভাববে এই দেশটি বাঁচবে কিনা। এই সময়ই হবে যখন পাকিস্তানের প্রকৃত নেতা এগিয়ে আসবেন, এই নেতা কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো ধর্মীয় দলের হবেন না। আমার মতে, এই ব্যক্তি হবেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর, এবং একজন অভিজ্ঞ নেতা হবেন, এবং গোয়েন্দা সংস্থার হবেন। আল্লাহ ভাল জানেন. এবং এখান থেকে মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি সত্য হতে শুরু করবে, এবং সময়টি 2022 সালের শেষ কয়েক মাসের দিকে পড়ে। মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি ইতিমধ্যেই সত্য হতে শুরু করেছে, তবে আমি যে সময়টি উল্লেখ করেছি তা হবে যখন তার স্বপ্নগুলি দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এবং সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠবে। এবং মানুষ তার স্বপ্নে প্রচুর পরিমাণে বিশ্বাস করবে। 2023 সালের মধ্যে, মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি প্রতিটি বাড়িতে পরিচিত হবে এবং এই স্বপ্নগুলি সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। মুহাম্মদ কাসিম একজন জনপ্রিয় এবং পরিচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হবেন এবং বাকি বিশ্ব অবাক হবে। আল্লাহ ভাল জানেন।
    আসসালামু আলাইকুম। আজ আমি আপনাদের বলব মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্ন কখন সত্যি হবে এবং পাকিস্তানের শত্রুরা পাকিস্তানকে তোরা বোরা বানাতে কী কী করবে। সবার আগে স্বপ্নের সারসংক্ষেপ বলছি। এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে যা পাকিস্তানের অবস্থান শক্ত করবে। জাতির জন্য সমস্যা ও অসুবিধা বাড়বে, কিন্তু একই সঙ্গে ঐক্যের আওয়াজ উঠবে। পাকিস্তানের শত্রুদের পরিকল্পনা ও তাদের চেষ্টা ব্যর্থ হবে। এবং পাকিস্তান অর্থনৈতিক ও আর্থিকভাবে একটি শক্তিশালী জাতি হিসেবে উঠে আসবে। আর বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান সম্মান পাবে। এই বক্তব্যগুলো কোন কাব্যিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে নয় বরং মুহাম্মদ কাসিমের রহমানী সত্য স্বপ্ন থেকে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়, মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্ন কখন সত্য হবে? মুহাম্মদ কাসিম আমাদের বলেছিলেন যে পাকিস্তান সংগ্রাম চালিয়ে যাবে এবং অর্থনৈতিক সমস্যা আরও বড় হবে, পাকিস্তানের জনগণের অবস্থা আরও খারাপ থেকে খারাপ হবে। যে সময় চলে গেছে, সেটা কিছুই ছিল না, পাকিস্তানের জনগণের আসল পরীক্ষা এখন শুরু হবে। 2022 সাল, পুরো বছরটি দেশের জন্য খুব কষ্টে কাটবে। 2022 সালের এপ্রিল থেকে অনুতপ্ত এবং হতাশাজনক পরিস্থিতি বাড়তে শুরু করবে। আল্লাহই ভালো জানেন। আল্লাহকে ভবিষ্যতে এ জাতিকে একটি বড় দায়িত্ব ও মর্যাদায় ভূষিত করতে হবে। তবে তার আগে জাতিকে পরীক্ষা করা হবে। স্বর্ণকে আগুনে গলানো হয় আকার দেওয়ার জন্য, তাই যখন একটি জাতিকে গঠন করতে হয়, তখন তারা বড় হতাশা ও পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। সেই জাতি যদি ধৈর্য ধরে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তবে তাদের সঠিক আকৃতিতে গঠন করা হয়। আমার মতে ২০২৩ সালের নির্বাচন হবে না। ইমরান খান 2022 সালের এপ্রিল থেকে 2022 সালের অক্টোবরের মধ্যে আগাম নির্বাচন করার চেষ্টা করবেন, কিন্তু এই সময় আসার আগেই, পাকিস্তানের অভিজাত এবং শক্তিশালী ব্যক্তিত্বরা পাকিস্তানের শত্রুদের কাছে নতি স্বীকার করবে। বেনজির ভুট্টোর ক্ষেত্রে যেমনটি হয়েছিল, তার মৃত্যু দাঙ্গা ও বিশৃঙ্খলার সাথে সমগ্র দেশকে আঘাত করেছিল। একইভাবে পাকিস্তানের শত্রুরা নওয়াজ শরিফকে হত্যা করার চেষ্টা করবে এবং ইমরান খানকে এবং সম্ভবত সফল হবে, এবং এই ধরনের ঘটনা ঘটলে দেশে নিশ্চিত বিশৃঙ্খলা হবে কেমন তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। মুহম্মদ কাসিম দেখলেন যে পাকিস্তান তোরা বোরা হয়ে গেছে, এই অবস্থা শুরু হবে এবার থেকে। আর পরিস্থিতি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। মানুষ এমন হতাশার মধ্যে থাকবে যে তারা ভাববে এই দেশটি বাঁচবে কিনা। এই সময়ই হবে যখন পাকিস্তানের প্রকৃত নেতা এগিয়ে আসবেন, এই নেতা কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো ধর্মীয় দলের হবেন না। আমার মতে, এই ব্যক্তি হবেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর, এবং একজন অভিজ্ঞ নেতা হবেন, এবং গোয়েন্দা সংস্থার হবেন। আল্লাহ ভাল জানেন. এবং এখান থেকে মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি সত্য হতে শুরু করবে, এবং সময়টি 2022 সালের শেষ কয়েক মাসের দিকে পড়ে। মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি ইতিমধ্যেই সত্য হতে শুরু করেছে, তবে আমি যে সময়টি উল্লেখ করেছি তা হবে যখন তার স্বপ্নগুলি দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এবং সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠবে। এবং মানুষ তার স্বপ্নে প্রচুর পরিমাণে বিশ্বাস করবে। 2023 সালের মধ্যে, মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি প্রতিটি বাড়িতে পরিচিত হবে এবং এই স্বপ্নগুলি সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। মুহাম্মদ কাসিম একজন জনপ্রিয় এবং পরিচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হবেন এবং বাকি বিশ্ব অবাক হবে। আল্লাহ ভাল জানেন।
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • রাসুল সাঃ এর রাষ্ট্র পরিচালনা । আল্লামা দেলোয়ার সাঈদী Sayedee
    রাসুল সাঃ এর রাষ্ট্র পরিচালনা । আল্লামা দেলোয়ার সাঈদী Sayedee
    5
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • প্রচারে প্রসার আর প্রসার মানেই আপনার ব্যাবসা তুঙ্গে সে লক্ষে আমরা তৈরি করছি আপনার ব্যাবসার বিজনেস কার্ড।
    বিজনেস কার্ড তৈরি করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
    মোবাঃ +৮৮০১৫৮১১৯০৩২০
    বিঃ দ্রঃ অনলাইনে লগো ডিজাইন ও ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন করা হয়।
    0 Comments 0 Shares
  • Taliban Soldiers
    Taliban Soldiers
    2
    23 1 Comments 0 Shares
Directory
Gold Member