• Texted
    Texted
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • Aladdin Social Site Security Issue found.
    Many people have faced the problem.
    Aladdin Social Site Security Issue found. Many people have faced the problem.
    4 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ কিভাবে ইসরাইলের মতন অপরাজিত শক্তিকে পরাজিত করে?তাদের শক্তি মূল কোথায়??যেখানে ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দেওয়া ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারলোনা উল্টো পিট দেখিয়ে জাতিসংঘের শর্ত মানতে রাজি হয়েছিল।

    এর আগের পোস্ট এ আমি ৩৩ দিনের যুদ্ধ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি এই পোস্টে মূলত হিজবুল্লার শক্তির মূল উৎস নিয়ে আলোচনা করবো।
    এককথায় হিজবুল্লার শক্তির মূল উৎস হুসাইনি চেতনা। হুসাইনী চেতনা মূলত কি?
    প্রত্যেক জাতির আলাদা আলাদা অনুপ্রেরণার ইতিহাস আছে। সেখান থেকে তারা অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকে। যেমন বাংলাদেশের ৭১ এর চেতনা ,কিউবার কমিউনিস্ট বিপ্লবী চেতনা ইত্যাদি।
    তেমনি হিজবুল্লার চেতনা হুসাইনি চেতনা। হোসাইন রা ৭০ জন থেকে ৮০ জন সৈন্য নিয়ে ৪ হাজার সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে করেছিল। তিনি জানতেন এই যুদ্ধে তিনি ১০০ % হারবেন ,কিন্তু হৃদপিণ্ডের শেষ কম্পন থাকা পর্যন্ত তিনি তার তলোয়ার মাটিতে রাখেননি,আর শত্রুর কাছে মাথা নত করেননি ।
    এটাই শিয়া মুসলিমদের চেতনা এইজন্য তারা মধ্যপ্রাচ্চের আগুন। হৃদপিণ্ডের শেষ কম্পন থাকা পর্যন্ত তারা বুলেট ছারে।

    চিন্তা করেন ২০০৬ সালে ইসরাইল কিন্তু লেবাননের সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেনি ,ইসরাইল মূলত হিজবুল্লার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় যুদ্ধ শুরু করা ইসরাইলের শাসকগোষ্ঠীর প্রধান লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহকে চিরতরে নির্মূল করা তাদের নেতাগুলোকে মেরে ফেলা বা বন্দি করা। সাথে লেবাননের দক্ষিণের কিছুটা দখল করা।
    ৩৩ দিনের যুদ্ধ ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানে এবং ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের ধারাবাহিকতা এবং এই যুদ্ধগুলির পরিপূরক ছিল, যেগুলি লেবাননের ভূগোলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। অথাৎ তারা সম্পূর্ণ প্ল্যান করে অগ্রসর হয়।
    ইসরাইল প্ল্যানমাফিক দক্ষিণ লেবাননের অংশ দখল করে নেয়।
    এই সময় হিজবুল্লাহ আর দশটা মুসলিমদেশের মতন জাতিসংগে গিয়ে কান্না কাটি করে সময় নষ্ট করেনি কারণ তারা জানতো ইসরাইল জাতিসংঘ কে মানে না।
    হিজবুল্লাহ কথিত ইসলামী সংস্থা ওআইসি এর কাছেও যায়নি।কারণ তারা ভালো করেই জানতো জানতো ওআইসির বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস।

    তারা প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেয়।
    ইসরাইল যখন লেবাননের দক্ষিণ অঞ্চল দখল করে নেয় ব্রিটেন,জার্মানি,বলে ইসরাইলের প্রতিরক্ষার অধিকার আছে ,আমেরিকা তো সরাসরি ইসরাইলকে সমর্থন করে। আর সৌদিসহ বাকি মুসলিমদেশগুলো মুনাফিকের মতন বলে আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী যুদ্ধে নয়। যেমনটি বেঞ্জমিন নেতানিয়াহু একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন যদি আরবরা তাদের সবঅস্ত্র সমর্পণ করে, শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে, এবং যদি ইহুদিরা তাদের অস্ত্র সমর্পণ করে, ইসরায়েল রাষ্ট্র বিলুপ্ত হয়ে যাবে।"এই হচ্ছে মুনাফিক মুসলিমদেশের শান্তি পক্ষের সাফাই ছিল।


    হিজবুল্লাহর পক্ষে শুধু সিরিয়া আর ইরান ছিল। তারা অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করছিলো তবে হিজবুল্লাহর যে সাহস ও মনোবল সেটা কোনো দেশ থেকে আমদানি ছিলোনা।

    ইসরাইল একটা দানব হিসেবে হিজবুল্লার উপর আক্রমণ চালায়।
    হামলার শুরুতেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান ড্যান হ্যালুটজ ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্টকে ফোন করে বলেছিলেন: “আমরা যুদ্ধে জয়ী হয়েছি। শুরুকরে ব্যাপক বোমা হামলা। ইসরাইলে যা কিছু ছিল সব লেবাননের মাটিতে ফেলে শুধু পারমাণবিক বোমা ছাড়া।নৌপথে ,আকাশ পথে এবং জমিনে সব দিকদিয়ে ধেয়ে আসে ইসরাইলিরা।
    কিন্তু আল্লাহর সৈনিকেরা ভয়পাইনি যেমনটা ভীতু ছিলেননা হুসাইন রা ইয়াজিদের চার হাজার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।

    হিজবুল্লাহ একটি গেরিলা বাহিনী তাদের কোনো ট্যাংক নেই,নেই কোনো যুদ্ধ বিমান বা নৌযান ,পক্ষান্তরে ইসরাইলের ছিল বিশ্বের সব চেয়ে আধুনিক সমরাস্ত্র ,আধুনিক ট্যাংক মারকোভা,যুদ্ধ বিমান,কি নেই তা ছাড়া ইসরাইলের ছিল যুদ্ধে প্রচুর অভিজ্ঞতা ইতি মধ্যে বাঘা বাঘা আরবদের পরাজিত করে তাদের মুখে চুলকানি মাখিয়ে দিয়েছে ইসরাইল।

    এতকিছুর পরেও হিজবুল্লাহ ইসরাইলকে ঠেকিয়ে দিয়েছিলো। ইসরাইলের মতন পাগলা কুকুরকে শিকল পরিয়েছিলো। যে ইসরাইল জাতিসংঘকে সব সময় বুরু আঙুল দেখিয়েছিলো তারাই জাতিসংঘের সব প্রস্তাব মেনে নেয়।
    হিজবুল্লাহ হয়ে উঠে প্রথম আরব দেশ যারা কিনা ইসরাইল নামক পাগলা কুকুরের গলায় শিকল পড়িয়েছে।
    33 দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাহর বিজয় এমন একটি সমীকরণ তৈরি করেছিল যা গত 15 বছরে ইহু*দিবাদী শাসকরা লেবাননের দিকে চোখ উঁচু করে তাকাতে সাহস পাইনি।

    হিজবুল্লাহ আজ আল্লাহর রহমতে অনেক শক্তিশালি। অবসরপ্রাপ্ত জা*য়নবাদী কর্নেল ইলি বার-অন এক সাক্ষাৎকারে বলেন যে 2006 সালের যুদ্ধে, যখন হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্রাগার অনেক দুর্বল ছিল, কিন্তু এখন, অনুমান অনুসারে হিজবুল্লাহর 170,000 টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট রয়েছে, সেইসাথে হিজবুল্লাহর আক্রমণকারী ড্রোনও আছে।
    ইসরায়েলের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের প্রধান জেনারেল আইজেনহাওয়ার ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে বিলম্বের কথা উল্লেখ করে হিজবুল্লাহকে ইসরায়েলের প্রধান শত্রু বলে অভিহিত করেছিলেন।

    চিন্তা করেন ইসরাইলের প্রধান শত্রু হওয়া কতটা ভাগ্যবানের কাজ। কথিত মুসলিমদেশ সৌদি ,কাতার ,তুর্কি এদের আছে অঢেল সম্পদ কিন্তু ইসরাইল এদের শত্রু হিসবে না দেখে অর্থনৈতিক ভাবে দেউলিয়া একটি দেশ লেবাননকে শত্রু হিসেবে ঘোষণা করে।

    ইয়েমেনি আনসারুল্লাহ একটি আন্দোলন হিসেবেও সক্রিয় যেটি হিজবুল্লাহর অভিজ্ঞতা এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর বিজয় দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে এবং হিজবুল্লাহর আদলে তৈরি হয়েছে। 2015 সাল থেকে, আন্দোলনটি কেবল সৌদি জোটের হিংস্র আগ্রাসনকে প্রতিহত করেনি, বরং যুদ্ধের সমীকরণকে প্রতিরক্ষামূলক থেকে আক্রমণাত্মক পরিবর্তন করতেও সফল হয়েছে এবং সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন অংশকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দ্বারা । মজার ব্যাপার হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত সৌদি জোট আনসারুল্লাহকে পরাজিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে কিন্তু সফল হয়নি। সৌদি আরব স্পষ্টভাবে বলেছে যে তারা তার দক্ষিণ সীমান্তে হিজবুল্লাহর দ্বিতীয় সংস্করণ গঠনের আশঙ্কা করছে।

    যদি বেঁচে থাকি ইয়েমেনি আনসারুল্লাহ কে নিয়ে পরবর্তীতে পোস্ট দেব ইনশাল্লাহ
    ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ কিভাবে ইসরাইলের মতন অপরাজিত শক্তিকে পরাজিত করে?তাদের শক্তি মূল কোথায়??যেখানে ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দেওয়া ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারলোনা উল্টো পিট দেখিয়ে জাতিসংঘের শর্ত মানতে রাজি হয়েছিল। এর আগের পোস্ট এ আমি ৩৩ দিনের যুদ্ধ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি এই পোস্টে মূলত হিজবুল্লার শক্তির মূল উৎস নিয়ে আলোচনা করবো। এককথায় হিজবুল্লার শক্তির মূল উৎস হুসাইনি চেতনা। হুসাইনী চেতনা মূলত কি? প্রত্যেক জাতির আলাদা আলাদা অনুপ্রেরণার ইতিহাস আছে। সেখান থেকে তারা অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকে। যেমন বাংলাদেশের ৭১ এর চেতনা ,কিউবার কমিউনিস্ট বিপ্লবী চেতনা ইত্যাদি। তেমনি হিজবুল্লার চেতনা হুসাইনি চেতনা। হোসাইন রা ৭০ জন থেকে ৮০ জন সৈন্য নিয়ে ৪ হাজার সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে করেছিল। তিনি জানতেন এই যুদ্ধে তিনি ১০০ % হারবেন ,কিন্তু হৃদপিণ্ডের শেষ কম্পন থাকা পর্যন্ত তিনি তার তলোয়ার মাটিতে রাখেননি,আর শত্রুর কাছে মাথা নত করেননি । এটাই শিয়া মুসলিমদের চেতনা এইজন্য তারা মধ্যপ্রাচ্চের আগুন। হৃদপিণ্ডের শেষ কম্পন থাকা পর্যন্ত তারা বুলেট ছারে। চিন্তা করেন ২০০৬ সালে ইসরাইল কিন্তু লেবাননের সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেনি ,ইসরাইল মূলত হিজবুল্লার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় যুদ্ধ শুরু করা ইসরাইলের শাসকগোষ্ঠীর প্রধান লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহকে চিরতরে নির্মূল করা তাদের নেতাগুলোকে মেরে ফেলা বা বন্দি করা। সাথে লেবাননের দক্ষিণের কিছুটা দখল করা। ৩৩ দিনের যুদ্ধ ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানে এবং ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের ধারাবাহিকতা এবং এই যুদ্ধগুলির পরিপূরক ছিল, যেগুলি লেবাননের ভূগোলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। অথাৎ তারা সম্পূর্ণ প্ল্যান করে অগ্রসর হয়। ইসরাইল প্ল্যানমাফিক দক্ষিণ লেবাননের অংশ দখল করে নেয়। এই সময় হিজবুল্লাহ আর দশটা মুসলিমদেশের মতন জাতিসংগে গিয়ে কান্না কাটি করে সময় নষ্ট করেনি কারণ তারা জানতো ইসরাইল জাতিসংঘ কে মানে না। হিজবুল্লাহ কথিত ইসলামী সংস্থা ওআইসি এর কাছেও যায়নি।কারণ তারা ভালো করেই জানতো জানতো ওআইসির বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। তারা প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেয়। ইসরাইল যখন লেবাননের দক্ষিণ অঞ্চল দখল করে নেয় ব্রিটেন,জার্মানি,বলে ইসরাইলের প্রতিরক্ষার অধিকার আছে ,আমেরিকা তো সরাসরি ইসরাইলকে সমর্থন করে। আর সৌদিসহ বাকি মুসলিমদেশগুলো মুনাফিকের মতন বলে আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী যুদ্ধে নয়। যেমনটি বেঞ্জমিন নেতানিয়াহু একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন যদি আরবরা তাদের সবঅস্ত্র সমর্পণ করে, শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে, এবং যদি ইহুদিরা তাদের অস্ত্র সমর্পণ করে, ইসরায়েল রাষ্ট্র বিলুপ্ত হয়ে যাবে।"এই হচ্ছে মুনাফিক মুসলিমদেশের শান্তি পক্ষের সাফাই ছিল। হিজবুল্লাহর পক্ষে শুধু সিরিয়া আর ইরান ছিল। তারা অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করছিলো তবে হিজবুল্লাহর যে সাহস ও মনোবল সেটা কোনো দেশ থেকে আমদানি ছিলোনা। ইসরাইল একটা দানব হিসেবে হিজবুল্লার উপর আক্রমণ চালায়। হামলার শুরুতেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান ড্যান হ্যালুটজ ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্টকে ফোন করে বলেছিলেন: “আমরা যুদ্ধে জয়ী হয়েছি। শুরুকরে ব্যাপক বোমা হামলা। ইসরাইলে যা কিছু ছিল সব লেবাননের মাটিতে ফেলে শুধু পারমাণবিক বোমা ছাড়া।নৌপথে ,আকাশ পথে এবং জমিনে সব দিকদিয়ে ধেয়ে আসে ইসরাইলিরা। কিন্তু আল্লাহর সৈনিকেরা ভয়পাইনি যেমনটা ভীতু ছিলেননা হুসাইন রা ইয়াজিদের চার হাজার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। হিজবুল্লাহ একটি গেরিলা বাহিনী তাদের কোনো ট্যাংক নেই,নেই কোনো যুদ্ধ বিমান বা নৌযান ,পক্ষান্তরে ইসরাইলের ছিল বিশ্বের সব চেয়ে আধুনিক সমরাস্ত্র ,আধুনিক ট্যাংক মারকোভা,যুদ্ধ বিমান,কি নেই তা ছাড়া ইসরাইলের ছিল যুদ্ধে প্রচুর অভিজ্ঞতা ইতি মধ্যে বাঘা বাঘা আরবদের পরাজিত করে তাদের মুখে চুলকানি মাখিয়ে দিয়েছে ইসরাইল। এতকিছুর পরেও হিজবুল্লাহ ইসরাইলকে ঠেকিয়ে দিয়েছিলো। ইসরাইলের মতন পাগলা কুকুরকে শিকল পরিয়েছিলো। যে ইসরাইল জাতিসংঘকে সব সময় বুরু আঙুল দেখিয়েছিলো তারাই জাতিসংঘের সব প্রস্তাব মেনে নেয়। হিজবুল্লাহ হয়ে উঠে প্রথম আরব দেশ যারা কিনা ইসরাইল নামক পাগলা কুকুরের গলায় শিকল পড়িয়েছে। 33 দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাহর বিজয় এমন একটি সমীকরণ তৈরি করেছিল যা গত 15 বছরে ইহু*দিবাদী শাসকরা লেবাননের দিকে চোখ উঁচু করে তাকাতে সাহস পাইনি। হিজবুল্লাহ আজ আল্লাহর রহমতে অনেক শক্তিশালি। অবসরপ্রাপ্ত জা*য়নবাদী কর্নেল ইলি বার-অন এক সাক্ষাৎকারে বলেন যে 2006 সালের যুদ্ধে, যখন হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্রাগার অনেক দুর্বল ছিল, কিন্তু এখন, অনুমান অনুসারে হিজবুল্লাহর 170,000 টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট রয়েছে, সেইসাথে হিজবুল্লাহর আক্রমণকারী ড্রোনও আছে। ইসরায়েলের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের প্রধান জেনারেল আইজেনহাওয়ার ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে বিলম্বের কথা উল্লেখ করে হিজবুল্লাহকে ইসরায়েলের প্রধান শত্রু বলে অভিহিত করেছিলেন। চিন্তা করেন ইসরাইলের প্রধান শত্রু হওয়া কতটা ভাগ্যবানের কাজ। কথিত মুসলিমদেশ সৌদি ,কাতার ,তুর্কি এদের আছে অঢেল সম্পদ কিন্তু ইসরাইল এদের শত্রু হিসবে না দেখে অর্থনৈতিক ভাবে দেউলিয়া একটি দেশ লেবাননকে শত্রু হিসেবে ঘোষণা করে। ইয়েমেনি আনসারুল্লাহ একটি আন্দোলন হিসেবেও সক্রিয় যেটি হিজবুল্লাহর অভিজ্ঞতা এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর বিজয় দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে এবং হিজবুল্লাহর আদলে তৈরি হয়েছে। 2015 সাল থেকে, আন্দোলনটি কেবল সৌদি জোটের হিংস্র আগ্রাসনকে প্রতিহত করেনি, বরং যুদ্ধের সমীকরণকে প্রতিরক্ষামূলক থেকে আক্রমণাত্মক পরিবর্তন করতেও সফল হয়েছে এবং সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন অংশকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দ্বারা । মজার ব্যাপার হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত সৌদি জোট আনসারুল্লাহকে পরাজিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে কিন্তু সফল হয়নি। সৌদি আরব স্পষ্টভাবে বলেছে যে তারা তার দক্ষিণ সীমান্তে হিজবুল্লাহর দ্বিতীয় সংস্করণ গঠনের আশঙ্কা করছে। যদি বেঁচে থাকি ইয়েমেনি আনসারুল্লাহ কে নিয়ে পরবর্তীতে পোস্ট দেব ইনশাল্লাহ
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • ✯ ✯ ✯ কুরআনের গানিতিক বিস্ময় ✯ ✯ ✯
    ১। আরবীতে “বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” লিখতে ঠিক
    ১৯
    টা হরফ লাগে ।
    ২। পবিত্র কুরআন শরীফে মোট
    ১১৪টি সূরা আছে । ১১৪
    সংখ্যাটি ১৯
    দিয়ে বিভাজ্য (১১৪=১৯x৬)।
    ৩। প্রথম যে সূরাটি (সূরা আলাক)
    নাযিল হয় তার অবস্থান শেষের
    দিক
    থেকে ১৯ তম।
    ৪। প্রথম যে পাঁচটি আয়াত
    (সূরা আলাকের) নাযিল হয়
    তাতে ঠিক
    ১৯ টি শব্দ আছে।
    ৫। সূরা আলাকে মোট আয়াত
    আছে ১৯টি।
    আর এই ১৯ আয়াতে আছে মোট
    ২৮৫টি শব্দ
    যা কিনা বিস্ময়করভাবে ১৯
    দিয়ে নিঃশেষে ভাগ করা যায়
    (২৮৫=১৯x১৫)।
    ৬। নাযিলকৃত দ্বিতীয় সূরাটির
    (সূরা আল-কালাম, কুরআনে অবস্থান
    ৬৮তম) শব্দসংখ্যা ৩৮(১৯x২)টি।
    ৭। নাযিলকৃত তৃতীয় সূরাটির
    (সূরা আল-
    মুজাম্মিল, পবিত্র কুরআন
    শরীফে অবস্থান ৭৩তম)
    শব্দসংখ্যা ৫৭(১৯x৩)টি।
    ৮। আবার সব শেষে নাযিল
    হওয়া ‘সূরা আন-নাসর’ এ আছে মোট
    ১৯টি শব্দ। আর এই সূরার প্রথম
    আয়াতে (মহান আল্লাহ্ পাক উনার
    কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে এই
    আয়াতে) আছে ঠিক ১৯টি হরফ।
    ৯। পবিত্র কুরআন শরীফে ‘আল্লাহ্’
    নাম
    মুবারক উল্লেখ করা হয়েছে মোট
    ১৩৩
    বার
    যা কিনা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য
    (১৩৩=১৯x৭)।
    ১০- পবিত্র কুরআন শরীফে মোট
    তিরিশটি পূর্ণসংখ্যার উল্লেখ
    আছে যাদের যোগফল ১৯
    দিয়ে বিভাজ্য।
    1 +2 +3 +4 +5 +6 +7 +8 +9 +10 +11 +
    12 +19 +20 +30 +40 +50 +60 +70 +80
    +
    99 +100 +200 +300 +1000 +2000 +
    3000
    +5000 +50000 +100000 =162,146 (19
    x
    8534)
    ১১। আর দশমিক ভগ্নাংশ আছে মোট
    ৮টি 1/10, 1/8, 1/6, 1/5, 1/4, 1/3, 1/2
    এবং 2/3. তাহলে পবিত্র কুরআন
    শরীফে মোট ৩৮ টি সংখ্যার
    উল্ল্যেখ
    আছে (৩৮=১৯x২)।
    ১২। ১১৩টি সূরার
    আগে “বিসমিল্লাহির রাহমানির
    রাহিম” আছে । শুধুমাত্র সূরা আত-
    তাওবা এর আগে “বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” নেই । আর
    সূরা আন-
    নামল এর
    আগে আছে “বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” দুইবার
    তাহলে কুরআনে “বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” আছে মোট
    ১১৪(১৯
    x৬) বার। সূরা আত- তাওবা কে প্রথম
    ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার
    দিকে যেতে থাকেন
    তবে সূরা আন-নামল
    পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে! আরও একটু
    অবাক হওয়া যাক, ১৯ এর গুনিতক-তম
    সূরার আয়াতগুলির
    (“বিসমিল্লাহির
    রাহমানির রাহিম” সহ) যোগফলও ১৯
    এর গুনিতক মানে ১৯
    দিয়ে বিভাজ্য!
    পবিত্র কুরআন শরীফে সূরার অবস্থান
    আয়াত সংখ্যা
    ১৯x১= ১৯তম সূরা ৯৯
    ১৯x২= ৩৮তম সূরা ৮৯
    ১৯x৩= ৫৭তম সূরা ৩০
    ১৯x৪= ৭৬তম সূরা ৩২
    ১৯x৫= ৯৫তম সূরা ৯
    ১৯x৬= ১১৪তম সূরা ৭
    =২৬৬(১৯x৪)
    ১৩। প্রথম দিক থেকে হিসেব
    করে যেতে থাকলে ১৯ আয়াত
    সম্বলিত
    প্রথম সূরা হচ্ছে সূরা আল- ইনফিতার।
    এই সুরাটির শেষ শব্দ হল ‘আল্লাহ্’।
    আপনি যদি শেষের দিক
    হতে আল্লাহ্
    শব্দটি গুনে গুনে আসতে থাকেন
    তাহলে সূরা আল-ইনফিতারের
    শেষের
    ‘আল্লাহ্’ শব্দের অবস্থান হবে একদম
    ঠিক ১৯তম স্থানে!
    ১৪। ৫০ এবং ৪২তম সূরার প্রত্যেকেই
    শুরু হয়েছে কাফ দিয়ে। অবাক হবেন
    সূরা দুটির প্রত্যেকটিতে মোট
    কাফের
    সংখ্যা(৫৭=১৯ x৩) সমান। আবার ৫০তম
    সূরায় আয়াত আছে ৪৫টি, যোগ করুন
    ৫০+৪৫= ৯৫(১৯ x৫)। একইভাবে ৪২তম
    সূরায় আয়াত আছে ৫৩টি, ৪২+৫৩=
    ৯৫(১৯ x৫)।
    ৫০তম সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ ৪২তম
    সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ ৫০তম
    সূরা ৪৫টি আয়াত ৫০+৪৫= ৯৫(১৯ x৫)
    ৪২তম সূরা ৫৩টি আয়াত ৪২+৫৩= ৯৫(১৯
    x৫) আবার পুরো কুরআন শরীফে কাফ
    হরফটি আছে মোট ৭৯৮ বার
    যা কিনা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য
    এবং ভাগফল হয় ৪২ – আর দেখতেই
    পেয়েছি যে ৪২ তম সুরাটি শুরুও
    হয়েছে কাফ দিয়ে । শুধু কাফ
    না ‘নুন’
    হরফটির ক্ষেত্রেও এরকম বেপার
    আছে।
    যেমন নুন দিয়ে যে সূরাটি শুরু
    হয়েছে তাতে নুনের মোট
    সংখ্যাও(১৩৩)
    ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১৩৩= ১৯x৭)।
    সূরা আত-তাওবা কে প্রথম
    ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার
    দিকে যেতে থাকেন
    তবে সূরা আন-নামল
    পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে! পবিত্র
    কুরআন শরীফে সূরা আল-
    মুদ্দাসিরের ৩০
    নম্বর আয়াতে চ্যালেঞ্জ
    করে বলা আছে “There are nineteen in
    charge of it.” (Qur’an, 74:30) ।
    অর্থাৎ ১৯ সংখ্যাটি এর
    দায়িত্তে আছে। অর্থাৎ কেউ
    ইচ্ছা করলেই কুরআনকে বিকৃত
    করতে পারবে না। ১৯ এর বেপার
    গুলো হিসেব করলেই সব বের
    হয়ে আসবে এটাকে কেউ বিকৃত
    করেছে কিনা!
    যারা কোরআন নিয়ে সন্দেহ
    প্রকাশ
    করে তাদের জন্য এই তথ্যই যথেষ্ট
    যা বুঝার বুঝে নেওয়ার।
    ইনশাআল্লাহ মহাশক্তিধর আল্লাহ্
    পাক
    তিনি নিজেই যে এর রক্ষক, কেউ
    চাইলেই সেটার মর্যাদা বিনষ্ট
    করতে পারবে না।
    কোরআনে অনেক জায়গায়ই একের সংগে
    অন্যের তুলনা উপস্থিত করা হয়েছে। এ তুলনা
    উপস্থিত করার ব্যাপারে একটি অবিশ্বাস্য মিল লক্ষ্য
    করা গেছে এবং তা হচ্ছে – সে দুটি নাম অথবা
    বস্তুকে আল্লাহ তায়ালা তার কিতাবে সমান সংখ্যাতেই
    উল্লেখ করেছেন। যেমন কোরআন
    শরীফে সূরা ‘আলে ইমরান’ – এর ৫৯ নম্বর
    আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন , ‘আল্লাহ তায়ালার
    কাছে ঈসার তুলনা হচ্ছে আদমের মতো।’
    এটা যে সত্য তা আমরা বুঝতে পারি । কারণ, এদের
    কারোরই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জন্ম হয়নি। আদম (আ.)
    এর মাতাও ছিলো না, পিতাও ছিলো না এবং ঈসা (আ.)
    এর ও পিতা ছিলোনা। এখন এই তুলনাটি যে কত সত্য
    তার প্রমান পাওয়া যায় যখন আমরা কোরআন
    শরীফে এ দুটি নামের মোট সংখ্যা অনুসন্ধান করি।
    দেখা যাচ্ছে, কোরআন শরীফে ঈসা (আ.) এর
    নামটি যেমন পঁচিশ বার এসেছে , তেমনি আদম
    (আ.) এর নামটিও এসেছে পঁচিশ বার।
    কোরআনের বাণীগুলো যে মানুষের নয় তা
    বোঝা যায় এদুটি নামের সংখ্যার সমতা দেখে।
    আল্লাহ তায়ালা যেহেতু বলেছেন , এ দুটো
    একই রকম। তাই সেগুলোর সংখ্যা গণনাও ঠিক একই
    রকম রাখা হয়েছে।
    এ তুলনার ক্ষেত্রে আরেকটি অলৌকিক বিষয়
    হলো, যেখানে তুলনাটি অসম সেখানে সংখ্যা
    দুটিকেও অসম রাখা হয়েছে। যেমন,
    কোরআনে বলা হয়েছে , ‘সুদ’ এবং ‘বাণিজ্য’
    এক নয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি, এ শব্দ দুটির একটি
    কোরআনে এসেছে ছয় বার এবং অন্যটি
    এসেছে সাত বার।
    বলা হয়েছে , জান্নাতের অধিবাসী আর
    জাহান্নামের অধিবাসী সমান নয়’। জান্নাতের সংখ্যা
    হচ্ছে আট আর জাহান্নামের সংখ্যা হচ্চে সাত। কিন্তু
    ‘জান্নাত’ ও ’জাহান্নাম’ শব্দ দুটো কিন্ত একই রকম
    এসেছে, মোট ৭৭ বার করে ।
    ঠিক তেমনি ভাবে ‘কাজ’ এর পরিনাম হচ্ছে ‘বিনিময়’ ,
    তাই দুটো শব্দ এসেছে ১০৭ বার করে ।
    কাউকে ভালোবাসলে তার আনুগত্য করা যায়, তাই
    এ দুটো শব্দও কোরআনে সমান সংখ্যক অর্থাৎ
    ৮৩ বার করে উল্লেখ করা হয়েছে।
    ‘নারী ও পুরুষ’ – যে আল্লাহ তায়ালার কাছে সমান তা
    কোরআনে এই শব্দ দুটোর সমান সংখ্যা
    থেকেই আমরা বুঝতে পারি। কোরআনে এ
    দুটো শব্দ এসেছে ২৪ বার করে । আরেকটি
    অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, নর নারীর সম্মিলিত ‘এগ’ ও
    ‘স্পারম’ দিয়ে মানব শিশুর যে ক্রোমোজম তৈরী
    হয় সে বিষয়টি, এর মোট সংখ্যা ৪৬। (২৩ নারী আর
    ২৩ নর মিলে এর সংখ্যা হয় ৪৬)
    সূরা ‘আরাফ’- এ, এক আয়াতে আছে ‘যারা আমার
    স্পষ্ট আয়াত সমূহ অস্বীকার করে তাদের উদাহরণ
    হচ্ছে কুকুরের মত’। বিস্ময়ে হতবাক হয়ে
    যেতে হয় যখন আমরা দেখি , ‘যারা আমার সুস্পষ্ট
    আয়াতকে অস্বীকার করে’ এ বাক্যটি
    কোরআনে সর্বমোট পাঁচবার এসেছে ।
    যেহেতু তাদের উদাহরণ দেয়া হয়েছে
    কুকুরের সাথে , তাই সমগ্র কোরআনে ‘আল
    কালব’ তথা কুকুর শব্দটাও এসেছে পাঁচবার ।
    ‘সাবয়া সামাওয়াত’ কথটির অর্থ হলো ‘সাত আসমান’ ।
    আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোরআনে এ ‘সাত
    আসমান’ কথাটা ঠিক সাত বারই এসেছে । ‘খালকুস
    সামাওয়াত’ – আসমান সমূহের সৃষ্টির কথাটাও সাত বার
    এসেছে, সম্ভবত আসমান সাতটি তাই। ‘সাবয়াতু
    আইয়াম’ মানে ৭ দিন । এ কথাটাও কোরআনে
    সাতবার এসেছে। ‘সালাওয়াত’ শব্দটি সালাত এর
    বহুবচন । কোরআনে সালাওয়াত শব্দটি ৫ বার
    এসেছে, সম্ভবত ৫ বার নামাজ ফরজ হওয়ার কারণে
    এটা এভাবে বলা হয়েছে।
    কোরআনের অংকগত মোজেযা এখানেই শেষ
    নয়।
    ‘দুনিয়া ও আখেরাত’ এ দুটি কথাও কোরআনে সমান
    সংখ্যায় এসেছে, অর্থাৎ সর্বমোট ১১৫ বার
    করে।
    ‘ঈমান ও কুফর’ শব্দ দু’টোও সমপরিমান বলা
    হয়েছে, অর্থাৎ ২৫বার করে।
    ‘উপকার ও ক্ষতি’ সমভাবে এসেছে ৫০ বার করে।
    ঠিক একইভাবে ‘শান্তি’ ও ‘অশান্তি’ শব্দটি এসেছে
    ১৩ বার করে।
    ‘গরম ও ঠান্ডা’ যেহেতু দুটো বিপরীতমুখী ঋতু
    তাই এশব্দ দু’টো কোরআনে সমান সংখ্যক অর্থাৎ
    ৫ বার করে এসেছে। ‘সূর্য’ আলো দেয়
    বলে দুটো শব্দই কোরআনে সমান সংখ্যায়
    এসেছে, ৩৩ বার করে।
    কাজ করলে কাজের পুরস্কার দেয়া হবে বলেই
    সম্ভবত ‘কাজ করা’ ও ‘পুরস্কার’ শব্দটি এসেছে
    ১০৮ বার করে।
    আরবী ভাষায় ‘কুল’ মানে ‘বলো’ তার জবাবে বলা
    হয় ‘কালু’ মানে ‘তারা বললো’ । সমগ্র
    কোরআনে এদুটো শব্দও সমান সংখ্যক, অর্থাৎ
    ৩৩২ বার করে এসেছ।
    ‘বক্তৃতা’ বা ‘ভাষণ’ ‘মুখ’ থেকে আসে তাই তাই
    উভয় শব্দ এসেছে ২৫ বার করে।
    আর রাসূল শব্দটি এসেছে ৫০ বার, আর যাদের
    কাছে রাসুলদের পাঠানো হয়েছে সে মানুষের
    কথাও এসেছে ৫০ বার। পুনরাবৃত্তিসহ কোরআনে
    সব নবীদের নাম এসেছে ৫১৩ বার। বিস্ময়ের
    ব্যাপার রসূল শব্দের মূল ধাতু অর্থাৎ ‘রেসালাহ’
    শব্দটিও কোরাআনে ৫১৩ বার এসেছে।
    জিহবা দিয়ে মানুষ বক্তৃতা দেয় বলে, ‘জিহবা’ ও
    ‘বক্তৃতা’ শব্দটি সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৫০ বার করে
    এসেছে।
    মানুষ যখন জনগনের নিকট থাকে তখন স্বাভাবিক
    ভাবেই তাকে একটু জোরে কথা কলতে হয়, তাই
    কোরআনে ‘জোরে কথা বলা’ ও ‘জনগনের
    সামনে’ এ উভয়টাই এসেছে ১৬ বার করে।
    আলোর সাথে সম্পর্ক মানুষের মানুষের
    মনের। মনে আলো জ্বললেই তা দিয়ে দুনিয়ায়
    আলো ছড়ানো যায়। এ কারনেই সম্ভবত ‘মন’ ও
    ‘আলো’ শব্দ দুটি কোরআনে একই সংখ্যায়
    এসেছে, মোট ৪৯ বার করে।
    আল্লাহ তায়ালা ‘বিপদে’ ‘শোকর’ আদায় করতে
    বলেছেন, তাই এই উভয় শব্দই এসেছে ৭৫ বার
    করে।
    আল্লাহর ‘রহমত’ হলে ‘হেদায়েত’ আসে তাই
    এই শব্দ দুটো ও সমান সংখ্যায় এসেছে, ৭৯ বার
    করে।
    কোরআনে ‘খেয়ানত’ শব্দটি এসেছে ১৬ বার ,
    আর যে খেয়ানত করে সে একজন ‘খবিস’ কিংবা
    খারপ লোক , তাই এ শব্দটি ও এসেছে ১৬ বার।
    ‘মালাকুন’ কিংবা ‘মালায়েকা’ মানে ফেরেশতা কিংবা
    ফেরেশতারা। কোরআনে এটি এসেছে ৮৮ বার
    – একইভাবে ফেরেশতার চির শত্রু ‘শয়তান’ কিংবা
    ‘শায়াতীন’ এটি ও এসেছে ৮৮ বার।
    আবার ‘আল খাবিস’ মানে অপবিত্র, ‘আত তাইয়েব’
    মানে পবিত্র, সমগ্র কোরআনে এদুটি শব্দমোট
    ৭ বার করে , অর্থাৎ একই সংখ্যায় নাজিল হয়েছে।
    প্রশ্ন জাগতে পারে দুনিয়ায় ভালোর চাইতে মন্দ
    তো বেশি, এখানে দুটো শব্দ সমান রাখা হল
    কিভাবে? এ কথার জবাবের জন্য কোরআনের
    ‘সূরা আনফালের ৩৭ নং আয়াতটির দিকে লক্ষ করা
    যাক। এখানে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,
    ‘অপবিত্রকে পবিত্র থেকে আলাদা করার জন্য তিনি
    অপবিত্রকে একটার ওপর আরেকটা রেখে তাকে
    পুঞ্জীভূত করেন এবং সেগুলোকে
    জাহান্নামের আগুনে ফেলে দেনে।’ এত বুঝা
    যায় , যদিও পাপ পুণ্য’ সমান সংখ্যায় এসেছে , কিন্তু ‘
    পুঞ্জীভূত ’ করা দিয়ে তার পরিমাণ যে বেশি তা
    বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
    ‘ইয়াওমুন’ মানে ‘দিন’ সমগ্র কোরআনে এ শব্দটি
    ৩৬৫ বার উল্লেখ করা হয়েছে। বছরে যে
    ৩৬৫দিন এটা কে না জানে। ইয়াওমুন শব্দের বহুবচন
    ‘আইয়াম’ মানে দিন সমূহ, এ শব্দটি এসেছে ৩০ বার।
    আরবী ভাষায় চাঁদ হচ্ছে মাসের সূত্র সুচক, গড়ে
    বছরের প্রতি মাসে ৩০ দিন , আর এটাই হচ্ছে
    চন্দ্র বছরের নিয়ম। হতবাক হতে হয় যখন দেখি
    , চাদের আরবী প্রতিশব্দ ‘কামার’ শব্দটি
    কোরআনে মোট ৩০ বারই এসেছে। ‘শাহরুন’
    মানে মাস, কোরআন মাজিদে এ শব্দটি এসেছে
    মোট ১২ বার। ‘সানাতুন’ মানে বছর, কোরআনে
    এ শব্দটি এসেছে ১৯ বার। কারণ হিসেবে আমরা
    সম্প্রতি আবিস্কৃত গ্রীক পন্ডিত মেতনের
    মেতনীয় বৃত্তের’ কথা উল্লেখ করতে পারি।
    তিনিই প্রথমে এ তত্ব আবিস্কার করেন যে, প্রতি
    ১৯ বছর পর সূর্য ও পৃথিবী একই বৃত্তে অবস্থান
    করে। কোরআনের আরেকটি বিষ্ময়কর শব্দ
    হচ্ছে ‘রাত’ ও ‘রাতগুলো’ – এ উভয় সংখ্যা
    কোরআনে এসেছে ‘সর্বমোট ৯২ বার , আর
    কোরআনে ‘ আল লাইল’ অর্থাৎ রাত নামের সূরাটির
    ক্রমিক সংখ্যাও হচ্ছে ৯২।
    কোরআনে চাঁদ শব্দটি সর্বমোট ২৭ স্থানে
    এসেছে। আশ্চয্যের বিষয় হচ্ছে , চাঁদ
    পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষীন করতে সময়
    লাগে ঠিক ২৭.০৩ দিন অর্থাৎ ২৭ দিন ৭ ঘন্টা ৪৩ মিনিট।
    কোরআনে ‘ফুজ্জার’ পাপী শব্দটি যতবার
    এসেছে, ‘আবরার’ পুণ্যবান শব্দটি তার দ্বিগুন
    এসেছে। অর্থাৎ ‘ ফুজ্জার’ ৩ বার আর ‘আবরার’ ৬
    বার। এর কারণ হচ্ছে , আল্লাহ তায়ালা সব সময় শাস্তির
    তুলনায় পুরস্কারের পরিমান দ্বিগুণ কওে দেবেন
    বলে ওয়াদা করেছেন।
    কোরআনের সূরা সাবা’র ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ
    তায়ালা বলেছেন- এ ধবনের লোকদের জন্য
    (কেয়ামতে) দ্বিগুন পুরস্কারের ব্যবস্থা থাববে।
    এটা হচ্ছে বিনিময় সে কাজের যা তারা দুনিয়য় করে
    এসেছে ’। এ কারণেই দেখা যায় , গোটা
    কোরআনে ‘পাপী’ ও ‘পুণ্যবান’ শব্দের
    মতো , ‘আযাব’ শব্দটি যতোবর এসেছে ‘সওয়াব’
    শব্দটি তার দ্বিগুন এসেছে।
    কোরআনে একাধিক জায়গায় আল্লাহ তায়ালা
    বলেছেন – আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় করলে
    তিনি তার বিনিময় বাড়িয়ে দেবেন। সম্ভবত এ
    কারণেই কোরআনে ‘গরীবী’ শব্দটি
    এসেছে ১৩ বার, আর তার বিপরীতে ‘প্রচুর্য’
    শব্দটি এসেছে ২৬ বার। কোরআনে স্থলভাগ
    এসেছে ১৩ বার আর ‘জলভাগ’ এসেছে ৩২ বার।
    উভয়টা মিলে সংখ্যা দাড়ায় ৪৫, আর এ সংখ্যাকে ১৩
    দিয়ে ভাগ করলে দাঁড়ায় ২৯(২৮.৮৮৮৮৮৮৮৮৮৯%),
    আবার ৩২ দিয়ে ভাগ করলে দাঁড়ায়
    ৭১(৭১.১১১১১১১১১১%), আর এটাই হচ্ছে এই
    গ্রহের জল ও স্থল ভাগের সঠিক আনুপাতিক হার।
    কোরআন কারীমের বিভিন্ন জায়গায় এভাবে
    গাণিতিক সংখ্যার অদ্ভতু মিল দেখে যে কোনো
    কোরআন পাঠকই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে ভাবতে
    থাকে, এটা নিসন্দেহে কোন মানুষের কথা নয়।
    কোন একটা কাজ করলে তার যে অবশ্যম্ভাবী
    ফল দাঁড়াবে তার উভয়টিকে আশ্চর্যজনকভাবে সমান
    সংখ্যায় বর্ণনা করা হয়েছে। ‘গাছের চারা’ উৎপাদন
    করলে ‘গাছ’ হয়। তাই এ দুটো শব্দই এসেছে ২৬
    বার করে।
    কোন মানুষ ’হেদায়াত’ পেলে তার প্রতি ‘রহমত’
    বর্ষিত হয় , তাই এ দুটো শব্দ কোরআনে
    এসেছে ৭৯ বার করে। হেদায়াত; এর অপরিহার্য
    পরিনাম হচ্ছে ‘মউত’ এ শব্দ দুটোও এসেছে
    ১৬ বার বরে।
    আল্লাহ তায়ালা বলেছেন ‘যাকাত’ দিলে ‘বরকত’
    আসে, তাই কোরআনে কারীমে‘ যাকাত’ শব্দ
    এসেছে ৩২ বার ‘বরকত’ শব্দও এসেছে ৩২ বার।
    ‘আবদ’ মানে গোলামী করা, আর ‘আবীদ’
    মানে গোলাম। গোলামের কাজ গোলামী করা ,
    তাই কোরআনে এই উভয় শব্দই এসেছে ১৫২
    বার করে।
    মানুষ ’সৃষ্টি’ কথাটা এসেছে ১৬ বার, আর মানুষ
    সৃষ্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘এবাদত’ তাই এ শব্দটিও
    এসেছে ১৬ বার।
    ‘নেশা’ করলে মাতাল হয় , তাই এ দুটো শব্দও
    এসেছে ৬ বার করে। প্রতিটি ‘দুঃখ কষ্টে’
    আল্লাহ তায়ালা মানুষের ধৈর্য ধরতে বলেছেন –
    কোরআনে এই উভয় শব্দেই এসেছে ১০২ বার
    করে।
    ‘উপকার’ ও ’ক্ষতি’ এসেছে ৫০ বার করে। আল্লাহ
    তায়ালা আমাদের শয়তান থেকে আশ্রয় চাইতে
    বলেছেন, সম্ভবত এই কারনে কোরআনে
    যতোবার ‘শয়তানের’ নাম এসেছে ঠিক
    ততোবারই ‘আশ্রয় চাওয়ার’ কথাও এসেছে,
    অর্থাৎ উভয়টাই ১১ বার করে এসেছে।
    আর মাত্র ৩ টি রহস্যের কথা বলে আমরা ভিন্ন
    দিকে অগ্রসর হবো।
    সূরা আল কাহফে গুহাবাসীরা কতোদিন সেখানে
    অবস্থান করেছে সে ব্যাপারে কোরআন
    মাজীদে বলেছে, ‘তারা তাদের (এ) গুহায়
    কাটিয়েছে মোট ৩০০ বছর, তারা (এর সাথে)
    যোগ করেছে আরো ৯ বছর’। প্রশ্ন হচ্ছে
    এভাবে দু’ভাগে না বলে আল্লাহ তায়ালা সংখ্যাটা
    একেত্রেও তো বলতে পারতেন। অর্থাৎ
    এভাবেও বলা যেতো যে, ‘তারা সেখানে ৩০৯
    বছর কাটিয়েছে’। কোরআনের এ আয়াত নাযিল
    হওয়ার সময় কেউ সৌর গণনা ও চন্দ্র গণনার বিষয়টি
    জানতো না। পরে দুনিয়ার মানুষেরা জেনেছে
    যে, চন্দ্র মাস সৌর মাসের চাইতে ১১ দিন কম। প্রতি
    বছরে ১১ দিনের এই তফাৎটা হিসাব করলে সময়টা
    হবে ঠিক ৯ বছর। অপর কথায় গুহায় তাদের
    অবস্থানের সময়টা সৌর গণনার হিসাবে হচ্ছে ৩০০
    বছর, আর চন্দ্র মাস হিসেবে হবে ৩০৯ ।
    কোরআন এই উভয় হিসাবটাই উৎসাহী পাঠকদের
    সামনে সুন্দর করে বর্ণনা করেছে।
    কোরআনে ‘ইনসান’ শব্দটি এসেছে ৬৫ বার।
    এবার ইনসান বানাবার উপকরণগুলোকে
    কোরআনের বিভিন্ন জায়গা থেকে যোগ করে
    মিলিয়ে দেখা যাক। প্রথম উপাদান ‘তোরাব’ (মাটি)
    শব্দটি এসেছে ১৭ বার, দ্বিতীয় উপাদান
    ‘নুতফা’ (জীবনকণা) শব্দ এসেছে ১২ বার,
    তৃতীয় উপাদান ‘আলাক’ (রক্তপিন্ড) শব্দ
    এসেছে ৬ বার, চতুর্থ উপাদান
    ‘মোগদা’ (মাংসপিন্ড) এসেছে ৩ বার। পঞ্চম
    উপাদান হচ্ছে ‘লাহম’ (হাড়) , এটি এসেছে ১৫ বার।
    সর্বশেষ উপাদান হচ্ছে ‘লাহম’ (গোশত) , এ
    শব্দটি এসেছে ১২ বার। কোরআনে উল্লিখিত
    (সূরা হজ্জ ৫)- এ উপাদানগুলো যোগ করলে
    যোগফল হবে ঠিক ৬৫। আর এসব উপাদান দিয়ে
    যে ‘ইনসান’ বানানো হয়েছে তাও কোরআনে
    ঠিক ৬৫ বারই উল্লেখে করা হয়েছে।
    আল্লাহ তায়ালা কোরআনের সূরা ‘আল ক্বামার’ – এর
    প্রথম যে আয়াতটিতে চাঁদ বিদীর্ণ হওয়ার সাথে
    কেয়ামতের আগমন অত্যাসন্ন কথাটি বলেছেন,
    আরবী বর্ণমালার আক্ষরিক মান হিসাব করলে তার
    যোগফল হয় ১৩৯০, আর এ ১৩৯০ হিজরী (১৯৬৯
    খৃস্টাব্দ) সালেই মানুষ সর্বপ্রথম চাঁদে অবতরণ
    করে, জানি না এটা কোরআনের কোন
    মোজেযা, না তা এমনিই এক ঘটনাচক্র, কিন্তু
    আল্ল্হ তায়ালার এ মহান সৃষ্টিতে তো ঘটনাচক্র
    বলতে কিছুই নেই।
    এ কারণেই হয়তো মানুষের চাঁদে অবতরণের
    সালের সাথে কোরআনের আলোচ্য আয়াতটির
    সংখ্যামানের এ বিস্ময়কর মিল আমরা দেখতে পাচ্ছি।
    ✯ ✯ ✯ কুরআনের গানিতিক বিস্ময় ✯ ✯ ✯ ১। আরবীতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” লিখতে ঠিক ১৯ টা হরফ লাগে । ২। পবিত্র কুরআন শরীফে মোট ১১৪টি সূরা আছে । ১১৪ সংখ্যাটি ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১১৪=১৯x৬)। ৩। প্রথম যে সূরাটি (সূরা আলাক) নাযিল হয় তার অবস্থান শেষের দিক থেকে ১৯ তম। ৪। প্রথম যে পাঁচটি আয়াত (সূরা আলাকের) নাযিল হয় তাতে ঠিক ১৯ টি শব্দ আছে। ৫। সূরা আলাকে মোট আয়াত আছে ১৯টি। আর এই ১৯ আয়াতে আছে মোট ২৮৫টি শব্দ যা কিনা বিস্ময়করভাবে ১৯ দিয়ে নিঃশেষে ভাগ করা যায় (২৮৫=১৯x১৫)। ৬। নাযিলকৃত দ্বিতীয় সূরাটির (সূরা আল-কালাম, কুরআনে অবস্থান ৬৮তম) শব্দসংখ্যা ৩৮(১৯x২)টি। ৭। নাযিলকৃত তৃতীয় সূরাটির (সূরা আল- মুজাম্মিল, পবিত্র কুরআন শরীফে অবস্থান ৭৩তম) শব্দসংখ্যা ৫৭(১৯x৩)টি। ৮। আবার সব শেষে নাযিল হওয়া ‘সূরা আন-নাসর’ এ আছে মোট ১৯টি শব্দ। আর এই সূরার প্রথম আয়াতে (মহান আল্লাহ্ পাক উনার কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে এই আয়াতে) আছে ঠিক ১৯টি হরফ। ৯। পবিত্র কুরআন শরীফে ‘আল্লাহ্’ নাম মুবারক উল্লেখ করা হয়েছে মোট ১৩৩ বার যা কিনা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১৩৩=১৯x৭)। ১০- পবিত্র কুরআন শরীফে মোট তিরিশটি পূর্ণসংখ্যার উল্লেখ আছে যাদের যোগফল ১৯ দিয়ে বিভাজ্য। 1 +2 +3 +4 +5 +6 +7 +8 +9 +10 +11 + 12 +19 +20 +30 +40 +50 +60 +70 +80 + 99 +100 +200 +300 +1000 +2000 + 3000 +5000 +50000 +100000 =162,146 (19 x 8534) ১১। আর দশমিক ভগ্নাংশ আছে মোট ৮টি 1/10, 1/8, 1/6, 1/5, 1/4, 1/3, 1/2 এবং 2/3. তাহলে পবিত্র কুরআন শরীফে মোট ৩৮ টি সংখ্যার উল্ল্যেখ আছে (৩৮=১৯x২)। ১২। ১১৩টি সূরার আগে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” আছে । শুধুমাত্র সূরা আত- তাওবা এর আগে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” নেই । আর সূরা আন- নামল এর আগে আছে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” দুইবার তাহলে কুরআনে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” আছে মোট ১১৪(১৯ x৬) বার। সূরা আত- তাওবা কে প্রথম ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার দিকে যেতে থাকেন তবে সূরা আন-নামল পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে! আরও একটু অবাক হওয়া যাক, ১৯ এর গুনিতক-তম সূরার আয়াতগুলির (“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” সহ) যোগফলও ১৯ এর গুনিতক মানে ১৯ দিয়ে বিভাজ্য! পবিত্র কুরআন শরীফে সূরার অবস্থান আয়াত সংখ্যা ১৯x১= ১৯তম সূরা ৯৯ ১৯x২= ৩৮তম সূরা ৮৯ ১৯x৩= ৫৭তম সূরা ৩০ ১৯x৪= ৭৬তম সূরা ৩২ ১৯x৫= ৯৫তম সূরা ৯ ১৯x৬= ১১৪তম সূরা ৭ =২৬৬(১৯x৪) ১৩। প্রথম দিক থেকে হিসেব করে যেতে থাকলে ১৯ আয়াত সম্বলিত প্রথম সূরা হচ্ছে সূরা আল- ইনফিতার। এই সুরাটির শেষ শব্দ হল ‘আল্লাহ্’। আপনি যদি শেষের দিক হতে আল্লাহ্ শব্দটি গুনে গুনে আসতে থাকেন তাহলে সূরা আল-ইনফিতারের শেষের ‘আল্লাহ্’ শব্দের অবস্থান হবে একদম ঠিক ১৯তম স্থানে! ১৪। ৫০ এবং ৪২তম সূরার প্রত্যেকেই শুরু হয়েছে কাফ দিয়ে। অবাক হবেন সূরা দুটির প্রত্যেকটিতে মোট কাফের সংখ্যা(৫৭=১৯ x৩) সমান। আবার ৫০তম সূরায় আয়াত আছে ৪৫টি, যোগ করুন ৫০+৪৫= ৯৫(১৯ x৫)। একইভাবে ৪২তম সূরায় আয়াত আছে ৫৩টি, ৪২+৫৩= ৯৫(১৯ x৫)। ৫০তম সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ ৪২তম সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ ৫০তম সূরা ৪৫টি আয়াত ৫০+৪৫= ৯৫(১৯ x৫) ৪২তম সূরা ৫৩টি আয়াত ৪২+৫৩= ৯৫(১৯ x৫) আবার পুরো কুরআন শরীফে কাফ হরফটি আছে মোট ৭৯৮ বার যা কিনা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য এবং ভাগফল হয় ৪২ – আর দেখতেই পেয়েছি যে ৪২ তম সুরাটি শুরুও হয়েছে কাফ দিয়ে । শুধু কাফ না ‘নুন’ হরফটির ক্ষেত্রেও এরকম বেপার আছে। যেমন নুন দিয়ে যে সূরাটি শুরু হয়েছে তাতে নুনের মোট সংখ্যাও(১৩৩) ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১৩৩= ১৯x৭)। সূরা আত-তাওবা কে প্রথম ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার দিকে যেতে থাকেন তবে সূরা আন-নামল পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে! পবিত্র কুরআন শরীফে সূরা আল- মুদ্দাসিরের ৩০ নম্বর আয়াতে চ্যালেঞ্জ করে বলা আছে “There are nineteen in charge of it.” (Qur’an, 74:30) । অর্থাৎ ১৯ সংখ্যাটি এর দায়িত্তে আছে। অর্থাৎ কেউ ইচ্ছা করলেই কুরআনকে বিকৃত করতে পারবে না। ১৯ এর বেপার গুলো হিসেব করলেই সব বের হয়ে আসবে এটাকে কেউ বিকৃত করেছে কিনা! যারা কোরআন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তাদের জন্য এই তথ্যই যথেষ্ট যা বুঝার বুঝে নেওয়ার। ইনশাআল্লাহ মহাশক্তিধর আল্লাহ্ পাক তিনি নিজেই যে এর রক্ষক, কেউ চাইলেই সেটার মর্যাদা বিনষ্ট করতে পারবে না। কোরআনে অনেক জায়গায়ই একের সংগে অন্যের তুলনা উপস্থিত করা হয়েছে। এ তুলনা উপস্থিত করার ব্যাপারে একটি অবিশ্বাস্য মিল লক্ষ্য করা গেছে এবং তা হচ্ছে – সে দুটি নাম অথবা বস্তুকে আল্লাহ তায়ালা তার কিতাবে সমান সংখ্যাতেই উল্লেখ করেছেন। যেমন কোরআন শরীফে সূরা ‘আলে ইমরান’ – এর ৫৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন , ‘আল্লাহ তায়ালার কাছে ঈসার তুলনা হচ্ছে আদমের মতো।’ এটা যে সত্য তা আমরা বুঝতে পারি । কারণ, এদের কারোরই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জন্ম হয়নি। আদম (আ.) এর মাতাও ছিলো না, পিতাও ছিলো না এবং ঈসা (আ.) এর ও পিতা ছিলোনা। এখন এই তুলনাটি যে কত সত্য তার প্রমান পাওয়া যায় যখন আমরা কোরআন শরীফে এ দুটি নামের মোট সংখ্যা অনুসন্ধান করি। দেখা যাচ্ছে, কোরআন শরীফে ঈসা (আ.) এর নামটি যেমন পঁচিশ বার এসেছে , তেমনি আদম (আ.) এর নামটিও এসেছে পঁচিশ বার। কোরআনের বাণীগুলো যে মানুষের নয় তা বোঝা যায় এদুটি নামের সংখ্যার সমতা দেখে। আল্লাহ তায়ালা যেহেতু বলেছেন , এ দুটো একই রকম। তাই সেগুলোর সংখ্যা গণনাও ঠিক একই রকম রাখা হয়েছে। এ তুলনার ক্ষেত্রে আরেকটি অলৌকিক বিষয় হলো, যেখানে তুলনাটি অসম সেখানে সংখ্যা দুটিকেও অসম রাখা হয়েছে। যেমন, কোরআনে বলা হয়েছে , ‘সুদ’ এবং ‘বাণিজ্য’ এক নয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি, এ শব্দ দুটির একটি কোরআনে এসেছে ছয় বার এবং অন্যটি এসেছে সাত বার। বলা হয়েছে , জান্নাতের অধিবাসী আর জাহান্নামের অধিবাসী সমান নয়’। জান্নাতের সংখ্যা হচ্ছে আট আর জাহান্নামের সংখ্যা হচ্চে সাত। কিন্তু ‘জান্নাত’ ও ’জাহান্নাম’ শব্দ দুটো কিন্ত একই রকম এসেছে, মোট ৭৭ বার করে । ঠিক তেমনি ভাবে ‘কাজ’ এর পরিনাম হচ্ছে ‘বিনিময়’ , তাই দুটো শব্দ এসেছে ১০৭ বার করে । কাউকে ভালোবাসলে তার আনুগত্য করা যায়, তাই এ দুটো শব্দও কোরআনে সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৮৩ বার করে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘নারী ও পুরুষ’ – যে আল্লাহ তায়ালার কাছে সমান তা কোরআনে এই শব্দ দুটোর সমান সংখ্যা থেকেই আমরা বুঝতে পারি। কোরআনে এ দুটো শব্দ এসেছে ২৪ বার করে । আরেকটি অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, নর নারীর সম্মিলিত ‘এগ’ ও ‘স্পারম’ দিয়ে মানব শিশুর যে ক্রোমোজম তৈরী হয় সে বিষয়টি, এর মোট সংখ্যা ৪৬। (২৩ নারী আর ২৩ নর মিলে এর সংখ্যা হয় ৪৬) সূরা ‘আরাফ’- এ, এক আয়াতে আছে ‘যারা আমার স্পষ্ট আয়াত সমূহ অস্বীকার করে তাদের উদাহরণ হচ্ছে কুকুরের মত’। বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যেতে হয় যখন আমরা দেখি , ‘যারা আমার সুস্পষ্ট আয়াতকে অস্বীকার করে’ এ বাক্যটি কোরআনে সর্বমোট পাঁচবার এসেছে । যেহেতু তাদের উদাহরণ দেয়া হয়েছে কুকুরের সাথে , তাই সমগ্র কোরআনে ‘আল কালব’ তথা কুকুর শব্দটাও এসেছে পাঁচবার । ‘সাবয়া সামাওয়াত’ কথটির অর্থ হলো ‘সাত আসমান’ । আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোরআনে এ ‘সাত আসমান’ কথাটা ঠিক সাত বারই এসেছে । ‘খালকুস সামাওয়াত’ – আসমান সমূহের সৃষ্টির কথাটাও সাত বার এসেছে, সম্ভবত আসমান সাতটি তাই। ‘সাবয়াতু আইয়াম’ মানে ৭ দিন । এ কথাটাও কোরআনে সাতবার এসেছে। ‘সালাওয়াত’ শব্দটি সালাত এর বহুবচন । কোরআনে সালাওয়াত শব্দটি ৫ বার এসেছে, সম্ভবত ৫ বার নামাজ ফরজ হওয়ার কারণে এটা এভাবে বলা হয়েছে। কোরআনের অংকগত মোজেযা এখানেই শেষ নয়। ‘দুনিয়া ও আখেরাত’ এ দুটি কথাও কোরআনে সমান সংখ্যায় এসেছে, অর্থাৎ সর্বমোট ১১৫ বার করে। ‘ঈমান ও কুফর’ শব্দ দু’টোও সমপরিমান বলা হয়েছে, অর্থাৎ ২৫বার করে। ‘উপকার ও ক্ষতি’ সমভাবে এসেছে ৫০ বার করে। ঠিক একইভাবে ‘শান্তি’ ও ‘অশান্তি’ শব্দটি এসেছে ১৩ বার করে। ‘গরম ও ঠান্ডা’ যেহেতু দুটো বিপরীতমুখী ঋতু তাই এশব্দ দু’টো কোরআনে সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৫ বার করে এসেছে। ‘সূর্য’ আলো দেয় বলে দুটো শব্দই কোরআনে সমান সংখ্যায় এসেছে, ৩৩ বার করে। কাজ করলে কাজের পুরস্কার দেয়া হবে বলেই সম্ভবত ‘কাজ করা’ ও ‘পুরস্কার’ শব্দটি এসেছে ১০৮ বার করে। আরবী ভাষায় ‘কুল’ মানে ‘বলো’ তার জবাবে বলা হয় ‘কালু’ মানে ‘তারা বললো’ । সমগ্র কোরআনে এদুটো শব্দও সমান সংখ্যক, অর্থাৎ ৩৩২ বার করে এসেছ। ‘বক্তৃতা’ বা ‘ভাষণ’ ‘মুখ’ থেকে আসে তাই তাই উভয় শব্দ এসেছে ২৫ বার করে। আর রাসূল শব্দটি এসেছে ৫০ বার, আর যাদের কাছে রাসুলদের পাঠানো হয়েছে সে মানুষের কথাও এসেছে ৫০ বার। পুনরাবৃত্তিসহ কোরআনে সব নবীদের নাম এসেছে ৫১৩ বার। বিস্ময়ের ব্যাপার রসূল শব্দের মূল ধাতু অর্থাৎ ‘রেসালাহ’ শব্দটিও কোরাআনে ৫১৩ বার এসেছে। জিহবা দিয়ে মানুষ বক্তৃতা দেয় বলে, ‘জিহবা’ ও ‘বক্তৃতা’ শব্দটি সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৫০ বার করে এসেছে। মানুষ যখন জনগনের নিকট থাকে তখন স্বাভাবিক ভাবেই তাকে একটু জোরে কথা কলতে হয়, তাই কোরআনে ‘জোরে কথা বলা’ ও ‘জনগনের সামনে’ এ উভয়টাই এসেছে ১৬ বার করে। আলোর সাথে সম্পর্ক মানুষের মানুষের মনের। মনে আলো জ্বললেই তা দিয়ে দুনিয়ায় আলো ছড়ানো যায়। এ কারনেই সম্ভবত ‘মন’ ও ‘আলো’ শব্দ দুটি কোরআনে একই সংখ্যায় এসেছে, মোট ৪৯ বার করে। আল্লাহ তায়ালা ‘বিপদে’ ‘শোকর’ আদায় করতে বলেছেন, তাই এই উভয় শব্দই এসেছে ৭৫ বার করে। আল্লাহর ‘রহমত’ হলে ‘হেদায়েত’ আসে তাই এই শব্দ দুটো ও সমান সংখ্যায় এসেছে, ৭৯ বার করে। কোরআনে ‘খেয়ানত’ শব্দটি এসেছে ১৬ বার , আর যে খেয়ানত করে সে একজন ‘খবিস’ কিংবা খারপ লোক , তাই এ শব্দটি ও এসেছে ১৬ বার। ‘মালাকুন’ কিংবা ‘মালায়েকা’ মানে ফেরেশতা কিংবা ফেরেশতারা। কোরআনে এটি এসেছে ৮৮ বার – একইভাবে ফেরেশতার চির শত্রু ‘শয়তান’ কিংবা ‘শায়াতীন’ এটি ও এসেছে ৮৮ বার। আবার ‘আল খাবিস’ মানে অপবিত্র, ‘আত তাইয়েব’ মানে পবিত্র, সমগ্র কোরআনে এদুটি শব্দমোট ৭ বার করে , অর্থাৎ একই সংখ্যায় নাজিল হয়েছে। প্রশ্ন জাগতে পারে দুনিয়ায় ভালোর চাইতে মন্দ তো বেশি, এখানে দুটো শব্দ সমান রাখা হল কিভাবে? এ কথার জবাবের জন্য কোরআনের ‘সূরা আনফালের ৩৭ নং আয়াতটির দিকে লক্ষ করা যাক। এখানে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘অপবিত্রকে পবিত্র থেকে আলাদা করার জন্য তিনি অপবিত্রকে একটার ওপর আরেকটা রেখে তাকে পুঞ্জীভূত করেন এবং সেগুলোকে জাহান্নামের আগুনে ফেলে দেনে।’ এত বুঝা যায় , যদিও পাপ পুণ্য’ সমান সংখ্যায় এসেছে , কিন্তু ‘ পুঞ্জীভূত ’ করা দিয়ে তার পরিমাণ যে বেশি তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ‘ইয়াওমুন’ মানে ‘দিন’ সমগ্র কোরআনে এ শব্দটি ৩৬৫ বার উল্লেখ করা হয়েছে। বছরে যে ৩৬৫দিন এটা কে না জানে। ইয়াওমুন শব্দের বহুবচন ‘আইয়াম’ মানে দিন সমূহ, এ শব্দটি এসেছে ৩০ বার। আরবী ভাষায় চাঁদ হচ্ছে মাসের সূত্র সুচক, গড়ে বছরের প্রতি মাসে ৩০ দিন , আর এটাই হচ্ছে চন্দ্র বছরের নিয়ম। হতবাক হতে হয় যখন দেখি , চাদের আরবী প্রতিশব্দ ‘কামার’ শব্দটি কোরআনে মোট ৩০ বারই এসেছে। ‘শাহরুন’ মানে মাস, কোরআন মাজিদে এ শব্দটি এসেছে মোট ১২ বার। ‘সানাতুন’ মানে বছর, কোরআনে এ শব্দটি এসেছে ১৯ বার। কারণ হিসেবে আমরা সম্প্রতি আবিস্কৃত গ্রীক পন্ডিত মেতনের মেতনীয় বৃত্তের’ কথা উল্লেখ করতে পারি। তিনিই প্রথমে এ তত্ব আবিস্কার করেন যে, প্রতি ১৯ বছর পর সূর্য ও পৃথিবী একই বৃত্তে অবস্থান করে। কোরআনের আরেকটি বিষ্ময়কর শব্দ হচ্ছে ‘রাত’ ও ‘রাতগুলো’ – এ উভয় সংখ্যা কোরআনে এসেছে ‘সর্বমোট ৯২ বার , আর কোরআনে ‘ আল লাইল’ অর্থাৎ রাত নামের সূরাটির ক্রমিক সংখ্যাও হচ্ছে ৯২। কোরআনে চাঁদ শব্দটি সর্বমোট ২৭ স্থানে এসেছে। আশ্চয্যের বিষয় হচ্ছে , চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষীন করতে সময় লাগে ঠিক ২৭.০৩ দিন অর্থাৎ ২৭ দিন ৭ ঘন্টা ৪৩ মিনিট। কোরআনে ‘ফুজ্জার’ পাপী শব্দটি যতবার এসেছে, ‘আবরার’ পুণ্যবান শব্দটি তার দ্বিগুন এসেছে। অর্থাৎ ‘ ফুজ্জার’ ৩ বার আর ‘আবরার’ ৬ বার। এর কারণ হচ্ছে , আল্লাহ তায়ালা সব সময় শাস্তির তুলনায় পুরস্কারের পরিমান দ্বিগুণ কওে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন। কোরআনের সূরা সাবা’র ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন- এ ধবনের লোকদের জন্য (কেয়ামতে) দ্বিগুন পুরস্কারের ব্যবস্থা থাববে। এটা হচ্ছে বিনিময় সে কাজের যা তারা দুনিয়য় করে এসেছে ’। এ কারণেই দেখা যায় , গোটা কোরআনে ‘পাপী’ ও ‘পুণ্যবান’ শব্দের মতো , ‘আযাব’ শব্দটি যতোবর এসেছে ‘সওয়াব’ শব্দটি তার দ্বিগুন এসেছে। কোরআনে একাধিক জায়গায় আল্লাহ তায়ালা বলেছেন – আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় করলে তিনি তার বিনিময় বাড়িয়ে দেবেন। সম্ভবত এ কারণেই কোরআনে ‘গরীবী’ শব্দটি এসেছে ১৩ বার, আর তার বিপরীতে ‘প্রচুর্য’ শব্দটি এসেছে ২৬ বার। কোরআনে স্থলভাগ এসেছে ১৩ বার আর ‘জলভাগ’ এসেছে ৩২ বার। উভয়টা মিলে সংখ্যা দাড়ায় ৪৫, আর এ সংখ্যাকে ১৩ দিয়ে ভাগ করলে দাঁড়ায় ২৯(২৮.৮৮৮৮৮৮৮৮৮৯%), আবার ৩২ দিয়ে ভাগ করলে দাঁড়ায় ৭১(৭১.১১১১১১১১১১%), আর এটাই হচ্ছে এই গ্রহের জল ও স্থল ভাগের সঠিক আনুপাতিক হার। কোরআন কারীমের বিভিন্ন জায়গায় এভাবে গাণিতিক সংখ্যার অদ্ভতু মিল দেখে যে কোনো কোরআন পাঠকই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে ভাবতে থাকে, এটা নিসন্দেহে কোন মানুষের কথা নয়। কোন একটা কাজ করলে তার যে অবশ্যম্ভাবী ফল দাঁড়াবে তার উভয়টিকে আশ্চর্যজনকভাবে সমান সংখ্যায় বর্ণনা করা হয়েছে। ‘গাছের চারা’ উৎপাদন করলে ‘গাছ’ হয়। তাই এ দুটো শব্দই এসেছে ২৬ বার করে। কোন মানুষ ’হেদায়াত’ পেলে তার প্রতি ‘রহমত’ বর্ষিত হয় , তাই এ দুটো শব্দ কোরআনে এসেছে ৭৯ বার করে। হেদায়াত; এর অপরিহার্য পরিনাম হচ্ছে ‘মউত’ এ শব্দ দুটোও এসেছে ১৬ বার বরে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন ‘যাকাত’ দিলে ‘বরকত’ আসে, তাই কোরআনে কারীমে‘ যাকাত’ শব্দ এসেছে ৩২ বার ‘বরকত’ শব্দও এসেছে ৩২ বার। ‘আবদ’ মানে গোলামী করা, আর ‘আবীদ’ মানে গোলাম। গোলামের কাজ গোলামী করা , তাই কোরআনে এই উভয় শব্দই এসেছে ১৫২ বার করে। মানুষ ’সৃষ্টি’ কথাটা এসেছে ১৬ বার, আর মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘এবাদত’ তাই এ শব্দটিও এসেছে ১৬ বার। ‘নেশা’ করলে মাতাল হয় , তাই এ দুটো শব্দও এসেছে ৬ বার করে। প্রতিটি ‘দুঃখ কষ্টে’ আল্লাহ তায়ালা মানুষের ধৈর্য ধরতে বলেছেন – কোরআনে এই উভয় শব্দেই এসেছে ১০২ বার করে। ‘উপকার’ ও ’ক্ষতি’ এসেছে ৫০ বার করে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের শয়তান থেকে আশ্রয় চাইতে বলেছেন, সম্ভবত এই কারনে কোরআনে যতোবার ‘শয়তানের’ নাম এসেছে ঠিক ততোবারই ‘আশ্রয় চাওয়ার’ কথাও এসেছে, অর্থাৎ উভয়টাই ১১ বার করে এসেছে। আর মাত্র ৩ টি রহস্যের কথা বলে আমরা ভিন্ন দিকে অগ্রসর হবো। সূরা আল কাহফে গুহাবাসীরা কতোদিন সেখানে অবস্থান করেছে সে ব্যাপারে কোরআন মাজীদে বলেছে, ‘তারা তাদের (এ) গুহায় কাটিয়েছে মোট ৩০০ বছর, তারা (এর সাথে) যোগ করেছে আরো ৯ বছর’। প্রশ্ন হচ্ছে এভাবে দু’ভাগে না বলে আল্লাহ তায়ালা সংখ্যাটা একেত্রেও তো বলতে পারতেন। অর্থাৎ এভাবেও বলা যেতো যে, ‘তারা সেখানে ৩০৯ বছর কাটিয়েছে’। কোরআনের এ আয়াত নাযিল হওয়ার সময় কেউ সৌর গণনা ও চন্দ্র গণনার বিষয়টি জানতো না। পরে দুনিয়ার মানুষেরা জেনেছে যে, চন্দ্র মাস সৌর মাসের চাইতে ১১ দিন কম। প্রতি বছরে ১১ দিনের এই তফাৎটা হিসাব করলে সময়টা হবে ঠিক ৯ বছর। অপর কথায় গুহায় তাদের অবস্থানের সময়টা সৌর গণনার হিসাবে হচ্ছে ৩০০ বছর, আর চন্দ্র মাস হিসেবে হবে ৩০৯ । কোরআন এই উভয় হিসাবটাই উৎসাহী পাঠকদের সামনে সুন্দর করে বর্ণনা করেছে। কোরআনে ‘ইনসান’ শব্দটি এসেছে ৬৫ বার। এবার ইনসান বানাবার উপকরণগুলোকে কোরআনের বিভিন্ন জায়গা থেকে যোগ করে মিলিয়ে দেখা যাক। প্রথম উপাদান ‘তোরাব’ (মাটি) শব্দটি এসেছে ১৭ বার, দ্বিতীয় উপাদান ‘নুতফা’ (জীবনকণা) শব্দ এসেছে ১২ বার, তৃতীয় উপাদান ‘আলাক’ (রক্তপিন্ড) শব্দ এসেছে ৬ বার, চতুর্থ উপাদান ‘মোগদা’ (মাংসপিন্ড) এসেছে ৩ বার। পঞ্চম উপাদান হচ্ছে ‘লাহম’ (হাড়) , এটি এসেছে ১৫ বার। সর্বশেষ উপাদান হচ্ছে ‘লাহম’ (গোশত) , এ শব্দটি এসেছে ১২ বার। কোরআনে উল্লিখিত (সূরা হজ্জ ৫)- এ উপাদানগুলো যোগ করলে যোগফল হবে ঠিক ৬৫। আর এসব উপাদান দিয়ে যে ‘ইনসান’ বানানো হয়েছে তাও কোরআনে ঠিক ৬৫ বারই উল্লেখে করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা কোরআনের সূরা ‘আল ক্বামার’ – এর প্রথম যে আয়াতটিতে চাঁদ বিদীর্ণ হওয়ার সাথে কেয়ামতের আগমন অত্যাসন্ন কথাটি বলেছেন, আরবী বর্ণমালার আক্ষরিক মান হিসাব করলে তার যোগফল হয় ১৩৯০, আর এ ১৩৯০ হিজরী (১৯৬৯ খৃস্টাব্দ) সালেই মানুষ সর্বপ্রথম চাঁদে অবতরণ করে, জানি না এটা কোরআনের কোন মোজেযা, না তা এমনিই এক ঘটনাচক্র, কিন্তু আল্ল্হ তায়ালার এ মহান সৃষ্টিতে তো ঘটনাচক্র বলতে কিছুই নেই। এ কারণেই হয়তো মানুষের চাঁদে অবতরণের সালের সাথে কোরআনের আলোচ্য আয়াতটির সংখ্যামানের এ বিস্ময়কর মিল আমরা দেখতে পাচ্ছি।
    0 Comments 0 Shares
  • ★মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে আমি এটাই
    আমার অপরাধ★
    পৃথিবীতে দুই শ্রেণীর মানুষ থাকা উচিত
    একটা উচ্চবিত্ত অন্যটা নিন্মবিত্ত।মধ্য
    বিত্ত নামে কোন কিছু থাকা অনুচিত।
    মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলের আত্মসম্মান
    আর ইগো দুইটাই খুব বেশি থাকে।সে জন্মের
    সময়েই
    একগাদা ইগো সাথে করে নিয়ে জন্মায়।
    সে স্বপ্ন দেখতে দেখতে বড় হয়
    এবং একপর্যায়ে সে বুঝতে পারে জীবনটা স্বপ্ন
    নয়,জীবনটা বাস্তব।সে সব সময় সুখ খোঁজে,
    জীবনের মানে খুঁজে বেড়ানো তার স্বভাব ।
    সে অল্পতে সন্তুষ্ট হতে পারে না।আবার
    অল্পতে অসন্তুষ্টুও থাকতে পারে না।
    সে সবার কাছে ভালোবাসা খোঁজে কিন্তু
    এটা তার কাছে ১০২ ধারার অপরাধ।
    উচ্চবিলাসী হওয়া তার জন্য গুনাহের
    পর্যায়ে পরে।তার আবেগ অত্যাধিক
    বেশি থাকে । কিন্তু সে খুব ছোট থাকতেই
    আবেগকে গলা টিপে খুন করতে শিখে ফেলে।
    মধ্যবিত্ত পরিবারের এই আবেগপ্রবন,
    পাগলাটে,স্বপ্ন বিলাসী ছেলেটিকে কেউ
    বুঝতে চায় না। তাকেই সবকিছু
    সামলে চলতে হয়।এত কিছু পরেও মধ্যবিত্ত
    ঘরের
    ছেলেটি একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলে আমি সুখেই
    আছি(সান্তনাবানী)
    ★মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে আমি এটাই আমার অপরাধ★ পৃথিবীতে দুই শ্রেণীর মানুষ থাকা উচিত একটা উচ্চবিত্ত অন্যটা নিন্মবিত্ত।মধ্য বিত্ত নামে কোন কিছু থাকা অনুচিত। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলের আত্মসম্মান আর ইগো দুইটাই খুব বেশি থাকে।সে জন্মের সময়েই একগাদা ইগো সাথে করে নিয়ে জন্মায়। সে স্বপ্ন দেখতে দেখতে বড় হয় এবং একপর্যায়ে সে বুঝতে পারে জীবনটা স্বপ্ন নয়,জীবনটা বাস্তব।সে সব সময় সুখ খোঁজে, জীবনের মানে খুঁজে বেড়ানো তার স্বভাব । সে অল্পতে সন্তুষ্ট হতে পারে না।আবার অল্পতে অসন্তুষ্টুও থাকতে পারে না। সে সবার কাছে ভালোবাসা খোঁজে কিন্তু এটা তার কাছে ১০২ ধারার অপরাধ। উচ্চবিলাসী হওয়া তার জন্য গুনাহের পর্যায়ে পরে।তার আবেগ অত্যাধিক বেশি থাকে । কিন্তু সে খুব ছোট থাকতেই আবেগকে গলা টিপে খুন করতে শিখে ফেলে। মধ্যবিত্ত পরিবারের এই আবেগপ্রবন, পাগলাটে,স্বপ্ন বিলাসী ছেলেটিকে কেউ বুঝতে চায় না। তাকেই সবকিছু সামলে চলতে হয়।এত কিছু পরেও মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেটি একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলে আমি সুখেই আছি(সান্তনাবানী)
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • ২০০১ এ আমেরিকার আফগানিস্তান আক্রমণ এবং ২০০৩ এ ইরাক আক্রমণ এবং দেশ দুইটিকে ধ্বংস করার পর মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো খাটের নিচে লুকিয়ে পরে। ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহু সরাসরি আমেরিকাকে বলে এই সুযোগে সবগুলো মুসলিমদেশ গুলোকে দখল করার জন্য।
    ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালের প্রতিটি আরব-ইসরাইল যুদ্ধে আরব দেশগুলো ইসরাইলের হাতে উরাধুরা মার খেয়ে ইসরাইলের নাম মুখে নিতেও ভয় পায়। এমতবস্তাও ইসরাইলের কনফিডেন্স হইলেভেলে চলে যায়।ইসরাইলকে সমর্থন জানায় সৌদি আরব ও মিসর এবং গোপনে অর্থ দেওয়াসহ লেবাননের কিছু সুন্নিদের কাজে লাগানোর চেষ্টা চালায় সৌদি।
    জুলাই-12 ইসরাইল তার অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে লেবাননে আগ্রাসন শুরু করে । লেবাননের হাতে তখন সেইরকম কোনো ভালো প্রযুক্তি ছিলোনা।খায়বার-১ ক্ষেপণাস্ত্রসহ কিছু এন্টিট্যাংক মিসাইল ছিল। পক্ষান্তরে ইসরাইলের সমরাস্ত্রের কথা এইখানে নাই বললাম। ইসরাইলকে আমেরিকা সরাসরি সমর্থন করে ,আর তখন আমেরিকার সমর্থন মানে পুরো পৃথিবীর সমর্থন ছিল ।
    কথিত মুসলিমদেশ গুলো সাপোর্ট তো দূরে থাক তারা শিয়া ট্যাগ দিয়ে এড়িয়ে যায়। মুসলিমদেশগুলো ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না গিয়ে বা হিজবুল্লাকে কোনোরূপ সহায়তা না করে তারা তাদের জনগণকে এটা বুঝতে যুদ্ধে নেমে যায় যে এই যুদ্ধ ইসরাইল আর শিয়াদের যুদ্ধ । এতে সৌদি পেট্রো ডলারের প্রোপাগান্ডা তো ছিলই।
    এমনকি বাংলাদেশও নাক ছিটকাই কারণ কারণ আমেরিকার আতঙ্ক তখনও কাটেনি। লেবাননকে শুধু ইরান ও সিরিয়া সমর্থন করে। লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর হামলা শুরুর এক সপ্তাহ পর তেহরানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সভাপতিত্বে ইরানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে শেষে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, “আমার মনে হচ্ছে খন্দকের যুদ্ধের মতোই এই যুদ্ধে হিজবুল্লাহ বিজয়ী হবে।” । সিরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে , প্রতিদান অবশ্য হিজবুল্লাহ হারে হরে দেয় সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে রক্ষায় সহায়তা করে।মূলত সিরিয়ার এই দুর্দশার অন্যতম কারণ হলো সিরিয়া ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছিলো। এই সম্পর্কে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ বলেন , ২০০৬ সালের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে তা এসেছিল সিরিয়ার সামরিক কারখানা থেকে; সেগুলো ইরানের তৈরি ছিল না।"”
    সিরিয়ায় বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের সহিংসতার কথা উল্লেখ করে হাসান নাসরুল্লাহ আরো বলেন, "এখন সিরিয়ায় যা হচ্ছে তা মূলত সেই ২০০৬ সালের যুদ্ধের প্রতিশোধ।”এই সম্পর্কে পরে একদিন বিস্তারিত লিখবো ইনশাআল্লাহ।
    যাই হোক এইদিকে শহীদ কাসেম সোলাইমানি ঘোষণা করেন যে ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সমস্ত প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধে লেবাননের প্রতিরোধ অক্ষকে সার্বিকভাবে সমর্থন করতে হবে। সর্বোচ্চ নেতার এই আদেশের প্রভাব তখন সরাসরি দৃশ্যমান হয়।
    হিজবুল্লার তরুণেরা হুসাইনি চেতনায় ঝাপিয়ে পরে ইসরাইলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে । ৩৩ দিনের এই ভয়াবহ যুদ্ধে লেবানন হারায় হাজারেরও বেশি মানুষ তবে তাদের এতে তাদের কোনো দুঃখ ছিলোনা কারণ আমেরিকার মদতপুষ্ট ইস্রায়েলরকে তারা পরাজিত করে এবং নিজ মাতৃভূমিকে রক্ষা করে। পক্ষান্তরে ১৯৪৮ সালের পরথেকে বিজয়ের যে পতাকা উড়ছিল ইসরায়েলে ২০০৬ সালে তাতে আগুন লেগে যায়। যুদ্ধে হেরে জাতিসংঘের সব শর্ত মেনে নেই ইসরাইল যেটি ইসরায়েলের স্বভাবের সাথে একদম বেমানান।
    তাদের অজেয় গর্বের মারকোভা ট্যাংকে পাছা উপর দিক করে কাত হয়ে পরে থাকতে দেখা যায়। ৪০টির অধিক মারকোভা ট্যাংক সম্পূর্ন ধ্বংস হয়ে যায় এবং ২ শতাধিক ট্যাংক ব্যাবহারের অযোগ্য হয় যা ইসরাইলের মোট ট্যাংক এর এক পঞ্চমাংশ ছিল। ইসরাইলের ১২১ জন সেনাকে জা*হান্নামে পাঠানো হয়। এছাড়া ইসরাইলের ৩ লক্ষ জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়।
    ১২ জুলাই শুরু হওয়া ইসরাইলের এই আগ্রাসন ১৪ অগাস্টে শেষ হয়।
    সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, ২০০৬ সালে লেবাননের সঙ্গে ৩৩ দিনের যুদ্ধে ইসরাইলের শোচনীয় পরাজয়ের কথা স্বীকার করেন ২০১০ সালে। ডিসিশন পয়েন্ট' নামের স্মৃতি কথায় বুশ বলেন , এ পরাজয়ের ফলে ইসরাইলের প্রতি তার আস্থা উঠে গিয়েছিল।' তা ফিরিয়ে আনার জন্য সিরিয়ার ওপর ২০০৭ সালে এয়ার স্ট্রাইক চালানো হয়। সিরিয়ায় ইসরাইলের হামলার বিষয়টি বুশ আগে থেকেই জানতেন ও তিনি এ বিষয় গোপনীয়তা রক্ষা করেছেন বলে তার স্মৃতিকথায় স্বীকার করেন ।
    মধ্যেপ্রাচে এই যুদ্ধের গুরুত্ব অনেক এই যুদ্ধে ইস্রায়েল জয়ী হলে মধ্যপ্রাচে তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার আর কোনো শক্তি থাকতো না। কারণ এর পর টার্গেট হতো সিরিয়া ও ইরান। আর সেই সময় আমেরিকা পৃথিবীর একমাত্র পরাশক্তি ছিল। রাশিয়া চীনের অতটা সামর্থ ছিলনা আমেরিকার আগ্রাসনের জোরালো প্রতিবাদ করার ,মূলত হিজবুল্লাকে নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে ইসরাইল সীমান্তের নিরাপত্তা ক্লিয়ার করতে চাচ্ছিলো। এই যুদ্ধে ইস্রায়েল পরাজিত হওয়ায় মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যায় বিশেষ করে হামাসসহ ফিলিস্তিনের আরো বিভিন্ন সংগঠনের।
    পরিশেষে একটা কথা বলবো ইসরাইল আসলে কিছুইনা আসলে তার কোনো যোগ্য প্রতিপক্ষ ছিলোনা। ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দিয়েছিলো সেই ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারেনি বরং শেষদিকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে প্রচণ্ড মার খেয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • ২০০১ এ আমেরিকার আফগানিস্তান আক্রমণ এবং ২০০৩ এ ইরাক আক্রমণ এবং দেশ দুইটিকে ধ্বংস করার পর মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো খাটের নিচে লুকিয়ে পরে। ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহু সরাসরি আমেরিকাকে বলে এই সুযোগে সবগুলো মুসলিমদেশ গুলোকে দখল করার জন্য।
    ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালের প্রতিটি আরব-ইসরাইল যুদ্ধে আরব দেশগুলো ইসরাইলের হাতে উরাধুরা মার খেয়ে ইসরাইলের নাম মুখে নিতেও ভয় পায়। এমতবস্তাও ইসরাইলের কনফিডেন্স হইলেভেলে চলে যায়।ইসরাইলকে সমর্থন জানায় সৌদি আরব ও মিসর এবং গোপনে অর্থ দেওয়াসহ লেবাননের কিছু সুন্নিদের কাজে লাগানোর চেষ্টা চালায় সৌদি।
    জুলাই-12 ইসরাইল তার অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে লেবাননে আগ্রাসন শুরু করে । লেবাননের হাতে তখন সেইরকম কোনো ভালো প্রযুক্তি ছিলোনা।খায়বার-১ ক্ষেপণাস্ত্রসহ কিছু এন্টিট্যাংক মিসাইল ছিল। পক্ষান্তরে ইসরাইলের সমরাস্ত্রের কথা এইখানে নাই বললাম। ইসরাইলকে আমেরিকা সরাসরি সমর্থন করে ,আর তখন আমেরিকার সমর্থন মানে পুরো পৃথিবীর সমর্থন ছিল ।
    কথিত মুসলিমদেশ গুলো সাপোর্ট তো দূরে থাক তারা শিয়া ট্যাগ দিয়ে এড়িয়ে যায়। মুসলিমদেশগুলো ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না গিয়ে বা হিজবুল্লাকে কোনোরূপ সহায়তা না করে তারা তাদের জনগণকে এটা বুঝতে যুদ্ধে নেমে যায় যে এই যুদ্ধ ইসরাইল আর শিয়াদের যুদ্ধ । এতে সৌদি পেট্রো ডলারের প্রোপাগান্ডা তো ছিলই।
    এমনকি বাংলাদেশও নাক ছিটকাই কারণ কারণ আমেরিকার আতঙ্ক তখনও কাটেনি। লেবাননকে শুধু ইরান ও সিরিয়া সমর্থন করে। লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর হামলা শুরুর এক সপ্তাহ পর তেহরানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সভাপতিত্বে ইরানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে শেষে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, “আমার মনে হচ্ছে খন্দকের যুদ্ধের মতোই এই যুদ্ধে হিজবুল্লাহ বিজয়ী হবে।” । সিরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে , প্রতিদান অবশ্য হিজবুল্লাহ হারে হরে দেয় সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে রক্ষায় সহায়তা করে।মূলত সিরিয়ার এই দুর্দশার অন্যতম কারণ হলো সিরিয়া ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছিলো। এই সম্পর্কে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ বলেন , ২০০৬ সালের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে তা এসেছিল সিরিয়ার সামরিক কারখানা থেকে; সেগুলো ইরানের তৈরি ছিল না।"”
    সিরিয়ায় বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের সহিংসতার কথা উল্লেখ করে হাসান নাসরুল্লাহ আরো বলেন, "এখন সিরিয়ায় যা হচ্ছে তা মূলত সেই ২০০৬ সালের যুদ্ধের প্রতিশোধ।”এই সম্পর্কে পরে একদিন বিস্তারিত লিখবো ইনশাআল্লাহ।
    যাই হোক এইদিকে শহীদ কাসেম সোলাইমানি ঘোষণা করেন যে ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সমস্ত প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধে লেবাননের প্রতিরোধ অক্ষকে সার্বিকভাবে সমর্থন করতে হবে। সর্বোচ্চ নেতার এই আদেশের প্রভাব তখন সরাসরি দৃশ্যমান হয়।
    হিজবুল্লার তরুণেরা হুসাইনি চেতনায় ঝাপিয়ে পরে ইসরাইলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে । ৩৩ দিনের এই ভয়াবহ যুদ্ধে লেবানন হারায় হাজারেরও বেশি মানুষ তবে তাদের এতে তাদের কোনো দুঃখ ছিলোনা কারণ আমেরিকার মদতপুষ্ট ইস্রায়েলরকে তারা পরাজিত করে এবং নিজ মাতৃভূমিকে রক্ষা করে। পক্ষান্তরে ১৯৪৮ সালের পরথেকে বিজয়ের যে পতাকা উড়ছিল ইসরায়েলে ২০০৬ সালে তাতে আগুন লেগে যায়। যুদ্ধে হেরে জাতিসংঘের সব শর্ত মেনে নেই ইসরাইল যেটি ইসরায়েলের স্বভাবের সাথে একদম বেমানান।
    তাদের অজেয় গর্বের মারকোভা ট্যাংকে পাছা উপর দিক করে কাত হয়ে পরে থাকতে দেখা যায়। ৪০টির অধিক মারকোভা ট্যাংক সম্পূর্ন ধ্বংস হয়ে যায় এবং ২ শতাধিক ট্যাংক ব্যাবহারের অযোগ্য হয় যা ইসরাইলের মোট ট্যাংক এর এক পঞ্চমাংশ ছিল। ইসরাইলের ১২১ জন সেনাকে জা*হান্নামে পাঠানো হয়। এছাড়া ইসরাইলের ৩ লক্ষ জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়।
    ১২ জুলাই শুরু হওয়া ইসরাইলের এই আগ্রাসন ১৪ অগাস্টে শেষ হয়।
    সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, ২০০৬ সালে লেবাননের সঙ্গে ৩৩ দিনের যুদ্ধে ইসরাইলের শোচনীয় পরাজয়ের কথা স্বীকার করেন ২০১০ সালে। ডিসিশন পয়েন্ট' নামের স্মৃতি কথায় বুশ বলেন , এ পরাজয়ের ফলে ইসরাইলের প্রতি তার আস্থা উঠে গিয়েছিল।' তা ফিরিয়ে আনার জন্য সিরিয়ার ওপর ২০০৭ সালে এয়ার স্ট্রাইক চালানো হয়। সিরিয়ায় ইসরাইলের হামলার বিষয়টি বুশ আগে থেকেই জানতেন ও তিনি এ বিষয় গোপনীয়তা রক্ষা করেছেন বলে তার স্মৃতিকথায় স্বীকার করেন ।
    মধ্যেপ্রাচে এই যুদ্ধের গুরুত্ব অনেক এই যুদ্ধে ইস্রায়েল জয়ী হলে মধ্যপ্রাচে তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার আর কোনো শক্তি থাকতো না। কারণ এর পর টার্গেট হতো সিরিয়া ও ইরান। আর সেই সময় আমেরিকা পৃথিবীর একমাত্র পরাশক্তি ছিল। রাশিয়া চীনের অতটা সামর্থ ছিলনা আমেরিকার আগ্রাসনের জোরালো প্রতিবাদ করার ,মূলত হিজবুল্লাকে নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে ইসরাইল সীমান্তের নিরাপত্তা ক্লিয়ার করতে চাচ্ছিলো। এই যুদ্ধে ইস্রায়েল পরাজিত হওয়ায় মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যায় বিশেষ করে হামাসসহ ফিলিস্তিনের আরো বিভিন্ন সংগঠনের।
    পরিশেষে একটা কথা বলবো ইসরাইল আসলে কিছুইনা আসলে তার কোনো যোগ্য প্রতিপক্ষ ছিলোনা। ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দিয়েছিলো সেই ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারেনি বরং শেষদিকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে প্রচণ্ড মার খেয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়।
    ২০০১ এ আমেরিকার আফগানিস্তান আক্রমণ এবং ২০০৩ এ ইরাক আক্রমণ এবং দেশ দুইটিকে ধ্বংস করার পর মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো খাটের নিচে লুকিয়ে পরে। ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহু সরাসরি আমেরিকাকে বলে এই সুযোগে সবগুলো মুসলিমদেশ গুলোকে দখল করার জন্য। ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালের প্রতিটি আরব-ইসরাইল যুদ্ধে আরব দেশগুলো ইসরাইলের হাতে উরাধুরা মার খেয়ে ইসরাইলের নাম মুখে নিতেও ভয় পায়। এমতবস্তাও ইসরাইলের কনফিডেন্স হইলেভেলে চলে যায়।ইসরাইলকে সমর্থন জানায় সৌদি আরব ও মিসর এবং গোপনে অর্থ দেওয়াসহ লেবাননের কিছু সুন্নিদের কাজে লাগানোর চেষ্টা চালায় সৌদি। জুলাই-12 ইসরাইল তার অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে লেবাননে আগ্রাসন শুরু করে । লেবাননের হাতে তখন সেইরকম কোনো ভালো প্রযুক্তি ছিলোনা।খায়বার-১ ক্ষেপণাস্ত্রসহ কিছু এন্টিট্যাংক মিসাইল ছিল। পক্ষান্তরে ইসরাইলের সমরাস্ত্রের কথা এইখানে নাই বললাম। ইসরাইলকে আমেরিকা সরাসরি সমর্থন করে ,আর তখন আমেরিকার সমর্থন মানে পুরো পৃথিবীর সমর্থন ছিল । কথিত মুসলিমদেশ গুলো সাপোর্ট তো দূরে থাক তারা শিয়া ট্যাগ দিয়ে এড়িয়ে যায়। মুসলিমদেশগুলো ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না গিয়ে বা হিজবুল্লাকে কোনোরূপ সহায়তা না করে তারা তাদের জনগণকে এটা বুঝতে যুদ্ধে নেমে যায় যে এই যুদ্ধ ইসরাইল আর শিয়াদের যুদ্ধ । এতে সৌদি পেট্রো ডলারের প্রোপাগান্ডা তো ছিলই। এমনকি বাংলাদেশও নাক ছিটকাই কারণ কারণ আমেরিকার আতঙ্ক তখনও কাটেনি। লেবাননকে শুধু ইরান ও সিরিয়া সমর্থন করে। লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর হামলা শুরুর এক সপ্তাহ পর তেহরানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সভাপতিত্বে ইরানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে শেষে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, “আমার মনে হচ্ছে খন্দকের যুদ্ধের মতোই এই যুদ্ধে হিজবুল্লাহ বিজয়ী হবে।” । সিরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে , প্রতিদান অবশ্য হিজবুল্লাহ হারে হরে দেয় সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে রক্ষায় সহায়তা করে।মূলত সিরিয়ার এই দুর্দশার অন্যতম কারণ হলো সিরিয়া ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধে হিজবুল্লাকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছিলো। এই সম্পর্কে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ বলেন , ২০০৬ সালের যুদ্ধে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে তা এসেছিল সিরিয়ার সামরিক কারখানা থেকে; সেগুলো ইরানের তৈরি ছিল না।"” সিরিয়ায় বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের সহিংসতার কথা উল্লেখ করে হাসান নাসরুল্লাহ আরো বলেন, "এখন সিরিয়ায় যা হচ্ছে তা মূলত সেই ২০০৬ সালের যুদ্ধের প্রতিশোধ।”এই সম্পর্কে পরে একদিন বিস্তারিত লিখবো ইনশাআল্লাহ। যাই হোক এইদিকে শহীদ কাসেম সোলাইমানি ঘোষণা করেন যে ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সমস্ত প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধে লেবাননের প্রতিরোধ অক্ষকে সার্বিকভাবে সমর্থন করতে হবে। সর্বোচ্চ নেতার এই আদেশের প্রভাব তখন সরাসরি দৃশ্যমান হয়। হিজবুল্লার তরুণেরা হুসাইনি চেতনায় ঝাপিয়ে পরে ইসরাইলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে । ৩৩ দিনের এই ভয়াবহ যুদ্ধে লেবানন হারায় হাজারেরও বেশি মানুষ তবে তাদের এতে তাদের কোনো দুঃখ ছিলোনা কারণ আমেরিকার মদতপুষ্ট ইস্রায়েলরকে তারা পরাজিত করে এবং নিজ মাতৃভূমিকে রক্ষা করে। পক্ষান্তরে ১৯৪৮ সালের পরথেকে বিজয়ের যে পতাকা উড়ছিল ইসরায়েলে ২০০৬ সালে তাতে আগুন লেগে যায়। যুদ্ধে হেরে জাতিসংঘের সব শর্ত মেনে নেই ইসরাইল যেটি ইসরায়েলের স্বভাবের সাথে একদম বেমানান। তাদের অজেয় গর্বের মারকোভা ট্যাংকে পাছা উপর দিক করে কাত হয়ে পরে থাকতে দেখা যায়। ৪০টির অধিক মারকোভা ট্যাংক সম্পূর্ন ধ্বংস হয়ে যায় এবং ২ শতাধিক ট্যাংক ব্যাবহারের অযোগ্য হয় যা ইসরাইলের মোট ট্যাংক এর এক পঞ্চমাংশ ছিল। ইসরাইলের ১২১ জন সেনাকে জা*হান্নামে পাঠানো হয়। এছাড়া ইসরাইলের ৩ লক্ষ জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়। ১২ জুলাই শুরু হওয়া ইসরাইলের এই আগ্রাসন ১৪ অগাস্টে শেষ হয়। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, ২০০৬ সালে লেবাননের সঙ্গে ৩৩ দিনের যুদ্ধে ইসরাইলের শোচনীয় পরাজয়ের কথা স্বীকার করেন ২০১০ সালে। ডিসিশন পয়েন্ট' নামের স্মৃতি কথায় বুশ বলেন , এ পরাজয়ের ফলে ইসরাইলের প্রতি তার আস্থা উঠে গিয়েছিল।' তা ফিরিয়ে আনার জন্য সিরিয়ার ওপর ২০০৭ সালে এয়ার স্ট্রাইক চালানো হয়। সিরিয়ায় ইসরাইলের হামলার বিষয়টি বুশ আগে থেকেই জানতেন ও তিনি এ বিষয় গোপনীয়তা রক্ষা করেছেন বলে তার স্মৃতিকথায় স্বীকার করেন । মধ্যেপ্রাচে এই যুদ্ধের গুরুত্ব অনেক এই যুদ্ধে ইস্রায়েল জয়ী হলে মধ্যপ্রাচে তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার আর কোনো শক্তি থাকতো না। কারণ এর পর টার্গেট হতো সিরিয়া ও ইরান। আর সেই সময় আমেরিকা পৃথিবীর একমাত্র পরাশক্তি ছিল। রাশিয়া চীনের অতটা সামর্থ ছিলনা আমেরিকার আগ্রাসনের জোরালো প্রতিবাদ করার ,মূলত হিজবুল্লাকে নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে ইসরাইল সীমান্তের নিরাপত্তা ক্লিয়ার করতে চাচ্ছিলো। এই যুদ্ধে ইস্রায়েল পরাজিত হওয়ায় মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যায় বিশেষ করে হামাসসহ ফিলিস্তিনের আরো বিভিন্ন সংগঠনের। পরিশেষে একটা কথা বলবো ইসরাইল আসলে কিছুইনা আসলে তার কোনো যোগ্য প্রতিপক্ষ ছিলোনা। ১৯৬৭ সালে মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে উরাধুরা প্যাদানি দিয়েছিলো সেই ইসরাইল টানা ৩৩ দিন যুদ্ধ করেও হিজবুল্লাহকে কাবু করতে পারেনি বরং শেষদিকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে প্রচণ্ড মার খেয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়।
    2
    0 Comments 1 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 3 Useful Teeth Whitening Aftercare Tips For You

    Some people feel hesitant to smile as their teeth are discolored or have a few stains. A teeth whitening procedure is the best option for them to bring a smile back to their face. Although a single treatment may be enough to solve all your discoloration issues, it is still recommended that you undergo at least one maintenance session every three months to ensure that your initial treatment results are consistent throughout time.

    #DentalClinic, #CeramicBraces, #smiledelhithedentalclinic

    View more here:
    3 Useful Teeth Whitening Aftercare Tips For You Some people feel hesitant to smile as their teeth are discolored or have a few stains. A teeth whitening procedure is the best option for them to bring a smile back to their face. Although a single treatment may be enough to solve all your discoloration issues, it is still recommended that you undergo at least one maintenance session every three months to ensure that your initial treatment results are consistent throughout time. #DentalClinic, #CeramicBraces, #smiledelhithedentalclinic View more here:
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 2
    1 Comments 0 Shares
  • ঈদ মুবারাক🌙
    তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম ❤️
    ঈদ মুবারাক🌙 তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম ❤️
    5
    0 Comments 0 Shares
  • আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,
    ঈদ মুবারাক,
    তাক্বাবলাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
    ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

    ঈদের দিনের সুন্নাহ সমুহ-

    ❑ অন্য দিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। (বাইহাকী, হাদীস নং- ৬১২৬)

    ❑ মিসওয়াক করা। (তাবঈনুল হাকাইক, ১:৫৩৮)

    ❑ গোসল করা। (ইবনে মাজাহ, হাদীস নং- ১৩১৫)

    ❑ শরী‘আত সম্মত সাজসজ্জা করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮)

    ❑ সামর্থ্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮/ মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০)

    ❑ সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০)

    ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে মিষ্টি জাতীয় যেমন (খেজুর ইত্যাদি) খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পরে নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৩/ তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং- ৫৪২/ দারেমী হাদীস নং- ১৬০৩)

    ❑ সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।(আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৫৭)

    ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে ছদকায়ে ফিতর আদায় করা। (দারাকুতনী, হাদীস নং- ১৬৯৪)

    ❑ ঈদের নামায ইদগাহে আদায় করা, বিনা অপারগতায় মসজিদে আদায় না করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৬/ আবু দাউদ হাদীস নং- ১১৫৮)

    ❑ যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৮৬)

    ❑ পায় হেঁটে যাওয়া। (আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৪৩)

    ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকাঃ

    ‎اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ اَكْبَرُ
    আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ, ঈদ মুবারাক, তাক্বাবলাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖ ঈদের দিনের সুন্নাহ সমুহ- ❑ অন্য দিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। (বাইহাকী, হাদীস নং- ৬১২৬) ❑ মিসওয়াক করা। (তাবঈনুল হাকাইক, ১:৫৩৮) ❑ গোসল করা। (ইবনে মাজাহ, হাদীস নং- ১৩১৫) ❑ শরী‘আত সম্মত সাজসজ্জা করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮) ❑ সামর্থ্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮/ মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০) ❑ সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০) ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে মিষ্টি জাতীয় যেমন (খেজুর ইত্যাদি) খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পরে নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৩/ তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং- ৫৪২/ দারেমী হাদীস নং- ১৬০৩) ❑ সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।(আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৫৭) ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে ছদকায়ে ফিতর আদায় করা। (দারাকুতনী, হাদীস নং- ১৬৯৪) ❑ ঈদের নামায ইদগাহে আদায় করা, বিনা অপারগতায় মসজিদে আদায় না করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৬/ আবু দাউদ হাদীস নং- ১১৫৮) ❑ যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৮৬) ❑ পায় হেঁটে যাওয়া। (আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৪৩) ❑ ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকাঃ ‎اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ اَكْبَرُ
    3
    0 Comments 0 Shares
  • আলাদিনের সকল ভাইদের কে আমার পক্ষ থেকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
    🌙🌙🌙🌙🌃🌃🌃🌙🌙🌙🌙
    ঈদ মোবারক
    তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
    আলাদিনের সকল ভাইদের কে আমার পক্ষ থেকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 🌙🌙🌙🌙🌃🌃🌃🌙🌙🌙🌙 ঈদ মোবারক তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
    5
    0 Comments 0 Shares
  • আলাদিনের সবাইকে ঈদ মোবারক।
    আলাদিনের সবাইকে ঈদ মোবারক।
    5
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.youtube.com/watch?v=2-4nNdZhskc
    তালেবান বাংলাদেশের এর বেপারে কি বলে?
    https://www.youtube.com/watch?v=2-4nNdZhskc তালেবান বাংলাদেশের এর বেপারে কি বলে?
    1
    0 Comments 0 Shares
  • তিলাওয়াতের সৌন্দর্য, বিষয়বস্তুর আবেদন,
    দুই সমুদ্রে একসাথে তলিয়ে গেলাম।

    #সুবহানাল্লাহ
    #Quran
    #Macca
    তিলাওয়াতের সৌন্দর্য, বিষয়বস্তুর আবেদন, দুই সমুদ্রে একসাথে তলিয়ে গেলাম। #সুবহানাল্লাহ #Quran #Macca
    5
    9 1 Comments 0 Shares
  • আজ ২৯ রমাদান মোতাবেক ১ মে (রবিবার) বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায় নি। পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপিত হবে ৩ মে রোজ মঙ্গলবার।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভা থেকে উক্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

    হাদীস ও আসারের আলোকে ঈদের দিনের কিছু সুন্নাহ নিচে তুলে ধরা হলোঃ

    ১. তাকবীরে তাশরীক
    ২. ঈদের সালাতের আগেই ফিতরা আদায়
    ৩. খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ও আগে আগে ঈদগাহে যাওয়া
    ৪. মিসওয়াক করা, গোসল করা ও সুগন্ধি লাগানো
    ৫. বেজোড় সংখ্যক খেজুর বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঈদগাহে যাওয়া
    ৬. যানবাহন ব্যবহার না করে পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া
    ৭. ঈদগাহে যাওয়া ও আসার পথ ভিন্ন করা
    ৮. উন্মুক্ত স্থানে ঈদের সালাত আদায় করা
    ৯. খুতবা শোনা (ওয়াজিব)
    ১০. ঈদের দিন যথা সম্ভব হাসি খুশি থাকা
    ১১. একে অন্যকে ঈদের অভিভাদন জানানো
    আজ ২৯ রমাদান মোতাবেক ১ মে (রবিবার) বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায় নি। পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপিত হবে ৩ মে রোজ মঙ্গলবার। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভা থেকে উক্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। হাদীস ও আসারের আলোকে ঈদের দিনের কিছু সুন্নাহ নিচে তুলে ধরা হলোঃ ১. তাকবীরে তাশরীক ২. ঈদের সালাতের আগেই ফিতরা আদায় ৩. খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ও আগে আগে ঈদগাহে যাওয়া ৪. মিসওয়াক করা, গোসল করা ও সুগন্ধি লাগানো ৫. বেজোড় সংখ্যক খেজুর বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঈদগাহে যাওয়া ৬. যানবাহন ব্যবহার না করে পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া ৭. ঈদগাহে যাওয়া ও আসার পথ ভিন্ন করা ৮. উন্মুক্ত স্থানে ঈদের সালাত আদায় করা ৯. খুতবা শোনা (ওয়াজিব) ১০. ঈদের দিন যথা সম্ভব হাসি খুশি থাকা ১১. একে অন্যকে ঈদের অভিভাদন জানানো
    4
    0 Comments 0 Shares
  • ঈদে দ্রুত বাড়ী পৌঁছতে তাড়াহুড়ো করে বিপদ ডেকে আনবেন না।
    আল্লাহর উপর ভরসা করে ধীরে সুস্থে দুআ দরুদ পড়তে পড়তে বাড়ী যান এবং ফিরে আসুন দেখবেন তিনি সহজ করে দিয়েছেন।
    ঈদে দ্রুত বাড়ী পৌঁছতে তাড়াহুড়ো করে বিপদ ডেকে আনবেন না। আল্লাহর উপর ভরসা করে ধীরে সুস্থে দুআ দরুদ পড়তে পড়তে বাড়ী যান এবং ফিরে আসুন দেখবেন তিনি সহজ করে দিয়েছেন।
    4
    1 Comments 0 Shares
  • 5
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.youtube.com/watch?v=6KmCMjF1QXs
    https://www.youtube.com/watch?v=6KmCMjF1QXs
    WWW.YOUTUBE.COM
    যে বক্তব্যের জন্য ইলিয়াস আলি গুম হয়েছিলেন। Elias Ali
    এই কঠিন বক্তব্যই ইলিয়াস আলি কে ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়ীর ড্রাইভার আনসার আলিসহ গুম হন ইলিয়াস আলি! এরই প্রতিবাদে ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল তাঁর জন...
    2
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.youtube.com/watch?v=6KmCMjF1QXs
    https://www.youtube.com/watch?v=6KmCMjF1QXs
    WWW.YOUTUBE.COM
    যে বক্তব্যের জন্য ইলিয়াস আলি গুম হয়েছিলেন। Elias Ali
    এই কঠিন বক্তব্যই ইলিয়াস আলি কে ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়ীর ড্রাইভার আনসার আলিসহ গুম হন ইলিয়াস আলি! এরই প্রতিবাদে ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল তাঁর জন...
    1
    0 Comments 0 Shares
  • চাহিদা বাড়িয়ে ভিক্ষুকের মতো থাকার চাইতে , চাহিদা কমিয়ে রাজার মতো চলা ভাল।
    চাহিদা বাড়িয়ে ভিক্ষুকের মতো থাকার চাইতে , চাহিদা কমিয়ে রাজার মতো চলা ভাল।
    6
    0 Comments 0 Shares
  • আ ফ গা নি স্তা নে আজ ঈদ!
    সারা দুনিয়ার ব্যতিক্রমি খবর

    আ ফ গা-নিস্তানে শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে। সেখানে আগামীকাল রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে, ইনশাআল্লাহ! চাঁদ দেখার সংবাদ জানাচ্ছেন ইমাারতে ইসলাামিয়্যাহ'র প্রধান কাজী (বিচারপতি) আবদুল হাকীম হ ক্কা-নী দা.বা.

    এবার সৌদির সাথে বাংলাদেশেও সোমবার ঈদ হবার সম্ভাবনা আছে। ইসলামের কী সুন্দর বৈচিত্র্য!
    আ ফ গা নি স্তা নে আজ ঈদ! সারা দুনিয়ার ব্যতিক্রমি খবর আ ফ গা-নিস্তানে শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে। সেখানে আগামীকাল রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে, ইনশাআল্লাহ! চাঁদ দেখার সংবাদ জানাচ্ছেন ইমাারতে ইসলাামিয়্যাহ'র প্রধান কাজী (বিচারপতি) আবদুল হাকীম হ ক্কা-নী দা.বা. এবার সৌদির সাথে বাংলাদেশেও সোমবার ঈদ হবার সম্ভাবনা আছে। ইসলামের কী সুন্দর বৈচিত্র্য!
    5
    0 Comments 0 Shares
  • অটোইমিউন ডিজিজ
    ==================
    অটোইমিউন ডিজিজ বলে কিছু মারাত্মক ডিজিজ আছে। যাদের কোন নিরাময় নেই। শুধুমাত্র ইমিউনিটি সাপ্রেস করে রাখলে এটা কিছুটা দমে থাকে। সেক্ষেত্রে আবার শরীর অন্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে। অটোইমিউন ডিজিজগুলোতে পুরো শরীর ভয়ঙ্করভাবে এফেক্ট করে। এর মূল কারণ হচ্ছে শরীরের ভেতর দুইটি কম্পোনেন্টের নিজেদের নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যায়। শরীরের ইমিউন সিস্টেম নিজের শরীরের কোন কোষকেই বহিরাগত মনে করে তার বিরুদ্ধে নিপুণ যুদ্ধ শুরু করে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ইমিউন সিস্টেম, ক্ষতিগ্রস্থ হয় নিজস্ব সেলগুলো- যেগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে, আর ক্ষতিগ্রস্থ হয় ব্যাটল ফিল্ড বা যুদ্ধের স্থানে অবস্থানরত অন্যান্য নিরীহ কোষ। ফলে বোঝতেই পারছেন শরীরের ভেতর অবিরাম সংঘর্ষ চলতে থাকলে শরীরের অবস্থা কি হতে পারে।
    মুসলিমদের ভেতর এরকম অটোইমিউন ডিজিজ আছে। নিজেদের ভেতর লড়াই। যার কোন চিকিৎসা নেই।
    অটোইমিউন ডিজিজ ================== অটোইমিউন ডিজিজ বলে কিছু মারাত্মক ডিজিজ আছে। যাদের কোন নিরাময় নেই। শুধুমাত্র ইমিউনিটি সাপ্রেস করে রাখলে এটা কিছুটা দমে থাকে। সেক্ষেত্রে আবার শরীর অন্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে। অটোইমিউন ডিজিজগুলোতে পুরো শরীর ভয়ঙ্করভাবে এফেক্ট করে। এর মূল কারণ হচ্ছে শরীরের ভেতর দুইটি কম্পোনেন্টের নিজেদের নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যায়। শরীরের ইমিউন সিস্টেম নিজের শরীরের কোন কোষকেই বহিরাগত মনে করে তার বিরুদ্ধে নিপুণ যুদ্ধ শুরু করে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ইমিউন সিস্টেম, ক্ষতিগ্রস্থ হয় নিজস্ব সেলগুলো- যেগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে, আর ক্ষতিগ্রস্থ হয় ব্যাটল ফিল্ড বা যুদ্ধের স্থানে অবস্থানরত অন্যান্য নিরীহ কোষ। ফলে বোঝতেই পারছেন শরীরের ভেতর অবিরাম সংঘর্ষ চলতে থাকলে শরীরের অবস্থা কি হতে পারে। মুসলিমদের ভেতর এরকম অটোইমিউন ডিজিজ আছে। নিজেদের ভেতর লড়াই। যার কোন চিকিৎসা নেই।
    0 Comments 0 Shares
  • 5
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • ১. একদিন বাজারে না গেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
    ২. শেয়ার মার্কেট কোন ইনভেস্টমেন্টের জায়গা না, জুয়াড়িদের জায়গা।
    ৩. গ্যাসটা এত মূল্যবান সম্পদ যে এটা দিয়ে ভাত-তরকারী রান্না করার কোন মানেই হয় না।
    ৪. চার হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারি বড় কোন ঘটনা না।
    ৫. কর দেয়ার কোন বয়স নাই। ছাত্রদেরও কর দেয়া উচিত।
    ৬. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি পাঁচগুন করা হবে।
    ৭. ঘুষ হলো স্পিড মানি, তাই এটি দেওয়া অবৈধ নয়।
    ৮. ভারতকে ট্রানজিটের বিনিময়ে ফি নয়, একটা কিছু নিবো আরকি।
    এই ধরনের আরও বহু অমৃতবাণী প্রসবকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব গতরাতে আমাদেরকে ছেড়ে চিরতরে তার নিজ গন্তব্যে চলে গেছেন। (আমরা আরও নতুন কিছু অমৃতবাণী শোনা থেকে মাহরুম হয়ে গেলাম)
    #মোরাল_অফ_দ্যা_পোস্ট
    তারজন্য একটাই সেন্টেন্স, দুনিয়ায় থাকতে ২০ কোটি মানুষের যে পরিমান হক সে নষ্ট করেছে, কবরে যেন আল্লাহ তায়ালা তার পুরোপুরি হিসাবটা বুঝে নেন।
    বিঃদ্রঃ কারো মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করাটা ইসলাম কঠিন ভাবে নিষেধ করেছে, তাই সেটা করছি না।
    তবে, এই জালিম কে আল্লাহ তায়ালা তুলে নেয়ায় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি।
    ১. একদিন বাজারে না গেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। ২. শেয়ার মার্কেট কোন ইনভেস্টমেন্টের জায়গা না, জুয়াড়িদের জায়গা। ৩. গ্যাসটা এত মূল্যবান সম্পদ যে এটা দিয়ে ভাত-তরকারী রান্না করার কোন মানেই হয় না। ৪. চার হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারি বড় কোন ঘটনা না। ৫. কর দেয়ার কোন বয়স নাই। ছাত্রদেরও কর দেয়া উচিত। ৬. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি পাঁচগুন করা হবে। ৭. ঘুষ হলো স্পিড মানি, তাই এটি দেওয়া অবৈধ নয়। ৮. ভারতকে ট্রানজিটের বিনিময়ে ফি নয়, একটা কিছু নিবো আরকি। এই ধরনের আরও বহু অমৃতবাণী প্রসবকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব গতরাতে আমাদেরকে ছেড়ে চিরতরে তার নিজ গন্তব্যে চলে গেছেন। (আমরা আরও নতুন কিছু অমৃতবাণী শোনা থেকে মাহরুম হয়ে গেলাম) #মোরাল_অফ_দ্যা_পোস্ট তারজন্য একটাই সেন্টেন্স, দুনিয়ায় থাকতে ২০ কোটি মানুষের যে পরিমান হক সে নষ্ট করেছে, কবরে যেন আল্লাহ তায়ালা তার পুরোপুরি হিসাবটা বুঝে নেন। বিঃদ্রঃ কারো মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করাটা ইসলাম কঠিন ভাবে নিষেধ করেছে, তাই সেটা করছি না। তবে, এই জালিম কে আল্লাহ তায়ালা তুলে নেয়ায় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি।
    4
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • ভালো ব্যক্তিত্ব গঠনের উপায়:

    👉 সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলা বন্ধ করতে হবে।
    👉 নীতিহীন এবং নৈতিকতাহীন কোন কিছুর কাছে নিজেকে আপোস করা যাবে না।
    👉 সত্যের পক্ষে অবস্থান নিন।
    👉 নিজের মধ্যে দ্বিচারিতা এবং স্ববিরোধিতা থাকলে সেসব নিয়ে স্টাডি করুন।
    👉 অন্যায়,অবিচার,দুর্নীতি এবং প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
    👉 আপনি যা না,তা প্রকাশ করতে যাবেন না।
    👉 নিজের কাছে সৎ থাকুন।নিজের সততার সাথে আপোস করা যাবে না।
    👉 অনলাইনে যার-তার সাথে বন্ধুত্ব করা এবং যাকে-তাকে অনুসরণ করা বন্ধ করুন। রুচিশীল মানুষদের সহচর্যে থাকুন।
    👉 নিজেকে বিবেক দ্বারা চালিত করতে হবে, আবেগ দিয়ে নয়।
    👉 সামাজিক জীব হিসেবে আমরা সমাজের কাছে দায়বদ্ধ। সমাজের জন্য দৃষ্টান্তমূলক কিছু স্থাপন করুন।
    ভালো ব্যক্তিত্ব গঠনের উপায়: 👉 সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলা বন্ধ করতে হবে। 👉 নীতিহীন এবং নৈতিকতাহীন কোন কিছুর কাছে নিজেকে আপোস করা যাবে না। 👉 সত্যের পক্ষে অবস্থান নিন। 👉 নিজের মধ্যে দ্বিচারিতা এবং স্ববিরোধিতা থাকলে সেসব নিয়ে স্টাডি করুন। 👉 অন্যায়,অবিচার,দুর্নীতি এবং প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। 👉 আপনি যা না,তা প্রকাশ করতে যাবেন না। 👉 নিজের কাছে সৎ থাকুন।নিজের সততার সাথে আপোস করা যাবে না। 👉 অনলাইনে যার-তার সাথে বন্ধুত্ব করা এবং যাকে-তাকে অনুসরণ করা বন্ধ করুন। রুচিশীল মানুষদের সহচর্যে থাকুন। 👉 নিজেকে বিবেক দ্বারা চালিত করতে হবে, আবেগ দিয়ে নয়। 👉 সামাজিক জীব হিসেবে আমরা সমাজের কাছে দায়বদ্ধ। সমাজের জন্য দৃষ্টান্তমূলক কিছু স্থাপন করুন।
    4
    0 Comments 0 Shares
  • আলহামদুলিল্লাহ,
    আজ খতমে তারাবীহ সম্পন্ন হলো।
    এটি জীবনের ১৩-তম খতমে তারাবীহ।

    আল্লাহ! মৃত্যু পর্যন্ত ইখলাসের সাথে কোরআনের খেদমত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
    আলহামদুলিল্লাহ, আজ খতমে তারাবীহ সম্পন্ন হলো। এটি জীবনের ১৩-তম খতমে তারাবীহ। আল্লাহ! মৃত্যু পর্যন্ত ইখলাসের সাথে কোরআনের খেদমত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
    5
    2 Comments 0 Shares
  • আহারে আলাদিন আর কতই ম্যাজিক দেখব!
    আহারে আলাদিন আর কতই ম্যাজিক দেখব!
    1
    0 Comments 0 Shares
  • আসসালামু আলাইকুম।
    আজ আমি আপনাদের বলব মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্ন কখন সত্যি হবে এবং পাকিস্তানের শত্রুরা পাকিস্তানকে তোরা বোরা বানাতে কী কী করবে।
    সবার আগে স্বপ্নের সারসংক্ষেপ বলছি। এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে যা পাকিস্তানের অবস্থান শক্ত করবে। জাতির জন্য সমস্যা ও অসুবিধা বাড়বে, কিন্তু একই সঙ্গে ঐক্যের আওয়াজ উঠবে। পাকিস্তানের শত্রুদের পরিকল্পনা ও তাদের চেষ্টা ব্যর্থ হবে। এবং পাকিস্তান অর্থনৈতিক ও আর্থিকভাবে একটি শক্তিশালী জাতি হিসেবে উঠে আসবে। আর বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান সম্মান পাবে।
    এই বক্তব্যগুলো কোন কাব্যিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে নয় বরং মুহাম্মদ কাসিমের রহমানী সত্য স্বপ্ন থেকে।
    এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়, মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্ন কখন সত্য হবে?
    মুহাম্মদ কাসিম আমাদের বলেছিলেন যে পাকিস্তান সংগ্রাম চালিয়ে যাবে এবং অর্থনৈতিক সমস্যা আরও বড় হবে, পাকিস্তানের জনগণের অবস্থা আরও খারাপ থেকে খারাপ হবে। যে সময় চলে গেছে, সেটা কিছুই ছিল না, পাকিস্তানের জনগণের আসল পরীক্ষা এখন শুরু হবে। 2022 সাল, পুরো বছরটি দেশের জন্য খুব কষ্টে কাটবে। 2022 সালের এপ্রিল থেকে অনুতপ্ত এবং হতাশাজনক পরিস্থিতি বাড়তে শুরু করবে। আল্লাহই ভালো জানেন।
    আল্লাহকে ভবিষ্যতে এ জাতিকে একটি বড় দায়িত্ব ও মর্যাদায় ভূষিত করতে হবে। তবে তার আগে জাতিকে পরীক্ষা করা হবে। স্বর্ণকে আগুনে গলানো হয় আকার দেওয়ার জন্য, তাই যখন একটি জাতিকে গঠন করতে হয়, তখন তারা বড় হতাশা ও পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। সেই জাতি যদি ধৈর্য ধরে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তবে তাদের সঠিক আকৃতিতে গঠন করা হয়। আমার মতে ২০২৩ সালের নির্বাচন হবে না। ইমরান খান 2022 সালের এপ্রিল থেকে 2022 সালের অক্টোবরের মধ্যে আগাম নির্বাচন করার চেষ্টা করবেন, কিন্তু এই সময় আসার আগেই, পাকিস্তানের অভিজাত এবং শক্তিশালী ব্যক্তিত্বরা পাকিস্তানের শত্রুদের কাছে নতি স্বীকার করবে। বেনজির ভুট্টোর ক্ষেত্রে যেমনটি হয়েছিল, তার মৃত্যু দাঙ্গা ও বিশৃঙ্খলার সাথে সমগ্র দেশকে আঘাত করেছিল। একইভাবে পাকিস্তানের শত্রুরা নওয়াজ শরিফকে হত্যা করার চেষ্টা করবে এবং ইমরান খানকে এবং সম্ভবত সফল হবে, এবং এই ধরনের ঘটনা ঘটলে দেশে নিশ্চিত বিশৃঙ্খলা হবে কেমন তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। মুহম্মদ কাসিম দেখলেন যে পাকিস্তান তোরা বোরা হয়ে গেছে, এই অবস্থা শুরু হবে এবার থেকে। আর পরিস্থিতি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। মানুষ এমন হতাশার মধ্যে থাকবে যে তারা ভাববে এই দেশটি বাঁচবে কিনা। এই সময়ই হবে যখন পাকিস্তানের প্রকৃত নেতা এগিয়ে আসবেন, এই নেতা কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো ধর্মীয় দলের হবেন না। আমার মতে, এই ব্যক্তি হবেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর, এবং একজন অভিজ্ঞ নেতা হবেন, এবং গোয়েন্দা সংস্থার হবেন। আল্লাহ ভাল জানেন. এবং এখান থেকে মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি সত্য হতে শুরু করবে, এবং সময়টি 2022 সালের শেষ কয়েক মাসের দিকে পড়ে। মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি ইতিমধ্যেই সত্য হতে শুরু করেছে, তবে আমি যে সময়টি উল্লেখ করেছি তা হবে যখন তার স্বপ্নগুলি দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এবং সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠবে। এবং মানুষ তার স্বপ্নে প্রচুর পরিমাণে বিশ্বাস করবে। 2023 সালের মধ্যে, মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি প্রতিটি বাড়িতে পরিচিত হবে এবং এই স্বপ্নগুলি সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। মুহাম্মদ কাসিম একজন জনপ্রিয় এবং পরিচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হবেন এবং বাকি বিশ্ব অবাক হবে। আল্লাহ ভাল জানেন।
    আসসালামু আলাইকুম। আজ আমি আপনাদের বলব মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্ন কখন সত্যি হবে এবং পাকিস্তানের শত্রুরা পাকিস্তানকে তোরা বোরা বানাতে কী কী করবে। সবার আগে স্বপ্নের সারসংক্ষেপ বলছি। এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে যা পাকিস্তানের অবস্থান শক্ত করবে। জাতির জন্য সমস্যা ও অসুবিধা বাড়বে, কিন্তু একই সঙ্গে ঐক্যের আওয়াজ উঠবে। পাকিস্তানের শত্রুদের পরিকল্পনা ও তাদের চেষ্টা ব্যর্থ হবে। এবং পাকিস্তান অর্থনৈতিক ও আর্থিকভাবে একটি শক্তিশালী জাতি হিসেবে উঠে আসবে। আর বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান সম্মান পাবে। এই বক্তব্যগুলো কোন কাব্যিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে নয় বরং মুহাম্মদ কাসিমের রহমানী সত্য স্বপ্ন থেকে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়, মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্ন কখন সত্য হবে? মুহাম্মদ কাসিম আমাদের বলেছিলেন যে পাকিস্তান সংগ্রাম চালিয়ে যাবে এবং অর্থনৈতিক সমস্যা আরও বড় হবে, পাকিস্তানের জনগণের অবস্থা আরও খারাপ থেকে খারাপ হবে। যে সময় চলে গেছে, সেটা কিছুই ছিল না, পাকিস্তানের জনগণের আসল পরীক্ষা এখন শুরু হবে। 2022 সাল, পুরো বছরটি দেশের জন্য খুব কষ্টে কাটবে। 2022 সালের এপ্রিল থেকে অনুতপ্ত এবং হতাশাজনক পরিস্থিতি বাড়তে শুরু করবে। আল্লাহই ভালো জানেন। আল্লাহকে ভবিষ্যতে এ জাতিকে একটি বড় দায়িত্ব ও মর্যাদায় ভূষিত করতে হবে। তবে তার আগে জাতিকে পরীক্ষা করা হবে। স্বর্ণকে আগুনে গলানো হয় আকার দেওয়ার জন্য, তাই যখন একটি জাতিকে গঠন করতে হয়, তখন তারা বড় হতাশা ও পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। সেই জাতি যদি ধৈর্য ধরে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তবে তাদের সঠিক আকৃতিতে গঠন করা হয়। আমার মতে ২০২৩ সালের নির্বাচন হবে না। ইমরান খান 2022 সালের এপ্রিল থেকে 2022 সালের অক্টোবরের মধ্যে আগাম নির্বাচন করার চেষ্টা করবেন, কিন্তু এই সময় আসার আগেই, পাকিস্তানের অভিজাত এবং শক্তিশালী ব্যক্তিত্বরা পাকিস্তানের শত্রুদের কাছে নতি স্বীকার করবে। বেনজির ভুট্টোর ক্ষেত্রে যেমনটি হয়েছিল, তার মৃত্যু দাঙ্গা ও বিশৃঙ্খলার সাথে সমগ্র দেশকে আঘাত করেছিল। একইভাবে পাকিস্তানের শত্রুরা নওয়াজ শরিফকে হত্যা করার চেষ্টা করবে এবং ইমরান খানকে এবং সম্ভবত সফল হবে, এবং এই ধরনের ঘটনা ঘটলে দেশে নিশ্চিত বিশৃঙ্খলা হবে কেমন তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। মুহম্মদ কাসিম দেখলেন যে পাকিস্তান তোরা বোরা হয়ে গেছে, এই অবস্থা শুরু হবে এবার থেকে। আর পরিস্থিতি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। মানুষ এমন হতাশার মধ্যে থাকবে যে তারা ভাববে এই দেশটি বাঁচবে কিনা। এই সময়ই হবে যখন পাকিস্তানের প্রকৃত নেতা এগিয়ে আসবেন, এই নেতা কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো ধর্মীয় দলের হবেন না। আমার মতে, এই ব্যক্তি হবেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর, এবং একজন অভিজ্ঞ নেতা হবেন, এবং গোয়েন্দা সংস্থার হবেন। আল্লাহ ভাল জানেন. এবং এখান থেকে মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি সত্য হতে শুরু করবে, এবং সময়টি 2022 সালের শেষ কয়েক মাসের দিকে পড়ে। মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি ইতিমধ্যেই সত্য হতে শুরু করেছে, তবে আমি যে সময়টি উল্লেখ করেছি তা হবে যখন তার স্বপ্নগুলি দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এবং সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠবে। এবং মানুষ তার স্বপ্নে প্রচুর পরিমাণে বিশ্বাস করবে। 2023 সালের মধ্যে, মুহাম্মদ কাসিমের স্বপ্নগুলি প্রতিটি বাড়িতে পরিচিত হবে এবং এই স্বপ্নগুলি সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। মুহাম্মদ কাসিম একজন জনপ্রিয় এবং পরিচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হবেন এবং বাকি বিশ্ব অবাক হবে। আল্লাহ ভাল জানেন।
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • রাসুল সাঃ এর রাষ্ট্র পরিচালনা । আল্লামা দেলোয়ার সাঈদী Sayedee
    রাসুল সাঃ এর রাষ্ট্র পরিচালনা । আল্লামা দেলোয়ার সাঈদী Sayedee
    3
    0 Comments 0 Shares
  • সম্মানিত ভাইয়েরা আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ..ঈদ পরবর্তী বাক্যটি আমাদের দেশে একটি ফানি বাক্য কিন্তু আমি শ্রুতের বিপরীতে চলা এক মানুষ। এই ঈদ পরবর্তী আমি আলাদীনকে নিয়ে ইতিহাসের পথে হাঠতে যাচ্ছি। কারন আলাদীন প্রতিষ্টায় যতগুলো বাধা রয়েছে আমি সব গুলো বাধা ডিঙ্গিয়ে আল্লাহর রহমতে এগিয়ে গেছি। ওসমানিয়া সাম্রাজ্যের জন্য বারকিন বে দের মত নর্দমার কিট রা যেমন কোন বাধা নয় তেমনি এই চ্যাট গ্রুপে কিংবা আমার ঘাড়ে চড়ে দল পাকানোর কাজে ব্যাস্ত তারাও আলাদীনের জন্য কোন বাধা নয়। ক্ষনিকের জন্য তারা আপনাদের মনে হতাশা ঢুকাচ্ছে । কুরুলুস ওসমানে ২য় ট্রেইলারে দেখলাম বারকিনের গুরুকে ওসমান ঘাড থেকে মাথা আলাদা করতেছে। এটি একটি কাতালিয় ব্যাপার যে আমি কুরুলুস ওসমানের উথানের সাথে আমি আলাদীনের উথানটা লক্ষ্য করি। নর্দমার কিট বারকিনের বিরোধিতার একটি মাত্র কারন ওসমান পারবেনা? অনুরূপ আমিও পারবনা বলে যারা দল পাকাচ্ছে তারাও বারকিনের মত আগামী সপ্তাহে নিশ্চিন্ত হয়ে যাবে এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন। একটি সোশাল মিডিয়া উম্মাহর চাহিদা। এই চাহিদা পুরনে মহান আল্লাহ আমাকে সরাসরি মদদ দান করছেন যা আপনারা শ্রীঘ্রই প্রমান পাবেন।
    সম্মানিত ভাইয়েরা আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ..ঈদ পরবর্তী বাক্যটি আমাদের দেশে একটি ফানি বাক্য কিন্তু আমি শ্রুতের বিপরীতে চলা এক মানুষ। এই ঈদ পরবর্তী আমি আলাদীনকে নিয়ে ইতিহাসের পথে হাঠতে যাচ্ছি। কারন আলাদীন প্রতিষ্টায় যতগুলো বাধা রয়েছে আমি সব গুলো বাধা ডিঙ্গিয়ে আল্লাহর রহমতে এগিয়ে গেছি। ওসমানিয়া সাম্রাজ্যের জন্য বারকিন বে দের মত নর্দমার কিট রা যেমন কোন বাধা নয় তেমনি এই চ্যাট গ্রুপে কিংবা আমার ঘাড়ে চড়ে দল পাকানোর কাজে ব্যাস্ত তারাও আলাদীনের জন্য কোন বাধা নয়। ক্ষনিকের জন্য তারা আপনাদের মনে হতাশা ঢুকাচ্ছে । কুরুলুস ওসমানে ২য় ট্রেইলারে দেখলাম বারকিনের গুরুকে ওসমান ঘাড থেকে মাথা আলাদা করতেছে। এটি একটি কাতালিয় ব্যাপার যে আমি কুরুলুস ওসমানের উথানের সাথে আমি আলাদীনের উথানটা লক্ষ্য করি। নর্দমার কিট বারকিনের বিরোধিতার একটি মাত্র কারন ওসমান পারবেনা? অনুরূপ আমিও পারবনা বলে যারা দল পাকাচ্ছে তারাও বারকিনের মত আগামী সপ্তাহে নিশ্চিন্ত হয়ে যাবে এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন। একটি সোশাল মিডিয়া উম্মাহর চাহিদা। এই চাহিদা পুরনে মহান আল্লাহ আমাকে সরাসরি মদদ দান করছেন যা আপনারা শ্রীঘ্রই প্রমান পাবেন।
    8
    0 Comments 0 Shares
  • আপনারা দীর্ঘ ৩ বছর আমার দেখানো স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। তাই অধীন আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আমি আপনাদের রিপ্লে দিতে বাধ্য কেননা আপনারা আমার কথা বিশ্বাস করেছেন। এখন আরেকটি কথা বিশ্বাস করুন সেটি হচ্ছে আলাদীন বিজয়ী হয়েছে কিংবা বর্তমানে লাল আপেল আমার হাতের মুঠোই। কথা হচ্ছে আমি যতটুকু আশাকরেছিলাম তার চেয়েও বহুগুন বেশী পেয়েছি। স্বপ্ন দেখা সহজ কিন্তু এটি বাস্তবায়ন করা কতটা কঠিন সেটা বুঝতে হলে যুদ্ধের ময়দানে নয়, টিভি সেটের সামনে বছরের পর বছর দিরিলিস কুরুলুস দেখতে হবে স্বপ্ন কিভাবে ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়। মহান আল্লাহ আলাদীনকে বিজয় দান করেছেন। এই বিজয় শুধু এই চ্যাট গ্রুপে নয় গোটা মুসলিম বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি এই মে মাস থেকে ইনশাআল্লাহ..
    আপনারা দীর্ঘ ৩ বছর আমার দেখানো স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। তাই অধীন আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আমি আপনাদের রিপ্লে দিতে বাধ্য কেননা আপনারা আমার কথা বিশ্বাস করেছেন। এখন আরেকটি কথা বিশ্বাস করুন সেটি হচ্ছে আলাদীন বিজয়ী হয়েছে কিংবা বর্তমানে লাল আপেল আমার হাতের মুঠোই। কথা হচ্ছে আমি যতটুকু আশাকরেছিলাম তার চেয়েও বহুগুন বেশী পেয়েছি। স্বপ্ন দেখা সহজ কিন্তু এটি বাস্তবায়ন করা কতটা কঠিন সেটা বুঝতে হলে যুদ্ধের ময়দানে নয়, টিভি সেটের সামনে বছরের পর বছর দিরিলিস কুরুলুস দেখতে হবে স্বপ্ন কিভাবে ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়। মহান আল্লাহ আলাদীনকে বিজয় দান করেছেন। এই বিজয় শুধু এই চ্যাট গ্রুপে নয় গোটা মুসলিম বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি এই মে মাস থেকে ইনশাআল্লাহ..
    9
    4 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • প্রচারে প্রসার আর প্রসার মানেই আপনার ব্যাবসা তুঙ্গে সে লক্ষে আমরা তৈরি করছি আপনার ব্যাবসার বিজনেস কার্ড।
    বিজনেস কার্ড তৈরি করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
    মোবাঃ +৮৮০১৫৮১১৯০৩২০
    বিঃ দ্রঃ অনলাইনে লগো ডিজাইন ও ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন করা হয়।
    0 Comments 0 Shares
  • Taliban Soldiers
    Taliban Soldiers
    2
    18 1 Comments 0 Shares
  • 😲 $44 বিলিয়ন ডলারে টুইটারের কর্তৃত্ব নিচ্ছেন ধনকুবের ইলন মাস্ক 🥵
    😲 $44 বিলিয়ন ডলারে টুইটারের কর্তৃত্ব নিচ্ছেন ধনকুবের ইলন মাস্ক 🥵
    3
    0 Comments 0 Shares
  • 0 Comments 0 Shares
  • টেটঢাকার এজেন্সি নিলেই লাখ টাকা ইনকাম!!

    প্রকল্প : ০১ :
    সুদ নিরাময় মডেল প্রকল্প
    প্রোগ্রাম ৫টি হলো -
    01.01. বিশ্বনবীর ভাষণ মুখস্ত করণ প্রতিযোগিতা
    01.02. সুদ নিরাময় দিবস উৎযাপন করা
    01.03. সুদ মুক্ত পরিবারকে সম্মাননা প্রদান টেকসই ভাবে সাপোর্ট করা
    01.04. কর্জে হাসানা সাপোর্ট দিচ্ছি/নিচ্ছি সেবা কর্মসূচী।
    01.05. শরিয়া আইনে কিস্তি সেবা প্রোগ্রাম।

    প্রকল্প : ০২ :
    কর্মসংস্থান তথ্যসেবা প্রকল্প
    প্রোগ্রাম ০২টি হলো -
    02.01. দেশের চাকরি তথ্যসেবা হলো, দেশজুড়ে মিনিস্টার ব্রান্ডের পণ্য বিক্রি করা (নিজের এলাকায় কাজ করার সুযোগ)
    02.02. বিদেশে চাকরির তথ্যসেবা হলো..৬টি দেশের যেমন-সৌদি আরব, রোমানিয়া, ডুবাই, কুয়েত, কাতার, ওমান ও পোল্যান্ড এর প্রায় ৫০টি পদে"আপনাকে অল্প সময়ের মধ্যে, সহজ কিস্তিতে, দালাল ছাড়া বিদেশে যাওয়ার সঠিক তথ্যসেবা বিনামূল্যে দিচ্ছে টিম-টেটঢাকা"

    প্রকল্প : ০৩ :
    উদ্যোক্তা সাপোর্ট প্রকল্প
    প্রোগ্রাম ০৩টি হলো -
    03.01 প্রশিক্ষণ
    03.02. রেজিষ্ট্রেশন
    03.03. দেশি-বিদেশি (৫লাখ-শতকোটি) ফান্ড কালেকশন সাপোর্ট দিচ্ছি/নিচ্ছি সেবা কর্মসূচী।

    প্রকল্প : ০৪ :
    পড়াশোনার তথ্যসেবা প্রকল্প
    প্রোগ্রাম ২টি হলো -
    04.01. স্কলারশীপ সাপোর্ট এবং
    04.02. আইইএলটিস ছাড়া সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়। (প্রায় বিশ্বের সকল উন্নত দেশে)

    প্রকল্প : ০৫ :
    ডিসকাউন্ট সেবা প্রকল্প
    প্রোগ্রাম ০২টি হলো -
    05.01. আইডিসির মাধ্যমে সার্বিক বিষয়ে ডিসকাউন্ট সাপোর্ট
    05.02. অনলাইনে ও অফলাইনে সমানতালে, দেশজুড়ে ডিসকাউন্ট প্রজেক্ট এর মাধ্যমে, "স্মার্ট আয়ের" কৌশল শিখতে সাপোর্ট করা।

    উপরের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টগুলোকে সমন্বয় করে টেটঢাকা থেকে অনলাইনে প্রশিক্ষণ নিয়ে, নিজের এলাকায়, কাজ শুরু করে মাসে *লাখ টাকা* ইনকাম অসম্ভব নয়, ইনশাআল্লাহ।

    আগ্রহী হলে এবং আপনি যদি মনে করেন এই প্রকল্প গুলো আপনার এলাকায় বাস্তবায়ন করতে পারবেন তাহলে আপনার নাম, ইউনিয়ন, থানা ও জেলার নাম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা লিখে পাঠিয়ে দিন নিম্নের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর গুলোতে
    +8801730213608
    +8801730213607

    ইউনিয়ন ভিত্তিক বুকিং করার পদ্ধতি হলো..
    আপনার ইউনিয়ন পূর্বে কেউ বুকিং না করলে, আপনি সহজে কাজ করতে পারবেন।

    বুকিং মানি কত এবং কিভাবে দিবেন?
    যদি আপনি শুধু নিজেই কাজ করেন তাহলে অফেরতযোগ্য *৫হাজার* টাকা
    আর
    অন্য লোক নিয়োগ দিয়ে কাজ করালেই (যার বেতন টেটঢাকা দিবে) অফেরতযোগ্য *পনের হাজার* টাকা জমা দিতে হবে, নিম্নের বিকাশ রকেট নগদ অথবা কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টে, তার পর সাত কর্ম দিবসের মধ্যে, আপনাকে সব কিছু বুঝিয়ে দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।
    .......দেশ-বিদেশের যে কোন জায়গা থেকে এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার সুযোগ আপনারও রয়েছে।
    Office BKash personal number
    01730213608
    Office Rocket number
    01730213607/9
    Office noghod personal number
    01309141873

    ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য নিম্নরূপ:
    Account Name :
    TRINOMOOL AID TRADE - DHAKA
    Account No.
    0721330006892
    Banasree Branch
    Bank Name:
    Social Islami Bank Limited
    Branch Code: 072
    SWIFT Code: SOIVBDDH
    Routing Number: 195260726
    District: Dhaka.

    Office : House#02 Road#14 Block#L South Banasree Dhaka.
    Email : tatdhaka@gmail.com
    Facebook/ YouTube :
    TatDhakaBD

    ★★বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ যারা করাবেন :
    ★ WORLD BANK, UNDP, UNICEF, ILO, USAID, ADB, Bill Gates & Melinda Foundation, AusAID, MuslimAID & BRAC সহ বিশ্বের প্রায় ৩৫টি দেশে Development সেক্টরে ২৬-৩২বছরের কাজ করার ব্যপক পরিপক্ব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ৪ জন সম্মানিত ব্যক্তি রয়েছেন টিম-টেটঢাকায়।

    ★ আপনি চাইলে যে কোন একজনের সঙ্গে অনলাইনে বা সরাসরি অফিসে এসে আপনার প্রয়োজনভিত্তিক বিষয়ে মিটিং করার সুযোগ করে দিচ্ছে-টেটঢাকা।

    ★ যাতে আপনি বিশেষভাবে দেশবিদেশ ব্যবসা, পড়াশোনা, চাকরিসহ আপনার যে কোন বিষয়ের সহজ সমাধানের স্মার্ট কৌশল জানতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।

    "জীবন সহজ নয়, জীবন কে সহজ বানিয়ে নিতে হয়, কখনও দুয়া করে, কখনো ধৈর্য্য ধরে, কখনও মাফ করে, কখনো এড়িয়ে চলে "
    -মাওলানা তারিক জামিল।
    টেটঢাকার এজেন্সি নিলেই লাখ টাকা ইনকাম!! প্রকল্প : ০১ : সুদ নিরাময় মডেল প্রকল্প প্রোগ্রাম ৫টি হলো - 01.01. বিশ্বনবীর ভাষণ মুখস্ত করণ প্রতিযোগিতা 01.02. সুদ নিরাময় দিবস উৎযাপন করা 01.03. সুদ মুক্ত পরিবারকে সম্মাননা প্রদান টেকসই ভাবে সাপোর্ট করা 01.04. কর্জে হাসানা সাপোর্ট দিচ্ছি/নিচ্ছি সেবা কর্মসূচী। 01.05. শরিয়া আইনে কিস্তি সেবা প্রোগ্রাম। প্রকল্প : ০২ : কর্মসংস্থান তথ্যসেবা প্রকল্প প্রোগ্রাম ০২টি হলো - 02.01. দেশের চাকরি তথ্যসেবা হলো, দেশজুড়ে মিনিস্টার ব্রান্ডের পণ্য বিক্রি করা (নিজের এলাকায় কাজ করার সুযোগ) 02.02. বিদেশে চাকরির তথ্যসেবা হলো..৬টি দেশের যেমন-সৌদি আরব, রোমানিয়া, ডুবাই, কুয়েত, কাতার, ওমান ও পোল্যান্ড এর প্রায় ৫০টি পদে"আপনাকে অল্প সময়ের মধ্যে, সহজ কিস্তিতে, দালাল ছাড়া বিদেশে যাওয়ার সঠিক তথ্যসেবা বিনামূল্যে দিচ্ছে টিম-টেটঢাকা" প্রকল্প : ০৩ : উদ্যোক্তা সাপোর্ট প্রকল্প প্রোগ্রাম ০৩টি হলো - 03.01 প্রশিক্ষণ 03.02. রেজিষ্ট্রেশন 03.03. দেশি-বিদেশি (৫লাখ-শতকোটি) ফান্ড কালেকশন সাপোর্ট দিচ্ছি/নিচ্ছি সেবা কর্মসূচী। প্রকল্প : ০৪ : পড়াশোনার তথ্যসেবা প্রকল্প প্রোগ্রাম ২টি হলো - 04.01. স্কলারশীপ সাপোর্ট এবং 04.02. আইইএলটিস ছাড়া সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়। (প্রায় বিশ্বের সকল উন্নত দেশে) প্রকল্প : ০৫ : ডিসকাউন্ট সেবা প্রকল্প প্রোগ্রাম ০২টি হলো - 05.01. আইডিসির মাধ্যমে সার্বিক বিষয়ে ডিসকাউন্ট সাপোর্ট 05.02. অনলাইনে ও অফলাইনে সমানতালে, দেশজুড়ে ডিসকাউন্ট প্রজেক্ট এর মাধ্যমে, "স্মার্ট আয়ের" কৌশল শিখতে সাপোর্ট করা। উপরের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টগুলোকে সমন্বয় করে টেটঢাকা থেকে অনলাইনে প্রশিক্ষণ নিয়ে, নিজের এলাকায়, কাজ শুরু করে মাসে *লাখ টাকা* ইনকাম অসম্ভব নয়, ইনশাআল্লাহ। আগ্রহী হলে এবং আপনি যদি মনে করেন এই প্রকল্প গুলো আপনার এলাকায় বাস্তবায়ন করতে পারবেন তাহলে আপনার নাম, ইউনিয়ন, থানা ও জেলার নাম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা লিখে পাঠিয়ে দিন নিম্নের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর গুলোতে +8801730213608 +8801730213607 ইউনিয়ন ভিত্তিক বুকিং করার পদ্ধতি হলো.. আপনার ইউনিয়ন পূর্বে কেউ বুকিং না করলে, আপনি সহজে কাজ করতে পারবেন। বুকিং মানি কত এবং কিভাবে দিবেন? যদি আপনি শুধু নিজেই কাজ করেন তাহলে অফেরতযোগ্য *৫হাজার* টাকা আর অন্য লোক নিয়োগ দিয়ে কাজ করালেই (যার বেতন টেটঢাকা দিবে) অফেরতযোগ্য *পনের হাজার* টাকা জমা দিতে হবে, নিম্নের বিকাশ রকেট নগদ অথবা কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টে, তার পর সাত কর্ম দিবসের মধ্যে, আপনাকে সব কিছু বুঝিয়ে দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ। .......দেশ-বিদেশের যে কোন জায়গা থেকে এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার সুযোগ আপনারও রয়েছে। Office BKash personal number 01730213608 Office Rocket number 01730213607/9 Office noghod personal number 01309141873 ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য নিম্নরূপ: Account Name : TRINOMOOL AID TRADE - DHAKA Account No. 0721330006892 Banasree Branch Bank Name: Social Islami Bank Limited Branch Code: 072 SWIFT Code: SOIVBDDH Routing Number: 195260726 District: Dhaka. Office : House#02 Road#14 Block#L South Banasree Dhaka. Email : tatdhaka@gmail.com Facebook/ YouTube : TatDhakaBD ★★বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ যারা করাবেন : ★ WORLD BANK, UNDP, UNICEF, ILO, USAID, ADB, Bill Gates & Melinda Foundation, AusAID, MuslimAID & BRAC সহ বিশ্বের প্রায় ৩৫টি দেশে Development সেক্টরে ২৬-৩২বছরের কাজ করার ব্যপক পরিপক্ব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ৪ জন সম্মানিত ব্যক্তি রয়েছেন টিম-টেটঢাকায়। ★ আপনি চাইলে যে কোন একজনের সঙ্গে অনলাইনে বা সরাসরি অফিসে এসে আপনার প্রয়োজনভিত্তিক বিষয়ে মিটিং করার সুযোগ করে দিচ্ছে-টেটঢাকা। ★ যাতে আপনি বিশেষভাবে দেশবিদেশ ব্যবসা, পড়াশোনা, চাকরিসহ আপনার যে কোন বিষয়ের সহজ সমাধানের স্মার্ট কৌশল জানতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ। "জীবন সহজ নয়, জীবন কে সহজ বানিয়ে নিতে হয়, কখনও দুয়া করে, কখনো ধৈর্য্য ধরে, কখনও মাফ করে, কখনো এড়িয়ে চলে " -মাওলানা তারিক জামিল।
    2
    0 Comments 0 Shares
  • বাঙ্গী একটি হালাল খাবার। আর হালাল খাবার নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করা গুনাহ।
    মান্না সালওয়া ছিলো একটি জান্নাতি খাবার যা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করায় বনী ইস্রাইল কঠিন পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলো।
    বনী ইসরাইলীদেরকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহপাক সূরা বাকারাহ'র ৫৭ নম্বর আয়াতে বলেছেন, "(হে বনী ইসরাইল!) আমি তোমাদের ওপর মেঘ দ্বারা ছায়া দান করেছিলাম এবং তোমাদের জন্য মান্না ও সালওয়া প্রেরণ করেছিলাম। আর বলেছিলাম তোমাদের যে জীবিকা দান করলাম সেই পবিত্র বস্তু হতে খাও। তারা (আমার নির্দেশ অমান্য করে) আমার কোন অনিষ্ট করেনি বরং নিজেদেরই অনিষ্ট করেছিল।" (২:৫৭)।

    আপনার পছন্দ হয়না খাবেন না কিন্তু একটি হালাল খাবার নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করে গুনাহের অংশীদার হইয়েন না।
    বাঙ্গী একটি হালাল খাবার। আর হালাল খাবার নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করা গুনাহ। মান্না সালওয়া ছিলো একটি জান্নাতি খাবার যা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করায় বনী ইস্রাইল কঠিন পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলো। বনী ইসরাইলীদেরকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহপাক সূরা বাকারাহ'র ৫৭ নম্বর আয়াতে বলেছেন, "(হে বনী ইসরাইল!) আমি তোমাদের ওপর মেঘ দ্বারা ছায়া দান করেছিলাম এবং তোমাদের জন্য মান্না ও সালওয়া প্রেরণ করেছিলাম। আর বলেছিলাম তোমাদের যে জীবিকা দান করলাম সেই পবিত্র বস্তু হতে খাও। তারা (আমার নির্দেশ অমান্য করে) আমার কোন অনিষ্ট করেনি বরং নিজেদেরই অনিষ্ট করেছিল।" (২:৫৭)। আপনার পছন্দ হয়না খাবেন না কিন্তু একটি হালাল খাবার নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করে গুনাহের অংশীদার হইয়েন না।
    2
    0 Comments 0 Shares
  • https://app.thequchange.com/bitcoins.php
    https://app.thequchange.com/bitcoins.php
    APP.THEQUCHANGE.COM
    Sell bitcoins in Nigeria for instant cash-Quchange
    You can now sell bitcoins in Nigeria for instant cash through Quchange app. Quchange is the easiest to use and safest app to exchange your Gift Cards and Bitcoin with highest exchange rate as well. So download the app now!
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.thequchange.com/vanilla-gift-card
    https://www.thequchange.com/vanilla-gift-card
    WWW.THEQUCHANGE.COM
    Exchange Vanilla Gift Card for Cash - Quchange
    Quchange provides the safest platform to exchange your vanilla gift card for cash. Download the Quchange app, select your card and sell instantly for cash. Visit the website for more details!
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.thequchange.com/steam-gift-card
    https://www.thequchange.com/steam-gift-card
    WWW.THEQUCHANGE.COM
    Steam card trade for instant cash-Quchange
    It’s time to sell your unused steam gift cards for cash. Quchange offers an easy way for steam card trade. Just download the Quchange app from Google Play or the App store and sell your steam card instantly!
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.thequchange.com/sephora-gift-card
    https://www.thequchange.com/sephora-gift-card
    WWW.THEQUCHANGE.COM
    Exchange Sephora gift card for cash instantly -Quchange
    You can now exchange your sephora gift card for cash instantly on our Quchange app. The app is available on both Google Play and the App store. So, download the app now and exchange your sephora gift card for cash!
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.thequchange.com/nordstorm-gift-card
    https://www.thequchange.com/nordstorm-gift-card
    WWW.THEQUCHANGE.COM
    Sell nordstorm gift card for cash instantly - Quchange
    Now sell your nordstorm gift card for cash instantly on the Quchange app. The app is safe, easy to use and is available for download both on Google Play and the App store. Get the highest exchange rates from Quchange. Hurry and Download now!
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.thequchange.com/google-play-gift-card
    https://www.thequchange.com/google-play-gift-card
    WWW.THEQUCHANGE.COM
    Sell Google Play gift card for cash - Quchange
    Sell Google play card for cash instantly on Quchange app. It is the most secure and easy to use app. Available in both Google Play and the App store. It’s widely used across Nigeria and Ghana for easy gift card exchange. Download now!
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.thequchange.com/eBay-gift-card
    https://www.thequchange.com/eBay-gift-card
    WWW.THEQUCHANGE.COM
    Redeem eBay gift card for cash instantly – Quchange
    You dont need to keep your unused eBay gift card for too long. Redeem your eBay gifft card instantly on Quchange app. Get money by selling your ebay gift card at highest exchange rate. Download the app now !
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.thequchange.com/itunes-gift-card
    https://www.thequchange.com/itunes-gift-card
    WWW.THEQUCHANGE.COM
    Sell iTunes Gift Card Instantly | iTunes Card Trading Site and App – Quchange
    Sell your itunes gift card in Nigeria in the safest and easiet way. Download Quchange app and sell itunes gift card instantly and get cash or naira in exchange of it. Hurry and download the app now!
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.thequchange.com/amazon-gift-card
    https://www.thequchange.com/amazon-gift-card
    WWW.THEQUCHANGE.COM
    Convert amazon gift card to cash | sell amazon gift card for cash | Quchange
    Now convert your amazon gift card to cash instantly on our Quchange app. Easy to use app and available in both Google Play and App store. So, download the app now and sell you amazon gift card for cash. Hurry!
    0 Comments 0 Shares
  • Trade gift cards for cash-thequchange

    https://www.thequchange.com/
    Trade gift cards for cash-thequchange https://www.thequchange.com/
    WWW.THEQUCHANGE.COM
    Trade gift cards for cash| Convert Gift card to Naira- Quchange
    Trade your gift cards for cash instantly on Quchange. Quchange app offers quick convert of gift card to Naira and Cedis. Sell any gift card for cash from Quchange. Go download the app now !
    0 Comments 0 Shares
  • কেউ আনন্দিত হয় কারো জীবন নাশ করে, কেউ আনন্দিত হয় অন্যের জীবন রক্ষা করে। কারো নজর পরস্ত্রী-তে। কারো তৃপ্তি নিজের স্ত্রীতে। কারো আনন্দ থারটি ফাস্ট নাইটের অনুষ্ঠানে, কারো আকর্ষণ রাত জেগে কোরআন তেলাওয়াতে। একেক জনের চাহিদা একেক রকম। যে সীমালঙ্ঘন করে সে তো নিজের হাতকেই আগুনে পোড়ায়। উদেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোন নারীকে ইনবক্স করাও অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের পথে অগ্রসর হওয়া। কেউ সীমালঙ্ঘন করবে আর তার কোন প্রতিক্রিয়া হবে না, এটা কখনো হতে পারে না। তার হাত পুড়বেই।
    কেউ আনন্দিত হয় কারো জীবন নাশ করে, কেউ আনন্দিত হয় অন্যের জীবন রক্ষা করে। কারো নজর পরস্ত্রী-তে। কারো তৃপ্তি নিজের স্ত্রীতে। কারো আনন্দ থারটি ফাস্ট নাইটের অনুষ্ঠানে, কারো আকর্ষণ রাত জেগে কোরআন তেলাওয়াতে। একেক জনের চাহিদা একেক রকম। যে সীমালঙ্ঘন করে সে তো নিজের হাতকেই আগুনে পোড়ায়। উদেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোন নারীকে ইনবক্স করাও অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের পথে অগ্রসর হওয়া। কেউ সীমালঙ্ঘন করবে আর তার কোন প্রতিক্রিয়া হবে না, এটা কখনো হতে পারে না। তার হাত পুড়বেই।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • শেষ যুগ বিদ্যায় অনেক কিছুরই কোন মূল্য নেই। কোন রাজা বাদশার মূল্য নেই, কোন ক্ষমতাশালী প্রভাব প্রতিপত্তির কোন দাম নেই। এমনকি কোন প্রাইজ, কোন জ্ঞান বিজ্ঞানের কিছুরই মূল্য নেই। শেষ যুগ বিদ্যায় সব কিছু আপন গতিতে চলবে, যে গতি পূর্ব নির্ধারিত। গতকালের রাজা আজকে কয়েদী। গতকালের ধনকুবের আজকে ফকীর। এইতো শেষ যুগ। তারপরও কি মানুষের ঘুম ভাঙ্গবে না? যারা নিজেদের নিয়ে গর্ব করেন, অহংকার করেন শেষ যুগ তাদের প্রত্যেককে অপদস্থ করে ছাড়বে। আপনাদের মেডিকেল সাইন্স, আপনাদের ইঞ্জিনিয়ারিং, আপনাদের নোবেল প্রাইজ, আপনাদের শান্তিনিকেতনী ব্যাগ, আপনাদের বিশুদ্ধ ইংরেজি কিছুই অপদস্থ হওয়ার হাত থেকে কাউকে বাঁচাতে পারবে না। মানুষ পৃথিবীতে যেসব পাপের প্রচলন করেছে সে পাপের ভার পৃথিবীতে কিয়ামত নিয়ে আসবে। আর তা কোন সুদূরের বিষয় নয়। ভদ্রলোক (তথা কথিত জেন্টল সোসাইটি) দের উপরই তা পতিত হবে।
    শেষ যুগ বিদ্যায় অনেক কিছুরই কোন মূল্য নেই। কোন রাজা বাদশার মূল্য নেই, কোন ক্ষমতাশালী প্রভাব প্রতিপত্তির কোন দাম নেই। এমনকি কোন প্রাইজ, কোন জ্ঞান বিজ্ঞানের কিছুরই মূল্য নেই। শেষ যুগ বিদ্যায় সব কিছু আপন গতিতে চলবে, যে গতি পূর্ব নির্ধারিত। গতকালের রাজা আজকে কয়েদী। গতকালের ধনকুবের আজকে ফকীর। এইতো শেষ যুগ। তারপরও কি মানুষের ঘুম ভাঙ্গবে না? যারা নিজেদের নিয়ে গর্ব করেন, অহংকার করেন শেষ যুগ তাদের প্রত্যেককে অপদস্থ করে ছাড়বে। আপনাদের মেডিকেল সাইন্স, আপনাদের ইঞ্জিনিয়ারিং, আপনাদের নোবেল প্রাইজ, আপনাদের শান্তিনিকেতনী ব্যাগ, আপনাদের বিশুদ্ধ ইংরেজি কিছুই অপদস্থ হওয়ার হাত থেকে কাউকে বাঁচাতে পারবে না। মানুষ পৃথিবীতে যেসব পাপের প্রচলন করেছে সে পাপের ভার পৃথিবীতে কিয়ামত নিয়ে আসবে। আর তা কোন সুদূরের বিষয় নয়। ভদ্রলোক (তথা কথিত জেন্টল সোসাইটি) দের উপরই তা পতিত হবে।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • বর্তমানে এক ট্রেন্ড চালু হয়েছে, মানুষ স্পষ্ট হারাম কাজে জড়িয়ে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া জ্ঞাপন করে এবং সাহায্য কামনা করে।
    -------------------------------------------------------------------------
    যেমনঃ-
    ১. আলহামদুলিল্লাহ আমার মেয়ে বাংলাদেশী আইডলে চান্স পেয়েছে। "ইনশাআল্লাহ এবার ব্যাংকের জব হয়ে যাবে।"
    ২. ভাই দুয়া করবেন ব্যাংক থেকে এবার লোনটা যেনো হয়ে যায়।
    ৩. মাশাআল্লাহ আন্টি আপনার মেয়ে তো দারুণ নাচতে জানে।
    ৪. হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ "স্কুলের ডান্স প্রতিযোগীতায় সে প্রথম হয়েছে"।
    ৫. এক ছেলে অন্য ছেলে কলিগের স্ত্রীকে ইঙ্গিত করে বলছে; ভাবী আর বইলেন না, আপনি যে সুন্দর মাশাআল্লাহ।
    ৬. ইনশাআল্লাহ এইবার যদি আর্জেন্টিনা ওয়াল্ড কাপ জিতে, আমি নামাজ পড়া শুরু করব।
    ৭. মাশাআল্লাহ আপনার ছেলের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান দারুণ হয়েছিলো- যা ডান্স করেছি জোয়ান বুড়ো সবাই। হ্যাঁ দোয়া করবেন যেনো দ্বিতীয় ছেলের বিয়েটাও এমন করে পালন করতে পারি।
    ৮. ছেলে-মেয়ে মিক্স ফ্রেন্ড সার্কেলকে উদ্দেশ্য করে; আলহামদুলিল্লাহ আমার ফ্রেন্ডসরা খুব হেল্প ফুল।
    ৯. মাশাআল্লাহ তোমাকে তো এমনিতেই সুন্দর দেখায়, দাড়ি রাখবে কেনো?
    ১০. মাশাআল্লাহ আমার মেয়েটা এত সুন্দরী যে, সব মানুষ ওর দিকে তাকিয়ে থাকে।
    ১১. আমাদের রিলেশনের ৬ বছর কেটে গেলো আলহামদুলিল্লাহ। দোয়া করবেন আমার বফ/গফ যেনো এভাবেই সবসময় পাশে থাকে।
    ১২. এক আঙ্কেল আমাকে বললেন, "শুনেছ অমুক ভাইয়ের ছেলের তো আল্লাহর রহমতে খ্রিস্টান মিশনারিতে চাকুরি হয়ে গেলো, গাড়ি এসে তাকে নিয়ে যায়!
    দাজ্জালের এক পাশে থাকবে জান্নাত, আরেক পাশে জাহান্নাম। আমরা দাজ্জালের জান্নাতকেই আল্লাহর নেয়ামত মনে করছি। এখনই আমাদের এই অবস্থা, না জানি তার আগমন হলে কি হবে আমাদের😭
    নাউযুবিল্লাহ!! এরা কত বড় মুর্খ-জাহেল?
    হে আল্লাহ; আপনি আমাদের সকলকে এসমস্ত অসভ্য জাতী (ইয়াজুজ মাজুজ ও তাদের দোসর) দের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন(আমিন)🤲
    সংগৃহীত
    বর্তমানে এক ট্রেন্ড চালু হয়েছে, মানুষ স্পষ্ট হারাম কাজে জড়িয়ে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া জ্ঞাপন করে এবং সাহায্য কামনা করে। ------------------------------------------------------------------------- যেমনঃ- ১. আলহামদুলিল্লাহ আমার মেয়ে বাংলাদেশী আইডলে চান্স পেয়েছে। "ইনশাআল্লাহ এবার ব্যাংকের জব হয়ে যাবে।" ২. ভাই দুয়া করবেন ব্যাংক থেকে এবার লোনটা যেনো হয়ে যায়। ৩. মাশাআল্লাহ আন্টি আপনার মেয়ে তো দারুণ নাচতে জানে। ৪. হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ "স্কুলের ডান্স প্রতিযোগীতায় সে প্রথম হয়েছে"। ৫. এক ছেলে অন্য ছেলে কলিগের স্ত্রীকে ইঙ্গিত করে বলছে; ভাবী আর বইলেন না, আপনি যে সুন্দর মাশাআল্লাহ। ৬. ইনশাআল্লাহ এইবার যদি আর্জেন্টিনা ওয়াল্ড কাপ জিতে, আমি নামাজ পড়া শুরু করব। ৭. মাশাআল্লাহ আপনার ছেলের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান দারুণ হয়েছিলো- যা ডান্স করেছি জোয়ান বুড়ো সবাই। হ্যাঁ দোয়া করবেন যেনো দ্বিতীয় ছেলের বিয়েটাও এমন করে পালন করতে পারি। ৮. ছেলে-মেয়ে মিক্স ফ্রেন্ড সার্কেলকে উদ্দেশ্য করে; আলহামদুলিল্লাহ আমার ফ্রেন্ডসরা খুব হেল্প ফুল। ৯. মাশাআল্লাহ তোমাকে তো এমনিতেই সুন্দর দেখায়, দাড়ি রাখবে কেনো? ১০. মাশাআল্লাহ আমার মেয়েটা এত সুন্দরী যে, সব মানুষ ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। ১১. আমাদের রিলেশনের ৬ বছর কেটে গেলো আলহামদুলিল্লাহ। দোয়া করবেন আমার বফ/গফ যেনো এভাবেই সবসময় পাশে থাকে। ১২. এক আঙ্কেল আমাকে বললেন, "শুনেছ অমুক ভাইয়ের ছেলের তো আল্লাহর রহমতে খ্রিস্টান মিশনারিতে চাকুরি হয়ে গেলো, গাড়ি এসে তাকে নিয়ে যায়! দাজ্জালের এক পাশে থাকবে জান্নাত, আরেক পাশে জাহান্নাম। আমরা দাজ্জালের জান্নাতকেই আল্লাহর নেয়ামত মনে করছি। এখনই আমাদের এই অবস্থা, না জানি তার আগমন হলে কি হবে আমাদের😭 নাউযুবিল্লাহ!! এরা কত বড় মুর্খ-জাহেল? হে আল্লাহ; আপনি আমাদের সকলকে এসমস্ত অসভ্য জাতী (ইয়াজুজ মাজুজ ও তাদের দোসর) দের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন(আমিন)🤲 সংগৃহীত
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • দ্বিতীয় বিয়ে দাজ্জাল পছন্দ করে না। সহ্য করে না। ব্যতিক্রম ও অপারগতা ছাড়া বেশীর ভাগ মেয়েই স্বামীকে ভাগ করতে পছন্দ করে না। তারা কোরআনের এই বিধান পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারে না। তার মানে স্রষ্টার বিধানের প্রতি তারা পুরোপুরি আত্মসমর্পন করে না। নাটকে মিডিয়ায় পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ে নেগেটিভ এবং খুবই খারাপভাবে দেখানো হয়। আর পুরুষদের মধ্যে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য যে চারিত্রিক গুণাবলী কাঙ্খিত, তা’ বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই বিদ্যমান থাকেনা। এ এক কঠিন সমস্যা। সত্যি কথা বলতে কি – দাজ্জাল “বিয়ে” জিনিষটাই পছন্দ করে না। সে নারী পুরুষের আলাদা সত্ত্বা মানে না। তাই সে নারী-নারী, পুরুষ-পুরুষ বিয়ে, incest, পশুকাম ইত্যাদি চালু করেছে।
    দ্বিতীয় বিয়ে দাজ্জাল পছন্দ করে না। সহ্য করে না। ব্যতিক্রম ও অপারগতা ছাড়া বেশীর ভাগ মেয়েই স্বামীকে ভাগ করতে পছন্দ করে না। তারা কোরআনের এই বিধান পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারে না। তার মানে স্রষ্টার বিধানের প্রতি তারা পুরোপুরি আত্মসমর্পন করে না। নাটকে মিডিয়ায় পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ে নেগেটিভ এবং খুবই খারাপভাবে দেখানো হয়। আর পুরুষদের মধ্যে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য যে চারিত্রিক গুণাবলী কাঙ্খিত, তা’ বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই বিদ্যমান থাকেনা। এ এক কঠিন সমস্যা। সত্যি কথা বলতে কি – দাজ্জাল “বিয়ে” জিনিষটাই পছন্দ করে না। সে নারী পুরুষের আলাদা সত্ত্বা মানে না। তাই সে নারী-নারী, পুরুষ-পুরুষ বিয়ে, incest, পশুকাম ইত্যাদি চালু করেছে।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • মাশাআল্লাহ চেচেন সেনাবাহিনী ইউক্রেনে এক একটা মূর্তিকে এভাবে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিচ্ছে।
    মাশাআল্লাহ চেচেন সেনাবাহিনী ইউক্রেনে এক একটা মূর্তিকে এভাবে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিচ্ছে।
    3
    16 0 Comments 0 Shares
  • আজ মুসলিম উম্মাহর মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ এদের জন্য কী করা উচিত?
    উত্তর:মুনাফিকের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে নিফাক।নিফাক অর্থ ভণ্ডামি,কপটতা,দ্বিমুখীভাব,ধোকাবাজি,প্রতারণা।ফাসেকের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে মিথ্যাবাদী।মুসলিম হয়েও যে মিথ্যা কথা বলে সে ফাসেক।মুরতাদ হচ্ছে মুসলিম হয়েও যে কাফের,মুশরিক,ইহুদী এদের সাথে হাত মিলিয়ে ইসলামবিরোধী কাজ করে সে মুরতাদ।এককথায় মুসলিম হয়েও যে ইসলামবিরোধী কাজ করে সে মুরতাদ।মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ ইসলামের অভ্যন্তরীণ শত্রু।এরা মুসলিমের ন্যায় আচরণ করে।কিন্তু আসলে ইসলামবিরোধী।আর মুনাফিক সবচেয়ে বড় গোপন শত্রু।এদের চিনা বড়ই কঠিন।তবে রাসুল(সাঃ) মুনাফিকদের তিনটি চিহ্ন বলেছেন:
    ১।যখন কথা বলে তখন মিথ্যা বলে
    ২।যখন ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে
    ৩।আর যখন কোন কিছু তার নিকট আমানত রাখা হয় তা খিয়ানত করে।
    বুঝতেই পারছেন এরা কাফের,ইহুদী,মুশরিক এদের চেয়েও ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু।তাদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে।তারা সবচেয়ে বড় জাহান্নামী।ইতিহাস অনুসারে কাফের,ইহুদী,মুশরিক যত না ক্ষতি করেছে তার বেশি ক্ষতি করেছে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ।আমার দৃষ্টিতে এদের বেচে থাকার বিন্দুমাত্র অধিকার নেই।এদের যেভাবেই হোক শীঘ্রই হত্যা করা উচিত যেই হোক।এদের হত্যা করা সবচেয়ে বড় জিহাদ। সেজন্য এবার চলুন ইসলামের ইতিহাসে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ।ইসলামের কতটা নিকৃষ্ট ক্ষতি করেছে যার জন্য মুসলিম উম্মাহর আজ এই অবস্থা:
    মহানবি(সাঃ) এর সময় থেকেই মুনাফিক ছিল।কিন্তু,রাসুল(সাঃ) থাকার কারণে তখন তেমন কোন ক্ষতি হয়নি।খোলাফায়ে রাশেদিনের শাসন শেষ হওয়ার পর থেকে মুনাফিক,মুরতাদ,ফাসেক এদের আবির্ভাব হয়।উমাইয়া খলিফা হযরত মুয়াবিয়া(রাঃ) এর পুত্র ইয়াজিদ ছিল সর্বনিকৃষ্ট মুরতাদ।তার কাছে রাসুল(সা) মরহুম নাতি হযরত ইমাম হাসান ও হুসাইন(রাঃ) তার কাছে বাইয়াত না নেওয়ায় সে বড় সেনাবাহীনি পাঠায়।হযরত হুসাইন তার মাত্র ৭২ জন সৈন্য নিয়ে হাজার সৈন্যের মুরতাদ বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনদিন লড়াই করে তৃতীয় দিন হাসান (রাঃ) যখন নামাজ পড়ছিলেন তখন মুরতাদ বাহিনী অনেক তির নিক্ষেপ করে তার শরীরে কিন্তু, তবুও নামাজ শেষ করে শাহাদত বরণ করেন।আরেক নিকৃষ্ট মুনাফিক হচ্ছে ধর্মান্তরিত আশআছ।সে যখন নিজ গোত্রের প্রধান ছিল তখন সে ইসলাম গ্রহণ করেনি।মুজাহিদরা তাকে পরাজিত বন্দি করে নিয়ে আসা পর সে রাসুল(সাঃ) এর কাছে ইসলামধর্ম গ্রহণ করে আবু বকর(রাঃ) এর বোন উম্মে ফারিয়াকে বিয়ে করে নিজ গোত্রে ফিরে যায়।কিন্তু,রাসুল(সাঃ) এর মৃত্যুর পর সে স্বধর্ম ত্যাগ করে।মুজাহিদগণ তাকে পরাজিত করে নিয়ে আসার পর সে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করে।তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।কিন্তু,তার বিশ্বাসঘাতকতা স্বভাব যায়নি।নানানভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করে থাকে।সেজন্য আবু বকর(রাঃ) বলেন,আমি তাকে না হত্যা করে অনেক বড় ভুল করেছি।তারই মেয়ে ছিল হযরত ইমাম হাসান(রাঃ) এর স্ত্রী।তার স্ত্রী হযরত ইমাম হাসান(রাঃ) কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করেছিল ১০০০০ মোহরের লোভে।এরপর সবচেয়ে নিকৃষ্ট মুনাফিক খলিফা সুলায়মান ইবনে আব্দুল মালিক।সে বিশ্বখ্যাত দ্বিগবিজয়ী চার মুসলিম সেনাপতিকে হত্যা করেছিল নিজের প্রতিহিংসার কারণে:
    ১।স্পেন বিজয়ী তারেক বিন জিয়াদ যিনি মাত্র ১২ হাজার সৈন্য নিয়ে স্পেনের ২ লা সৈন্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্পেন বিজয় করেছিলেন
    ২।প্রথম ভারত অভিযানকারী মাত্র ১৫-১৭ বছরের মুসলিম সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম যিনি মাত্র হাজার সেনা নিয়ে সিন্ধুর রাজা দাহিরের লক্ষাধিক সৈন্য ও শত হাতির বিরুদ্ধে লড়াই করে সিন্ধু বিজয় করেছিলেন।আজও বিশ্বের অপরাজেয় সর্বকনিষ্ঠ মুসলিম সেনাপতি।
    ৩।সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশ বিজয়ী মুসা বিন নুসাইর
    ৪।উইঘুর তথা পূর্ব চীন বিজয়ী কুতায়বা বিন মুসলিম যিনি মাত্র হাজার সেনা নিয়ে উইঘুর সম্রাটের লক্ষাধিক সেনার বিরুদ্ধে লড়াই করে উইঘুর তথা পূর্ব চীন বিজয় করেন।
    শুধু উমাইয়া খলিফা হযরত উমর ইবনে আব্দুল আজিজ(র.) বাদে বাকি সব উমাইয়া খলিফা মুনাফিক। সুলতান মাহমুদ যিনি সতেরবার ভারত আক্রমণ করে বিজয় অর্জন করতেন।তার লক্ষ্য ছিল সমগ্র ভারত উপমহাদেশ বিজয় করে ইসাম প্রতিষ্ঠা করবেন।তিনি তৎকালীন সময়ের অপরাজেয় মুসলিম সুলতান ও সেনাপতি ছিলেন।কিন্তু,তার রাজ্য মুনাফিক রাজ্য দ্বারা বেষ্টিত ছিল।তিনি যখন ভারত আক্রমণ করে বড় বড় বিজয় অর্জন করতেন ঠিক তখনই মুনাফিক রাজ্যগুলো তার রাজ্যে আক্রমণ করত।যার কারণে তিনি ভারত বিজয় করে ভারতে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পারতেন না।তার মৃত্যুর পর তার ছেলে যখন ভারত অভিযানে যায় তখন মুনাফিক রাজ্য তার রাজ্য সম্পূর্ণ দখল করে নেয়।আরেক নিকৃষ্ট মুনাফিক আব্বাসী খলিফা আল মু'তাসিম।তার সময়ে সবচেয়ে বড় মুসলিম সাম্রাজ্য ছিল দি গ্রেট খোয়ারিজম সাম্রাজ্য।একই সময় ছিল আরেক পরাশক্তি মঙ্গোল সাম্রাজ্য যার সম্রাট ছিল ইতিহাসকুখ্যাত চেঙ্গিস খান।চেঙ্গিস খান চীন সাম্রাজ্য জয় করার পর খোয়ারিজম সাম্রাজ্য দেখতে পায়।সে মুসলিমদের ইতিহাস ও জিহাদের কাহিনী জানত বলে সে মুসলিম উম্মাহকে আক্রমণ করার সাহস পায় নি।কিন্তু,নিকৃষ্ট মুনাফিক খলিফা চেঙ্গিস খানকে দূত পাঠিয়ে খোয়ারিজম সাম্রাজ্য আক্রমণ করার আমন্ত্রন জনায়।আর মুসলিম উম্মাহর অবস্থা তখন অনেকটা জাহেলিয়াতের মতো ছিল ও জিহাদের স্পৃহা ছিলনা।আমন্ত্রন পেয়ে চেঙ্গিস খান খোয়ারিজম সাম্রাজ্য আক্রমণ করে।কারণ তার স্বপ্ন ছিল বিশ্ব জয়ের।কিন্তু,খোয়ারিজম সাম্রাজ্যের সুলতান জালালুদ্দীন ছিলেন ধর্মপরায়ণ ও জিহাদী ব্যক্তি।আচমকা চেঙ্গিস খান আক্রমণ করে খোয়ারিজম সাম্রাজ্যের তিন ভাগের ২ ভাগ দখল করে।বাকি ১ ভাগ নিয়ে সুলতান জালালুদ্দীন মোঙ্গলদের পরপর তিনবার পরাজিত করার পর মুসলিম উম্মাহকে ডাক দেন মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে।কিন্তু,কেউ তার ডাকে সাড়া দেয়নি।শেষ লড়াইয়ে তাকে কতিপয় মুনাফিক হাশাশিন তাকে গুপ্তহত্যা করে।ফলে খোয়ারিজম সাম্রাজ্যের পতন হওয়ার পর মিশর ও ভারত ছাড় পুরো মুসলিম উম্মাহ রক্তের বন্যায় ভেসে যায়।আরেক নিকৃষ্ট ইতিহাসকুখ্যাত হাসান ইবনে সাব্বাহ।সে এক প্রকার ইসলামবিরোধী বাতিল আকিদা তৈরি করে গুপ্তঘাতকগোষ্ঠী তৈরি করে যার নাম হাশাশিন।তাদের বাতেনীও বলা হয়।এই গুপ্তঘাতকগোষ্ঠী তৎকালীন মুসলিম উম্মাহর অপূরণীয় ক্ষতি করে।তারা মুসলিম উম্মাহর সব বিখ্যাত মুসলিম সেনাপতি,আলেম-উলামা,শায়েখদের গুপ্তহত্যা করত।সুলতান জালালুদ্দীনকে তারাই হত্যা করেছিল।কিন্তু,প্রথমে মঙ্গোল সেনাপতি হালাকু খান তারাপর মামলুক সুলতান রুকনুদ্দীন বাইবার্স তাদের নির্মূল করে।আজ আ্যসাসিন শব্দ তাদের থেকেই এসেছে।এরপর সবচেয়ে নিকৃষ্ট মুনাফিক সম্রাট আকবর।তার ইতিহাস ইংরেজরা লিখে তাকে মহান শাসকের অন্যতম করেছে।যাতে তাকে ভারত উপমহাদেশের মুসলিমরা অনুসরণ করে।কিন্তু,ইসলামের ইতিহাসে সে অনেক বড় মুনাফিক ও মুরতাদ।সে ইসলামবিরোধী এক ধর্ম প্রচার করে নিজেকে সেই ধর্মের নবী বলেছিলো সেই ধর্মের নাম দ্বীন-ইলাহি।যেটার নিয়মে সব ধর্মই সমান ও পালনযোগ্য।তারপর সে হিন্দু নারীদের বিয়ে করেছিল।অনেক উপপত্নি ছিল তার।যেসব ধর্মপ্রাণ মুসলিম,শায়েখ,আলেম-উলামা তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল তাদের সে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছিল।হুবহু শেখ হাসিনা।আজও তাকে মুসলিমগণ তাকে মনে করতেই ঘৃণা করে।তারপর আরেক ইতিহাসকুখ্যাত নিকৃষ্ট মুনাফিক মীর জাফর।মনে হয় সবাই তাকে চিনেন।বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মীর জাফর।নবাব সিরাজউদ্দৌলা তাকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে প্রমাণ পেলেও তাকে ক্ষমা কর দেয়।তাকে ক্ষমা করা সবচেয়ে বড় ভুল ছিল।তাকে ক্ষমা করার কারণে ভারত ২০০ বছর ব্রিটিশদের গোলামী করেছিল।এরপর আরেক ইতিহাসকুখ্যাত নিকৃষ্ট মুনাফিক ছিল তুর্কি প্রধানমন্ত্রী কামাল আর্তাতুক।সে ছিল কুখ্যাত ও অভিশপ্ত ইহুদী সংঘ ফ্রিম্যাসনের সদস্য ছিল।সে ছিল সেক্যুলারিজমের প্রবর্তক।উসমানী সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ নিজ ভূমি রক্ষার্থে যখন ইহুদী ও খ্রিষ্টানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন তখন এই মুনাফিক উসমনী প্রশাসনের এক মন্ত্রী ছিল।সে ইহুদী নেতা থিওডর হার্জেলের সাথে হাত মিলিয়ে সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদকে সিংহাসনচ্যুত করে কুফরি গণতন্ত্রের শাসনের নিয়ম করে এবং নিম্নোক্ত নিয়মগুলো তুরস্কে প্রচলন করে:
    [০১]১৯২৪ ঈসায়ীতে উসমানি খেলাফত বিলুপ্ত করে।
    [০২]১৯২৬ ঈসায়ীতে ইসলামি শরিয়াকে পূর্ণাঙ্গরুপে অকার্যকর ঘোষণা করে।
    [০৩]মিরাছের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষকে সমঅধিকার প্রদান করে।
    [০৪]হজ ও উমরা পালনে তুর্কি মুসলিমদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
    [০৫]শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে আরবি ভাষা নিষিদ্ধ করে।
    [০৬]মসজিদে আজান বন্ধ করে দেয়।
    [০৭]খেলাফতভূমি তুরস্কে হিজাব নিষিদ্ধ করে।
    [০৮]নিজের নাম থেকে "মুস্তফা" অংশ কেটে দেয়।
    [০৯]ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
    [১০]শুক্রবারের পরিবর্তে শনিবারকে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ঘোষণা করে।
    [১১]আরবি বর্ণমালা নিষিদ্ধ করে।
    [১২]পদ গ্রহণকালে আল্লাহর নামে শপথ করার পরিবর্তে মর্যাদার শপথ করতে হবে—মর্মে আইন প্রবর্তন করে।
    [১৩]তার নীতি প্রত্যাখ্যানকারী শত শত আলেম ও ফকিহদের ফাঁসি কার্যকর করে।
    [১৪]মৃত্যুর পূর্বে তার অসিয়ত ছিল, যেন মুসলমানদের মত তার মৃত দেহে জানাযার নামাজ না পড়া হয়।
    [১৫]১৯২৩ ঈসায়ীতে তুর্কি পার্লামেন্টের সামনে বুক ফুলিয়ে বলে, আমরা এখন বিংশ শতাব্দীতে শিল্পযুগে বসবাস করি। সুতরাং এমন কিতাবের অধীনে আমরা নিজেদের জীবন পরিচালিত করতে পারি না, যে কিতাব তিন এবং জাইতুন ফল নিয়ে কথা বলে। [এর দ্বারা কোরআনের দিকে ঈঙ্গিত করে]এই নরপশুকে আল্লাহ তাআলা লাল পিপড়ের রোগ দ্বারা ধ্বংস করেন। লাল পিপড়ে তার দেহ খেয়ে ফেলে।এরপর প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মুসলিম উম্মাহ ধ্বংস হয় এবং প্রতিটি মুসলিম রাষ্ট্রে কুফরি গণতন্ত্র চালু হয় এবং আবার জাহেলিয়াতে ফিরে যায়।মুজাহিদ শায়েখ উসামা বিন লাদেনকে মেরেছিলো আমেরিকান সেনারা তবে তার খবর আমেরিকাকে দিয়েছিলো মুনাফিকরা।শেষমেষ তার দুঃখজনক পতন হলো মুনাফিকদের হাতে।তো এতক্ষণ মুনাফিক,মুরতাদ,ফাসেক নিয়ে আলোচনা করলাম তো কী বুঝলেন?এদের বেচে থাকার কী দরকার আছে?দেখুন,কতিপয় মুনাফিকের জন্য ইতিহাস কেমন করে বদলে গেল।মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ আমাদের মুসলিম উম্মাহর কত বড় অপূণীয় ক্ষতি করলো।শুধু আমাদের দূর্বলতার কারণে আমরা আজ এইরকম খাাপ অবস্থায়।এখন শুধু আফগানিস্তান বাদে বাকি প্রত্যেক মুসলিম রাষ্ট্র মুনাফিক,মুরতাদ,ফাসেক।আর এদের পুতুলের মতো পরিচালনা করে ক্রুসেডার,ইহুদী,মুশরিক রাষ্ট্রগুলো।সময় পেলেই ক্রুসেডার,ইহুদী,মুশরিক রাষ্ট্রগুলো মুসলিম উম্মাহকে ঝড়ের মতো এসে নির্মুল করবে।এখন জিহাদ করতে হলে জিহাদ করতে হবে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ এদের বিরুদ্ধে।এরা মুসলিম উম্মাহকে বেচে দিয়েছে দুনিয়া জন্য।অবশ্য শেষ জামানার গাজওয়াতুল হিন্দ ও ইমাম মাহদির যুদ্ধে মুসলিম উম্মাহর বিপক্ষে প্রকাশ্যেই থাকবে।এইটা অনেক বড় সুসংবাদ।তবে এখন মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদদের চিহ্নিত করুন এবং তাদের বিরুদ্ধে কাজ করুন।তারাই মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় দুশমন।এখন থেকে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ VS মুসলিম।আমরা তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করে তাদের নিঃশেষ করলেই আমাদের অর্ধেক উদ্দ্যেশ্য পূরণ হবে।তারপর ক্রুসেডার,ইহুদী,মুশরিক রাষ্ট্রগুলোর ধ্বংস হবে।আগে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ এদের মৃত্যু চাই।এরপর জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ
    আজ মুসলিম উম্মাহর মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ এদের জন্য কী করা উচিত? উত্তর:মুনাফিকের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে নিফাক।নিফাক অর্থ ভণ্ডামি,কপটতা,দ্বিমুখীভাব,ধোকাবাজি,প্রতারণা।ফাসেকের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে মিথ্যাবাদী।মুসলিম হয়েও যে মিথ্যা কথা বলে সে ফাসেক।মুরতাদ হচ্ছে মুসলিম হয়েও যে কাফের,মুশরিক,ইহুদী এদের সাথে হাত মিলিয়ে ইসলামবিরোধী কাজ করে সে মুরতাদ।এককথায় মুসলিম হয়েও যে ইসলামবিরোধী কাজ করে সে মুরতাদ।মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ ইসলামের অভ্যন্তরীণ শত্রু।এরা মুসলিমের ন্যায় আচরণ করে।কিন্তু আসলে ইসলামবিরোধী।আর মুনাফিক সবচেয়ে বড় গোপন শত্রু।এদের চিনা বড়ই কঠিন।তবে রাসুল(সাঃ) মুনাফিকদের তিনটি চিহ্ন বলেছেন: ১।যখন কথা বলে তখন মিথ্যা বলে ২।যখন ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে ৩।আর যখন কোন কিছু তার নিকট আমানত রাখা হয় তা খিয়ানত করে। বুঝতেই পারছেন এরা কাফের,ইহুদী,মুশরিক এদের চেয়েও ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু।তাদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে।তারা সবচেয়ে বড় জাহান্নামী।ইতিহাস অনুসারে কাফের,ইহুদী,মুশরিক যত না ক্ষতি করেছে তার বেশি ক্ষতি করেছে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ।আমার দৃষ্টিতে এদের বেচে থাকার বিন্দুমাত্র অধিকার নেই।এদের যেভাবেই হোক শীঘ্রই হত্যা করা উচিত যেই হোক।এদের হত্যা করা সবচেয়ে বড় জিহাদ। সেজন্য এবার চলুন ইসলামের ইতিহাসে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ।ইসলামের কতটা নিকৃষ্ট ক্ষতি করেছে যার জন্য মুসলিম উম্মাহর আজ এই অবস্থা: মহানবি(সাঃ) এর সময় থেকেই মুনাফিক ছিল।কিন্তু,রাসুল(সাঃ) থাকার কারণে তখন তেমন কোন ক্ষতি হয়নি।খোলাফায়ে রাশেদিনের শাসন শেষ হওয়ার পর থেকে মুনাফিক,মুরতাদ,ফাসেক এদের আবির্ভাব হয়।উমাইয়া খলিফা হযরত মুয়াবিয়া(রাঃ) এর পুত্র ইয়াজিদ ছিল সর্বনিকৃষ্ট মুরতাদ।তার কাছে রাসুল(সা) মরহুম নাতি হযরত ইমাম হাসান ও হুসাইন(রাঃ) তার কাছে বাইয়াত না নেওয়ায় সে বড় সেনাবাহীনি পাঠায়।হযরত হুসাইন তার মাত্র ৭২ জন সৈন্য নিয়ে হাজার সৈন্যের মুরতাদ বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনদিন লড়াই করে তৃতীয় দিন হাসান (রাঃ) যখন নামাজ পড়ছিলেন তখন মুরতাদ বাহিনী অনেক তির নিক্ষেপ করে তার শরীরে কিন্তু, তবুও নামাজ শেষ করে শাহাদত বরণ করেন।আরেক নিকৃষ্ট মুনাফিক হচ্ছে ধর্মান্তরিত আশআছ।সে যখন নিজ গোত্রের প্রধান ছিল তখন সে ইসলাম গ্রহণ করেনি।মুজাহিদরা তাকে পরাজিত বন্দি করে নিয়ে আসা পর সে রাসুল(সাঃ) এর কাছে ইসলামধর্ম গ্রহণ করে আবু বকর(রাঃ) এর বোন উম্মে ফারিয়াকে বিয়ে করে নিজ গোত্রে ফিরে যায়।কিন্তু,রাসুল(সাঃ) এর মৃত্যুর পর সে স্বধর্ম ত্যাগ করে।মুজাহিদগণ তাকে পরাজিত করে নিয়ে আসার পর সে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করে।তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।কিন্তু,তার বিশ্বাসঘাতকতা স্বভাব যায়নি।নানানভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করে থাকে।সেজন্য আবু বকর(রাঃ) বলেন,আমি তাকে না হত্যা করে অনেক বড় ভুল করেছি।তারই মেয়ে ছিল হযরত ইমাম হাসান(রাঃ) এর স্ত্রী।তার স্ত্রী হযরত ইমাম হাসান(রাঃ) কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করেছিল ১০০০০ মোহরের লোভে।এরপর সবচেয়ে নিকৃষ্ট মুনাফিক খলিফা সুলায়মান ইবনে আব্দুল মালিক।সে বিশ্বখ্যাত দ্বিগবিজয়ী চার মুসলিম সেনাপতিকে হত্যা করেছিল নিজের প্রতিহিংসার কারণে: ১।স্পেন বিজয়ী তারেক বিন জিয়াদ যিনি মাত্র ১২ হাজার সৈন্য নিয়ে স্পেনের ২ লা সৈন্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্পেন বিজয় করেছিলেন ২।প্রথম ভারত অভিযানকারী মাত্র ১৫-১৭ বছরের মুসলিম সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম যিনি মাত্র হাজার সেনা নিয়ে সিন্ধুর রাজা দাহিরের লক্ষাধিক সৈন্য ও শত হাতির বিরুদ্ধে লড়াই করে সিন্ধু বিজয় করেছিলেন।আজও বিশ্বের অপরাজেয় সর্বকনিষ্ঠ মুসলিম সেনাপতি। ৩।সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশ বিজয়ী মুসা বিন নুসাইর ৪।উইঘুর তথা পূর্ব চীন বিজয়ী কুতায়বা বিন মুসলিম যিনি মাত্র হাজার সেনা নিয়ে উইঘুর সম্রাটের লক্ষাধিক সেনার বিরুদ্ধে লড়াই করে উইঘুর তথা পূর্ব চীন বিজয় করেন। শুধু উমাইয়া খলিফা হযরত উমর ইবনে আব্দুল আজিজ(র.) বাদে বাকি সব উমাইয়া খলিফা মুনাফিক। সুলতান মাহমুদ যিনি সতেরবার ভারত আক্রমণ করে বিজয় অর্জন করতেন।তার লক্ষ্য ছিল সমগ্র ভারত উপমহাদেশ বিজয় করে ইসাম প্রতিষ্ঠা করবেন।তিনি তৎকালীন সময়ের অপরাজেয় মুসলিম সুলতান ও সেনাপতি ছিলেন।কিন্তু,তার রাজ্য মুনাফিক রাজ্য দ্বারা বেষ্টিত ছিল।তিনি যখন ভারত আক্রমণ করে বড় বড় বিজয় অর্জন করতেন ঠিক তখনই মুনাফিক রাজ্যগুলো তার রাজ্যে আক্রমণ করত।যার কারণে তিনি ভারত বিজয় করে ভারতে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পারতেন না।তার মৃত্যুর পর তার ছেলে যখন ভারত অভিযানে যায় তখন মুনাফিক রাজ্য তার রাজ্য সম্পূর্ণ দখল করে নেয়।আরেক নিকৃষ্ট মুনাফিক আব্বাসী খলিফা আল মু'তাসিম।তার সময়ে সবচেয়ে বড় মুসলিম সাম্রাজ্য ছিল দি গ্রেট খোয়ারিজম সাম্রাজ্য।একই সময় ছিল আরেক পরাশক্তি মঙ্গোল সাম্রাজ্য যার সম্রাট ছিল ইতিহাসকুখ্যাত চেঙ্গিস খান।চেঙ্গিস খান চীন সাম্রাজ্য জয় করার পর খোয়ারিজম সাম্রাজ্য দেখতে পায়।সে মুসলিমদের ইতিহাস ও জিহাদের কাহিনী জানত বলে সে মুসলিম উম্মাহকে আক্রমণ করার সাহস পায় নি।কিন্তু,নিকৃষ্ট মুনাফিক খলিফা চেঙ্গিস খানকে দূত পাঠিয়ে খোয়ারিজম সাম্রাজ্য আক্রমণ করার আমন্ত্রন জনায়।আর মুসলিম উম্মাহর অবস্থা তখন অনেকটা জাহেলিয়াতের মতো ছিল ও জিহাদের স্পৃহা ছিলনা।আমন্ত্রন পেয়ে চেঙ্গিস খান খোয়ারিজম সাম্রাজ্য আক্রমণ করে।কারণ তার স্বপ্ন ছিল বিশ্ব জয়ের।কিন্তু,খোয়ারিজম সাম্রাজ্যের সুলতান জালালুদ্দীন ছিলেন ধর্মপরায়ণ ও জিহাদী ব্যক্তি।আচমকা চেঙ্গিস খান আক্রমণ করে খোয়ারিজম সাম্রাজ্যের তিন ভাগের ২ ভাগ দখল করে।বাকি ১ ভাগ নিয়ে সুলতান জালালুদ্দীন মোঙ্গলদের পরপর তিনবার পরাজিত করার পর মুসলিম উম্মাহকে ডাক দেন মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে।কিন্তু,কেউ তার ডাকে সাড়া দেয়নি।শেষ লড়াইয়ে তাকে কতিপয় মুনাফিক হাশাশিন তাকে গুপ্তহত্যা করে।ফলে খোয়ারিজম সাম্রাজ্যের পতন হওয়ার পর মিশর ও ভারত ছাড় পুরো মুসলিম উম্মাহ রক্তের বন্যায় ভেসে যায়।আরেক নিকৃষ্ট ইতিহাসকুখ্যাত হাসান ইবনে সাব্বাহ।সে এক প্রকার ইসলামবিরোধী বাতিল আকিদা তৈরি করে গুপ্তঘাতকগোষ্ঠী তৈরি করে যার নাম হাশাশিন।তাদের বাতেনীও বলা হয়।এই গুপ্তঘাতকগোষ্ঠী তৎকালীন মুসলিম উম্মাহর অপূরণীয় ক্ষতি করে।তারা মুসলিম উম্মাহর সব বিখ্যাত মুসলিম সেনাপতি,আলেম-উলামা,শায়েখদের গুপ্তহত্যা করত।সুলতান জালালুদ্দীনকে তারাই হত্যা করেছিল।কিন্তু,প্রথমে মঙ্গোল সেনাপতি হালাকু খান তারাপর মামলুক সুলতান রুকনুদ্দীন বাইবার্স তাদের নির্মূল করে।আজ আ্যসাসিন শব্দ তাদের থেকেই এসেছে।এরপর সবচেয়ে নিকৃষ্ট মুনাফিক সম্রাট আকবর।তার ইতিহাস ইংরেজরা লিখে তাকে মহান শাসকের অন্যতম করেছে।যাতে তাকে ভারত উপমহাদেশের মুসলিমরা অনুসরণ করে।কিন্তু,ইসলামের ইতিহাসে সে অনেক বড় মুনাফিক ও মুরতাদ।সে ইসলামবিরোধী এক ধর্ম প্রচার করে নিজেকে সেই ধর্মের নবী বলেছিলো সেই ধর্মের নাম দ্বীন-ইলাহি।যেটার নিয়মে সব ধর্মই সমান ও পালনযোগ্য।তারপর সে হিন্দু নারীদের বিয়ে করেছিল।অনেক উপপত্নি ছিল তার।যেসব ধর্মপ্রাণ মুসলিম,শায়েখ,আলেম-উলামা তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল তাদের সে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছিল।হুবহু শেখ হাসিনা।আজও তাকে মুসলিমগণ তাকে মনে করতেই ঘৃণা করে।তারপর আরেক ইতিহাসকুখ্যাত নিকৃষ্ট মুনাফিক মীর জাফর।মনে হয় সবাই তাকে চিনেন।বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মীর জাফর।নবাব সিরাজউদ্দৌলা তাকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে প্রমাণ পেলেও তাকে ক্ষমা কর দেয়।তাকে ক্ষমা করা সবচেয়ে বড় ভুল ছিল।তাকে ক্ষমা করার কারণে ভারত ২০০ বছর ব্রিটিশদের গোলামী করেছিল।এরপর আরেক ইতিহাসকুখ্যাত নিকৃষ্ট মুনাফিক ছিল তুর্কি প্রধানমন্ত্রী কামাল আর্তাতুক।সে ছিল কুখ্যাত ও অভিশপ্ত ইহুদী সংঘ ফ্রিম্যাসনের সদস্য ছিল।সে ছিল সেক্যুলারিজমের প্রবর্তক।উসমানী সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ নিজ ভূমি রক্ষার্থে যখন ইহুদী ও খ্রিষ্টানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন তখন এই মুনাফিক উসমনী প্রশাসনের এক মন্ত্রী ছিল।সে ইহুদী নেতা থিওডর হার্জেলের সাথে হাত মিলিয়ে সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদকে সিংহাসনচ্যুত করে কুফরি গণতন্ত্রের শাসনের নিয়ম করে এবং নিম্নোক্ত নিয়মগুলো তুরস্কে প্রচলন করে: [০১]১৯২৪ ঈসায়ীতে উসমানি খেলাফত বিলুপ্ত করে। [০২]১৯২৬ ঈসায়ীতে ইসলামি শরিয়াকে পূর্ণাঙ্গরুপে অকার্যকর ঘোষণা করে। [০৩]মিরাছের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষকে সমঅধিকার প্রদান করে। [০৪]হজ ও উমরা পালনে তুর্কি মুসলিমদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। [০৫]শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে আরবি ভাষা নিষিদ্ধ করে। [০৬]মসজিদে আজান বন্ধ করে দেয়। [০৭]খেলাফতভূমি তুরস্কে হিজাব নিষিদ্ধ করে। [০৮]নিজের নাম থেকে "মুস্তফা" অংশ কেটে দেয়। [০৯]ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। [১০]শুক্রবারের পরিবর্তে শনিবারকে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ঘোষণা করে। [১১]আরবি বর্ণমালা নিষিদ্ধ করে। [১২]পদ গ্রহণকালে আল্লাহর নামে শপথ করার পরিবর্তে মর্যাদার শপথ করতে হবে—মর্মে আইন প্রবর্তন করে। [১৩]তার নীতি প্রত্যাখ্যানকারী শত শত আলেম ও ফকিহদের ফাঁসি কার্যকর করে। [১৪]মৃত্যুর পূর্বে তার অসিয়ত ছিল, যেন মুসলমানদের মত তার মৃত দেহে জানাযার নামাজ না পড়া হয়। [১৫]১৯২৩ ঈসায়ীতে তুর্কি পার্লামেন্টের সামনে বুক ফুলিয়ে বলে, আমরা এখন বিংশ শতাব্দীতে শিল্পযুগে বসবাস করি। সুতরাং এমন কিতাবের অধীনে আমরা নিজেদের জীবন পরিচালিত করতে পারি না, যে কিতাব তিন এবং জাইতুন ফল নিয়ে কথা বলে। [এর দ্বারা কোরআনের দিকে ঈঙ্গিত করে]এই নরপশুকে আল্লাহ তাআলা লাল পিপড়ের রোগ দ্বারা ধ্বংস করেন। লাল পিপড়ে তার দেহ খেয়ে ফেলে।এরপর প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মুসলিম উম্মাহ ধ্বংস হয় এবং প্রতিটি মুসলিম রাষ্ট্রে কুফরি গণতন্ত্র চালু হয় এবং আবার জাহেলিয়াতে ফিরে যায়।মুজাহিদ শায়েখ উসামা বিন লাদেনকে মেরেছিলো আমেরিকান সেনারা তবে তার খবর আমেরিকাকে দিয়েছিলো মুনাফিকরা।শেষমেষ তার দুঃখজনক পতন হলো মুনাফিকদের হাতে।তো এতক্ষণ মুনাফিক,মুরতাদ,ফাসেক নিয়ে আলোচনা করলাম তো কী বুঝলেন?এদের বেচে থাকার কী দরকার আছে?দেখুন,কতিপয় মুনাফিকের জন্য ইতিহাস কেমন করে বদলে গেল।মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ আমাদের মুসলিম উম্মাহর কত বড় অপূণীয় ক্ষতি করলো।শুধু আমাদের দূর্বলতার কারণে আমরা আজ এইরকম খাাপ অবস্থায়।এখন শুধু আফগানিস্তান বাদে বাকি প্রত্যেক মুসলিম রাষ্ট্র মুনাফিক,মুরতাদ,ফাসেক।আর এদের পুতুলের মতো পরিচালনা করে ক্রুসেডার,ইহুদী,মুশরিক রাষ্ট্রগুলো।সময় পেলেই ক্রুসেডার,ইহুদী,মুশরিক রাষ্ট্রগুলো মুসলিম উম্মাহকে ঝড়ের মতো এসে নির্মুল করবে।এখন জিহাদ করতে হলে জিহাদ করতে হবে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ এদের বিরুদ্ধে।এরা মুসলিম উম্মাহকে বেচে দিয়েছে দুনিয়া জন্য।অবশ্য শেষ জামানার গাজওয়াতুল হিন্দ ও ইমাম মাহদির যুদ্ধে মুসলিম উম্মাহর বিপক্ষে প্রকাশ্যেই থাকবে।এইটা অনেক বড় সুসংবাদ।তবে এখন মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদদের চিহ্নিত করুন এবং তাদের বিরুদ্ধে কাজ করুন।তারাই মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় দুশমন।এখন থেকে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ VS মুসলিম।আমরা তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করে তাদের নিঃশেষ করলেই আমাদের অর্ধেক উদ্দ্যেশ্য পূরণ হবে।তারপর ক্রুসেডার,ইহুদী,মুশরিক রাষ্ট্রগুলোর ধ্বংস হবে।আগে মুনাফিক,ফাসেক,মুরতাদ এদের মৃত্যু চাই।এরপর জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ
    0 Comments 0 Shares
  • ((আসুন জেনে নেই কয়েকজন দিগ্বিজয়ী মুসলিম বীরের নাম))⚔️🏇
    ========================================
    আমরা অনেকেই হয়তো কোনদিন শুনিনি তাদের নাম। জানতে চাইনি তাদের অবদানের কথা, তাদের আত্মদানের কাহিনী। ইসলামের ইতিহাসে তারা চির অমর হয়ে রইবেন কিয়ামত পর্যন্ত।
    ১.খালিদ বিন ওয়ালীদ রাঃ (সাহাবীদের মধ্যে সকলেই নিঃসন্দেহে ভালো। তবে যুদ্ধক্ষেত্রে উনার ক্ষীপ্রতা সকলের চাইতে বেশি ছিল যার কারণে রাসূল সাঃ তাকে ‘সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর তরবারি’ তে ভূষিত করেন। যা মুতা ও ইয়ারমুকে সেনাপতি হিসেবে দেখিয়েছিলেন )
    ২.তারেক বিন যিয়াদ (স্পেন বিজয়ের মহানায়ক ও সেনাপতি)
    ৩.মুহাম্মদ বিন কাসিম (১৭বছরের বালক। ভারত মহাদেশে সিন্ধু থেকে মুলতান পর্যন্ত বিজয়ের প্রথম মহানায়ক)
    ৪.মুসা বিন নুসাইর (আফ্রিকার গর্ভনয় ও স্পেন বিজয়ের মূল সেনাপতি)
    ৫.ইউসুফ বিন তাশফীন (খ্রিস্টানদের কবল থেকে স্পেনকে পুনরুদ্ধারকারী ও আফ্রিকার মরক্কোর গর্ভনর ও মুরাবিতুন সম্রাজ্যের আমীর)
    ৬.তৃতীয় আব্দুর রহমান (২৭বছর যাবৎ স্পেনের বিদ্রোহ দমনকারী ও স্পেনের কর্ডোভা ভিত্তিক প্রথম মুসলিম খলিফা হয়ে স্পেনকে তৎকালীন সময়ে মুসলিম পরাশক্তিতে নিয়ে যাওয়া )
    ৭.সুলতান সুলেমান (উসমানীয় সাম্রাজ্যকে তৎকালীন বিশ্বের একক পরাশক্তিতে পরিণত করে ও সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে খলিফা হিসেবে উসমানীয় খিলাফতের ছায়াতে কার্যকর করে, আলেকজান্ডারের রাজ্যজয়ের রেকর্ড ভঙ্গ করে সমগ্র ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার পদানত করা যুদ্ধের মাধ্যমে বা চুক্তি বা কয়েদ রাজ্যের মাধ্যমে)
    ৮.খাইরুদ্দিন বার্বারোসার(সুলতান সুলেমানের বিখ্যাত নৌসেনাপতি। যিনি কোন যুদ্ধে হারলে পাল্টা প্রতিশোধে তাকে হারিয়ে দিতেন। যার ক্ষীপ্রতায় পশ্চিম ইউরোপ থরথর করে কাঁপত। স্পেনের পঞ্চম চার্লসের নৌবাহিনীকে পর্যদুস্ত করে ৭০ হাজার মুসলিম উদ্বাস্তু তথা মরিস্কোদের উদ্ধার করার অসামান্য অবদান রাখেন। যার ক্ষিপ্রতায় রোমান সম্রাজ্যের মূল কেন্দ্র ইতালির ভেনিস ও সিসিলীর বন্দরও রক্ষা পায় নি।
    ৯.সালাহউদ্দিন আইয়্যুবী (মিশরের গর্ভনর।শিয়া ফাতেমী খিলাফতকে তছনছ করে দেন। মুসলমানদের মধ্যে বিদ্রোহ ও ষড়যন্ত্রের উচ্ছেদ করে সিরিয়াতেও কর্তৃত্ব স্থাপন করেন। তার সবচেয়ে অবদান মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করে বায়তুল মোকাদ্দাস বিজয়)
    ১০.রুকুনুদ্দিন বাইবার্স (দ্য প্যান্থার) (বাগদাদ, সিরিয়াতে যখন তাতারীদের আক্রমণের সামনে কেউ টিকতে পারছিল না তখন মঙ্গোলিয়ানদের বিরুদ্ধে ও ক্রুশেডের বিরুদ্ধে চিতাবাঘ রূপে আর্বিভূত দিগ্বিজয়ী বীর। যার বদৌলতে আইয়্যুবীর বিজয়কৃত বায়তুল মোকাদ্দাস খ্রিস্টানদের কাছ থেকে রক্ষা পায় শেষবারের মত)
    ১১.সুলতান মাহমুদ গজনবী (সমগ্র ভারত মহাদেশ বিজেতা)
    ১২.আর্তুগুলের পুত্র উসমান (মঙ্গোলিয়ান ও খ্রিস্টানদের কড়াল গ্রাসে যখন সেলজুক বিধ্বস্ত তখন উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতাকারী রুপে আর্বিভূত করে মুসলিম সম্রাজ্যের রক্ষক। উসমানীয় সাম্রাজ্যের পরবর্তী ৬০০ বছরের সুলতান বা খলিফা তার তরবারিটি কোমরে রাখত)
    ১৩.সুলতান মুহাম্মদ ফাতেহ (কনস্টান্টিনোপল বিজয়ী বিখ্যাত বীর)
    ১৪.ইমাম শামিল (রাশিয়ার ককেশাস বিজয়ের মহানায়ক)
    ১৫.কুতাইবা বিন মুসলিম (তুর্কিমিনিস্তান ও চীনের সিংকিয়াং (উইঘুর মুসলিম প্রদেশ) বিজেতা)
    এরা ছাড়াও রয়েছেন আরো অসংখ্য বীর মুজাহিদ যারা এ ধরায় উড়িয়েছেন হেলালী নিশান। আসুন আমাদের জাতীয় বীরদের অবদান সম্পর্কে জানি আর তাদের আদর্শে নিজেদের উজ্জীবিত করি।
    আল্লাহ যেনো আবারো এমন বীর সন্তান দান করেন, যারা সারা বিশ্বে নির্যাতনের স্বীকার এ জাতির পুনরুত্থান হবে।এরপরে আসবেন ইমাম মাহদী ইনশা- আল্লাহ
    ((আসুন জেনে নেই কয়েকজন দিগ্বিজয়ী মুসলিম বীরের নাম))⚔️🏇 ======================================== আমরা অনেকেই হয়তো কোনদিন শুনিনি তাদের নাম। জানতে চাইনি তাদের অবদানের কথা, তাদের আত্মদানের কাহিনী। ইসলামের ইতিহাসে তারা চির অমর হয়ে রইবেন কিয়ামত পর্যন্ত। ১.খালিদ বিন ওয়ালীদ রাঃ (সাহাবীদের মধ্যে সকলেই নিঃসন্দেহে ভালো। তবে যুদ্ধক্ষেত্রে উনার ক্ষীপ্রতা সকলের চাইতে বেশি ছিল যার কারণে রাসূল সাঃ তাকে ‘সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর তরবারি’ তে ভূষিত করেন। যা মুতা ও ইয়ারমুকে সেনাপতি হিসেবে দেখিয়েছিলেন ) ২.তারেক বিন যিয়াদ (স্পেন বিজয়ের মহানায়ক ও সেনাপতি) ৩.মুহাম্মদ বিন কাসিম (১৭বছরের বালক। ভারত মহাদেশে সিন্ধু থেকে মুলতান পর্যন্ত বিজয়ের প্রথম মহানায়ক) ৪.মুসা বিন নুসাইর (আফ্রিকার গর্ভনয় ও স্পেন বিজয়ের মূল সেনাপতি) ৫.ইউসুফ বিন তাশফীন (খ্রিস্টানদের কবল থেকে স্পেনকে পুনরুদ্ধারকারী ও আফ্রিকার মরক্কোর গর্ভনর ও মুরাবিতুন সম্রাজ্যের আমীর) ৬.তৃতীয় আব্দুর রহমান (২৭বছর যাবৎ স্পেনের বিদ্রোহ দমনকারী ও স্পেনের কর্ডোভা ভিত্তিক প্রথম মুসলিম খলিফা হয়ে স্পেনকে তৎকালীন সময়ে মুসলিম পরাশক্তিতে নিয়ে যাওয়া ) ৭.সুলতান সুলেমান (উসমানীয় সাম্রাজ্যকে তৎকালীন বিশ্বের একক পরাশক্তিতে পরিণত করে ও সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে খলিফা হিসেবে উসমানীয় খিলাফতের ছায়াতে কার্যকর করে, আলেকজান্ডারের রাজ্যজয়ের রেকর্ড ভঙ্গ করে সমগ্র ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার পদানত করা যুদ্ধের মাধ্যমে বা চুক্তি বা কয়েদ রাজ্যের মাধ্যমে) ৮.খাইরুদ্দিন বার্বারোসার(সুলতান সুলেমানের বিখ্যাত নৌসেনাপতি। যিনি কোন যুদ্ধে হারলে পাল্টা প্রতিশোধে তাকে হারিয়ে দিতেন। যার ক্ষীপ্রতায় পশ্চিম ইউরোপ থরথর করে কাঁপত। স্পেনের পঞ্চম চার্লসের নৌবাহিনীকে পর্যদুস্ত করে ৭০ হাজার মুসলিম উদ্বাস্তু তথা মরিস্কোদের উদ্ধার করার অসামান্য অবদান রাখেন। যার ক্ষিপ্রতায় রোমান সম্রাজ্যের মূল কেন্দ্র ইতালির ভেনিস ও সিসিলীর বন্দরও রক্ষা পায় নি। ৯.সালাহউদ্দিন আইয়্যুবী (মিশরের গর্ভনর।শিয়া ফাতেমী খিলাফতকে তছনছ করে দেন। মুসলমানদের মধ্যে বিদ্রোহ ও ষড়যন্ত্রের উচ্ছেদ করে সিরিয়াতেও কর্তৃত্ব স্থাপন করেন। তার সবচেয়ে অবদান মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করে বায়তুল মোকাদ্দাস বিজয়) ১০.রুকুনুদ্দিন বাইবার্স (দ্য প্যান্থার) (বাগদাদ, সিরিয়াতে যখন তাতারীদের আক্রমণের সামনে কেউ টিকতে পারছিল না তখন মঙ্গোলিয়ানদের বিরুদ্ধে ও ক্রুশেডের বিরুদ্ধে চিতাবাঘ রূপে আর্বিভূত দিগ্বিজয়ী বীর। যার বদৌলতে আইয়্যুবীর বিজয়কৃত বায়তুল মোকাদ্দাস খ্রিস্টানদের কাছ থেকে রক্ষা পায় শেষবারের মত) ১১.সুলতান মাহমুদ গজনবী (সমগ্র ভারত মহাদেশ বিজেতা) ১২.আর্তুগুলের পুত্র উসমান (মঙ্গোলিয়ান ও খ্রিস্টানদের কড়াল গ্রাসে যখন সেলজুক বিধ্বস্ত তখন উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতাকারী রুপে আর্বিভূত করে মুসলিম সম্রাজ্যের রক্ষক। উসমানীয় সাম্রাজ্যের পরবর্তী ৬০০ বছরের সুলতান বা খলিফা তার তরবারিটি কোমরে রাখত) ১৩.সুলতান মুহাম্মদ ফাতেহ (কনস্টান্টিনোপল বিজয়ী বিখ্যাত বীর) ১৪.ইমাম শামিল (রাশিয়ার ককেশাস বিজয়ের মহানায়ক) ১৫.কুতাইবা বিন মুসলিম (তুর্কিমিনিস্তান ও চীনের সিংকিয়াং (উইঘুর মুসলিম প্রদেশ) বিজেতা) এরা ছাড়াও রয়েছেন আরো অসংখ্য বীর মুজাহিদ যারা এ ধরায় উড়িয়েছেন হেলালী নিশান। আসুন আমাদের জাতীয় বীরদের অবদান সম্পর্কে জানি আর তাদের আদর্শে নিজেদের উজ্জীবিত করি। আল্লাহ যেনো আবারো এমন বীর সন্তান দান করেন, যারা সারা বিশ্বে নির্যাতনের স্বীকার এ জাতির পুনরুত্থান হবে।এরপরে আসবেন ইমাম মাহদী ইনশা- আল্লাহ
    0 Comments 0 Shares
  • What is Relationship Status!!?
    In a relationship এর অর্থ আমি অমুকের সাথে যিনায় লিপ্ত আছি।
    In an open relationship এর অর্থ আমি অমুকের সাথে যিনায় লিপ্ত আছি এবং এই কাহিনী সবাই জানে।
    Engaged এর অর্থ বিয়েও করতে পারছি না, যিনাও ছাড়তে পারছি না।
    It’s complicated এর অর্থ কার সাথে কখন যিনায় লিপ্ত হয়ে যাই তার ঠিক নেই।
    What is Relationship Status!!? In a relationship এর অর্থ আমি অমুকের সাথে যিনায় লিপ্ত আছি। In an open relationship এর অর্থ আমি অমুকের সাথে যিনায় লিপ্ত আছি এবং এই কাহিনী সবাই জানে। Engaged এর অর্থ বিয়েও করতে পারছি না, যিনাও ছাড়তে পারছি না। It’s complicated এর অর্থ কার সাথে কখন যিনায় লিপ্ত হয়ে যাই তার ঠিক নেই।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • [কোরআনটাইম] সূরা ইনশিরাহ
    চারিদিকে করোনা মহামারী। মৃত্যুর মিছিল চলছে। সর্বত্র অস্থিরতা। সর্বত্র বিপদ, হতাশা, আতংক। কষ্টের মধ্যে কমবেশী সবাই। আর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে পবিত্র কোরআনের সূরা ইনশিরাহতে স্বস্তির সুসংবাদ দিয়ে বলেছেন- “অবশ্যই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। অবশ্যই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।” আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পরপর দু’বার একই কথা পুনরাবৃত্তি করে গ্যারান্টি দিয়ে বলেছেন যে, আমাদের কষ্টের অবস্থা কখনই স্থায়ী হয় না। রাতের আঁধারের পরেই আসে দিনের আলো। আর এটাই হচ্ছে সূরা ইনশিরাহর মূল ম্যাসেজ।
    আসলে আমাদের জীবনটা যে কষ্ট এবং স্বস্তির একটি চক্র। সেটাও এই সূরার আয়াত দুটিতে বলা হয়েছে। আমরা যেন মনে না করি যে, ‘আমি তো একজন মুসলিম। মুসলিমরা কেন বিপদে পড়বে?’ এভাবেই মুসলিম সমাজে আমরা চার ধরণের মানুষকে দেখতে পাই— ১) মু’মিন মুসলিম, যার আল্লাহর উপর ঈমান ও পুরোপুরি আস্থা ভরসা আছে; ২) নিয়মিত মুসলিম, কিন্তু ঈমানে ফাটল আছে; ৩) নামে মুসলিম, কিন্তু কাজে যে কী সে নিজেও জানে না; এবং ৪) বাইরে মুসলিম, কিন্তু ভেতরে ইসলাম বিদ্বেষী। আর এদের সবার জন্যই আল্লাহ নানা ধরণের পরীক্ষা দেন। সেই পরীক্ষাগুলো অনেক সময় ভীষণ কষ্টেরও হয়। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলোর মধ্য দিয়েই তাদের ঈমানের যাচাই হয়ে যায়। তাদের ভেতরে আসলে কী আছে, তাও বেরিয়ে আসে। যেমনটা আল্লাহ বলেন, “মানুষ কি ভেবেছে যে, তাদেরকে কোনো পরীক্ষা না করেই ছেড়ে দেওয়া হবে, কারণ তারা মুখে বলছে, ‘আমরা তো মুমিন!” [সূরা আনকাবুত:২]
    এই সূরায় তাই আল্লাহ গ্যারান্টি দিয়েছেন যে, প্রতিটি কষ্টের সাথে জীবনের অন্য কোনো না কোনো দিকে কমপক্ষে দুটো স্বস্তি আসবেই। দেখবেন জীবনে একটা কষ্ট এসেছে। কিন্তু অন্য দুটো দিকে ভালো কিছু না কিছু হয়েছেই। যাদের আল্লাহর উপর দৃঢ় বিশ্বাস এবং আস্থা আছে। তারা বিপদের মধ্যে ডুবে থেকেও দেখতে পান যে, আল্লাহ তাকে কতভাবে সাহায্য করছেন সেই বিপদ পার করার জন্য। কিন্তু যাদের ঈমান নড়বড়ে। আল্লাহর উপর আস্থা নেই। তারা বিপদে পড়ে চারিদিকে শুধু অন্ধকারই দেখতে থাকেন।
    শুধু বর্তমান সময়েই নয়, দুনিয়ার সৃষ্টিলগ্ন থেকেই এই একইভাবে এটা চলছে। যখনই কেউ তাওহীদের একত্ববাদের ডাক দিবে, তখনই সকল ইসলাম বিদ্বেষীরা একযোগে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। রাসূল (সাঃ) এর যুগে তো বটেই। আজকের সমাজেও এটা প্রকটভাবে লক্ষ্যনীয় যে, যখনই আপনি আল্লাহর হুকুম ও রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পথে জীবন পরিচালনা করবেন। তখনই হাজারো ঝড়-ঝাপটা, প্রতিকূলতা ও বাধা বিপত্তির মুখে পড়বেন। দাড়ি, টুপি, হিজাব কিংবা টাখনুর উপর কাপড় পড়া থেকে শুরু করে। ঈমান, আমল, ইবাদত। এমনকি ইসলামের অধ্যায়ন ও সুন্নাহর অনুসরণ করা পর্যন্ত। সর্বত্র ইসলাম বিদ্বেষীদের নানাবিধ প্রতিরোধ। জঙ্গি ট্যাগ, হেয় প্রতিপন্নতায় আপনার অন্তরকে বিঁষিয়ে তুলবে।
    এই অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করার জন্য প্রশস্ত অন্তর দরকার। দিনের পর দিন এত অন্যায়, অবিচার সহ্য করতে না পেরে এভাবে একসময় ইসলামের পথ থেকে অনেকেই ঝরে যায়। একারণে যাদের অন্তরকে আল্লাহ প্রশস্ত করে দেন, শুধু তারাই পারে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও ইসলামের পথে অবিচল থাকতে।
    কাজেই যাকে আল্লাহ সঠিক পথ দেখানোর ইচ্ছা করেন, তার অন্তরকে তিনি ইসলামের জন্য প্রশস্ত করে দেন। [আল-আন‘আম ১২৫]
    অন্তরের প্রশস্ততা না থাকলে ইসলামের নিয়মকানুন মেনে চলাও সবসময় সম্ভব হয় না। তখন মানুষ ইসলাম নিয়ে নানা ধরণের সন্দেহে ভোগে, যেমন—
    “সুদ আর ব্যবসায় লাভ তো একই কথা। কেন ইসলামে সুদ হারাম?”
    “মেয়েদেরকে কেন বাচ্চা জন্ম দেওয়ার কষ্ট করতে হবে? ছেলেরা বাচ্চা জন্ম দেয় না কেন?” ইত্যাদি...
    কিন্তু যখন অন্তরের প্রশস্ততা চলে আসে, তখন আল্লাহর নির্দেশ মানতে আর কোনো সমস্যা থাকে না। আল্লাহ যাকে ইসলাম বোঝার সামর্থ্য দিয়েছেন, এজন্য সে কৃতজ্ঞতায় বিনত হয়। তখন তার প্রতিটি সিজদা হয়ে যায় কৃতজ্ঞতায় ভরা, বিনম্র, শ্রদ্ধার সিজদা।
    হ্যাঁ, কষ্টের অবস্থা স্থায়ী হয় না। রাতের আঁধারের পরেই আসে দিনের আলো।-— এটাই হচ্ছে সূরা ইনশিরাহর মূল ম্যাসেজ। দেখুন, কিভাবে?
    সূরা ইনশিরাহ যখন নাযিল হয় তখন সমগ্র পৃথিবীতে মুসলিমের সংখ্যা প্রায় ৫০ জনের মত ছিল। অর্থাৎ চারপাশে অবিশ্বাসী আর শত্রুতা-হিংসায় ভরপুর হিংস্র পাশবিক একটা অন্ধকার সমাজ। এর মাঝে দাঁড়িয়ে রাসূল (সাঃ) তাওহীদের ডাক দিলেন। ঐ সময় আল্লাহর রাসূল (সাঃ)কে চরমতম অবর্ণনীয় এক দুঃখ, কষ্ট, নির্যাতন, নিপীড়ন, আর হতাশার মাঝ দিয়ে তাওহিদের প্রচার করতে হয়েছে। কিন্তু এতকিছুর পরও রাসূল (সাঃ) চাইলে স্রোতের অনুকূলে চলে গিয়ে দুনিয়ার সাম্রাজ্য ও বিলাসী জীবনকে বেছে নিতে পারতেন। কিন্তু না, বরং তিনি আল্লাহর একত্ববাদের পথপ্রদর্শক রুপে ঈমানের প্রশ্নে অটল থেকে স্রোতের ১৮০ ডিগ্রীর বিপরীতে থেকে পুরো স্রোতটাকেই ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন।
    আর বিনিময়ে আল্লাহ উনাকে যা দিলেন, তা হলো। আল্লাহ নিজেই যেটা বলছেন-
    "এবং আমি আপনার জন্য আপনার খ্যাতিকে সুউচ্চ করেছি"- (৯৪;৪)
    আর সেটা কিভাবে -—
    *দুনিয়ায় প্রতিদিন সবচেয়ে বেশী উচ্চারিত নাম, সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় নাম, মুহাম্মাদ (সাঃ)।
    *দিনে পাঁচবার বিশ্বের প্রতিটা মাসজিদে উচ্চস্বরে আল্লাহর সাথেই যে নামটা উচ্চারিত হয় সেটা হল মুহাম্মাদ (সাঃ)।
    *যেখানে আল্লাহর নাম আসে সেখানে মুহাম্মাদ (সাঃ)এর নাম আসে।
    *মুহাম্মাদ (সাঃ) এর রেখে যাওয়া আল কুরআন আজও অবিকৃত অবস্থায় আছে।
    *আখিরাতেও মুহাম্মাদ (সাঃ) সর্বোচ্চ মর্যাদা পাবেন।
    *আল্লাহ মুহাম্মাদ (সাঃ) কে আল কাউসার দান করেছেন।
    *সকল মুমিনের অন্তরে রয়েছে উনার প্রতি নিখাদ ভালোবাসা। মস্তিস্কে রয়েছে উনার মহত্ব, বড়ত্ব, ভালোবাসার চিন্তা।
    *পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহে মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর নাম এবং গুণ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা হয়েছে।
    *ফিরিশতাদের মাঝেও মুহাম্মাদ (সাঃ)এর প্রতি সালাম ও প্রশংসাযুক্ত নাম উল্লেখ করা হয়।
    *মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর আনুগত্যকেও মহান আল্লাহ নিজের আনুগত্যরূপে শামিল করেছেন এবং নিজের আদেশ পালন করার সাথে সাথে তাঁর আদেশও পালন করতে মানব সম্প্রদায়কে নির্দেশ দিয়েছেন।
    এই সূরায় ১ম অংশে (আয়াত ১-৬) আল্লাহ মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রতি যে অনুগ্রহ ও নিয়ামত দান করেছেন তা বর্ননা করেছেন। এবং ২য় অংশে (আয়াত ৭-৮) আল্লাহর দেয়া নিয়ামত ও অনুগ্রহ পাওয়ার পর প্রতিদান দেওয়ার জন্য মুহাম্মাদ (সাঃ) কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    এবার আসুন, সূরাটি অর্থ সহ পড়ে নেই-
    ১। أَلَمْ نَشْرَحْ لَكَ صَدْرَكَ
    “আলাম্ নাশ্রাহ্ লাকা ছোয়াদ্রাক”
    ‘আমি কি আপনার বক্ষকে প্রশস্ত করে দিইনি’?
    এই সূরায় মহানবী (সাঃ)-এর প্রতি তিনটি নিয়ামত বা অনুগ্রহের কথা আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে উনার ‘বক্ষ প্রশস্ত’ করে দেওয়া হল প্রথম অনুগ্রহ। এর অর্থ হল, বক্ষ আলোকিত এবং উদার হওয়া; যাতে সত্য স্পষ্ট হয়ে যায় এবং তার জন্য হৃদয় সংকুলান হয়। একই অর্থে কুরআন কারীমের এই আয়াতওঃ ‘‘আল্লাহ যাকে পথ-প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্য প্রশস্ত করে দেন।’’ (সূরা আনআম ১২৫ আয়াত)।
    এই ‘বক্ষ প্রশস্ত’-এর অর্থে সেই ‘বক্ষ বিদীর্ণ’ (সিনাচাক)ও এসে যায়; যা বিশুদ্ধ হাদীসানুযায়ী নবী (সাঃ)-এর দু’-দু’ বার ঘটেছিলঃ একবার বাল্যকালে যখন তাঁর বয়স ৪ বছর। আর একবার তা মি’রাজের সময় ঘটেছিল।
    ২। وَوَضَعْنَا عَنكَ وِزْرَكَ
    “ওয়া ওয়াদ্বানা আ’নঁকা উইঝরাক”
    ‘আমি আপনার উপর হতে অপসারণ করেছি আপনার সেই ভার;’
    এই ভার বা বোঝা নবুঅতের পূর্বে তাঁর চল্লিশ বছর বয়সকালের সাথে সম্পৃক্ত। এই জীবনে যদিও আল্লাহ তাঁকে গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন; সুতরাং তিনি কোন মূর্তির সামনে মাথা ঝুঁকাননি, কখনো মদ্য পান করেননি এবং এ ছাড়া অন্যান্য পাপাচরণ থেকেও তিনি সুদূরে ছিলেন। তবুও প্রসিদ্ধ অর্থে আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্য সম্পর্কে তিনি জানতেন না; আর না তিনি তা করেছেন। এই জন্য বিগত চল্লিশ বছরে ইবাদত ও আনুগত্য না করার বোঝা তাঁর হৃদয় ও মস্তিষ্কে সওয়ার ছিল; যা সত্যিকারে কোন বোঝা ছিল না। কিন্তু তাঁর অনুভূতি ও উপলব্ধি তা বোঝা বানিয়ে রেখেছিল। আল্লাহ তাআলা তাঁর সেই বোঝাকে নামিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে তাঁর প্রতি অনুগ্রহ করলেন।
    কোন কোন আলেমগণ বলেন, এটা নবুঅতের বোঝা ছিল যেটাকে আল্লাহ হালকা করে দিলেন। অর্থাৎ, আল্লাহ এই রাস্তায় দুঃখ-কষ্ট সহ্য করার ব্যাপারে তাঁর উৎসাহ বৃদ্ধি এবং দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে সরলতা সৃষ্টি করলেন।
    ৩। الَّذِي أَنقَضَ ظَهْرَكَ
    “আল্লাজী আনঁ ক্বাদ্বা জ্বাহরাক”
    ‘যা আপনার পিঠকে করে রেখেছিল ভারাক্রান্ত।’
    ৪। وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
    “ওরাফা’না লাকা জিকরাক”
    ‘আর আমি আপনার খ্যাতিকে সমুচ্চ করেছি।’
    ৫। فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا
    “ফাইন্নাঁ মা‘আল্ উসরি য়ূসরান”
    ‘অতএব কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি’
    ৬। إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا
    “ইন্না মা‘আল্ উসরি য়ূসরান”
    ‘নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।’
    এ হল নবী (সাঃ) ও উনার সাহাবাগণের জন্য শুভসংবাদ যে, তোমরা ইসলামের পথে যা কিছু দুঃখ-কষ্ট সহ্য করছ এ ব্যাপারে চিন্তিত হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। যেহেতু এর পরেই আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য অবসর ও স্বস্তি এনে দেবেন।
    ৭। فَإِذَا فَرَغْتَ فَانصَبْ
    “ফাইজা ফারাগতা ফানছব”
    ‘অতএব যখনই অবসর পাও, তখনই (আল্লাহর ইবাদতে) সচেষ্ট হও।’
    অর্থাৎ, যখনই অবসর পাও তখনই ইবাদতের জন্য সচেষ্ট হও। অথবা এত বেশী আল্লাহর ইবাদত কর, যাতে তুমি ক্লান্ত হয়ে পড়।
    ৮। وَإِلَى رَبِّكَ فَارْغَبْ
    “ওয়াইলা রাববিকা ফারগাব”
    ‘আর আপনার প্রতিপালকের প্রতিই মনোনিবেশ করুন।’
    অর্থাৎ, তাঁর কাছেই তুমি জান্নাতের আশা রাখ। তাঁর কাছেই তুমি নিজের প্রয়োজন ভিক্ষা কর এবং সর্ববিষয়ে তাঁরই উপর নির্ভর কর ও ভরসা রাখ।
    ডঃ তুহিন মালিক স্যারের ফেসবুক টাইম লাইন হতে সংগ্রহকৃত।।
    [কোরআনটাইম] সূরা ইনশিরাহ চারিদিকে করোনা মহামারী। মৃত্যুর মিছিল চলছে। সর্বত্র অস্থিরতা। সর্বত্র বিপদ, হতাশা, আতংক। কষ্টের মধ্যে কমবেশী সবাই। আর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে পবিত্র কোরআনের সূরা ইনশিরাহতে স্বস্তির সুসংবাদ দিয়ে বলেছেন- “অবশ্যই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। অবশ্যই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।” আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পরপর দু’বার একই কথা পুনরাবৃত্তি করে গ্যারান্টি দিয়ে বলেছেন যে, আমাদের কষ্টের অবস্থা কখনই স্থায়ী হয় না। রাতের আঁধারের পরেই আসে দিনের আলো। আর এটাই হচ্ছে সূরা ইনশিরাহর মূল ম্যাসেজ। আসলে আমাদের জীবনটা যে কষ্ট এবং স্বস্তির একটি চক্র। সেটাও এই সূরার আয়াত দুটিতে বলা হয়েছে। আমরা যেন মনে না করি যে, ‘আমি তো একজন মুসলিম। মুসলিমরা কেন বিপদে পড়বে?’ এভাবেই মুসলিম সমাজে আমরা চার ধরণের মানুষকে দেখতে পাই— ১) মু’মিন মুসলিম, যার আল্লাহর উপর ঈমান ও পুরোপুরি আস্থা ভরসা আছে; ২) নিয়মিত মুসলিম, কিন্তু ঈমানে ফাটল আছে; ৩) নামে মুসলিম, কিন্তু কাজে যে কী সে নিজেও জানে না; এবং ৪) বাইরে মুসলিম, কিন্তু ভেতরে ইসলাম বিদ্বেষী। আর এদের সবার জন্যই আল্লাহ নানা ধরণের পরীক্ষা দেন। সেই পরীক্ষাগুলো অনেক সময় ভীষণ কষ্টেরও হয়। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলোর মধ্য দিয়েই তাদের ঈমানের যাচাই হয়ে যায়। তাদের ভেতরে আসলে কী আছে, তাও বেরিয়ে আসে। যেমনটা আল্লাহ বলেন, “মানুষ কি ভেবেছে যে, তাদেরকে কোনো পরীক্ষা না করেই ছেড়ে দেওয়া হবে, কারণ তারা মুখে বলছে, ‘আমরা তো মুমিন!” [সূরা আনকাবুত:২] এই সূরায় তাই আল্লাহ গ্যারান্টি দিয়েছেন যে, প্রতিটি কষ্টের সাথে জীবনের অন্য কোনো না কোনো দিকে কমপক্ষে দুটো স্বস্তি আসবেই। দেখবেন জীবনে একটা কষ্ট এসেছে। কিন্তু অন্য দুটো দিকে ভালো কিছু না কিছু হয়েছেই। যাদের আল্লাহর উপর দৃঢ় বিশ্বাস এবং আস্থা আছে। তারা বিপদের মধ্যে ডুবে থেকেও দেখতে পান যে, আল্লাহ তাকে কতভাবে সাহায্য করছেন সেই বিপদ পার করার জন্য। কিন্তু যাদের ঈমান নড়বড়ে। আল্লাহর উপর আস্থা নেই। তারা বিপদে পড়ে চারিদিকে শুধু অন্ধকারই দেখতে থাকেন। শুধু বর্তমান সময়েই নয়, দুনিয়ার সৃষ্টিলগ্ন থেকেই এই একইভাবে এটা চলছে। যখনই কেউ তাওহীদের একত্ববাদের ডাক দিবে, তখনই সকল ইসলাম বিদ্বেষীরা একযোগে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। রাসূল (সাঃ) এর যুগে তো বটেই। আজকের সমাজেও এটা প্রকটভাবে লক্ষ্যনীয় যে, যখনই আপনি আল্লাহর হুকুম ও রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পথে জীবন পরিচালনা করবেন। তখনই হাজারো ঝড়-ঝাপটা, প্রতিকূলতা ও বাধা বিপত্তির মুখে পড়বেন। দাড়ি, টুপি, হিজাব কিংবা টাখনুর উপর কাপড় পড়া থেকে শুরু করে। ঈমান, আমল, ইবাদত। এমনকি ইসলামের অধ্যায়ন ও সুন্নাহর অনুসরণ করা পর্যন্ত। সর্বত্র ইসলাম বিদ্বেষীদের নানাবিধ প্রতিরোধ। জঙ্গি ট্যাগ, হেয় প্রতিপন্নতায় আপনার অন্তরকে বিঁষিয়ে তুলবে। এই অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করার জন্য প্রশস্ত অন্তর দরকার। দিনের পর দিন এত অন্যায়, অবিচার সহ্য করতে না পেরে এভাবে একসময় ইসলামের পথ থেকে অনেকেই ঝরে যায়। একারণে যাদের অন্তরকে আল্লাহ প্রশস্ত করে দেন, শুধু তারাই পারে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও ইসলামের পথে অবিচল থাকতে। কাজেই যাকে আল্লাহ সঠিক পথ দেখানোর ইচ্ছা করেন, তার অন্তরকে তিনি ইসলামের জন্য প্রশস্ত করে দেন। [আল-আন‘আম ১২৫] অন্তরের প্রশস্ততা না থাকলে ইসলামের নিয়মকানুন মেনে চলাও সবসময় সম্ভব হয় না। তখন মানুষ ইসলাম নিয়ে নানা ধরণের সন্দেহে ভোগে, যেমন— “সুদ আর ব্যবসায় লাভ তো একই কথা। কেন ইসলামে সুদ হারাম?” “মেয়েদেরকে কেন বাচ্চা জন্ম দেওয়ার কষ্ট করতে হবে? ছেলেরা বাচ্চা জন্ম দেয় না কেন?” ইত্যাদি... কিন্তু যখন অন্তরের প্রশস্ততা চলে আসে, তখন আল্লাহর নির্দেশ মানতে আর কোনো সমস্যা থাকে না। আল্লাহ যাকে ইসলাম বোঝার সামর্থ্য দিয়েছেন, এজন্য সে কৃতজ্ঞতায় বিনত হয়। তখন তার প্রতিটি সিজদা হয়ে যায় কৃতজ্ঞতায় ভরা, বিনম্র, শ্রদ্ধার সিজদা। হ্যাঁ, কষ্টের অবস্থা স্থায়ী হয় না। রাতের আঁধারের পরেই আসে দিনের আলো।-— এটাই হচ্ছে সূরা ইনশিরাহর মূল ম্যাসেজ। দেখুন, কিভাবে? সূরা ইনশিরাহ যখন নাযিল হয় তখন সমগ্র পৃথিবীতে মুসলিমের সংখ্যা প্রায় ৫০ জনের মত ছিল। অর্থাৎ চারপাশে অবিশ্বাসী আর শত্রুতা-হিংসায় ভরপুর হিংস্র পাশবিক একটা অন্ধকার সমাজ। এর মাঝে দাঁড়িয়ে রাসূল (সাঃ) তাওহীদের ডাক দিলেন। ঐ সময় আল্লাহর রাসূল (সাঃ)কে চরমতম অবর্ণনীয় এক দুঃখ, কষ্ট, নির্যাতন, নিপীড়ন, আর হতাশার মাঝ দিয়ে তাওহিদের প্রচার করতে হয়েছে। কিন্তু এতকিছুর পরও রাসূল (সাঃ) চাইলে স্রোতের অনুকূলে চলে গিয়ে দুনিয়ার সাম্রাজ্য ও বিলাসী জীবনকে বেছে নিতে পারতেন। কিন্তু না, বরং তিনি আল্লাহর একত্ববাদের পথপ্রদর্শক রুপে ঈমানের প্রশ্নে অটল থেকে স্রোতের ১৮০ ডিগ্রীর বিপরীতে থেকে পুরো স্রোতটাকেই ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। আর বিনিময়ে আল্লাহ উনাকে যা দিলেন, তা হলো। আল্লাহ নিজেই যেটা বলছেন- "এবং আমি আপনার জন্য আপনার খ্যাতিকে সুউচ্চ করেছি"- (৯৪;৪) আর সেটা কিভাবে -— *দুনিয়ায় প্রতিদিন সবচেয়ে বেশী উচ্চারিত নাম, সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় নাম, মুহাম্মাদ (সাঃ)। *দিনে পাঁচবার বিশ্বের প্রতিটা মাসজিদে উচ্চস্বরে আল্লাহর সাথেই যে নামটা উচ্চারিত হয় সেটা হল মুহাম্মাদ (সাঃ)। *যেখানে আল্লাহর নাম আসে সেখানে মুহাম্মাদ (সাঃ)এর নাম আসে। *মুহাম্মাদ (সাঃ) এর রেখে যাওয়া আল কুরআন আজও অবিকৃত অবস্থায় আছে। *আখিরাতেও মুহাম্মাদ (সাঃ) সর্বোচ্চ মর্যাদা পাবেন। *আল্লাহ মুহাম্মাদ (সাঃ) কে আল কাউসার দান করেছেন। *সকল মুমিনের অন্তরে রয়েছে উনার প্রতি নিখাদ ভালোবাসা। মস্তিস্কে রয়েছে উনার মহত্ব, বড়ত্ব, ভালোবাসার চিন্তা। *পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহে মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর নাম এবং গুণ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা হয়েছে। *ফিরিশতাদের মাঝেও মুহাম্মাদ (সাঃ)এর প্রতি সালাম ও প্রশংসাযুক্ত নাম উল্লেখ করা হয়। *মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর আনুগত্যকেও মহান আল্লাহ নিজের আনুগত্যরূপে শামিল করেছেন এবং নিজের আদেশ পালন করার সাথে সাথে তাঁর আদেশও পালন করতে মানব সম্প্রদায়কে নির্দেশ দিয়েছেন। এই সূরায় ১ম অংশে (আয়াত ১-৬) আল্লাহ মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রতি যে অনুগ্রহ ও নিয়ামত দান করেছেন তা বর্ননা করেছেন। এবং ২য় অংশে (আয়াত ৭-৮) আল্লাহর দেয়া নিয়ামত ও অনুগ্রহ পাওয়ার পর প্রতিদান দেওয়ার জন্য মুহাম্মাদ (সাঃ) কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবার আসুন, সূরাটি অর্থ সহ পড়ে নেই- ১। أَلَمْ نَشْرَحْ لَكَ صَدْرَكَ “আলাম্ নাশ্রাহ্ লাকা ছোয়াদ্রাক” ‘আমি কি আপনার বক্ষকে প্রশস্ত করে দিইনি’? এই সূরায় মহানবী (সাঃ)-এর প্রতি তিনটি নিয়ামত বা অনুগ্রহের কথা আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে উনার ‘বক্ষ প্রশস্ত’ করে দেওয়া হল প্রথম অনুগ্রহ। এর অর্থ হল, বক্ষ আলোকিত এবং উদার হওয়া; যাতে সত্য স্পষ্ট হয়ে যায় এবং তার জন্য হৃদয় সংকুলান হয়। একই অর্থে কুরআন কারীমের এই আয়াতওঃ ‘‘আল্লাহ যাকে পথ-প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্য প্রশস্ত করে দেন।’’ (সূরা আনআম ১২৫ আয়াত)। এই ‘বক্ষ প্রশস্ত’-এর অর্থে সেই ‘বক্ষ বিদীর্ণ’ (সিনাচাক)ও এসে যায়; যা বিশুদ্ধ হাদীসানুযায়ী নবী (সাঃ)-এর দু’-দু’ বার ঘটেছিলঃ একবার বাল্যকালে যখন তাঁর বয়স ৪ বছর। আর একবার তা মি’রাজের সময় ঘটেছিল। ২। وَوَضَعْنَا عَنكَ وِزْرَكَ “ওয়া ওয়াদ্বানা আ’নঁকা উইঝরাক” ‘আমি আপনার উপর হতে অপসারণ করেছি আপনার সেই ভার;’ এই ভার বা বোঝা নবুঅতের পূর্বে তাঁর চল্লিশ বছর বয়সকালের সাথে সম্পৃক্ত। এই জীবনে যদিও আল্লাহ তাঁকে গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন; সুতরাং তিনি কোন মূর্তির সামনে মাথা ঝুঁকাননি, কখনো মদ্য পান করেননি এবং এ ছাড়া অন্যান্য পাপাচরণ থেকেও তিনি সুদূরে ছিলেন। তবুও প্রসিদ্ধ অর্থে আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্য সম্পর্কে তিনি জানতেন না; আর না তিনি তা করেছেন। এই জন্য বিগত চল্লিশ বছরে ইবাদত ও আনুগত্য না করার বোঝা তাঁর হৃদয় ও মস্তিষ্কে সওয়ার ছিল; যা সত্যিকারে কোন বোঝা ছিল না। কিন্তু তাঁর অনুভূতি ও উপলব্ধি তা বোঝা বানিয়ে রেখেছিল। আল্লাহ তাআলা তাঁর সেই বোঝাকে নামিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে তাঁর প্রতি অনুগ্রহ করলেন। কোন কোন আলেমগণ বলেন, এটা নবুঅতের বোঝা ছিল যেটাকে আল্লাহ হালকা করে দিলেন। অর্থাৎ, আল্লাহ এই রাস্তায় দুঃখ-কষ্ট সহ্য করার ব্যাপারে তাঁর উৎসাহ বৃদ্ধি এবং দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে সরলতা সৃষ্টি করলেন। ৩। الَّذِي أَنقَضَ ظَهْرَكَ “আল্লাজী আনঁ ক্বাদ্বা জ্বাহরাক” ‘যা আপনার পিঠকে করে রেখেছিল ভারাক্রান্ত।’ ৪। وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ “ওরাফা’না লাকা জিকরাক” ‘আর আমি আপনার খ্যাতিকে সমুচ্চ করেছি।’ ৫। فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا “ফাইন্নাঁ মা‘আল্ উসরি য়ূসরান” ‘অতএব কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি’ ৬। إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا “ইন্না মা‘আল্ উসরি য়ূসরান” ‘নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।’ এ হল নবী (সাঃ) ও উনার সাহাবাগণের জন্য শুভসংবাদ যে, তোমরা ইসলামের পথে যা কিছু দুঃখ-কষ্ট সহ্য করছ এ ব্যাপারে চিন্তিত হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। যেহেতু এর পরেই আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য অবসর ও স্বস্তি এনে দেবেন। ৭। فَإِذَا فَرَغْتَ فَانصَبْ “ফাইজা ফারাগতা ফানছব” ‘অতএব যখনই অবসর পাও, তখনই (আল্লাহর ইবাদতে) সচেষ্ট হও।’ অর্থাৎ, যখনই অবসর পাও তখনই ইবাদতের জন্য সচেষ্ট হও। অথবা এত বেশী আল্লাহর ইবাদত কর, যাতে তুমি ক্লান্ত হয়ে পড়। ৮। وَإِلَى رَبِّكَ فَارْغَبْ “ওয়াইলা রাববিকা ফারগাব” ‘আর আপনার প্রতিপালকের প্রতিই মনোনিবেশ করুন।’ অর্থাৎ, তাঁর কাছেই তুমি জান্নাতের আশা রাখ। তাঁর কাছেই তুমি নিজের প্রয়োজন ভিক্ষা কর এবং সর্ববিষয়ে তাঁরই উপর নির্ভর কর ও ভরসা রাখ। ডঃ তুহিন মালিক স্যারের ফেসবুক টাইম লাইন হতে সংগ্রহকৃত।।
    0 Comments 0 Shares
  • নারী
    ==========================================
    দাজ্জাল আমাদের অনেক মুসলিম বোনের ব্রেনওয়াশ করিয়া দিয়াছে । ফলে তাহারা এখন পুরুষদের মতো বড় বড় ডিগ্রী দরকার, বড় বড় চাকুরি দরকার, চাকরিতে বড় বড় প্রমোশন দরকার ইত্যাদি ইত্যাদি । এইগুলিকে সে তাহার জন্মগত অধিকার মনে করে । কাজেই সে এখন পুরুষদের সাথে কমপিটিশন দিয়ে বড় বড় ডিগ্রী নেয়, পুরুষদের সাথে ধাক্কাধাক্কি করিয়া রোজ অফিসে আসা-যাওয়া করে । তারপর ক্লান্ত-শ্রান্ত হইয়া বাসায় আসিয়া ঘুমাইয়া পড়ে । স্বামী-সন্তানের প্রতি এখন দ্বায়িত্ব পালন করা তাহার পক্ষে অসম্ভব । নিজের শিশু সন্তানকে কাজের মেয়ে অথবা ডেকেয়ার সেন্টারে কাঁদিয়ে রেখে অফিসে চলে যায় । মায়ের কাছে থাকা যে শিশুর অধিকার তাহা সে স্বীকার করে না । তাহার নিকট তাহার শিশুর অধিকারের চাইতে তাহার নিজের অধিকার বেশী গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু বোন আপনি একটি কথা মনে রাখিবেন । আল্লাহ বলিয়াছেন, প্রতিটি কাজেরই একটি ফলাফল আছে । একদিন আপনার চাকুরি থাকিবে না, আপনার শরীরের শক্তি থাকিবে না । আপনি বৃদ্ধ, দুর্বল আর অসহায় হইয়া পড়িবেন । পক্ষান্তরে আপনার অসহায় শিশু সন্তান যুবক-যুবতী হইবে, শক্তিশালী হইবে, চাকুরি নিয়ে ব্যস্ত হইয়া পড়িবে । সে তখন আপনাকে ঝামেলা মনে করিয়া বৃদ্ধাশ্রমে ফেলিয়া আসিবে । আপনি তখন চোখের জলে বুক ভাসাবেন যেভাবে আপনার শিশু সন্তান বুক ভাসাইত ।
    নারী ========================================== দাজ্জাল আমাদের অনেক মুসলিম বোনের ব্রেনওয়াশ করিয়া দিয়াছে । ফলে তাহারা এখন পুরুষদের মতো বড় বড় ডিগ্রী দরকার, বড় বড় চাকুরি দরকার, চাকরিতে বড় বড় প্রমোশন দরকার ইত্যাদি ইত্যাদি । এইগুলিকে সে তাহার জন্মগত অধিকার মনে করে । কাজেই সে এখন পুরুষদের সাথে কমপিটিশন দিয়ে বড় বড় ডিগ্রী নেয়, পুরুষদের সাথে ধাক্কাধাক্কি করিয়া রোজ অফিসে আসা-যাওয়া করে । তারপর ক্লান্ত-শ্রান্ত হইয়া বাসায় আসিয়া ঘুমাইয়া পড়ে । স্বামী-সন্তানের প্রতি এখন দ্বায়িত্ব পালন করা তাহার পক্ষে অসম্ভব । নিজের শিশু সন্তানকে কাজের মেয়ে অথবা ডেকেয়ার সেন্টারে কাঁদিয়ে রেখে অফিসে চলে যায় । মায়ের কাছে থাকা যে শিশুর অধিকার তাহা সে স্বীকার করে না । তাহার নিকট তাহার শিশুর অধিকারের চাইতে তাহার নিজের অধিকার বেশী গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু বোন আপনি একটি কথা মনে রাখিবেন । আল্লাহ বলিয়াছেন, প্রতিটি কাজেরই একটি ফলাফল আছে । একদিন আপনার চাকুরি থাকিবে না, আপনার শরীরের শক্তি থাকিবে না । আপনি বৃদ্ধ, দুর্বল আর অসহায় হইয়া পড়িবেন । পক্ষান্তরে আপনার অসহায় শিশু সন্তান যুবক-যুবতী হইবে, শক্তিশালী হইবে, চাকুরি নিয়ে ব্যস্ত হইয়া পড়িবে । সে তখন আপনাকে ঝামেলা মনে করিয়া বৃদ্ধাশ্রমে ফেলিয়া আসিবে । আপনি তখন চোখের জলে বুক ভাসাবেন যেভাবে আপনার শিশু সন্তান বুক ভাসাইত ।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • অস্বাস্থ্যকর দশটি জিনিস
    সুস্থ থাকার জন্য এই দশটি জিনিস থেকে বেঁচে থাকুন। পারলে ঘর থেকে বিদেয় করে দিন।
    -----------------------------------------------------------------------
    (1) Artificial Sweeteners – বারডেমওয়ালারা আপনাকে বলবে চিনির বদলে আর্টিফিসিয়াল সুইটেনার খান। মানে ডায়াবেটিসের বদলে ক্যানসার ডেকে আনুন।
    (2) Plastic Food Containers and Bottles – ক্যানসার, হাই ব্লাড প্রেসার, লো আই কিউ শিশু, বাচ্চা না হওয়ার প্রবলেম।
    (3) Non-Stick Cookware – এই নন স্টিক উপাদানটা ক্যানসার সৃষ্টি করে। গ্লাস বা সিরামিকের কুকওয়ার ব্যবহার করুন।
    (4) Air Fresheners –
    বাজে জিনিস, শরীরের হরমোনের ক্ষতি করে, ক্যানসার সৃষ্টি করে। গন্ধ হলে গন্ধ মাস্ক না করে উৎস খুঁজুন। দরজা জানালা খুলে দিন। সুগন্ধের জন্য এসেনশিয়াল ওয়েল ব্যবহার করুন।
    (5) Antibacterial Soaps and Detergents – এসব রুটিনলি ব্যবহার করা ঠিক নয়। গোসলের জন্য হালকা গরম পানি ও সাধারণ সাবান যথেষ্ট। পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধৌত করলেই শরীর বা হাত পর্যাপ্ত জীবনামুক্ত হয়। এর বেশি করার দরকার নেই।
    সাবান বা টুথপেস্টে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান এলার্জি, হরমোনের সমস্যা, ওয়েট গেইন, ইনফ্লামেশন সহ নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
    (6) Commercial Cleaning Products -রান্নাঘর এবং বাথরুম ডিসইনফেকশন করার জন্য বেকিং সোডা, 3% হাইড্রোজেন পারক্সাইড বা হোয়াইট ভিনেগার ব্যবহার করুন।
    (7) Personal Care Products – লোশন, শ্যাম্পু, মেকআপ এগুলোর মাধ্যমে প্রতি বছর আপনার শরীরে 5 পাউন্ড ক্যামিকেল স্কিনের মাধ্যমে এবজর্ব হয়। আই লাইনার, মাসকারা, লিপিস্টিক এগুলোতে সীসা থাকে। এসব বাদ দিয়ে পার্সনাল কেয়ারের জন্য খাঁটি নারিকেল তেল বা সরিষার তেল ব্যবহার করুন।
    (😎 Stale Spices – বাসি পুরানো মসলা ফেলে দিন। টাটকা ফ্রেস মসলা ব্যবহার করুন। মসলাতে শাকসবজি ও ফলের চেয়ে বেশি এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা খুব উপকারী। বাসি মসলায় এসব উপাদান নষ্ট হয়ে যায়।
    (9) Electronic Devices – ওয়ারলেস রেডিয়েশন মারাত্মক জিনিস। বিশেষ করে যারা মোবাইল পকেটে রাখেন। তারা কন্টিনিউয়াস রেডিয়েশন এক্সপোজারের মধ্যে থাকেন। তাই মোবাইল শরীর থেকে দূরে রেখে বহন করবেন।
    (10) Chair – চেয়ারে বসে কাজ করা স্মোকিংয়ের চেয়েও খারাপ জিনিস। যতই ব্যয়াম করা পেটানো শরীর হোক না কেন চেয়ার টাইপ টু ডায়াবেটিস মেলাইটাস, ওবেসিটি, পেইনসহ নন কমিউনিকেবল ক্রনিক ডিজিজের একটি অন্যতম কারণ। অবাক হলেও সত্য চেয়ারে বসে কাজ করা জীবনের কোয়ালিটিকে কমিয়ে দেয় এবং মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করে। কাজ করার জন্য স্ট্যান্ডিং ডেস্ক বানিয়ে নিন। দাঁড়িয়ে কাজ করুন। কাজের মাঝে মাঝে হাঁটুন।
    #Find_out_reality
    তথ্যসূত্র: ডা: জোসেফ মারকোলা।
    অস্বাস্থ্যকর দশটি জিনিস সুস্থ থাকার জন্য এই দশটি জিনিস থেকে বেঁচে থাকুন। পারলে ঘর থেকে বিদেয় করে দিন। ----------------------------------------------------------------------- (1) Artificial Sweeteners – বারডেমওয়ালারা আপনাকে বলবে চিনির বদলে আর্টিফিসিয়াল সুইটেনার খান। মানে ডায়াবেটিসের বদলে ক্যানসার ডেকে আনুন। (2) Plastic Food Containers and Bottles – ক্যানসার, হাই ব্লাড প্রেসার, লো আই কিউ শিশু, বাচ্চা না হওয়ার প্রবলেম। (3) Non-Stick Cookware – এই নন স্টিক উপাদানটা ক্যানসার সৃষ্টি করে। গ্লাস বা সিরামিকের কুকওয়ার ব্যবহার করুন। (4) Air Fresheners – বাজে জিনিস, শরীরের হরমোনের ক্ষতি করে, ক্যানসার সৃষ্টি করে। গন্ধ হলে গন্ধ মাস্ক না করে উৎস খুঁজুন। দরজা জানালা খুলে দিন। সুগন্ধের জন্য এসেনশিয়াল ওয়েল ব্যবহার করুন। (5) Antibacterial Soaps and Detergents – এসব রুটিনলি ব্যবহার করা ঠিক নয়। গোসলের জন্য হালকা গরম পানি ও সাধারণ সাবান যথেষ্ট। পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধৌত করলেই শরীর বা হাত পর্যাপ্ত জীবনামুক্ত হয়। এর বেশি করার দরকার নেই। সাবান বা টুথপেস্টে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান এলার্জি, হরমোনের সমস্যা, ওয়েট গেইন, ইনফ্লামেশন সহ নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। (6) Commercial Cleaning Products -রান্নাঘর এবং বাথরুম ডিসইনফেকশন করার জন্য বেকিং সোডা, 3% হাইড্রোজেন পারক্সাইড বা হোয়াইট ভিনেগার ব্যবহার করুন। (7) Personal Care Products – লোশন, শ্যাম্পু, মেকআপ এগুলোর মাধ্যমে প্রতি বছর আপনার শরীরে 5 পাউন্ড ক্যামিকেল স্কিনের মাধ্যমে এবজর্ব হয়। আই লাইনার, মাসকারা, লিপিস্টিক এগুলোতে সীসা থাকে। এসব বাদ দিয়ে পার্সনাল কেয়ারের জন্য খাঁটি নারিকেল তেল বা সরিষার তেল ব্যবহার করুন। (😎 Stale Spices – বাসি পুরানো মসলা ফেলে দিন। টাটকা ফ্রেস মসলা ব্যবহার করুন। মসলাতে শাকসবজি ও ফলের চেয়ে বেশি এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা খুব উপকারী। বাসি মসলায় এসব উপাদান নষ্ট হয়ে যায়। (9) Electronic Devices – ওয়ারলেস রেডিয়েশন মারাত্মক জিনিস। বিশেষ করে যারা মোবাইল পকেটে রাখেন। তারা কন্টিনিউয়াস রেডিয়েশন এক্সপোজারের মধ্যে থাকেন। তাই মোবাইল শরীর থেকে দূরে রেখে বহন করবেন। (10) Chair – চেয়ারে বসে কাজ করা স্মোকিংয়ের চেয়েও খারাপ জিনিস। যতই ব্যয়াম করা পেটানো শরীর হোক না কেন চেয়ার টাইপ টু ডায়াবেটিস মেলাইটাস, ওবেসিটি, পেইনসহ নন কমিউনিকেবল ক্রনিক ডিজিজের একটি অন্যতম কারণ। অবাক হলেও সত্য চেয়ারে বসে কাজ করা জীবনের কোয়ালিটিকে কমিয়ে দেয় এবং মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করে। কাজ করার জন্য স্ট্যান্ডিং ডেস্ক বানিয়ে নিন। দাঁড়িয়ে কাজ করুন। কাজের মাঝে মাঝে হাঁটুন। #Find_out_reality তথ্যসূত্র: ডা: জোসেফ মারকোলা।
    0 Comments 0 Shares
  • একজন পুরুষকে সফল বলার জন্য তার বেসিক কি কি রিকয়ারমেন্ট দরকার। আর একজন নারীরই বা কি দরকার। একজন পুরুষ যদি তার পরিবারের স্বাভাবিক প্রয়োজনগুলো পূরণ করতে পারে তবে নিশ্চয়ই তাকে অসফল বলার কোন কারণ নেই। আর একজন নারী যদি সন্তান জন্মদান, তাদের লালন পালন, সংসার সামলানো ইত্যাদি কাজ সামাল দিতে পারে তাহলে নিশ্চয়ই সে নারীর জীবন অসার্থক হওয়ার কোন কারণ নেই। কিন্তু যখন বেসিক চাহিদাগুলো পূরণ করার পর কেউ সফল হওয়ার জন্য আর্টিফিসিয়াল টার্গেট নির্ধারণ করে তখনই শুরু হয় ব্যর্থতা, হাহুতাস ইত্যাদি। আর তখনই সময় দ্রুত বয়ে চলে। কারণ সে সময়ের চেয়ে দ্রুত চলতে চায়। যদি কেউ তার মূল কাজগুলো ঠিকঠাক রাখাতেই সন্তুষ্ট থাকত তাহলে দেখা যেত সময়ের কোন অভাব নেই। দোয়া করার জন্য দীর্ঘ সময় পাওয়া যেত, কোরআন তেলাওয়াতের জন্য দীর্ঘ সময় পাওয়া যেত। সময় নিয়ে কারো কোন অভিযোগ থাকত না।
    একজন পুরুষকে সফল বলার জন্য তার বেসিক কি কি রিকয়ারমেন্ট দরকার। আর একজন নারীরই বা কি দরকার। একজন পুরুষ যদি তার পরিবারের স্বাভাবিক প্রয়োজনগুলো পূরণ করতে পারে তবে নিশ্চয়ই তাকে অসফল বলার কোন কারণ নেই। আর একজন নারী যদি সন্তান জন্মদান, তাদের লালন পালন, সংসার সামলানো ইত্যাদি কাজ সামাল দিতে পারে তাহলে নিশ্চয়ই সে নারীর জীবন অসার্থক হওয়ার কোন কারণ নেই। কিন্তু যখন বেসিক চাহিদাগুলো পূরণ করার পর কেউ সফল হওয়ার জন্য আর্টিফিসিয়াল টার্গেট নির্ধারণ করে তখনই শুরু হয় ব্যর্থতা, হাহুতাস ইত্যাদি। আর তখনই সময় দ্রুত বয়ে চলে। কারণ সে সময়ের চেয়ে দ্রুত চলতে চায়। যদি কেউ তার মূল কাজগুলো ঠিকঠাক রাখাতেই সন্তুষ্ট থাকত তাহলে দেখা যেত সময়ের কোন অভাব নেই। দোয়া করার জন্য দীর্ঘ সময় পাওয়া যেত, কোরআন তেলাওয়াতের জন্য দীর্ঘ সময় পাওয়া যেত। সময় নিয়ে কারো কোন অভিযোগ থাকত না।
    0 Comments 0 Shares
  • সৃজনশীল পাত্রী দেখা
    ------------------------------------------------------------

    একটি প্রায় সত্য ঘটনাঃ
    এক লোক গিয়েছেন বিয়ের পাত্রী দেখতে। পাত্রী মাদ্রাসা শিক্ষিত আলেমা। লোকটি বললেন, আপনার প্রিয় বিষয় কোনটি? উত্তর এলো, ফিকাহ শাস্ত্র। লোকটি বললেন, বাহ, মাশাআল্লাহ। খুব সুন্দর কথা। যাহোক, এখন সৃজনশীলতার যুগ। যদি অনুমতি পাই তবে আপনাকে একটা সৃজনশীল প্রশ্ন করি? – অনুমতি পাওয়া গেল।

    ধরুন, আব্দুর রহিম প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়া দ্বিতীয় বিবাহ করিলেন। ইহাতে প্রথম স্ত্রী মনে করিল তাহার নারী অধিকার ক্ষুণ্ণ হইয়াছে। অতএব সে এবং তার পক্ষীয় আত্মীয়রা এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের নিকট গিয়া নালিশ করিল। চেয়ারম্যান সাহেব আব্দুর রহিমকে বিচারের জন্য ডাকিলেন। বিচারের গ্যাঁড়াকলে পড়িয়া আব্দুর রহিমের মানসিক শান্তি নষ্ট হইয়া গেল।

    – প্রশ্ন হইতেছে, এইখানে চারটি চরিত্র সম্পর্কে ফিকাহ শাস্ত্র কি বলে?

    (১) আব্দুর রহিম কি দ্বিতীয় বিবাহ করিয়া অন্যায় করিয়াছেন?
    (২) প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নেয়াটা কি প্রয়োজন ছিল?
    (৩) আব্দুর রহিমকে বিচারের জন্য ডাকিয়া তার মানসিক শান্তি নষ্ট করা কি উচিৎ হইয়াছে?
    (৪) আব্দুর রহিমের সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইয়া দ্বিতীয় স্ত্রী মহিলাটি কি অন্যায় করিয়াছেন?

    পাত্রী মুখস্থ উত্তর দেয়ার মতো উত্তর বলিয়া দিল।

    (১) ইসলামী ফিকাহ শাস্ত্র অনুসারে বা নবীজী ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নত অনুসারে আব্দুর রহিম কোন অন্যায় করেন নাই।
    (২) অনুমতি নেয়ার কোন প্রয়োজন ছিল না। কারণ ইসলামে এরকম অনুমতির নিয়ম বা রেওয়াজ নাই।
    (৩) বিয়ে কেন করল এই বিষয়ে আব্দুর রহিমকে বিচার করা যাবে না, তবে উভয়ের মধ্যে ইনসাফ রক্ষা করিতে না পারলে বিচার করা যেতে পারে।
    (৪) ২য় স্ত্রী কোন অন্যায় করেন নাই। বরং প্রথম স্ত্রী বিচারের জন্য লাফ ঝাপ করে ২য় স্ত্রীর নারী অধিকার ক্ষুন্ন করেছে।

    — আচ্ছা, আপনার স্বামী যদি আব্দুর রহিমের মতো দ্বিতীয় একটি বিয়ে করত আপনি কি করতেন?

    পাত্রী (কিছুক্ষণ চিন্তা ভাবনা করিয়া) – আমার অভিভাবকদের সাথে কথা বলতাম যে উনার সাথে আর থাকব কি না।

    পাত্র (মুচকি হাসিয়া) – এতক্ষণে ফিকাহ শাস্ত্র পরাস্ত হইয়া গেল।
    সৃজনশীল পাত্রী দেখা ------------------------------------------------------------ একটি প্রায় সত্য ঘটনাঃ এক লোক গিয়েছেন বিয়ের পাত্রী দেখতে। পাত্রী মাদ্রাসা শিক্ষিত আলেমা। লোকটি বললেন, আপনার প্রিয় বিষয় কোনটি? উত্তর এলো, ফিকাহ শাস্ত্র। লোকটি বললেন, বাহ, মাশাআল্লাহ। খুব সুন্দর কথা। যাহোক, এখন সৃজনশীলতার যুগ। যদি অনুমতি পাই তবে আপনাকে একটা সৃজনশীল প্রশ্ন করি? – অনুমতি পাওয়া গেল। ধরুন, আব্দুর রহিম প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়া দ্বিতীয় বিবাহ করিলেন। ইহাতে প্রথম স্ত্রী মনে করিল তাহার নারী অধিকার ক্ষুণ্ণ হইয়াছে। অতএব সে এবং তার পক্ষীয় আত্মীয়রা এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের নিকট গিয়া নালিশ করিল। চেয়ারম্যান সাহেব আব্দুর রহিমকে বিচারের জন্য ডাকিলেন। বিচারের গ্যাঁড়াকলে পড়িয়া আব্দুর রহিমের মানসিক শান্তি নষ্ট হইয়া গেল। – প্রশ্ন হইতেছে, এইখানে চারটি চরিত্র সম্পর্কে ফিকাহ শাস্ত্র কি বলে? (১) আব্দুর রহিম কি দ্বিতীয় বিবাহ করিয়া অন্যায় করিয়াছেন? (২) প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নেয়াটা কি প্রয়োজন ছিল? (৩) আব্দুর রহিমকে বিচারের জন্য ডাকিয়া তার মানসিক শান্তি নষ্ট করা কি উচিৎ হইয়াছে? (৪) আব্দুর রহিমের সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইয়া দ্বিতীয় স্ত্রী মহিলাটি কি অন্যায় করিয়াছেন? পাত্রী মুখস্থ উত্তর দেয়ার মতো উত্তর বলিয়া দিল। (১) ইসলামী ফিকাহ শাস্ত্র অনুসারে বা নবীজী ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নত অনুসারে আব্দুর রহিম কোন অন্যায় করেন নাই। (২) অনুমতি নেয়ার কোন প্রয়োজন ছিল না। কারণ ইসলামে এরকম অনুমতির নিয়ম বা রেওয়াজ নাই। (৩) বিয়ে কেন করল এই বিষয়ে আব্দুর রহিমকে বিচার করা যাবে না, তবে উভয়ের মধ্যে ইনসাফ রক্ষা করিতে না পারলে বিচার করা যেতে পারে। (৪) ২য় স্ত্রী কোন অন্যায় করেন নাই। বরং প্রথম স্ত্রী বিচারের জন্য লাফ ঝাপ করে ২য় স্ত্রীর নারী অধিকার ক্ষুন্ন করেছে। — আচ্ছা, আপনার স্বামী যদি আব্দুর রহিমের মতো দ্বিতীয় একটি বিয়ে করত আপনি কি করতেন? পাত্রী (কিছুক্ষণ চিন্তা ভাবনা করিয়া) – আমার অভিভাবকদের সাথে কথা বলতাম যে উনার সাথে আর থাকব কি না। পাত্র (মুচকি হাসিয়া) – এতক্ষণে ফিকাহ শাস্ত্র পরাস্ত হইয়া গেল।
    0 Comments 0 Shares
  • কাফির ও ইসলামের শত্রুদের বিপদে আনন্দ প্রকাশ!
    =================================
    .
    বর্তমান সময়ের আমাদের উদারমনা অজ্ঞ মুসলিমদের এ বিষয়টি জানা খুবই জরুরি যে, কাফির ও ইসলামের দুশমনদের মৃত্যু বা বিপদে আমাদের দুঃখিত হওয়া উচিত নাকি আনন্দিত হওয়া। এসব ক্ষেত্রে দেখা যায়, কিছু মানুষ আনন্দিত হয়, ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ পড়ে এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে। কিন্তু এর বিপরীতে অধিকাংশ মানুষ কারও মৃত্যু বা বিপদে আনন্দ প্রকাশকে বিকৃত চিন্তা ও ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ বলে মনে করে এবং এটাকে চরম মানবতা পরিপন্থী কর্ম হিসেবে বিবেচনা করে; চাই সে যার মৃত্যু বা বিপদই হোক না কেন।
    আমাদের সমাজের লোকদের এমন উদার মানসিকতা মূলত কুরআন-সুন্নাহ ও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সিরাত থেকে অর্জিত নয়; বরং অজ্ঞাতবশত কিংবা কুফফার গোষ্ঠীর ধোঁকাপূর্ণ মানবতার বুলি থেকেই তাদের এমন চিন্তা-ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। অথচ তারা যদি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সালাফের জীবনী অধ্যয়ন করত, তাহলে স্পষ্টই দেখতে পেত, সবার মৃত্যুতে তাঁদের আচরণ একরকম ছিল না। মুমিন ও নেককারদের মৃত্যু আর কাফির ও বিভ্রান্তকারী ফাসিকদের মৃত্যুতে তাঁদের প্রতিক্রিয়া অভিন্ন ছিল না; বরং দু’ক্ষেত্রে তাঁদের কর্মপদ্ধতি ও আচরণ ছিল ভিন্ন ভিন্ন। চলুন তাহলে, কুরআন-হাদিস ও সালাফের আচরণের দিকে আমরা একটু ফিরে তাকাই।
    কুরআনের ভাষ্য:
    يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ جَاءَتْكُمْ جُنُودٌ فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحاً وَجُنُوداً لَمْ تَرَوْهَا وَكَانَ اللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيراً
    ‘হে মুমিনগণ, তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামতের কথা স্মরণ করো, যখন শত্রুবাহিনী তোমাদের নিকটবর্তী হয়েছিল, অতঃপর আমি তাদের বিরুদ্ধে ঝঞ্ঝাবায়ু ও এমন সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেছিলাম, যাদেরকে তোমরা দেখতে না। তোমরা যা করো, আল্লাহ তা দেখেন।’ (সুরা আল-আহজাব : ০৯)
    লক্ষ্য করুন, এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা কাফিরদের প্রতি আল্লাহর প্রেরিত আসমানি মুসিবত ও অদৃশ্য সেনাদলের সাহায্যকে মুমিনদের জন্য নিয়ামত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এতে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে, ইসলামের শত্রু কাফিরদের ওপর কোনো বালা-মুসিবত আসলে সেটা মুমিনদের জন্য নিয়ামত। আর নিয়ামতে যে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে হয়, তাতে কোনো মুমিনের দ্বিমত থাকতে পারে না।
    হাদিসের ভাষ্য:
    عَنْ أَبِي قَتَادَةَ بْنِ رِبْعِيٍّ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرَّ عَلَيْهِ بِجِنَازَةٍ، فَقَالَ: مُسْتَرِيحٌ وَمُسْتَرَاحٌ مِنْهُ. قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا المُسْتَرِيحُ وَالمُسْتَرَاحُ مِنْهُ؟ قَالَ: العَبْدُ المُؤْمِنُ يَسْتَرِيحُ مِنْ نَصَبِ الدُّنْيَا وَأَذَاهَا إِلَى رَحْمَةِ اللَّهِ، وَالعَبْدُ الفَاجِرُ يَسْتَرِيحُ مِنْهُ العِبَادُ وَالبِلاَدُ، وَالشَّجَرُ وَالدَّوَابُّ.
    ‘কাতাদা বিন রিবয়ি আনসারি রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ণনা করেন, একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পাশ দিয়ে একটি জানাজা নিয়ে যাওয়া হলো। তিনি বললেন, সে নিজে স্বস্তি লাভ করল কিংবা তার থেকে অন্যরা স্বস্তি পেল। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্‌র রাসুল, “সে নিজে স্বস্তি লাভ করল কিংবা তার থেকে অন্যরা স্বস্তি পেল” এর ব্যাখ্যা কী? তিনি বললেন, মুমিন বান্দা দুনিয়ার কষ্ট-ক্লেশ থেকে মুক্তি পেয়ে আল্লাহ্‌র রহমত অভিমুখে যাত্রা করে স্বস্তি লাভ করে। আর নাফরমান বান্দা থেকে সকল মানুষ, শহর-বন্দর, বৃক্ষলতা ও জীবজন্তু স্বস্তি লাভ করে।’ (সহিহুল বুখারি: ৮/১০৭, হা. নং ৬৫১২, প্রকাশনী : দারু তাওকিন নাজাত, বৈরুত)
    হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানি রহ. এ হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেন :
    وَقَالَ الدَّاوُدِيُّ أَمَّا اسْتِرَاحَةُ الْعِبَادِ فَلِمَا يَأْتِي بِهِ مِنَ الْمُنْكَرِ فَإِنْ أَنْكَرُوا عَلَيْهِ آذَاهُمْ وَإِنْ تَرَكُوهُ أَثِمُوا وَاسْتِرَاحَةُ الْبِلَادِ مِمَّا يَأْتِي بِهِ مِنَ الْمَعَاصِي فَإِنَّ ذَلِكَ مِمَّا يَحْصُلُ بِهِ الْجَدْبُ فَيَقْتَضِي هَلَاكَ الْحَرْثِ وَالنَّسْلِ... وَيَحْتَمِلُ أَنْ يَكُونَ الْمُرَادُ بِرَاحَةِ الْعِبَادِ مِنْهُ لِمَا يَقَعُ لَهُمْ مِنْ ظُلْمِهِ وَرَاحَةُ الْأَرْضِ مِنْهُ لِمَا يَقَعُ عَلَيْهَا مِنْ غَصْبِهَا وَمَنْعِهَا مِنْ حَقِّهَا وَصَرْفِهِ فِي غَيْرِ وَجْهِهِ وَرَاحَةِ الدَّوَابِّ مِمَّا لَا يَجُوزُ مِنْ إِتْعَابِهَا
    ‘আল্লামা দাউদি রহ. বলেন, (কাফিরের মৃত্যুতে) মানুষের স্বস্তির কারণ হলো, সে (জীবিত থাকাবস্থায়) শরিয়াবিরোধী কর্মকাণ্ড করত। এতে লোকেরা বাধা দিলে তাদের কষ্ট দিত আর বাধা না দিলে নিজেরা গুনাহগার হতো। আর শহর-বন্দরের স্বস্তির কারণ হলো, গুনাহ ও পাপাচার থেকে মুক্তি পাওয়া। কেননা, এর কারণে দুর্ভিক্ষ-অনাবৃষ্টি আসে; যার কারণে শস্যক্ষেত্র ও জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ...এটাও হতে পারে যে, মানুষের স্বস্তি পাওয়া বলতে তার জুলুম-অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়া। জগতের স্বস্তি পাওয়া বলতে তার জবরদখল, জমির অধিকার বিনষ্ট ও অপাত্রে ব্যবহার থেকে মুক্তি। আর জীবজন্তুর স্বস্তি বলতে অবৈধভাবে কষ্ট দেওয়া থেকে মুক্তি।’ (ফাতহুল বারি : ১১/৩৬৫, প্রকাশনী : দারুল মারিফা, বৈরুত)
    عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى يَوْمَ بُشِّرَ بِرَأْسِ أَبِي جَهْلٍ رَكْعَتَيْنِ
    ‘আব্দুল্লাহ বিন আবু আওফা রা. থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে আবু জাহলের মাথা কর্তনের ব্যাপারে সুসংবাদ দেওয়া হলে তিনি দু’রাকআত (শুকরিয়ার) নামাজ পড়লেন।’ (সুনানু ইবনি মাজাহ : ১/৪৪৫, হা. নং ১৩৯১, প্রকাশনী : দারু ইহইয়াইল কুতুবিল আরাবিয়্যা, বৈরুত)
    এ হাদিসটিতে লক্ষ্য করুন, আবু জাহলের মাথা কর্তনকে সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সাহাবায়ে কিরামও জানতেন যে, ইসলামের দুশমন ও কাফিরদের মৃত্যু মুসলমানদের জন্য সুসংবাদ। দ্বিতীয়ত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ খবর শুনে রাগ বা দুঃখপ্রকাশ তো দূরে থাক, উল্টো অনেক খুশি হয়েছেন। তৃতীয়ত, কেবল খুশিই হননি; বরং শুকরিয়া স্বরূপ দু’রাকআত নামাজও আদায় করেছেন।
    وَفِي رِوَايَةِ بن سَعْدٍ فَلَمَّا بَلَغُوا بَقِيعَ الْغَرْقَدِ كَبَّرُوا وَقَدْ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تِلْكَ اللَّيْلَةَ يُصَلِّي فَلَمَّا سَمِعَ تَكْبِيرَهُمْ كَبَّرَ وَعَرَفَ أَنْ قَدْ قَتَلُوهُ ثُمَّ انْتَهَوْا إِلَيْهِ فَقَالَ أَفْلَحَتِ الْوُجُوهُ فَقَالُوا وَوَجْهُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَرَمُوا رَأْسَهُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَحَمِدَ اللَّهَ عَلَى قَتْلِهِ
    ‘ইবনে সাদের বর্ণনায় এসেছে, সাহাবায়ে কিরাম (ইসলামের দুশমন পাপিষ্ঠ কাব বিন আশরাফকে হত্যা করে) যখন বাকিউল গারকাদে পৌঁছলেন, তখন সবাই “আল্লাহু আকবার” বলে ধ্বনি দিলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে রাতে নামাজে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি যখন তাঁদের তাকবির-ধ্বনি শুনতে পেলেন, তিনিও তাকবির-ধ্বনি দিলেন এবং বুঝতে পারলেন যে, তাঁরা তাকে হত্যা করে ফেলেছে। অতঃপর সাহাবায়ে কিরাম তাঁর নিকট পৌঁছলে তিনি বললেন, সফল হোক (তোমাদের) চেহারাগুলো। তাঁরা প্রতিউত্তরে বললেন, এবং আপনার চেহারাও (সফল হোক), হে আল্লাহর রাসুল। তাঁরা তার (কর্তিত) মাথা তাঁর সামনে ফেললে তিনি তার নিহত হওয়ায় আল্লাহর প্রশংসা করলেন।’ (ফাতহুল বারি : ৭/৩৪০, প্রকাশনী : দারুল মারিফা, বৈরুত)
    সালাফের আচরণ:
    قِتَالِهِمْ وَقَاتَلَهُمْ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَذَكَرَ فِيهِمْ سُنَّةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُتَضَمِّنَةَ لِقِتَالِهِمْ وَفَرِحَ بِقَتْلِهِمْ وَسَجَدَ لِلَّهِ شُكْرًا لَمَّا رَأَى أَبَاهُمْ مَقْتُولًا وَهُوَ ذُو الثدية
    ‘আলি রা. খারিজিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন, তাদের সাথে যুদ্ধের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাদের নিহত হওয়ায় তিনি আনন্দিত হয়েছেন এবং তাদের নেতা জুস-সুদাইয়াকে নিহত দেখে শুকরিায় স্বরূপ সিজদা দিয়েছেন।’ (মাজমুউল ফাতাওয়া : ২০/৩৯৪-৩৯৫, প্রকাশনী : মাজমাউল মালিক ফাহাদ, মদিনা)
    قِيلَ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ: الرَّجُلُ يَفْرَحُ بِمَا يَنْزِلُ بِأَصْحَابِ ابْنِ أَبِي دُؤَادَ، عَلَيْهِ فِي ذَلِكَ إِثْمٌ؟، قَالَ: وَمَنْ لَا يَفْرَحُ بِهَذَا؟
    ‘ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ.-কে জিজ্ঞাসা করা হলো, (দ্বীন বিকৃতিকারী ও ইসলামের চরম ক্ষতিকারী) ইবনে আবু দাউদের অনুসারী কারও বিপদে খুশি হলে কি গুনাহ হবে? তিনি উত্তরে বললেন, কে এতে খুশি হবে না!? অর্থাৎ সকল মুমিনই এতে খুশি হবে।’ (আস-সুন্নাহ, খাল্লাল : ৫/১২১, হা. নং ১৭৬৯, প্রকাশনী : দারুর রায়া, রিয়াদ)
    قَالَ سَلَمَةُ بنُ شَبِيْبٍ: كُنْتُ عِنْدَ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، فَجَاءنَا مَوْتُ عَبْدِ المَجِيْدِ، وَذَلِكَ فِي سَنَةِ سِتٍّ وَمائَتَيْنِ، فَقَالَ: الحَمْدُ للهِ الَّذِي أَرَاحَ أُمَّةَ مُحَمَّدٍ مِنْ عَبْدِ المَجِيْدِ
    ‘সালামা বিন শাবিব রহ. বলেন, আমি ইমাম আব্দুর রাজ্জাক রহ.-এর নিকট বসা ছিলাম। ইতিমধ্যে তাঁর নিকট (মুরজিয়াদের নেতা) আব্দুল মাজিদের মৃত্যু সংবাদ পৌঁছল। সময়টি ছিল তখন ২০৬ হিজরি। সংবাদ শুনে তিনি বলে উঠলেন, সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি উম্মতে মুহাম্মাদিকে আব্দুল মাজিদ থেকে নিষ্কৃতি দিয়েছেন।’ (সিয়ারু আলামিন নুবালা : ৯/৪৩৫, প্রকাশনী : মুআসসাসাতুর রিসালা, বৈরুত)
    وهب بن وهب بن وهب بن كبير بن عبد الله بن زمعة بن الأسود بن المطلب بن أسد بن عبد العزى بن قصي القاضي أبو البختري القرشي المدني... ولما بلغ ابن المهدي موته قال: الحمد لله الذي أراح المسلمين منه.
    ‘ইমাম আব্দুর রহমান বিন মাহদি রহ.-এর নিকট অহাব বিন অহাব কুরাশির মৃত্যু সংবাদ পৌঁছলে বললেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি মুসলমানদেরকে তার থেকে স্বস্তি দান করেছেন।’ (লিসানুল মিজান: ৮/৪০২, প্রকাশনী : দারুল বাশাইরিল ইসলামিয়্যা, বৈরুত)
    الحسن بن صافي بن بزدن التُّرْكِيُّ كَانَ مِنْ أَكَابِرِ أُمَرَاءِ بَغْدَادَ الْمُتَحَكِّمِينَ فِي الدَّوْلَةِ، وَلَكِنَّهُ كَانَ رَافِضِيًّا خَبِيثًا مُتَعَصِّبًا لِلرَّوَافِضِ، وَكَانُوا فِي خِفَارَتِهِ وَجَاهِهِ، حَتَّى أَرَاحَ اللَّهُ الْمُسْلِمِينَ مِنْهُ فِي هَذِهِ السَّنَةِ فِي ذِي الْحِجَّةِ مِنْهَا، وَدُفِنَ بِدَارِهِ ثُمَّ نُقِلَ إلى مقابر قريش فلله الحمد والمنة. وحين مات فرح أهل السنة بموته فرحاً شديداً، وأظهروا الشكر لله، فلا تجد أحداً منهم إلا يحمد الله، فغضب الشيعة من ذلك، ونشأت بينهم فتنة بسبب ذلك
    ‘হাসান বিন সাফি বাগদাদের একজন স্বৈরাচারী গভর্নর ছিল। কিন্তু সে ছিল একজন নিকৃষ্ট রাফিজি ও রাফিজিদের পক্ষপাতিত্বকারী। রাফিজিরা সবাই তার তত্ত্বাবধান ও প্রভাবে চলত। অতঃপর এই বছর (৫৬৮ হিজরিতে) জিলহজ মাসে আল্লাহ তাআলা তার থেকে মুসলমানদের নিষ্কৃতি দিয়েছেন। প্রথমে তাকে তার বাসস্থানেই দাফন করা হয়েছিল, অতঃপর কুরাইশদের গোরস্থানে তাকে স্থানান্তরিত করা হয়। সুতরাং সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই। সে মারা যাওয়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী সবাই অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিল এবং আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল। তুমি এমন কাউকে পাবে না, যে এ সংবাদে “আল-হামদুলিল্লাহ” বলেনি। এতে শিয়ারা ক্ষুব্ধ হয়েছিল এবং এর কারণে তাদের মাঝে ফিতনা ছড়িয়ে পড়েছিল।’ (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ১২/৩৩৮, প্রকাশনী : দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরুত)
    عبيد الله بن عبد الله بن الحسين أبو القاسم الخفاف، المعروف بابن النقيب... كتبت عنه وكان سماعه صحيحا، وكان شديدا في السنة، وبلغني أنه جلس للتهنئة لما مات ابن المعلم شيخ الرافضة وقال: ما أبالي أي وقت مت بعد أن شاهدت موت ابن المعلم.‘ইবনুন নাকিব উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ রহ.। ...(খতিবে বাগদাদি রহ. বলেন,) আমি তার থেকে হাদিস লিখেছি এবং তাঁর হাদিসশ্রবণ সঠিক। তিনি সুন্নাতের কঠোর পাবন্দ ছিলেন। আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, যখন তাঁর কাছে রাফিজিদের শাইখ ইবনুল মুআল্লিমের মৃত্যু-সংবাদ পৌঁছল, তখন তিনি অভিনন্দন জানানোর জন্য বসে গেলেন এবং বললেন, ‘ইবনুল মুআল্লিমের মৃত্যু দেখার পর আমার আর কোনো পরোয়া নেই যে, আমি কখন মারা যাব।’ (তারিখু বাগদাদ : ১২/১১৬, প্রকাশনী : দারুল গারবিল ইসলামি, বৈরুত)
    এরকম প্রসিদ্ধ পাপাচারী, গোমরাহকারী, বিদআতি ও কাফিরদের মৃত্যুর সংবাদে খুশি হওয়ার দৃষ্টান্ত আরও অনেক আছে। সব উল্লেখ করলে আলোচনা নাতিদীর্ঘ হয়ে যাবে এবং পাঠক বিরক্ত হয়ে পড়বে। আত্মসমর্পণকারী মুমিন ও বিবেকবানদের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ।
    এসব দলিল ও বর্ণনায় আমরা দেখতে পেলাম, কাফিরদের ওপর আপতিত বিপদকে আল্লাহ তাআলা মুমিনদের জন্য নিয়ামত বলে ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজে কাফিরদের মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং শুকরিয়ার সালাতও আদায় করেছেন। তাঁর সাহাবায়ে কিরামও তেমনটি করেছেন। পরবর্তী সালাফ যাঁরা, তাঁরাও এর ব্যতিক্রম করেননি। আমাদের অনুসরণীয় এমন কোনো সালাফকে পাওয়া যাবে না, যিনি কাফির ও ইসলামের দুশমনদের মৃত্যুতে দুঃখিত হতে বা ‘ইন্নালিল্লাহ’ পড়তে বলেছেন। যে পথে আমাদের প্রিয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চলেছেন, যে পথে তাঁর সাহাবা চলেছেন এবং যে পথে আমাদের সালাফ চলেছেন, সেটাই আমাদের পথ, সেটাই আমাদের মত।
    বিশ্ব কুফফার গোষ্ঠী যতই আমাদের মানবতার সবক শেখাক না কেন, আমরা তাদের ফাঁকা বুলিতে ধোঁকা খাওয়ার মতো মুসলিম নই। তাদের চালবাজি আর দ্বিমুখী আচরণ চক্ষুষ্মান কোনো মুমিনের আজ অজানা নয়। যেখানে জিম্মি কাফিরদের ব্যাপারেই ইসলাম নমনীয় নয়, সেখানে হারিব কাফিরদের জন্য আমাদের অজ্ঞ মুসলিম ভাইদের মায়াকান্না দেখলে বড় অবাক লাগে। সমস্যা হলো, আমরা কাফিরদের মিথ্যা বুলি ও প্রোপাগাণ্ডায় বিভ্রান্ত হতে পছন্দ করি, ভালোবাসি তাদের চাল-চলন ও আচার-আচরণকে এবং ফলো করি তাদের সকল আদেশ-নিষেধ ও মিথ্যা সংবাদকে। বস্তুত যতদিন না আমরা প্রকৃত তাওহিদ ও ওয়ালা বারা শিখব এবং রাসুলের পূর্ণাঙ্গ সিরাত অনুসরণ করব, ততদিন এভাবে আমাদের ধোঁকা খেয়েই যেতে হবে।
    আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে, কাফিরদের ওপর আপতিত কোনো বিপদে মুসলমানদেরও কমবেশি ক্ষতি হতে পারে, কিন্তু উভয়ের ফলাফল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই এসব বিপদে কোনো মুমিন আক্রান্ত হলে আমরা অবশ্যই তার জন্য দুআ ও সাধ্যমতো সেবা-শুশ্রূষা করব, কিন্তু এর কারণে এটাকে কাফিরদের ওপর আজাব হওয়ার বিষয়টিকে অস্বীকার করা যাবে না। এ ধরনের বিপদগুলো কাফিরদের জন্য আজাব স্বরূপ আসে, আর মুমিনদের জন্য নিয়ামত হিসেবে আবির্ভূত হয়। এতে কাফিররা মারা গেলে তাদের জন্য রয়েছে প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, যেখানে মুমিনদের জন্য রয়েছে শাহাদাতের মর্যাদা ও জান্নাতের শীতল ছায়া। তাই কাফিরদের ওপর আল্লাহর এ আজাব দেখে আমাদের ব্যথিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তাদের এ বিপর্যয়ে বরং মুমিনদের আনন্দিত হওয়া উচিত। হ্যাঁ, এ বিপদের কিয়দংশ মুমিনদের গায়েও লাগতে পারে, কিন্তু সেটা আজাব হিসেবে নয়; বরং রহমত ও চিরমুক্তির পরোয়ানা হিসেবে।
    এটাই সুন্নাহ যে, ইসলামের দুশমন যারা, তাদের মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করা হবে, শুকরিয়ার সালাত আদায় করা হবে এবং অন্যদের কাছে এটাকে সুসংবাদ হিসেবে বলা হবে। এমন লোকদের মৃত্যুতে আমরা অবশ্যই আনন্দিত হই, যারা আমাদের অসংখ্য মুমিন ভাইকে হত্যা করেছে, আমাদের অগণিত বোনকে ধর্ষণ করেছে, হাজার হাজার জনপদ বিরান করেছে, পুরো বিশ্বে ত্রাস ও ভীতির রাজত্ব কায়েম করেছে; চাই তাদের মৃত্যু মুমিনদের পাল্টা আক্রমণে হোক কিংবা আসমানি কোনো মুসিবতের কারণে হোক। এমন লোকদের মৃত্যু আমাদেরকে সামান্যও ব্যথিত করে না।
    ইসলামের দুশনদের বিপদে একজন খাঁটি মুমিন কখনো মর্মাহত হতে পারে না। ইমানি মর্যাদাবোধ তাকে এমনটা করতে প্রবলভাবে বাধা দিবে। কুফফার গোষ্ঠীর মানবতার বুলি ও প্রোপাগাণ্ডার বিপরীতে আমার ইমান কতটা দৃঢ়, এতে কিছুটা হলেও আঁচ পাওয়া যাবে। আল্লাহ আমাদের প্রকৃত মুমিন হওয়ার তাওফিক দিন, যারা মুমিনদের প্রতি হবে রহমদিল, আর কাফিরদের ব্যাপারে হবে অত্যন্ত কঠোর।
    কাফির ও ইসলামের শত্রুদের বিপদে আনন্দ প্রকাশ! ================================= . বর্তমান সময়ের আমাদের উদারমনা অজ্ঞ মুসলিমদের এ বিষয়টি জানা খুবই জরুরি যে, কাফির ও ইসলামের দুশমনদের মৃত্যু বা বিপদে আমাদের দুঃখিত হওয়া উচিত নাকি আনন্দিত হওয়া। এসব ক্ষেত্রে দেখা যায়, কিছু মানুষ আনন্দিত হয়, ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ পড়ে এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে। কিন্তু এর বিপরীতে অধিকাংশ মানুষ কারও মৃত্যু বা বিপদে আনন্দ প্রকাশকে বিকৃত চিন্তা ও ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ বলে মনে করে এবং এটাকে চরম মানবতা পরিপন্থী কর্ম হিসেবে বিবেচনা করে; চাই সে যার মৃত্যু বা বিপদই হোক না কেন। আমাদের সমাজের লোকদের এমন উদার মানসিকতা মূলত কুরআন-সুন্নাহ ও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সিরাত থেকে অর্জিত নয়; বরং অজ্ঞাতবশত কিংবা কুফফার গোষ্ঠীর ধোঁকাপূর্ণ মানবতার বুলি থেকেই তাদের এমন চিন্তা-ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। অথচ তারা যদি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সালাফের জীবনী অধ্যয়ন করত, তাহলে স্পষ্টই দেখতে পেত, সবার মৃত্যুতে তাঁদের আচরণ একরকম ছিল না। মুমিন ও নেককারদের মৃত্যু আর কাফির ও বিভ্রান্তকারী ফাসিকদের মৃত্যুতে তাঁদের প্রতিক্রিয়া অভিন্ন ছিল না; বরং দু’ক্ষেত্রে তাঁদের কর্মপদ্ধতি ও আচরণ ছিল ভিন্ন ভিন্ন। চলুন তাহলে, কুরআন-হাদিস ও সালাফের আচরণের দিকে আমরা একটু ফিরে তাকাই। কুরআনের ভাষ্য: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ جَاءَتْكُمْ جُنُودٌ فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحاً وَجُنُوداً لَمْ تَرَوْهَا وَكَانَ اللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيراً ‘হে মুমিনগণ, তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামতের কথা স্মরণ করো, যখন শত্রুবাহিনী তোমাদের নিকটবর্তী হয়েছিল, অতঃপর আমি তাদের বিরুদ্ধে ঝঞ্ঝাবায়ু ও এমন সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেছিলাম, যাদেরকে তোমরা দেখতে না। তোমরা যা করো, আল্লাহ তা দেখেন।’ (সুরা আল-আহজাব : ০৯) লক্ষ্য করুন, এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা কাফিরদের প্রতি আল্লাহর প্রেরিত আসমানি মুসিবত ও অদৃশ্য সেনাদলের সাহায্যকে মুমিনদের জন্য নিয়ামত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এতে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে, ইসলামের শত্রু কাফিরদের ওপর কোনো বালা-মুসিবত আসলে সেটা মুমিনদের জন্য নিয়ামত। আর নিয়ামতে যে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে হয়, তাতে কোনো মুমিনের দ্বিমত থাকতে পারে না। হাদিসের ভাষ্য: عَنْ أَبِي قَتَادَةَ بْنِ رِبْعِيٍّ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرَّ عَلَيْهِ بِجِنَازَةٍ، فَقَالَ: مُسْتَرِيحٌ وَمُسْتَرَاحٌ مِنْهُ. قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا المُسْتَرِيحُ وَالمُسْتَرَاحُ مِنْهُ؟ قَالَ: العَبْدُ المُؤْمِنُ يَسْتَرِيحُ مِنْ نَصَبِ الدُّنْيَا وَأَذَاهَا إِلَى رَحْمَةِ اللَّهِ، وَالعَبْدُ الفَاجِرُ يَسْتَرِيحُ مِنْهُ العِبَادُ وَالبِلاَدُ، وَالشَّجَرُ وَالدَّوَابُّ. ‘কাতাদা বিন রিবয়ি আনসারি রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ণনা করেন, একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পাশ দিয়ে একটি জানাজা নিয়ে যাওয়া হলো। তিনি বললেন, সে নিজে স্বস্তি লাভ করল কিংবা তার থেকে অন্যরা স্বস্তি পেল। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্‌র রাসুল, “সে নিজে স্বস্তি লাভ করল কিংবা তার থেকে অন্যরা স্বস্তি পেল” এর ব্যাখ্যা কী? তিনি বললেন, মুমিন বান্দা দুনিয়ার কষ্ট-ক্লেশ থেকে মুক্তি পেয়ে আল্লাহ্‌র রহমত অভিমুখে যাত্রা করে স্বস্তি লাভ করে। আর নাফরমান বান্দা থেকে সকল মানুষ, শহর-বন্দর, বৃক্ষলতা ও জীবজন্তু স্বস্তি লাভ করে।’ (সহিহুল বুখারি: ৮/১০৭, হা. নং ৬৫১২, প্রকাশনী : দারু তাওকিন নাজাত, বৈরুত) হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানি রহ. এ হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেন : وَقَالَ الدَّاوُدِيُّ أَمَّا اسْتِرَاحَةُ الْعِبَادِ فَلِمَا يَأْتِي بِهِ مِنَ الْمُنْكَرِ فَإِنْ أَنْكَرُوا عَلَيْهِ آذَاهُمْ وَإِنْ تَرَكُوهُ أَثِمُوا وَاسْتِرَاحَةُ الْبِلَادِ مِمَّا يَأْتِي بِهِ مِنَ الْمَعَاصِي فَإِنَّ ذَلِكَ مِمَّا يَحْصُلُ بِهِ الْجَدْبُ فَيَقْتَضِي هَلَاكَ الْحَرْثِ وَالنَّسْلِ... وَيَحْتَمِلُ أَنْ يَكُونَ الْمُرَادُ بِرَاحَةِ الْعِبَادِ مِنْهُ لِمَا يَقَعُ لَهُمْ مِنْ ظُلْمِهِ وَرَاحَةُ الْأَرْضِ مِنْهُ لِمَا يَقَعُ عَلَيْهَا مِنْ غَصْبِهَا وَمَنْعِهَا مِنْ حَقِّهَا وَصَرْفِهِ فِي غَيْرِ وَجْهِهِ وَرَاحَةِ الدَّوَابِّ مِمَّا لَا يَجُوزُ مِنْ إِتْعَابِهَا ‘আল্লামা দাউদি রহ. বলেন, (কাফিরের মৃত্যুতে) মানুষের স্বস্তির কারণ হলো, সে (জীবিত থাকাবস্থায়) শরিয়াবিরোধী কর্মকাণ্ড করত। এতে লোকেরা বাধা দিলে তাদের কষ্ট দিত আর বাধা না দিলে নিজেরা গুনাহগার হতো। আর শহর-বন্দরের স্বস্তির কারণ হলো, গুনাহ ও পাপাচার থেকে মুক্তি পাওয়া। কেননা, এর কারণে দুর্ভিক্ষ-অনাবৃষ্টি আসে; যার কারণে শস্যক্ষেত্র ও জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ...এটাও হতে পারে যে, মানুষের স্বস্তি পাওয়া বলতে তার জুলুম-অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়া। জগতের স্বস্তি পাওয়া বলতে তার জবরদখল, জমির অধিকার বিনষ্ট ও অপাত্রে ব্যবহার থেকে মুক্তি। আর জীবজন্তুর স্বস্তি বলতে অবৈধভাবে কষ্ট দেওয়া থেকে মুক্তি।’ (ফাতহুল বারি : ১১/৩৬৫, প্রকাশনী : দারুল মারিফা, বৈরুত) عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى يَوْمَ بُشِّرَ بِرَأْسِ أَبِي جَهْلٍ رَكْعَتَيْنِ ‘আব্দুল্লাহ বিন আবু আওফা রা. থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে আবু জাহলের মাথা কর্তনের ব্যাপারে সুসংবাদ দেওয়া হলে তিনি দু’রাকআত (শুকরিয়ার) নামাজ পড়লেন।’ (সুনানু ইবনি মাজাহ : ১/৪৪৫, হা. নং ১৩৯১, প্রকাশনী : দারু ইহইয়াইল কুতুবিল আরাবিয়্যা, বৈরুত) এ হাদিসটিতে লক্ষ্য করুন, আবু জাহলের মাথা কর্তনকে সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সাহাবায়ে কিরামও জানতেন যে, ইসলামের দুশমন ও কাফিরদের মৃত্যু মুসলমানদের জন্য সুসংবাদ। দ্বিতীয়ত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ খবর শুনে রাগ বা দুঃখপ্রকাশ তো দূরে থাক, উল্টো অনেক খুশি হয়েছেন। তৃতীয়ত, কেবল খুশিই হননি; বরং শুকরিয়া স্বরূপ দু’রাকআত নামাজও আদায় করেছেন। وَفِي رِوَايَةِ بن سَعْدٍ فَلَمَّا بَلَغُوا بَقِيعَ الْغَرْقَدِ كَبَّرُوا وَقَدْ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تِلْكَ اللَّيْلَةَ يُصَلِّي فَلَمَّا سَمِعَ تَكْبِيرَهُمْ كَبَّرَ وَعَرَفَ أَنْ قَدْ قَتَلُوهُ ثُمَّ انْتَهَوْا إِلَيْهِ فَقَالَ أَفْلَحَتِ الْوُجُوهُ فَقَالُوا وَوَجْهُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَرَمُوا رَأْسَهُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَحَمِدَ اللَّهَ عَلَى قَتْلِهِ ‘ইবনে সাদের বর্ণনায় এসেছে, সাহাবায়ে কিরাম (ইসলামের দুশমন পাপিষ্ঠ কাব বিন আশরাফকে হত্যা করে) যখন বাকিউল গারকাদে পৌঁছলেন, তখন সবাই “আল্লাহু আকবার” বলে ধ্বনি দিলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে রাতে নামাজে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি যখন তাঁদের তাকবির-ধ্বনি শুনতে পেলেন, তিনিও তাকবির-ধ্বনি দিলেন এবং বুঝতে পারলেন যে, তাঁরা তাকে হত্যা করে ফেলেছে। অতঃপর সাহাবায়ে কিরাম তাঁর নিকট পৌঁছলে তিনি বললেন, সফল হোক (তোমাদের) চেহারাগুলো। তাঁরা প্রতিউত্তরে বললেন, এবং আপনার চেহারাও (সফল হোক), হে আল্লাহর রাসুল। তাঁরা তার (কর্তিত) মাথা তাঁর সামনে ফেললে তিনি তার নিহত হওয়ায় আল্লাহর প্রশংসা করলেন।’ (ফাতহুল বারি : ৭/৩৪০, প্রকাশনী : দারুল মারিফা, বৈরুত) সালাফের আচরণ: قِتَالِهِمْ وَقَاتَلَهُمْ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَذَكَرَ فِيهِمْ سُنَّةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُتَضَمِّنَةَ لِقِتَالِهِمْ وَفَرِحَ بِقَتْلِهِمْ وَسَجَدَ لِلَّهِ شُكْرًا لَمَّا رَأَى أَبَاهُمْ مَقْتُولًا وَهُوَ ذُو الثدية ‘আলি রা. খারিজিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন, তাদের সাথে যুদ্ধের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাদের নিহত হওয়ায় তিনি আনন্দিত হয়েছেন এবং তাদের নেতা জুস-সুদাইয়াকে নিহত দেখে শুকরিায় স্বরূপ সিজদা দিয়েছেন।’ (মাজমুউল ফাতাওয়া : ২০/৩৯৪-৩৯৫, প্রকাশনী : মাজমাউল মালিক ফাহাদ, মদিনা) قِيلَ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ: الرَّجُلُ يَفْرَحُ بِمَا يَنْزِلُ بِأَصْحَابِ ابْنِ أَبِي دُؤَادَ، عَلَيْهِ فِي ذَلِكَ إِثْمٌ؟، قَالَ: وَمَنْ لَا يَفْرَحُ بِهَذَا؟ ‘ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ.-কে জিজ্ঞাসা করা হলো, (দ্বীন বিকৃতিকারী ও ইসলামের চরম ক্ষতিকারী) ইবনে আবু দাউদের অনুসারী কারও বিপদে খুশি হলে কি গুনাহ হবে? তিনি উত্তরে বললেন, কে এতে খুশি হবে না!? অর্থাৎ সকল মুমিনই এতে খুশি হবে।’ (আস-সুন্নাহ, খাল্লাল : ৫/১২১, হা. নং ১৭৬৯, প্রকাশনী : দারুর রায়া, রিয়াদ) قَالَ سَلَمَةُ بنُ شَبِيْبٍ: كُنْتُ عِنْدَ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، فَجَاءنَا مَوْتُ عَبْدِ المَجِيْدِ، وَذَلِكَ فِي سَنَةِ سِتٍّ وَمائَتَيْنِ، فَقَالَ: الحَمْدُ للهِ الَّذِي أَرَاحَ أُمَّةَ مُحَمَّدٍ مِنْ عَبْدِ المَجِيْدِ ‘সালামা বিন শাবিব রহ. বলেন, আমি ইমাম আব্দুর রাজ্জাক রহ.-এর নিকট বসা ছিলাম। ইতিমধ্যে তাঁর নিকট (মুরজিয়াদের নেতা) আব্দুল মাজিদের মৃত্যু সংবাদ পৌঁছল। সময়টি ছিল তখন ২০৬ হিজরি। সংবাদ শুনে তিনি বলে উঠলেন, সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি উম্মতে মুহাম্মাদিকে আব্দুল মাজিদ থেকে নিষ্কৃতি দিয়েছেন।’ (সিয়ারু আলামিন নুবালা : ৯/৪৩৫, প্রকাশনী : মুআসসাসাতুর রিসালা, বৈরুত) وهب بن وهب بن وهب بن كبير بن عبد الله بن زمعة بن الأسود بن المطلب بن أسد بن عبد العزى بن قصي القاضي أبو البختري القرشي المدني... ولما بلغ ابن المهدي موته قال: الحمد لله الذي أراح المسلمين منه. ‘ইমাম আব্দুর রহমান বিন মাহদি রহ.-এর নিকট অহাব বিন অহাব কুরাশির মৃত্যু সংবাদ পৌঁছলে বললেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি মুসলমানদেরকে তার থেকে স্বস্তি দান করেছেন।’ (লিসানুল মিজান: ৮/৪০২, প্রকাশনী : দারুল বাশাইরিল ইসলামিয়্যা, বৈরুত) الحسن بن صافي بن بزدن التُّرْكِيُّ كَانَ مِنْ أَكَابِرِ أُمَرَاءِ بَغْدَادَ الْمُتَحَكِّمِينَ فِي الدَّوْلَةِ، وَلَكِنَّهُ كَانَ رَافِضِيًّا خَبِيثًا مُتَعَصِّبًا لِلرَّوَافِضِ، وَكَانُوا فِي خِفَارَتِهِ وَجَاهِهِ، حَتَّى أَرَاحَ اللَّهُ الْمُسْلِمِينَ مِنْهُ فِي هَذِهِ السَّنَةِ فِي ذِي الْحِجَّةِ مِنْهَا، وَدُفِنَ بِدَارِهِ ثُمَّ نُقِلَ إلى مقابر قريش فلله الحمد والمنة. وحين مات فرح أهل السنة بموته فرحاً شديداً، وأظهروا الشكر لله، فلا تجد أحداً منهم إلا يحمد الله، فغضب الشيعة من ذلك، ونشأت بينهم فتنة بسبب ذلك ‘হাসান বিন সাফি বাগদাদের একজন স্বৈরাচারী গভর্নর ছিল। কিন্তু সে ছিল একজন নিকৃষ্ট রাফিজি ও রাফিজিদের পক্ষপাতিত্বকারী। রাফিজিরা সবাই তার তত্ত্বাবধান ও প্রভাবে চলত। অতঃপর এই বছর (৫৬৮ হিজরিতে) জিলহজ মাসে আল্লাহ তাআলা তার থেকে মুসলমানদের নিষ্কৃতি দিয়েছেন। প্রথমে তাকে তার বাসস্থানেই দাফন করা হয়েছিল, অতঃপর কুরাইশদের গোরস্থানে তাকে স্থানান্তরিত করা হয়। সুতরাং সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই। সে মারা যাওয়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী সবাই অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিল এবং আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল। তুমি এমন কাউকে পাবে না, যে এ সংবাদে “আল-হামদুলিল্লাহ” বলেনি। এতে শিয়ারা ক্ষুব্ধ হয়েছিল এবং এর কারণে তাদের মাঝে ফিতনা ছড়িয়ে পড়েছিল।’ (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ১২/৩৩৮, প্রকাশনী : দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরুত) عبيد الله بن عبد الله بن الحسين أبو القاسم الخفاف، المعروف بابن النقيب... كتبت عنه وكان سماعه صحيحا، وكان شديدا في السنة، وبلغني أنه جلس للتهنئة لما مات ابن المعلم شيخ الرافضة وقال: ما أبالي أي وقت مت بعد أن شاهدت موت ابن المعلم.‘ইবনুন নাকিব উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ রহ.। ...(খতিবে বাগদাদি রহ. বলেন,) আমি তার থেকে হাদিস লিখেছি এবং তাঁর হাদিসশ্রবণ সঠিক। তিনি সুন্নাতের কঠোর পাবন্দ ছিলেন। আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, যখন তাঁর কাছে রাফিজিদের শাইখ ইবনুল মুআল্লিমের মৃত্যু-সংবাদ পৌঁছল, তখন তিনি অভিনন্দন জানানোর জন্য বসে গেলেন এবং বললেন, ‘ইবনুল মুআল্লিমের মৃত্যু দেখার পর আমার আর কোনো পরোয়া নেই যে, আমি কখন মারা যাব।’ (তারিখু বাগদাদ : ১২/১১৬, প্রকাশনী : দারুল গারবিল ইসলামি, বৈরুত) এরকম প্রসিদ্ধ পাপাচারী, গোমরাহকারী, বিদআতি ও কাফিরদের মৃত্যুর সংবাদে খুশি হওয়ার দৃষ্টান্ত আরও অনেক আছে। সব উল্লেখ করলে আলোচনা নাতিদীর্ঘ হয়ে যাবে এবং পাঠক বিরক্ত হয়ে পড়বে। আত্মসমর্পণকারী মুমিন ও বিবেকবানদের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ। এসব দলিল ও বর্ণনায় আমরা দেখতে পেলাম, কাফিরদের ওপর আপতিত বিপদকে আল্লাহ তাআলা মুমিনদের জন্য নিয়ামত বলে ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজে কাফিরদের মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং শুকরিয়ার সালাতও আদায় করেছেন। তাঁর সাহাবায়ে কিরামও তেমনটি করেছেন। পরবর্তী সালাফ যাঁরা, তাঁরাও এর ব্যতিক্রম করেননি। আমাদের অনুসরণীয় এমন কোনো সালাফকে পাওয়া যাবে না, যিনি কাফির ও ইসলামের দুশমনদের মৃত্যুতে দুঃখিত হতে বা ‘ইন্নালিল্লাহ’ পড়তে বলেছেন। যে পথে আমাদের প্রিয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চলেছেন, যে পথে তাঁর সাহাবা চলেছেন এবং যে পথে আমাদের সালাফ চলেছেন, সেটাই আমাদের পথ, সেটাই আমাদের মত। বিশ্ব কুফফার গোষ্ঠী যতই আমাদের মানবতার সবক শেখাক না কেন, আমরা তাদের ফাঁকা বুলিতে ধোঁকা খাওয়ার মতো মুসলিম নই। তাদের চালবাজি আর দ্বিমুখী আচরণ চক্ষুষ্মান কোনো মুমিনের আজ অজানা নয়। যেখানে জিম্মি কাফিরদের ব্যাপারেই ইসলাম নমনীয় নয়, সেখানে হারিব কাফিরদের জন্য আমাদের অজ্ঞ মুসলিম ভাইদের মায়াকান্না দেখলে বড় অবাক লাগে। সমস্যা হলো, আমরা কাফিরদের মিথ্যা বুলি ও প্রোপাগাণ্ডায় বিভ্রান্ত হতে পছন্দ করি, ভালোবাসি তাদের চাল-চলন ও আচার-আচরণকে এবং ফলো করি তাদের সকল আদেশ-নিষেধ ও মিথ্যা সংবাদকে। বস্তুত যতদিন না আমরা প্রকৃত তাওহিদ ও ওয়ালা বারা শিখব এবং রাসুলের পূর্ণাঙ্গ সিরাত অনুসরণ করব, ততদিন এভাবে আমাদের ধোঁকা খেয়েই যেতে হবে। আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে, কাফিরদের ওপর আপতিত কোনো বিপদে মুসলমানদেরও কমবেশি ক্ষতি হতে পারে, কিন্তু উভয়ের ফলাফল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই এসব বিপদে কোনো মুমিন আক্রান্ত হলে আমরা অবশ্যই তার জন্য দুআ ও সাধ্যমতো সেবা-শুশ্রূষা করব, কিন্তু এর কারণে এটাকে কাফিরদের ওপর আজাব হওয়ার বিষয়টিকে অস্বীকার করা যাবে না। এ ধরনের বিপদগুলো কাফিরদের জন্য আজাব স্বরূপ আসে, আর মুমিনদের জন্য নিয়ামত হিসেবে আবির্ভূত হয়। এতে কাফিররা মারা গেলে তাদের জন্য রয়েছে প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, যেখানে মুমিনদের জন্য রয়েছে শাহাদাতের মর্যাদা ও জান্নাতের শীতল ছায়া। তাই কাফিরদের ওপর আল্লাহর এ আজাব দেখে আমাদের ব্যথিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তাদের এ বিপর্যয়ে বরং মুমিনদের আনন্দিত হওয়া উচিত। হ্যাঁ, এ বিপদের কিয়দংশ মুমিনদের গায়েও লাগতে পারে, কিন্তু সেটা আজাব হিসেবে নয়; বরং রহমত ও চিরমুক্তির পরোয়ানা হিসেবে। এটাই সুন্নাহ যে, ইসলামের দুশমন যারা, তাদের মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করা হবে, শুকরিয়ার সালাত আদায় করা হবে এবং অন্যদের কাছে এটাকে সুসংবাদ হিসেবে বলা হবে। এমন লোকদের মৃত্যুতে আমরা অবশ্যই আনন্দিত হই, যারা আমাদের অসংখ্য মুমিন ভাইকে হত্যা করেছে, আমাদের অগণিত বোনকে ধর্ষণ করেছে, হাজার হাজার জনপদ বিরান করেছে, পুরো বিশ্বে ত্রাস ও ভীতির রাজত্ব কায়েম করেছে; চাই তাদের মৃত্যু মুমিনদের পাল্টা আক্রমণে হোক কিংবা আসমানি কোনো মুসিবতের কারণে হোক। এমন লোকদের মৃত্যু আমাদেরকে সামান্যও ব্যথিত করে না। ইসলামের দুশনদের বিপদে একজন খাঁটি মুমিন কখনো মর্মাহত হতে পারে না। ইমানি মর্যাদাবোধ তাকে এমনটা করতে প্রবলভাবে বাধা দিবে। কুফফার গোষ্ঠীর মানবতার বুলি ও প্রোপাগাণ্ডার বিপরীতে আমার ইমান কতটা দৃঢ়, এতে কিছুটা হলেও আঁচ পাওয়া যাবে। আল্লাহ আমাদের প্রকৃত মুমিন হওয়ার তাওফিক দিন, যারা মুমিনদের প্রতি হবে রহমদিল, আর কাফিরদের ব্যাপারে হবে অত্যন্ত কঠোর।
    0 Comments 0 Shares
  • তাগুত কাকে বলে? প্রধান তাগুত কারা?
    ===========================================
    লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لآ اِلَهَ اِلّا اللّهُ) এর প্রধান দাবি কী?
    - লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لآ اِلَهَ اِلّا اللّهُ) এর প্রদান দাবি হচ্ছে তাগুতকে বর্জন করা, যা বাক্যটির প্রথম অংশেই বলা হয়েছে।
    মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা বলেন,
    أَلا لَهُ الْخَلْقُ وَالأَمْرُ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ
    জেনে রেখ, সৃষ্টি তাঁর, হুকুমও (চলবে) তাঁর, বরকতময় আল্লাহ বিশ্বজগতের প্রতিপালক। সুরাতুল আ’রাফ, আয়াত- ৫৪
    اِنِ الۡحُکۡمُ اِلَّا لِلّٰہِ ؕ اَمَرَ اَلَّا تَعۡبُدُوۡۤا اِلَّاۤ اِیَّاہُ ؕ ذٰلِکَ الدِّیۡنُ الۡقَیِّمُ وَ لٰکِنَّ اَکۡثَرَ النَّاسِ لَا یَعۡلَمُوۡنَ
    আল্লাহ ছাড়া কোন বিধান দাতা নেই। তিনি আদেশ করেছেন যে, তোমরা তাঁকে ছাড়া আর কারো ‘ইবাদাত করবে না, এটাই সঠিক দ্বীন, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই তা জানে না। সুরাতুল ইউসুফ, আয়াত- ৪০
    لَاۤ اِکۡرَاہَ فِی الدِّیۡنِ ۟ۙ قَدۡ تَّبَیَّنَ الرُّشۡدُ مِنَ الۡغَیِّ ۚ فَمَنۡ یَّکۡفُرۡ بِالطَّاغُوۡتِ وَ یُؤۡمِنۡۢ بِاللّٰہِ فَقَدِ اسۡتَمۡسَکَ بِالۡعُرۡوَۃِ الۡوُثۡقٰی ٭ لَا انۡفِصَامَ لَہَا ؕ وَ اللّٰہُ سَمِیۡعٌ عَلِیۡمٌ
    দীন গ্রহণের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয় হিদায়াত স্পষ্ট হয়েছে ভ্রষ্টতা থেকে। অতএব, যে ব্যক্তি তাগূতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, অবশ্যই সে মজবুত রশি আঁকড়ে ধরে, যা ছিন্ন হবার নয়। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। সুরাতুল বাক্কারা, আয়াত- ২৫৬
    তাগুত কাকে বলে?
    - তাগুত হচ্ছে ঐসব ব্যক্তি, যারা মানুষকে আল্লাহ ব্যতীত নিজেদের আনুগত্যের দিকে আহ্বান করে এবং আল্লাহর আইনের বিপরীতে নিজেরাই আইন তৈরি করে মানুষকে তা মেনে চলতে বাধ্য করে।
    ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন, "তাগুত হচ্ছে ঐ সকল উপাস্য, নেতা-নেত্রী যাদের আনুগত্য করতে গিয়ে সীমালঙ্ঘন করা হয়। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে বাদ দিয়ে যাদের কাছে বিচার-ফায়সালা চাওয়া হয় অথবা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদাত করা হয়।
    অথবা আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন দলিল-প্রমাণ ছাড়া যাদের আনুগত্য করা হয়। অথবা আল্লাহর আনুগত্য মনে করে যে সকল গাইরুল্লাহর আকীদাহ ইবাদাত করা হয়। এরাই হলো পৃথিবীর বড় বড় তাগুত।
    তুমি যদি এই তাগুতগুলো এবং মানুষের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য কর তবে অধিকাংশ মানুষকেই দেখতে পাবে যে, তারা আল্লাহর ইবাদাতের পরিবর্তে তাগুতের ইবাদাত করে। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের কাছে (কুরআন ও সুন্নাহর কাছে) বিচারফায়সালা চাওয়ার পরিবর্তে তাগুতের কাছে বিচার-ফায়সালা নিয়ে যায়। আল্লাহ এবং রাসূলের আনুগত্য করার পরিবর্তে তাগুতের আনুগত্য করে। আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে তাগুতের নির্দেশ পালন করে।" [১]
    মুহাম্মাদ হামেদ আল-ফী (রহ.) বলেন, তাগুত সম্পর্কে সালাফদের বিভিন্ন বক্তব্য থেকে যা জানা যায় তার সারমর্ম হলো:
    "আল্লাহর আনুগত্য, আল্লাহর রাসূলের আনুগত্য ও ইবাদাত এবং আল্লাহর জন্য দ্বীনকে একনিষ্ঠ করার পরিবর্তে যাদের আনুগত্য ও ইবাদাত করা হয় অথবা আল্লাহর ইবাদাতের সঙ্গে যাদেরকে মাধ্যম হিসেবে অথবা আল্লাহর অংশীদার হিসেবে আনুগত্য করা হয় তারা সকলেই তাগুত।
    এ তাগুত জিন শয়তান, মানুষ শয়তান, গাছ, পাথর ইত্যাদি সবই হতে পারে। এমনিভাবে আল্লাহর আইন বাতিল করে মানবরচিত সকল আইন-কানুন অবশ্যই এই তাগুতের অন্তর্ভুক্ত।
    যেমন: আল্লাহর হুদুদ, হাদ্দল কিসাস (খুনের বদলে খুন), হাদুস সারিকা (চোরের হাত কাটার বিধান), হাদ্য যিনা (যিনা-ব্যভিচারের শাস্তি)। এমনিভাবে আল্লাহর হারামকৃত বস্তুকে হালাল করা। যেমন, সুদকে হালাল করে দেয়া, যিনা-ব্যভিচারকে হালাল করে দেয়া।
    মানবরচিত সকল আইন-কানুন যেমন তাগুত, তেমনিভাবে যারা এগুলো তৈরি করেছে, যারা এ সকল মানবরচিত আইনে বিচার-ফায়সালা করে সেসব বিচারক এবং যারা মানবরচিত আইনের বিচার-ফায়সালাকে বাস্তবায়ন করে সে সকল বাহিনী এবং যারা এই মানবরচিত সংবিধান পরিচালনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত তারাও তাগুত।
    এমনিভাবে আল্লাহর নাযিলকৃত বিধানের পরিবর্তে যে সকল আইনের বই রচনা করা হয়েছে সে বইগুলো এবং যারা এগুলো রচনা করেছে চাই তারা জেনে-বুঝে রচনা করুক বা বুঝে করুক তারা সকলেই রাসূলুল্লাহ যে সত্য নিয়ে এসেছিলেন তা হতে লোকদেরকে ফিরিয়ে রাখার কারণে অর্থাৎ আল্লাহর ইবাদাত ও আনুগত্য থেকে ফিরিয়ে গায়রুল্লাহর ইবাদাত ও আনুগত্যের দিকে আহ্বান করার কারণে তাগুত বলে বিবেচিত। [২]
    প্রধান প্রধান তাগুত কারা?
    - বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে তাগুতের সংখ্যা অনেক। তবে ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) পাঁচ ধরনের তাগুতকে প্রধান তাগুত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা উলামাদের নিকট সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। সেগুলো হলো:
    ১। শয়তান : গাইরুল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বানকারী শয়তান।
    ২। শাসক : আল্লাহর আইন পরিবর্তনকারী জালেম শাসক।
    ৩। বিচারক : আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান বা আইন ছাড়া যে বিচার ফায়সালা করে।
    ৪। গণক : যাদুকর, জ্যোতিষী অথবা আল্লাহ ছাড়া যে ব্যক্তি ইলমে গায়েব।
    জানে বলে দাবী করে।
    ৫। পীর-ফকীর, দরবেশ, সন্ন্যাসী প্রবৃত্তি ও বাপদাদার অন্ধ অনুসরণ।
    তাগুত কাকে বলে? প্রধান তাগুত কারা? =========================================== লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لآ اِلَهَ اِلّا اللّهُ) এর প্রধান দাবি কী? - লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لآ اِلَهَ اِلّا اللّهُ) এর প্রদান দাবি হচ্ছে তাগুতকে বর্জন করা, যা বাক্যটির প্রথম অংশেই বলা হয়েছে। মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা বলেন, أَلا لَهُ الْخَلْقُ وَالأَمْرُ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ জেনে রেখ, সৃষ্টি তাঁর, হুকুমও (চলবে) তাঁর, বরকতময় আল্লাহ বিশ্বজগতের প্রতিপালক। সুরাতুল আ’রাফ, আয়াত- ৫৪ اِنِ الۡحُکۡمُ اِلَّا لِلّٰہِ ؕ اَمَرَ اَلَّا تَعۡبُدُوۡۤا اِلَّاۤ اِیَّاہُ ؕ ذٰلِکَ الدِّیۡنُ الۡقَیِّمُ وَ لٰکِنَّ اَکۡثَرَ النَّاسِ لَا یَعۡلَمُوۡنَ আল্লাহ ছাড়া কোন বিধান দাতা নেই। তিনি আদেশ করেছেন যে, তোমরা তাঁকে ছাড়া আর কারো ‘ইবাদাত করবে না, এটাই সঠিক দ্বীন, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই তা জানে না। সুরাতুল ইউসুফ, আয়াত- ৪০ لَاۤ اِکۡرَاہَ فِی الدِّیۡنِ ۟ۙ قَدۡ تَّبَیَّنَ الرُّشۡدُ مِنَ الۡغَیِّ ۚ فَمَنۡ یَّکۡفُرۡ بِالطَّاغُوۡتِ وَ یُؤۡمِنۡۢ بِاللّٰہِ فَقَدِ اسۡتَمۡسَکَ بِالۡعُرۡوَۃِ الۡوُثۡقٰی ٭ لَا انۡفِصَامَ لَہَا ؕ وَ اللّٰہُ سَمِیۡعٌ عَلِیۡمٌ দীন গ্রহণের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয় হিদায়াত স্পষ্ট হয়েছে ভ্রষ্টতা থেকে। অতএব, যে ব্যক্তি তাগূতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, অবশ্যই সে মজবুত রশি আঁকড়ে ধরে, যা ছিন্ন হবার নয়। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। সুরাতুল বাক্কারা, আয়াত- ২৫৬ তাগুত কাকে বলে? - তাগুত হচ্ছে ঐসব ব্যক্তি, যারা মানুষকে আল্লাহ ব্যতীত নিজেদের আনুগত্যের দিকে আহ্বান করে এবং আল্লাহর আইনের বিপরীতে নিজেরাই আইন তৈরি করে মানুষকে তা মেনে চলতে বাধ্য করে। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন, "তাগুত হচ্ছে ঐ সকল উপাস্য, নেতা-নেত্রী যাদের আনুগত্য করতে গিয়ে সীমালঙ্ঘন করা হয়। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে বাদ দিয়ে যাদের কাছে বিচার-ফায়সালা চাওয়া হয় অথবা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদাত করা হয়। অথবা আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন দলিল-প্রমাণ ছাড়া যাদের আনুগত্য করা হয়। অথবা আল্লাহর আনুগত্য মনে করে যে সকল গাইরুল্লাহর আকীদাহ ইবাদাত করা হয়। এরাই হলো পৃথিবীর বড় বড় তাগুত। তুমি যদি এই তাগুতগুলো এবং মানুষের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য কর তবে অধিকাংশ মানুষকেই দেখতে পাবে যে, তারা আল্লাহর ইবাদাতের পরিবর্তে তাগুতের ইবাদাত করে। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের কাছে (কুরআন ও সুন্নাহর কাছে) বিচারফায়সালা চাওয়ার পরিবর্তে তাগুতের কাছে বিচার-ফায়সালা নিয়ে যায়। আল্লাহ এবং রাসূলের আনুগত্য করার পরিবর্তে তাগুতের আনুগত্য করে। আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে তাগুতের নির্দেশ পালন করে।" [১] মুহাম্মাদ হামেদ আল-ফী (রহ.) বলেন, তাগুত সম্পর্কে সালাফদের বিভিন্ন বক্তব্য থেকে যা জানা যায় তার সারমর্ম হলো: "আল্লাহর আনুগত্য, আল্লাহর রাসূলের আনুগত্য ও ইবাদাত এবং আল্লাহর জন্য দ্বীনকে একনিষ্ঠ করার পরিবর্তে যাদের আনুগত্য ও ইবাদাত করা হয় অথবা আল্লাহর ইবাদাতের সঙ্গে যাদেরকে মাধ্যম হিসেবে অথবা আল্লাহর অংশীদার হিসেবে আনুগত্য করা হয় তারা সকলেই তাগুত। এ তাগুত জিন শয়তান, মানুষ শয়তান, গাছ, পাথর ইত্যাদি সবই হতে পারে। এমনিভাবে আল্লাহর আইন বাতিল করে মানবরচিত সকল আইন-কানুন অবশ্যই এই তাগুতের অন্তর্ভুক্ত। যেমন: আল্লাহর হুদুদ, হাদ্দল কিসাস (খুনের বদলে খুন), হাদুস সারিকা (চোরের হাত কাটার বিধান), হাদ্য যিনা (যিনা-ব্যভিচারের শাস্তি)। এমনিভাবে আল্লাহর হারামকৃত বস্তুকে হালাল করা। যেমন, সুদকে হালাল করে দেয়া, যিনা-ব্যভিচারকে হালাল করে দেয়া। মানবরচিত সকল আইন-কানুন যেমন তাগুত, তেমনিভাবে যারা এগুলো তৈরি করেছে, যারা এ সকল মানবরচিত আইনে বিচার-ফায়সালা করে সেসব বিচারক এবং যারা মানবরচিত আইনের বিচার-ফায়সালাকে বাস্তবায়ন করে সে সকল বাহিনী এবং যারা এই মানবরচিত সংবিধান পরিচালনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত তারাও তাগুত। এমনিভাবে আল্লাহর নাযিলকৃত বিধানের পরিবর্তে যে সকল আইনের বই রচনা করা হয়েছে সে বইগুলো এবং যারা এগুলো রচনা করেছে চাই তারা জেনে-বুঝে রচনা করুক বা বুঝে করুক তারা সকলেই রাসূলুল্লাহ যে সত্য নিয়ে এসেছিলেন তা হতে লোকদেরকে ফিরিয়ে রাখার কারণে অর্থাৎ আল্লাহর ইবাদাত ও আনুগত্য থেকে ফিরিয়ে গায়রুল্লাহর ইবাদাত ও আনুগত্যের দিকে আহ্বান করার কারণে তাগুত বলে বিবেচিত। [২] প্রধান প্রধান তাগুত কারা? - বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে তাগুতের সংখ্যা অনেক। তবে ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) পাঁচ ধরনের তাগুতকে প্রধান তাগুত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা উলামাদের নিকট সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। সেগুলো হলো: ১। শয়তান : গাইরুল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বানকারী শয়তান। ২। শাসক : আল্লাহর আইন পরিবর্তনকারী জালেম শাসক। ৩। বিচারক : আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান বা আইন ছাড়া যে বিচার ফায়সালা করে। ৪। গণক : যাদুকর, জ্যোতিষী অথবা আল্লাহ ছাড়া যে ব্যক্তি ইলমে গায়েব। জানে বলে দাবী করে। ৫। পীর-ফকীর, দরবেশ, সন্ন্যাসী প্রবৃত্তি ও বাপদাদার অন্ধ অনুসরণ।
    0 Comments 0 Shares
  • ভেক মূষিকের যুদ্ধ
    গাত্র গন্ধে তার, কাছে থাকা ভার,
    দেখিয়া পলায় নাগে।।
    ঘনাইল কাল নারাচ বিশাল
    পশিল হৃদয় মাঝে।
    মরে লশুনাশী, শ্ৰীভোগ বিলাসী,
    নিবেদিল মূষারগঞ্জে।।
    কর্দ্দমজ বীর, শোকেতে অস্থির,
    লশুনাশী মৃত্যু হেতু।
    ঘোষিল ভীষণ, প্রলয়ে যেমন,
    মহাকাল বৃষকেতু।।
    লাফে লাফে গিয়া, ধরে আকৰ্ষিয়া,
    মূষিক মঞ্চ-নিবাসে।
    ধরিয়া তাহায়, হ্রদে লয়ে যায়,
    অচেতন মূষা ত্রাসে।।
    ঘন ঘন জলে, ডুব মারি চলে,
    নিশ্বাস হইল রোধ।
    মারিয়া উন্দূরে, শোক গেল দূরে,
    দিল ভাল প্রতিশোধ।।
    হোথায় সংগ্রামে, শস্যহারী নামে,
    অার এক ধনুৰ্দ্ধর।
    ভেক মূষিকের যুদ্ধ গাত্র গন্ধে তার, কাছে থাকা ভার, দেখিয়া পলায় নাগে।। ঘনাইল কাল নারাচ বিশাল পশিল হৃদয় মাঝে। মরে লশুনাশী, শ্ৰীভোগ বিলাসী, নিবেদিল মূষারগঞ্জে।। কর্দ্দমজ বীর, শোকেতে অস্থির, লশুনাশী মৃত্যু হেতু। ঘোষিল ভীষণ, প্রলয়ে যেমন, মহাকাল বৃষকেতু।। লাফে লাফে গিয়া, ধরে আকৰ্ষিয়া, মূষিক মঞ্চ-নিবাসে। ধরিয়া তাহায়, হ্রদে লয়ে যায়, অচেতন মূষা ত্রাসে।। ঘন ঘন জলে, ডুব মারি চলে, নিশ্বাস হইল রোধ। মারিয়া উন্দূরে, শোক গেল দূরে, দিল ভাল প্রতিশোধ।। হোথায় সংগ্রামে, শস্যহারী নামে, অার এক ধনুৰ্দ্ধর।
    0 Comments 0 Shares
  • হাতি এবং গাধা
    -----------------------
    আমেরিকাকে নিয়ে আল্লাহ কুরআনে কি কিছু বলেছেন? আল্লাহ বলেছেন, যারা চোখ আছে দেখে না, কান আছে শুনে না, অন্তর আছে চিন্তা করে না, তারা চতুষ্পদ প্রাণীর চেয়ে অধম। এটাই হলো আমেরিকা।
    আল্লাহ কুরআনে দুই রকম চতুষ্পদ জন্তু নিয়ে আলোচনা করেছেন। একটা হলো হস্তীবাহিনী। মানে হাতির দল। আরেকটা হলো গাধা।
    আল্লাহ হাতির দলকে ধ্বংস করেছেন, এবং গাধার ডাককে সর্বনিকৃষ্ট ডাক বলেছেন। অর্থাৎ চতুষ্পদ প্রাণী বলতে হাতি এবং গাধা বুঝিয়েছেন। আর আমেরিকার প্রধান দুই দলের প্রতীক হলো হাতি ও গাধা। সারা পৃথিবীজুড়ে ডেমোক্র্যাটিক ও রিপাবলিকান ব্লকের নেটওয়ার্ক আছে। এই নেটওয়ার্কের সবাই চতুষ্পদ জন্তুর অন্তর্ভুক্ত। তারা মনে করে সব ক্ষমতার মালিক আমেরিকা। কিন্তু পৃথিবীর অবস্থা ভিন্ন, যা তারা চোখ দিয়ে দেখে না, কান দিয়ে শুনে না, অন্তর দিয়ে চিন্তা করে না। ফলে তারা শেষ যুগের ইসলামের বিজয় সম্পর্কে কোন ধারনাই রাখে না।
    হাতি এবং গাধা ----------------------- আমেরিকাকে নিয়ে আল্লাহ কুরআনে কি কিছু বলেছেন? আল্লাহ বলেছেন, যারা চোখ আছে দেখে না, কান আছে শুনে না, অন্তর আছে চিন্তা করে না, তারা চতুষ্পদ প্রাণীর চেয়ে অধম। এটাই হলো আমেরিকা। আল্লাহ কুরআনে দুই রকম চতুষ্পদ জন্তু নিয়ে আলোচনা করেছেন। একটা হলো হস্তীবাহিনী। মানে হাতির দল। আরেকটা হলো গাধা। আল্লাহ হাতির দলকে ধ্বংস করেছেন, এবং গাধার ডাককে সর্বনিকৃষ্ট ডাক বলেছেন। অর্থাৎ চতুষ্পদ প্রাণী বলতে হাতি এবং গাধা বুঝিয়েছেন। আর আমেরিকার প্রধান দুই দলের প্রতীক হলো হাতি ও গাধা। সারা পৃথিবীজুড়ে ডেমোক্র্যাটিক ও রিপাবলিকান ব্লকের নেটওয়ার্ক আছে। এই নেটওয়ার্কের সবাই চতুষ্পদ জন্তুর অন্তর্ভুক্ত। তারা মনে করে সব ক্ষমতার মালিক আমেরিকা। কিন্তু পৃথিবীর অবস্থা ভিন্ন, যা তারা চোখ দিয়ে দেখে না, কান দিয়ে শুনে না, অন্তর দিয়ে চিন্তা করে না। ফলে তারা শেষ যুগের ইসলামের বিজয় সম্পর্কে কোন ধারনাই রাখে না।
    0 Comments 0 Shares
  • সংস্কৃতি কিভাবে ধ্বংস করা হয়
    ========================================
    সভ্য সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে হয় অপসংস্কৃতি দিয়ে। সংস্কৃতি অর্থ একটা জনপদের কালচার। তাদের বাস্তব আবেগ, রীতিনীতি, প্রথা ইত্যাদি। যেমন আবহমান বাঙ্গালী কালচার হচ্ছে সুবহে সাদিকে নামাজ পড়ে কুরআন তিলাওয়াত করা। জমিজিরাত, ব্যবসা বাণিজ্য করা, ঈদে নতুন জামা পরে সেমাই খেয়ে ঈদগাহে যাওয়া, বিবাহ শাদী করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা। ইত্যাদি। সংস্কৃতি অর্থ কিন্তু উপন্যাস নাটক সিনেমা নাচ গান অবৈধ প্রেম প্রীতি নয়। যেগুলোকে এখন আমরা সংস্কৃতি মনে করি। বরং এগুলো হচ্ছে সংস্কৃতি ধ্বংসকারী অপসংস্কৃতি। যে যত বেশি শক্তিমান অভিনেতা, যে যত বেশি খ্যাতিমান শিল্পী সে তত বেশি সংস্কৃতি ধ্বংসকারী। এটা কিভাবে করা হয়? মানুষের কাছে সংস্কৃতি বিষয়ে ভুল ধারনা দেয়া হয়। মানুষকে বাস্তব জীবন তথা বাস্তব সংস্কৃতি থেকে ফিরিয়ে রুপালি পর্দার বা সুরের মায়াজালে মোহিত করা হয়। এর পুরোটিই একটি বানিজ্যিক ব্যাপার। কিন্তু সংস্কৃতির নামে তা সেল দেয়া হয় এবং মানুষের মগজ ধোলাই করা হয়। এভাবে একসময় মানুষ অপসংস্কৃতিকে নিজস্ব সংস্কৃতি মনে করে এবং হাজার বছরের আসল সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলে। যেমন ধরুন ভারতীয় অভিনেতারা হলো সংস্কৃতির অনেক বড় ধংসকারী। শাহরুখ খান নামে একজন অভিনেতার মতে, তিনি মুসলমান বা হিন্দু কোনটাই নয়, তিনি একজন ভারতীয় এটাই তার পরিচয়। তিনি একজন হিন্দু বিয়ে করেছেন। তার সন্তানদের তিনি ধর্মীয় পরিচয় শিক্ষা দেননি। এসব প্রচারের মাধ্যমে তিনি ভারতীয় মুসলমানদের হাজার বছরের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে চলে গেলেন এবং নতুন অপসংস্কৃতি চালু করলেন। এরকমভাবে লেখক, চিত্রকর, শিল্পীদের মাধ্যমে অজস্র নতুন অপসংস্কৃতি এসব অঞ্চলে প্রবেশ করছে যা আদতে এসব অঞ্চলের ইতিহাসে কখনো ছিল না। এভাবেই সংস্কৃতিকে অপসংস্কৃতি দ্বারা ধ্বংস করা হয়। বন্দুক ঠেকিয়ে কখনো সংষ্কৃতিকে ধ্বংস করা যায় না। আর এর পেছনে আড়ালে কাজ করে দুই মাস্টার মাইন্ড, একটি হলো জ্বীন শয়তান ও ইবলিস, আর অন্যটি হলো মানুষ শয়তান বা দাজ্জাল ও তার অনুসারী, যাদের মধ্যে কেউ ইচ্ছাকৃত শয়তান, আবার কেউ ক্ষমতার লোভে বশঃবর্তী হইয়া এসম্পর্কে কোন জ্ঞান না থাকাতে দাজ্জালের অনুসারী তাগুদ শয়তান।
    সংস্কৃতি ধংসের এ খেলা বর্তমানে সমাজের আনাচে-কানাচে প্রতিটা সেক্টরে চলে। যেমন চিকিৎসা, রাজনীতি, ধর্ম, শিক্ষা, বিনোদন ইত্যাদি। রাজনীতিকে অপরাজনীতি দ্বারা, ধর্মকে তথাকথিত মানব-ধর্ম দ্বারা ধ্বংস করা হয়। ধর্মের পুরাতন রীতিনীতিকে অস্বীকার করে নতুন টেস্টামেন্ট বা বিদআত তৈরি করে ধর্মকে সমাজ, রাষ্ট্র বিশ্ব নীতে থেকে দূরে ঠেলে দেয়া হয়। এমনকি বিনোদনকে অপবিনোদন অর্থাৎ অশ্লীলতা, বেহায়াপনা দ্বারা রূপান্তর করে সমাজকে আল্লাহর ক্রোধের স্বীকার হতে বাধ্য করা। সেটা অনেক বড় বিষয়, শয়তানের পুরাতন কৌশলও বটে।
    সংস্কৃতি কিভাবে ধ্বংস করা হয় ======================================== সভ্য সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে হয় অপসংস্কৃতি দিয়ে। সংস্কৃতি অর্থ একটা জনপদের কালচার। তাদের বাস্তব আবেগ, রীতিনীতি, প্রথা ইত্যাদি। যেমন আবহমান বাঙ্গালী কালচার হচ্ছে সুবহে সাদিকে নামাজ পড়ে কুরআন তিলাওয়াত করা। জমিজিরাত, ব্যবসা বাণিজ্য করা, ঈদে নতুন জামা পরে সেমাই খেয়ে ঈদগাহে যাওয়া, বিবাহ শাদী করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা। ইত্যাদি। সংস্কৃতি অর্থ কিন্তু উপন্যাস নাটক সিনেমা নাচ গান অবৈধ প্রেম প্রীতি নয়। যেগুলোকে এখন আমরা সংস্কৃতি মনে করি। বরং এগুলো হচ্ছে সংস্কৃতি ধ্বংসকারী অপসংস্কৃতি। যে যত বেশি শক্তিমান অভিনেতা, যে যত বেশি খ্যাতিমান শিল্পী সে তত বেশি সংস্কৃতি ধ্বংসকারী। এটা কিভাবে করা হয়? মানুষের কাছে সংস্কৃতি বিষয়ে ভুল ধারনা দেয়া হয়। মানুষকে বাস্তব জীবন তথা বাস্তব সংস্কৃতি থেকে ফিরিয়ে রুপালি পর্দার বা সুরের মায়াজালে মোহিত করা হয়। এর পুরোটিই একটি বানিজ্যিক ব্যাপার। কিন্তু সংস্কৃতির নামে তা সেল দেয়া হয় এবং মানুষের মগজ ধোলাই করা হয়। এভাবে একসময় মানুষ অপসংস্কৃতিকে নিজস্ব সংস্কৃতি মনে করে এবং হাজার বছরের আসল সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলে। যেমন ধরুন ভারতীয় অভিনেতারা হলো সংস্কৃতির অনেক বড় ধংসকারী। শাহরুখ খান নামে একজন অভিনেতার মতে, তিনি মুসলমান বা হিন্দু কোনটাই নয়, তিনি একজন ভারতীয় এটাই তার পরিচয়। তিনি একজন হিন্দু বিয়ে করেছেন। তার সন্তানদের তিনি ধর্মীয় পরিচয় শিক্ষা দেননি। এসব প্রচারের মাধ্যমে তিনি ভারতীয় মুসলমানদের হাজার বছরের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে চলে গেলেন এবং নতুন অপসংস্কৃতি চালু করলেন। এরকমভাবে লেখক, চিত্রকর, শিল্পীদের মাধ্যমে অজস্র নতুন অপসংস্কৃতি এসব অঞ্চলে প্রবেশ করছে যা আদতে এসব অঞ্চলের ইতিহাসে কখনো ছিল না। এভাবেই সংস্কৃতিকে অপসংস্কৃতি দ্বারা ধ্বংস করা হয়। বন্দুক ঠেকিয়ে কখনো সংষ্কৃতিকে ধ্বংস করা যায় না। আর এর পেছনে আড়ালে কাজ করে দুই মাস্টার মাইন্ড, একটি হলো জ্বীন শয়তান ও ইবলিস, আর অন্যটি হলো মানুষ শয়তান বা দাজ্জাল ও তার অনুসারী, যাদের মধ্যে কেউ ইচ্ছাকৃত শয়তান, আবার কেউ ক্ষমতার লোভে বশঃবর্তী হইয়া এসম্পর্কে কোন জ্ঞান না থাকাতে দাজ্জালের অনুসারী তাগুদ শয়তান। সংস্কৃতি ধংসের এ খেলা বর্তমানে সমাজের আনাচে-কানাচে প্রতিটা সেক্টরে চলে। যেমন চিকিৎসা, রাজনীতি, ধর্ম, শিক্ষা, বিনোদন ইত্যাদি। রাজনীতিকে অপরাজনীতি দ্বারা, ধর্মকে তথাকথিত মানব-ধর্ম দ্বারা ধ্বংস করা হয়। ধর্মের পুরাতন রীতিনীতিকে অস্বীকার করে নতুন টেস্টামেন্ট বা বিদআত তৈরি করে ধর্মকে সমাজ, রাষ্ট্র বিশ্ব নীতে থেকে দূরে ঠেলে দেয়া হয়। এমনকি বিনোদনকে অপবিনোদন অর্থাৎ অশ্লীলতা, বেহায়াপনা দ্বারা রূপান্তর করে সমাজকে আল্লাহর ক্রোধের স্বীকার হতে বাধ্য করা। সেটা অনেক বড় বিষয়, শয়তানের পুরাতন কৌশলও বটে।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • আজকে মসজিদের বারান্দায় দুষ্টুমি করা শিশুরাই আগামী দিনের মুসল্লি,
    তাই তাদের বাঁধা নয় বরং উৎসাহিত করুন...
    আজকে মসজিদের বারান্দায় দুষ্টুমি করা শিশুরাই আগামী দিনের মুসল্লি, তাই তাদের বাঁধা নয় বরং উৎসাহিত করুন...
    2
    0 Comments 0 Shares
  • একটা ভাঙ্গা আয়না কে জোড়া লাগালে হয়তো তাতে আবার দেখা যায়,
    কিন্তু ভাঙ্গনের চিহৃ গুলোকে লুকানো যায় না।
    বিশ্বাস ও তেমন একটা জিনিষ, যা ভেঙ্গে যাওয়ার পর আবার সেই ব্যাক্তির ওপর
    ফিরে পাওয়া যায় না।
    একটা ভাঙ্গা আয়না কে জোড়া লাগালে হয়তো তাতে আবার দেখা যায়, কিন্তু ভাঙ্গনের চিহৃ গুলোকে লুকানো যায় না। বিশ্বাস ও তেমন একটা জিনিষ, যা ভেঙ্গে যাওয়ার পর আবার সেই ব্যাক্তির ওপর ফিরে পাওয়া যায় না।
    3
    0 Comments 0 Shares
  • 🔴একদা ফাতেমা (আঃ) নবীজীকে (সাঃ)
    জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমার পিতা, কোন
    মানুষ যদি তার নামাজকে অবহেলা করে
    তাহলে তার পরিনাম কি হবে ?🔸
    নবীজী (সাঃ) বললেন , নামাজ
    অবহেলাকারীদের জন্য আল্লাহ ১৫টি কষ্ট নির্ধারন করে রেখেছেন ,যার
    🔥৬টি জীব্বদশায়,
    🔥৩টি মৃত্যুর সময় ,
    🔥৩টি কবরে এবং
    🔥৩টি হাশরের দিবসে ।

    🔸ইহকালীন জীবনের ৬টি কষ্ট -
    🔥১) জীবনকালে তার উপর থেকে
    আল্লাহর রহমত উঠিয়ে নেয়া হবে।
    🔥২) জীবিকার ব্যাপারেও আল্লাহর
    রহমত উঠিয়ে নেয়া হবে ।
    🔥৩) তার মুখমন্ডল থেকে দয়ার চেহারা মুছে
    নেওয়া হবে ।
    🔥৪) তার কোনও আমলের বিনিময় পাবে না ।
    🔥৫) তার কোন দোয়া গ্রহনীয় হবে না ।
    🔥৬) অন্য কোন বান্দা আল্লাহর
    রহমতের জন্য যে দোয়া পাঠায় , সেই
    দোয়ার
    মধ্যে সে অন্তভুক্ত হবে না ।

    🔸মৃত্যুর সময় ৩টি কষ্ট -
    🔥১)সে অসম্মানজনক অবস্থায় মৃত্যুবরন করবে ।
    🔥২) ক্ষুধার্ত অবস্থায় মৃত্যুবরন করবে ।
    🔥৩) পিপাসার্ত অবস্থায় মৃত্যুবরন করবে ।

    🔸কবরে ৩টি কষ্ট-
    🔥১) কবরে সবসময় আযাব দেবার জন্য
    ফেরেশতা নিয়োগ ।
    🔥২) কবর খুবই সংর্কীন হয়ে যাবে।
    🔥৩) কবর তার জন্য ভয়াবহ অন্ধকারে
    পরিনত হবে ।

    🔸 হাশরের দিবসের ৩টি কষ্ট -
    🔥১) তার চেহারার উপর আঘাত করার জন্য
    ফেরেশতা নিয়োগ ।
    🔥২) সে খুবই কঠিনভাবে হিসাব নিকাশের
    সম্মুখীন হবে ।
    🔥৩) পাপমোচনতো দূরের কথা , আল্লাহ তার দিকে মনযোগ দিবেন নাও খুবই যন্ত্রনাদায়ক শাস্তির মুখোমুখি হবে।
    আল্লাহ আমাদের নামাজ আদায়ের তৌফিক দান করুন💧
    🌺🌺আমীন🌺🌺
    🔴একদা ফাতেমা (আঃ) নবীজীকে (সাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমার পিতা, কোন মানুষ যদি তার নামাজকে অবহেলা করে তাহলে তার পরিনাম কি হবে ?🔸 নবীজী (সাঃ) বললেন , নামাজ অবহেলাকারীদের জন্য আল্লাহ ১৫টি কষ্ট নির্ধারন করে রেখেছেন ,যার 🔥৬টি জীব্বদশায়, 🔥৩টি মৃত্যুর সময় , 🔥৩টি কবরে এবং 🔥৩টি হাশরের দিবসে । 🔸ইহকালীন জীবনের ৬টি কষ্ট - 🔥১) জীবনকালে তার উপর থেকে আল্লাহর রহমত উঠিয়ে নেয়া হবে। 🔥২) জীবিকার ব্যাপারেও আল্লাহর রহমত উঠিয়ে নেয়া হবে । 🔥৩) তার মুখমন্ডল থেকে দয়ার চেহারা মুছে নেওয়া হবে । 🔥৪) তার কোনও আমলের বিনিময় পাবে না । 🔥৫) তার কোন দোয়া গ্রহনীয় হবে না । 🔥৬) অন্য কোন বান্দা আল্লাহর রহমতের জন্য যে দোয়া পাঠায় , সেই দোয়ার মধ্যে সে অন্তভুক্ত হবে না । 🔸মৃত্যুর সময় ৩টি কষ্ট - 🔥১)সে অসম্মানজনক অবস্থায় মৃত্যুবরন করবে । 🔥২) ক্ষুধার্ত অবস্থায় মৃত্যুবরন করবে । 🔥৩) পিপাসার্ত অবস্থায় মৃত্যুবরন করবে । 🔸কবরে ৩টি কষ্ট- 🔥১) কবরে সবসময় আযাব দেবার জন্য ফেরেশতা নিয়োগ । 🔥২) কবর খুবই সংর্কীন হয়ে যাবে। 🔥৩) কবর তার জন্য ভয়াবহ অন্ধকারে পরিনত হবে । 🔸 হাশরের দিবসের ৩টি কষ্ট - 🔥১) তার চেহারার উপর আঘাত করার জন্য ফেরেশতা নিয়োগ । 🔥২) সে খুবই কঠিনভাবে হিসাব নিকাশের সম্মুখীন হবে । 🔥৩) পাপমোচনতো দূরের কথা , আল্লাহ তার দিকে মনযোগ দিবেন নাও খুবই যন্ত্রনাদায়ক শাস্তির মুখোমুখি হবে। আল্লাহ আমাদের নামাজ আদায়ের তৌফিক দান করুন💧 🌺🌺আমীন🌺🌺
    1
    0 Comments 0 Shares
  • ইউরোপের ক্রুসেডে লিপ্ত হওয়ার আসল কারণ
    ইউরোপের ক্রুসেডে লিপ্ত হওয়ার আসল কারণ
    5
    0 Comments 0 Shares
Directory
Gold Member